ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেছেন, কোন দেশের সরকার গণতন্ত্র থেকে স্বৈরতন্ত্রের দিকে অগ্রসর হলে, জনগনের তথ্য জানার অধিকার কেড়ে নেয়া হয়।
শনিবার সকালে সিরডাপ মিলনায়তনে ‘তথ্য অধিকার আইনের বাস্তবায়ন: প্রায়োগিক নির্দেশিকা’ শীর্ষক টিআইবির গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।তথ্য অধিকার আইন থাকা সত্ত্বেও সরকার সব ধরনের তথ্য দিচ্ছে না অভিযোগ করে সুলতানা কামাল বলেন, একটি গণতান্ত্রিক সরকার জনগণকে সব ধরনের তথ্য দিতে বাধ্য। কিন্তু সরকার সেই তথ্য জানার অধিকার থেকে জনগণকে বঞ্চিত করছে। স্বৈরতান্ত্রিক সরকারের কাজই হচ্ছে, তথ্য জনগণকে না জানানো।তিনি বলেন, দেশের মালিক জনগণ। সুতরাং সরকার নিজ থেকেই এই সব তথ্য জনগণকে জানাবে। জাতীয় স্বার্থবিরোধী না হলে সরকার যে সব কাজ করবে, তার সবই জনগণকে জানাতে হবে।তিনি আরো বলেন, তথ্য জানার জন্য জনগনের ইচ্ছা থাকার পাশাপাশি অধিকার আদায় করে নেয়ারও মনমানসিকতা থাকতে হবে।অনুষ্ঠানে তথ্য কমিশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জমির বলেন, বিচারিক প্রক্রিয়াকে তথ্য অধিকার আইনের আওতাভুক্ত করতে হবে। এর সঙ্গে সকল রাজনৈতিক দলের থেকে তথ্য অধিকার বাস্তবায়নের অঙ্গীকার নেয়া প্রয়োজন।তিনি প্রিন্ট মিডিয়াতে তথ্য অধিকার বিষয়ক নিবন্ধন প্রকাশেরও আহবান জানান।তথ্য কমিশনের সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, তথ্য অধিকার কমিশন আইন অনুযায়ী স্বাধীন হলেও বাস্তবে তা নয়। আমাদের একার পক্ষে দেশের সকল তথ্য কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া সম্ভব নয়।তিনি বলেন, এজন্য সরকারের সদিচ্ছা এবং আন্তঃমন্তণালয়ের সভায় এ আইন বাস্তবায়নের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে সকল রাজনৈতিক দলকেও এই প্লাটফর্মে আসার আহবান জানান সাদেকা হালিম।গোলটেবিল বৈঠকে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এম হাফিজ উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কমনওয়েলথ হিউম্যান রাইটস ইনিশিয়েটিভ- এর পরিচালক মাজা দারুওয়ালা, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহিন আনাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার সকালে সিরডাপ মিলনায়তনে ‘তথ্য অধিকার আইনের বাস্তবায়ন: প্রায়োগিক নির্দেশিকা’ শীর্ষক টিআইবির গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।তথ্য অধিকার আইন থাকা সত্ত্বেও সরকার সব ধরনের তথ্য দিচ্ছে না অভিযোগ করে সুলতানা কামাল বলেন, একটি গণতান্ত্রিক সরকার জনগণকে সব ধরনের তথ্য দিতে বাধ্য। কিন্তু সরকার সেই তথ্য জানার অধিকার থেকে জনগণকে বঞ্চিত করছে। স্বৈরতান্ত্রিক সরকারের কাজই হচ্ছে, তথ্য জনগণকে না জানানো।তিনি বলেন, দেশের মালিক জনগণ। সুতরাং সরকার নিজ থেকেই এই সব তথ্য জনগণকে জানাবে। জাতীয় স্বার্থবিরোধী না হলে সরকার যে সব কাজ করবে, তার সবই জনগণকে জানাতে হবে।তিনি আরো বলেন, তথ্য জানার জন্য জনগনের ইচ্ছা থাকার পাশাপাশি অধিকার আদায় করে নেয়ারও মনমানসিকতা থাকতে হবে।অনুষ্ঠানে তথ্য কমিশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জমির বলেন, বিচারিক প্রক্রিয়াকে তথ্য অধিকার আইনের আওতাভুক্ত করতে হবে। এর সঙ্গে সকল রাজনৈতিক দলের থেকে তথ্য অধিকার বাস্তবায়নের অঙ্গীকার নেয়া প্রয়োজন।তিনি প্রিন্ট মিডিয়াতে তথ্য অধিকার বিষয়ক নিবন্ধন প্রকাশেরও আহবান জানান।তথ্য কমিশনের সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, তথ্য অধিকার কমিশন আইন অনুযায়ী স্বাধীন হলেও বাস্তবে তা নয়। আমাদের একার পক্ষে দেশের সকল তথ্য কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া সম্ভব নয়।তিনি বলেন, এজন্য সরকারের সদিচ্ছা এবং আন্তঃমন্তণালয়ের সভায় এ আইন বাস্তবায়নের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে সকল রাজনৈতিক দলকেও এই প্লাটফর্মে আসার আহবান জানান সাদেকা হালিম।গোলটেবিল বৈঠকে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এম হাফিজ উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কমনওয়েলথ হিউম্যান রাইটস ইনিশিয়েটিভ- এর পরিচালক মাজা দারুওয়ালা, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহিন আনাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন