রাজধানীর তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থী ভর্তিতে ৯ কোটি ১২ লাখ ৮১
হাজার টাকা অতিরিক্ত নিয়েছে বলে প্রমাণ পেয়েছে এই সংক্রান্ত তদন্ত কমিটি। তবে
এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত না থাকায় শিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ সত্ত্বেও এই অর্থ বেতনের সঙ্গে সমন্বয় বা ফেরত দেওয়া
হয়নি বলে বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এতে
বলা হয়, ভর্তি ফি বাবদ মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ ৩ হাজার ৫৪ জন
ছাত্রছাত্রীর কাছ থেকে ৫ কোটি ২৩ লাখ ৭৬ হাজার ১০০ টাকা, মতিঝিল আইডিয়াল
স্কুল অ্যান্ড কলেজ ২ হাজার ৬৬৭ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৩৪
হাজার ৯০০ টাকা এবং ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ১ হাজার ৬২৭
ছাত্রীর কাছ থেকে ৬৮ লাখ ১৭ হাজার ১০০ টাকা অতিরিক্ত ফি আদায় করে। শিক্ষা
মন্ত্রণালয় এই তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী
অতিরিক্ত অর্থ তাদের মাসিক বেতনের সঙ্গে সমন্বয় বা ফেরত দিতে এক মাসের সময়
দিয়ে নোটিস দিয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। এতে বলা হয়,
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিদের্শনা অনুযায়ী বিএএফ শাহীন কলেজ ও মিরপুর বাংলা
স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভর্তিতে নেওয়া অতিরিক্ত অর্থ শিক্ষার্থীদের বেতনের
সঙ্গে সমন্বয় করেছে। এছাড়া আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল সেনাসদরের অনুমতিক্রমে আগামী বছরের সেশন চার্জের সঙ্গে এই অতিরিক্ত অর্থ সমন্বয় করবে। প্রতিবেদনে
বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ মেনে ১৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিএএফ
শাহীন কলেজ ১৩১ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে আদায় করা ৭৮ হাজার ৬০০ টাকা এবং
মিরপুর বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ ৪৪০ জনের কাছ থেকে আদায় করা অর্থ তাদের
মাসিক বেতনের সঙ্গে সমন্বয় করেছে। মহানগরীর সাতটি প্রতিষ্ঠানে
শিক্ষার্থী ভর্তিতে অতিরিক্ত অর্থ নেয়নি বলে তদন্ত কমিটি জেনেছে। এছাড়া
অগ্রণী স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং শহীদ বীর উত্তম লেফটেন্যান্ট আনোয়ার গার্লস
কলেজের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। হলিক্রস বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ১
হাজার ৩৪ জন ছাত্রীর কাছ থেকে ১২ লাখ ৯৪ হাজার ৮০০ টাকা অতিরিক্ত ভর্তি ফি
আদায় করলেও এটি সরকারের এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান না হওয়ায় শিক্ষক-কর্মচারীদের
বিতন-ভাতা পরিশোধে ব্যয় হবে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে। ঢাকা
মহানগরীর ১৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ভর্তিতে নেওয়া অতিরিক্ত অর্থ
মাসিক বেতনের সঙ্গে সমন্বয় বা ফেরত দেওয়ার বিষয় খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের
একটি কমিটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন দেয়। শিক্ষামন্ত্রী
নুরুল ইসলাম নাহিদ মঙ্গলবার সংসদে জানান, শিক্ষার্থী ভর্তির সময় নেওয়া
অতিরিক্ত অর্থ আগামী এক মাসের মধ্যে ফেরত না দিলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের
নিবন্ধন বাতিল করা হবে। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে
শিক্ষার্থী ভর্তির সময় নেওয়া অতিরিক্ত অর্থ ফেরত অথবা বেতনের সঙ্গে সমন্বয়
করতে গত ৩০ জানুয়ারি নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরপরেও বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই ভর্তির সময় নেওয়া অতিরিক্ত এই অর্থ ফেরত দেয়নি বলে অভিযোগ ছিল।
Shalbon
Madhupur
বৃহস্পতিবার, ৫ জুলাই, ২০১২
বিডিআর বিচার স্থগিত ও র্যাব ভাঙার সুপারিশ
বিডিআর বিদ্রোহে অভিযুক্তদের ‘গণ বিচার’ প্রক্রিয়ায় ‘গলদ’ রয়েছে দাবি করে
তা এখনই স্থগিত করার আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস
ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। একইসঙ্গে ব্যাপক বিচার বহির্ভূত হত্যার
অভিযোগ থাকা ‘এলিট বাহিনী’ র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ভেঙে দিয়ে
একটি নতুন ‘বেসামরিক’ বাহিনী গড়ে তোলার সুপারিশ করেছে নিউ ইয়র্কভিত্তিক এ
সংস্থা। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায়
সন্দেহভাজন ও অভিযুক্তদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ এবং র্যাবের মানবাধিকার
লঙ্ঘন নিয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এইচআরডব্লিউ বলেছে, বিচারের জন্য আটক
অন্তত ৪৭ জন বিডিআর সদস্য হাজতে থাকা অবস্থায় ‘নিহত’ হয়েছেন। তাদের ওপর
নির্যাতন চালানোর প্রমাণ হিউম্যান রাইটস ওয়াচের হাতে রয়েছে। ওই সময় আটক প্রায় ৬ হাজার বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) সদস্য ন্যায়বিচার পাবেন কি না- তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে। বুধবার
রাজধানীর ব্র্যাক ইন সেন্টারে এই প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে নিউ
ইয়র্কভিত্তিক সংস্থা এইচআরডাব্লিউর দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের পরিচালক ব্র্যাড
অ্যাডামস বলেন, “র্যাব ভেঙে দিয়ে পুলিশের মধ্যে একটি অসামরিক ইউনিট বা
নতুন সংস্থা তৈরি করা হোক, যারা অপরাধ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের
সময় এর ভিত্তি হিসাবে মানবাধিকারগুলোকে গুরুত্ব দেবে।”
ফের আসছে কনকর্ড গতি ঘন্টায় ৪০০০ কিলো
বিশ্ববিখ্যাত এয়ারক্রাফট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং আর লকহিড মার্টিন মিলে
তৈরি করছে কনকর্ডের নতুন মডেল এক্স-৫৪। দুই প্রতিষ্ঠানের ইঞ্জিনিয়াররা
এক্স-৫৪ তৈরিতে সফল হলে একবারও না থেমে মাত্র ৪ ঘণ্টায় লন্ডন থেকে সিডনিতে
পৌঁছাতে পারবে প্লেনটি। খবর গিজম্যাগ-এর।অল্প সময়ে দূরের পথ পাড়ি
দিতে অনেকেরই প্রথম পছন্দ ছিলো সুপারসনিক প্যাসেঞ্জার জেট প্লেন কনকর্ড।
কিন্তু ২০০৩ সালে অবসরে যায় কনকর্ডের সবগুলো পুরোনো প্লেন। কনকর্ডের নতুন
মডেল এক্স-৫৪ তৈরি হলে এটি হবে পৃথিবীর দ্রুততম প্যাসেঞ্জার জেট প্লেন।
এটির গতি হবে প্রতি ঘণ্টায় ৪০০০ কিলোমিটার। এর ফলে মাত্র ৪ ঘণ্টায় লন্ডন
থেকে সিডনিতে পৌছাতে পারবে প্লেনটি।কনকর্ড এক্স-৫৪ নিয়ে বোয়িং ও
লকহিড মার্টিন ছাড়াও কাজ করছে প্যাসেঞ্জার জেট স্পেশালিস্ট গালফস্ট্রিম। এ
কাজেই অ্যারোনটিক্স কোম্পানিগুলো নাসার কাছ থেকেও সহযোগিতা পাচ্ছে।
বোয়িং এবং লকহিড মার্টিন কর্তৃপক্ষ এতোদিন কনকর্ড এক্স-৫৪ নিয়ে গোপনীয়তা রক্ষা করেই এসেছে। তবে ফার্নবোরো এয়ার শোতে বোয়িং, লকহিড মার্টিন এবং গালফস্ট্রিম কর্তৃপক্ষের একসঙ্গে কনকর্ডের নতুন মডেলটির ঘোষণা দেবার সম্ভাবনা আছে।
বোয়িং এবং লকহিড মার্টিন কর্তৃপক্ষ এতোদিন কনকর্ড এক্স-৫৪ নিয়ে গোপনীয়তা রক্ষা করেই এসেছে। তবে ফার্নবোরো এয়ার শোতে বোয়িং, লকহিড মার্টিন এবং গালফস্ট্রিম কর্তৃপক্ষের একসঙ্গে কনকর্ডের নতুন মডেলটির ঘোষণা দেবার সম্ভাবনা আছে।
সোমবার, ৭ মে, ২০১২
রেকর্ড সাফল্য পাসের হার ৮৬.৩৭ শতাংশ; জিপিএ-৫ পেল ৮২,২১২
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এ বছর পাসের হার ৮৬.৩৭ শতাংশ। এবারের পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৮২ হাজার ২১২ জন শিক্ষার্থী। পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে বিগত বছরগুলোর সকল রেকর্ড ভেঙ্গে এবার নতুন রেকর্ড হয়েছে। গতবছর ২০১১ সালে পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ৩১ শতাংশ। এবার গতবারের তুলনায় পাসের হার ৪ দশমিক ০৬ শতাংশ বেশি। এর আগে ২০১০ সালে এ হার ছিল ৭৮ দশমিক ১৯ শতাংশ।
জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতেও রেকর্ড
জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতেও হয়েছে রেকর্ড। গতবছরের চেয়ে এবার ৫ হাজার ৪৬৩ জন বেশি শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। ২০১১ সালে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৭৬ হাজার ৭৪৯ জন। ২০১০ সালে এ সংখ্যা ছিল ৬২ হাজার ১৩৪ জন।
প্রধানমন্ত্রীর কাছে পরীক্ষার ফল হস্তান্তর
সোমবার সকাল ১০টায় গণভবনে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
এরপর দুপুরে ৮টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডসহ মোট ১০টি বোর্ডের ফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলন থেকে এ ফল ঘোষণা করা হয়।বিভিন্ন বোর্ডে এরই মধ্যে ফল পাঠানো হয়েছে। ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, সিলেট বোর্ডে পাসের হার সবচেয়ে বেশি। এই বোর্ডে পাস করেছে ৯১.৭৮ শতাংশ পরীক্ষার্থী। এছাড়া ঢাকা বোর্ড ৮৫.৯৫ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ড ৭৮.৯৬ শতাংশ, রাজশাহী বোর্ডে ৮৮.৩৩ শতাংশ, বরিশাল বোর্ডে ৮৬.৯৬ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৮৫.৬৪ শতাংশ, যশোর বোর্ডে ৮৭.১৬ শতাংশ ও দিনাজপুর বোর্ডে ৮৭.১৬ পাস করেছে।৮ টি সাধারণ বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি মিলিয়ে মোট ১০ টি বোর্ডের অধীনে সারাদেশে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৪ লাখ ১২ হাজার ৩৭৯ জন। এদের মধ্যে পাশ করেছে ১২ লাখ ১৯ হাজার ৮৯৪ জন। সকল বোর্ড মিলিয়ে সারাদেশে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮২ হাজার ২১২ জন।৮ টি সাধারণ বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল ১০ লাখ ৪৮ হাজার ১৪৪ জন। যার মধ্যে পাস করেছে ৯ লাখ ৪ হাজার ৭৫৬ জন। সাধারণ এ বোর্ড গুলোতে পাসের হার ৮৬.৩২ শতাংশ। এ বোর্ডগুলোতে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৫ হাজার ২৫২ জন। আটটি বোর্ডে অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩৮৮ জন।সব বোর্ডের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে জিপিএ-৫ এর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৫ হাজার ৬২৯ জন। আর সবচেয়ে কম জিপিএ-৫ পেয়েছে সিলেট বোর্ড। এ বোর্ডটিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৬১১ জন।মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে এবার পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে ২ লাখ ৭৩ হাজার ৬৫ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ২ লাখ ৪১ হাজার ৫৭২ জন এবং অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থী সংখ্যা ৩১ হাজার ৪৯৩ জন। পাসের হার ৮৮.৪৭ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৪৩৬ জন। গত বছরের চেয়ে ১ হাজার ২০৫ জন বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছে।
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী অংশ নেয় ৯১ হাজার ১৭০ জন। যার মধ্যে পাস করেছে ৭৩ হাজার ৫৬৬ জন। যেখানে পাসের হার ৮০.৬৯ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৫২৪ জন। এখানে অনুত্তীর্ণ পরীক্ষার্থী সংখ্যা ১৭ হাজার ৬০৪ জন। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা গত বছরের তুলনায় ২ হাজার ৩১৯ জন বেশি।
ওই রাতে আইনজীবীকে বার বার ফোন করেও পাননি ইলিয়াস
নিখোঁজ হওয়ার আগে ওই রাতে প্রায় একঘণ্টা রাজধানীর হোটেল রূপসীবাংলায়
অবস্থান করছিলেন বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী। সেখানে তার
অনুসারী ৫ জন দলীয় কর্মী সঙ্গে ছিলেন।ওই রাতে ইলিয়াস আলী তার আইনজীবীর সঙ্গে বার বার মোবাইল ফোনে কথা বলার
চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। আইনজীবী আহসান হাবিব তার ফোন রিসিভ করেননি।পুলিশের তদন্তে এতথ্য রেরিয়ে এসেছে। আদালতের নির্দেশ মোতাবেক ইলিয়াস আলীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় ৪৮ ঘণ্টা পরপর
তদন্ত অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার অংশ হিসেবে সোমবার দেওয়া অষ্টম
প্রতিবেদন থেকে এতথ্য জানা গেছে।সোমবার বনানী থানাপুলিশের পরিদর্শক কাজী মাইনুল ইসলাম আদালতে এ প্রতিবেদন দাখিল করেন।প্রতিবেদন দাখিলের বিষয়টি বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেছেন আদালতের সংশ্লিষ্ট নন জিআর শাখার কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন।প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ১৭ এপ্রিল রাতে নিখোঁজ হওয়ার আগে ইলিয়াস
আলী তার ৫ কর্মীসহ প্রায় ১ ঘণ্টা হোটের রূপসী বাংলায় অবস্থান করেন। এসময়
কর্মীদের সঙ্গে রাজনৈতিক আলাপ ছাড়াও ইলিয়াস তার আইনজীবী খন্দকার আহসান
হাবিবের জন্য অপেক্ষা করেছিলেন। এসময় ইলিয়াস তার আইনজীবীকে বারবার ফোন
করেন। কিন্তু আইনজীবী তার ফোনকল রিসিভ করেননি।প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, হোটেলে অবস্থানকালে ইলিয়াসের শ্বশুরবাড়ির
আত্মীয় হাউজিং ব্যবসায়ী সজল ও তার পরিবারের লোকদের সঙ্গেও দেখা হয়। এরপর
তারা রাত ১২টায় বের হয়ে হোটেলের গেটের কাছে এসে দাঁড়ান। প্রথমে সজল তার
পরিবারের লোকদের নিয়ে হোটেল ত্যাগ করেন। এরপর ইলিয়াস তার ড্রাইভারকে নিয়ে
গাড়িযোগে চলে যান। অন্যরা যে যার মতো হোটেল ত্যাগ করেন।উল্লেখ্য, ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হওয়ার পর তার স্ত্রী তাহ্সীনা রুশদীর লুনা
গত ১৮ এপ্রিল রাজধানীর বনানী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে
তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৯ এপ্রিল ঢাকার একটি আদালত ইলিয়াস আলীর
বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করতে ও তদন্ত’র
অগ্রগতির প্রতিবেদন প্রতি ৪৮ ঘণ্টা পরপর আদালতে দাখিল করার নির্দেশ
দিয়েছিলেন।
গুঁড়িয়ে দেয়া হলো ওয়ান্ডারল্যান্ড
বুলডোজারের আঘাতে গুঁড়িয়ে দেয়া হলো গুলশানের ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্ক। অভিজাত
এলাকা গুলশানে শিশুদের বিনোদনের জন্য নির্মিত একমাত্র অ্যামিউজমেন্ট
পার্কটি রাজউকের বুলডোজারে আঘাতে সোমবার সকালে ধ্বংসলীলায় পরিণত হয়। বিনা
নোটিশে এবং কোন প্রকার আলাপ-আলোচনা ছাড়াই ধ্বংস করে দেয়া হলো শিশুদের
আনন্দ বিনোদনের এই পার্কটি- এমনটাই দাবি পার্ক কর্তৃপক্ষের। পার্কটির
মালিক মোস্তাফিজুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, রাজউক কোন প্রকার লিগ্যাল নোটিশ
ছাড়াই এই উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তিনি দাবি করেন, রাজউক উচ্ছেদের
নোটিশ না দেখিয়ে কেবল গায়ের জোরে পার্কটি ভেঙ্গে দিচ্ছে। বিনা নোটিশে কেন
ভাঙ্গা হচ্ছে এমন প্রশ্ন করলে রাজউক কর্তৃপক্ষ ওপরের নির্দেশে ভাঙ্গা
হচ্ছে বলে আমাকে জানায়। তিনি বাংলানিউজকে বলেন, পার্কের বিষয়টি
ডিসিসি‘র আওতাভুক্ত এবং আমরা পার্কের জায়গাটি লিজ নিয়েছিলাম ডিসিসি’র কাছ
থেকে কিন্তু ডিসিসি এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ নীরব। মোস্তাফিজ বলেন,
বিনা নোটিশে শিশুদের পার্কটি যেভাবে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে তা
মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে হার মানিয়েছে। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে শিশুদের জন্য
নির্মিত পার্কটি ধ্বংস না করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি।তিনি বলেন, আমরা রাজউকের কাছে ৯০ দিনের সময় আবেদন করেছিলাম কিন্তু তারা আমাকে একটি দিনও সময় দেয়নি। তিনি
অভিযোগ করেন, হাতে তৈরি একটি কপি আমাকে দেখিয়ে এই উচ্ছেদ কার্যক্রম
পরিচালনা করা হয়। গত ৬ মাসে রাজউক পার্কের বিষয়ে কোন মামলা করেনি। আমার
আইনজীবী রাজউককে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছে কিন্তু তারও কোন জবাব তারা দেয়নি। অন্যদিকে
উচ্ছেদের বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট রোকনউদ্দৌলা জানান, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা
অনুযায়ী আমরা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করছি। এখানে আইনের কোন ব্যত্যয় ঘটেনি।
তিনি বলেন, মানবিক কারণে আমি তাদেরকে দু’দিনের সময় দিয়েছি- যাতে
তারা তাদের জিনিসপত্র সরিয়ে নিতে পারে। তবে এই সময় রাজউকের পক্ষ থেকে নয়
বলেও তিনি জানান। পার্কটি উচ্ছেদ প্রসঙ্গে রাজউকের নির্বাহী
প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম বলেন, নোটিশের ব্যাপারে পার্ক কর্তৃপক্ষ যে অভিযোগ
করেছে তা একান্তই তাদের নিজস্ব বক্তব্য। আমরা আইন অনুযায়ী আমাদের কার্যক্রম
পরিচালনা করছি।কেবল আইনের দোহাই দিয়ে শিশুদের নির্মল বিনোদনের পার্কটি ভেঙ্গে দেয়া ঠিক হলো কিনা নুরুল ইসলাম এমন প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যান।১৯৭২
সালে ডিআইটি গুলশান পৌরসভাকে এই জায়গাটি হস্তান্তর করে। নব্বই’র দশকে
ডিসিসি ওয়ান্ডারল্যান্ড কর্তৃপক্ষকে জায়গাটি লিজ দেয়। কিন্তু লিজ
প্রক্রিয়ায় অনিয়ম থাকায় পুনরায় লিজ নবায়ন করা হয়নি। ২০০৯ সালে
রাজউক পার্কটি সরিয়ে নেয়ার জন্য নোটিশ দেয়। নোটিশের বিরুদ্ধে
ওয়ান্ডারল্যান্ড কর্তৃপক্ষ হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। আদালত রাজউককে
বর্তমান পার্কটির সমপরিমাণ জায়গা ওয়ান্ডারল্যান্ড কর্তৃপক্ষকে প্রদানের
আদেশ দেয়। কিন্তু রাজউক ঐ আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যায়।
এভাবে আদেশ পাল্টা আদেশের পর অবশেষে গত মাসের ১৮ তারিখ আপিল বিভাগের
পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি হয়। আপিল বিভাগের রায় রাজউকের পক্ষে যায়।গত
বুধবার রাজউক আদালতের রায়ের কপি হাতে পায়। অতপর সোমবার সকাল ১১টায়
ম্যাজিস্ট্রেট রোকনউদ্দৌলা’র নেতৃত্বে সকাল উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করা হয়।
চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। এদিকে শিশুদের জন্য নির্মিত অ্যামিউজমেন্ট
পার্কটিকে আইনের দোহাই দিয়ে ভেঙ্গে ফেলায় বিস্ময় প্রকাশ করেছে স্থানীয়
বাসিন্দারা। তাদের মতে, বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ না করে পার্কটি ভেঙ্গে দিয়ে
শিশুদেরকে অবহেলা করেছে।
শনিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১২
সাকিব জিতালেন কলকাতা নাইট রাইডার্সকে
বল ও ব্যাট হাতে সাকিব আল হাসানের নৈপুণ্যে কলকাতা নাইট রাইডার্স ৫ উইকেটে হারিয়েছে রাজস্থান রয়্যালসকে। সাকিব বোলিংয়ে ৪ ওভারে ১৭ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট নেওয়ার পর ব্যাট হাতে ১০ বলে করেছেন ১৬ রান। ১৭ রানে ৩ উইকেট নেওয়ার সুবাদে কলকাতা নাইট রাইডার্সের সেরা বোলার সাকিব।কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে রাজস্থান রয়্যালস। তারা ৫ উইকেটে সংগ্রহ করে ১৩১ রান। জবাবে ১৩২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১৯.২ ওভারে ৫ উইকেটে জয়ের বন্দরে চলে যায় কলকাতা নাইট রাইডার্স। সাকিব ছাড়াও গৌতম গম্ভীর (১১), জ্যাক ক্যালিস (৩১), বিসলা (২৯), তিওয়ারীও (২৪) রান করে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এর আগে অজিঙ্কয়া রাহানে ও অধিনায়ক রাহুল দ্রাবিড়ের উদ্বোধনী জুটি ৪৫ রান করলেও রাজস্থান রয়্যালস বড় স্কোর করতে পারেনি। ৭ম ওভারের প্রথম বলে রাহানেকে (১৯) আউট করে রাজস্থান রয়্যালসের প্রথম উইকেটের পতন ঘটান সাকিব আল হাসান।
এর পরের ওভারের দ্বিতীয় বলে দ্রাবিড়কেও (২৮) সাজঘরে পাঠান সাকিব। এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি করে রাজস্থান রয়্যালস। ১৭ তম ওভারে গোস্বামীকে সাজঘরে পাঠিয়ে সাকিব তুলে নেন নিজের তৃতীয় উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
রাজস্থান রেয়্যালস-১৩১/৫ (২০/২০)
কলকাতা নাইট রাইডার্স- ১৩৭/৫(১৯.২/২০)
এর পরের ওভারের দ্বিতীয় বলে দ্রাবিড়কেও (২৮) সাজঘরে পাঠান সাকিব। এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি করে রাজস্থান রয়্যালস। ১৭ তম ওভারে গোস্বামীকে সাজঘরে পাঠিয়ে সাকিব তুলে নেন নিজের তৃতীয় উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
রাজস্থান রেয়্যালস-১৩১/৫ (২০/২০)
কলকাতা নাইট রাইডার্স- ১৩৭/৫(১৯.২/২০)
রবিবার, ৮ এপ্রিল, ২০১২
মুখের ব্রন সমস্যা ও সমাধান
ব্রন যৌবনের অবাঞ্ছিত এক সমস্যা। সুন্দর মুখশ্রীর ওপর জাপটে বসে থাকে এক দৃষ্টিকটু যন্ত্রনা। ১৩ বছর থেকে ১৯ বছর বয়স পর্যন্ত প্রায় ৯০%এর এ রোগটি কমবেশি হয়ে থাকে। ২০ বছর বয়সের পর নিজে থেকেই ভাল হয়ে যায়। ব্রনের মূলে যে জিনিস তার নাম কমেডো (চাপ দিলে তাতে ভাতের দানার মতো বের হয়), তবে কখনও কখনও শুধু দানা আকারে,পুজ সহকারে গহ্বরযুক্ত দানা বা বড় গোঁটার আকারে দেখা দিতে পারে। সাধারনত মুখমন্ডলেই (গাল,নাক,কপাল,থুতনি) বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা দেয়। তা ছাড়া ঘাড়, শরীরের উপরের অংশে, হাতের উপরের অংশে ইত্যাদি স্থানেও ব্রন হয়ে থাকে।কারনঃ প্রোপাইনি ব্যাকটিরিয়াম একনিস নামক এক ধরনের জীবানু স্বাভাবিকভাবেই লোমের গোড়ায় থাকে। এন্ড্রোজেন হরমোনের প্রভাবে সেবাম-এর নিঃসরণ (মাথা,মুখ ইত্যাদি জায়গায় তেলতেলে ভাব) বেড়ে যায় এবং লোমের গোড়াতে উপস্থিত জীবানু সেবাম থেকে মুক্ত ফ্যাটি এসিড তৈরি করে। এসিডের কারণে লোমের গোড়ায় প্রদাহের সৃষ্টি হয় এবং লোমের গোড়ায় কেরাটিন জমা হতে থাকে। বয়োঃসন্ধিকালে তরুন-তরুণীদের স্বাভাবিকভাবেই এন্ড্রোজেন হরমোন নিঃসরন বেড়ে যায় বিধায় এই বয়সে বেশী ব্রন দেখা যায়। প্রজেস্টেরন হরমোনও সিবাম নিঃসরন বাড়িয়ে দেয়। কোন কারনে সিবাসিয়াস গ্রন্থিতে প্রতিবন্ধকতা দেখা দিলেও ব্রন হয়।
প্রকারভেদঃ
১. ট্রপিকাল একনি-অতিরিক্ত গরম এবং বাতাসের আর্দ্রতা বেশি হলে পিঠে, উরুতে ব্রন হয়ে থাকে।
২. প্রিমিন্সট্রুয়াল একনি- কোনো কোনো মেয়েদের মাসিকের সপ্তাহখানেক আগে ৫-১০ টির মতো ব্রন মুখে দেখা দেয়।
৩. একনি কসমেটিকা- কোনো কোনো প্রসাধনি অনেকদিন ব্যবহারে মুখে অল্প পরিমানে ব্রন হয়ে থাকে।
৪. একনি ডিটারজিকেনস- মুখ অতিরিক্তভাবে সাবান দিয়ে ধুলেও (দৈনিক ১-২ বারের বেশি) ব্রনের পরিমান বেড়ে যায়।
৫. স্টেরয়েড একনি- স্টেরয়েড ওষুধ সেবনে হঠাৎ করে ব্রন দেখা দেয়।
৬. মুখে স্টেরয়েড ক্রিম, যেমন – ডেক্সামিথাসন,বিটামিথাসন প্রেডনিসোলন জাতীয় ক্রিম একাধারে অনেকদিন ব্যবহারে ব্রনের পরিমান বেড়ে যায়।
পরামর্শঃ
ফেসিয়াল, স্টিমবাথ এবং মুখের বাষ্পভাব দিলে সুফল পেতে পারেন। মিষ্টি ও গরম মসলাযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে। অতিরিক্ত রাত্রিজাগরন করবেন না। প্রচুর পানি পান করুন, শাক-সবজি, টাটকা মৌসুমি ফল খান। বাজারে হাজারও ক্রিম/লোশন বাজারে আছে, টিভি অন করলেই মাথা খারাপ হবার অবস্থা। এই হারবাল ক্রিম, ওমুক ভাইয়ের এরোমা। সবাই বলে ব্রন থেকে চির মুক্তি পেতে তাদের পন্যই সেরা। আসল কথা হল ওই পন্য গুলো ক্ষতি ছাড়া, ব্রন ভাল করার কোনো ক্ষমতা রাখেনা। ব্রন থেকে বাঁচতে চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ নিন।
চিকিৎসাঃ
ক্যাপসুলঃ টেট্রাসাইক্লিন-২৫০সম প্রতি ৬ ঘন্টা পর পর ২১ দিন খেতে হবে। (এই ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা) সাথে ক্রিমঃ ‘রেটিন-এ’ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করা যায়।
তবে সবচেয়ে নিরাপদ চিকিৎসা হল (নিজের চিকিৎসা নিজে করতে চাইলে)
সিরাপঃ মুছাফফী (প্রস্ততকারকঃ ফেনী দাওয়াখানা) অথবা
সিরাপঃ ছাফী (প্রস্ততকারকঃ হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ,www.hamdard.com.bd) অথবা
সিরাপঃ স্কিনোজেন (প্রস্ততকারকঃ নেপচুন ল্যাবরেটরীজ)
২/৩ চা চামচ করে রাতে খাবার পর সেব্য ২/৩ মাস।
এই ওষুধ ‘ইউনানী ট্রেডিশনাল (Unani Traditional) মেডিসিন’ তাই নিরাপদে ব্যবহার করা যায়। এলোপ্যাথিক ওষুধের মত এত পার্শ- প্রতিক্রিয়া নাই।
প্রকারভেদঃ
১. ট্রপিকাল একনি-অতিরিক্ত গরম এবং বাতাসের আর্দ্রতা বেশি হলে পিঠে, উরুতে ব্রন হয়ে থাকে।
২. প্রিমিন্সট্রুয়াল একনি- কোনো কোনো মেয়েদের মাসিকের সপ্তাহখানেক আগে ৫-১০ টির মতো ব্রন মুখে দেখা দেয়।
৩. একনি কসমেটিকা- কোনো কোনো প্রসাধনি অনেকদিন ব্যবহারে মুখে অল্প পরিমানে ব্রন হয়ে থাকে।
৪. একনি ডিটারজিকেনস- মুখ অতিরিক্তভাবে সাবান দিয়ে ধুলেও (দৈনিক ১-২ বারের বেশি) ব্রনের পরিমান বেড়ে যায়।
৫. স্টেরয়েড একনি- স্টেরয়েড ওষুধ সেবনে হঠাৎ করে ব্রন দেখা দেয়।
৬. মুখে স্টেরয়েড ক্রিম, যেমন – ডেক্সামিথাসন,বিটামিথাসন প্রেডনিসোলন জাতীয় ক্রিম একাধারে অনেকদিন ব্যবহারে ব্রনের পরিমান বেড়ে যায়।
পরামর্শঃ
ফেসিয়াল, স্টিমবাথ এবং মুখের বাষ্পভাব দিলে সুফল পেতে পারেন। মিষ্টি ও গরম মসলাযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে। অতিরিক্ত রাত্রিজাগরন করবেন না। প্রচুর পানি পান করুন, শাক-সবজি, টাটকা মৌসুমি ফল খান। বাজারে হাজারও ক্রিম/লোশন বাজারে আছে, টিভি অন করলেই মাথা খারাপ হবার অবস্থা। এই হারবাল ক্রিম, ওমুক ভাইয়ের এরোমা। সবাই বলে ব্রন থেকে চির মুক্তি পেতে তাদের পন্যই সেরা। আসল কথা হল ওই পন্য গুলো ক্ষতি ছাড়া, ব্রন ভাল করার কোনো ক্ষমতা রাখেনা। ব্রন থেকে বাঁচতে চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ নিন।
চিকিৎসাঃ
ক্যাপসুলঃ টেট্রাসাইক্লিন-২৫০সম প্রতি ৬ ঘন্টা পর পর ২১ দিন খেতে হবে। (এই ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা যাবেনা) সাথে ক্রিমঃ ‘রেটিন-এ’ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করা যায়।
তবে সবচেয়ে নিরাপদ চিকিৎসা হল (নিজের চিকিৎসা নিজে করতে চাইলে)
সিরাপঃ মুছাফফী (প্রস্ততকারকঃ ফেনী দাওয়াখানা) অথবা
সিরাপঃ ছাফী (প্রস্ততকারকঃ হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ,www.hamdard.com.bd) অথবা
সিরাপঃ স্কিনোজেন (প্রস্ততকারকঃ নেপচুন ল্যাবরেটরীজ)
২/৩ চা চামচ করে রাতে খাবার পর সেব্য ২/৩ মাস।
এই ওষুধ ‘ইউনানী ট্রেডিশনাল (Unani Traditional) মেডিসিন’ তাই নিরাপদে ব্যবহার করা যায়। এলোপ্যাথিক ওষুধের মত এত পার্শ- প্রতিক্রিয়া নাই।
স্মার্টফোন তৈরিতে কম খরচে প্রসেসর
কম দামে স্মার্টফোন তৈরি করতে নতুন প্রযুক্তির প্রসেসর তৈরি করছে যুক্তরাজ্য ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এআরএম। হাইব্রিড এই প্রসেসরচালিত স্মার্টফোনে বিদ্যুৎ খরচও কম হবে। শিগগিরই কোরটেক্স এ৭ প্রসেসরচালিত স্মার্টফোন বাজারে আসবে বলে জানা গেছে। পরীক্ষামূলকভাবে বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা স্মার্টফোন মটোরোলার ড্রয়েড রেজরে এটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪.৩ ইঞ্চি স্ক্রিন সাইজের এ ফোনটি সুপার অ্যামোলিড ডিসপ্লের ড্রয়েড রেজরে রয়েছে স্টেইনলেস স্টিল কোর, গরিলা গ্লাস স্ক্রিন এবং ন্যানোপ্রযুক্তির স্প্লর্স গার্ড, যা ভেতরের ইলেকট্রিক বোর্ডকে রক্ষা করে। এই সুপার প্রসেসর পেয়ে মটোরোলার ভবিষ্যতের প্রজেক্টটি আরও সমৃদ্ধ হল বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই স্মার্টফোনটি বিশেষ সহায়তা করবে বলে আশাবাদী এআরএম। সারা বিশ্বের স্মার্টফোনের ৯৫ শতাংশের ডিজাইনই এআরএমের করা। ইতোমধ্যে নতুন এ৭ প্রসেসর দিয়ে ফোন তৈরি করতে বিশ্বসেরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান উদ্যোগী হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীকে ইনডিয়া যাওয়ার আহবান জানালেন শফিক রেহমান
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার খালেদা জিয়াকে পাকিস্তান চলে যাওয়ার জবাবে বিশিষ্ট সাংবাদিক জি-৯ এর উপদেষ্টা শফিক রেহমান বলেছেন, খালেদা জিয়া পাকিস্তান যাবেন কেন? তিনিতো আগেই বলেছেন, বাংলাদেশই তার একমাত্র ঠিকানা। বরং প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করবো তিনি যেন ইনডিয়া অথবা আমেরিকা চলে যান। ওই দুই দেশে দীর্ঘকাল থাকার অভ্যাস তার আছে। শনিবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাব চত্বরে তার নিজের সম্পাদিত ও লেখা সাতটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করতে গিয়ে তিনি একথা বলেন। শফিক রেহমান বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠানটি করতে ক্ষমতাসীন সরকার আরোপিত বিভিন্ন বাধা পেরোতে হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার এই বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের কথা ছিল গত ২৭ মার্চ। হোটেল রূপসী সোনার বাংলায় বুকিং দিয়ে এক হাজার অতিথিকে কার্ড দেয়া হলেও প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানের জন্য জি-৯ এর বুকিং বাতিল করা হয়। পরে হোটেল রূপসী বাংলা বুকিং দেয়া হয়। দিন ও সময় অপরিবর্তিত রেখে আবার কার্ড ছাপায় জি-৯। ২৬ মার্চ রাতে রূপসী বাংলা কর্তৃপক্ষ ফোনে জানতে চায় বইগুলোর বিষয়বস্তু কি? প্রকাশিত বই তাদের কাছে পরদিন সকাল দশটায় জমা দিতে হবে। বইগুলো পরীক্ষা করে তারা জানাবেন ওই হোটেলে প্রকাশনা অনুষ্ঠান করা যাবে কি না। আমি অবাক হয়ে বললাম সকাল দশটায় যদি বলা হয় এই হোটেলে অনুষ্ঠান করা যাবে না। তখন অতিথিদের কিভাবে জানাবো। এ অবস্থায় আমরা অনুষ্ঠান বাতিল করতে বাধ্য হই। তিনি বলেন, কিছু অকালকুষ্মাষ্ড, অর্বাচীন ও অভদ্র সরকারি কর্মচারিদের কাছে রূপসী বাংলা হোটেলটি হয়ে গেল কুরূপা, কুশ্রী ও কুচরিত্র। ঠিক ওই কর্মচারীদের পেছনে ক্ষমতাসীন লোকজনের মতোই। তিনি বলেন, আমরা বইগুলো প্রকাশনার তৃতীয় প্রচেষ্টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের শরণাপন্ন হই। প্রেস ক্লাব কর্তৃপক্ষ সদয় ও সাহসী অনুমতি দেন। জি-৯ তৃতীয়বার কার্ড ছাপে ও বিলি করে।
তিনি বলেন, কেউ কেউ আমাকে সমালোচনা করতে পারেন। আমি একটি বিশেষ দলের বা বিশেষ ব্যক্তির পক্ষে লিখেছি। অর্থাৎ আমি পক্ষপাতিত্ব করছি। অন্যভাবে তারা বলতে পারেন আমি নিরপেক্ষ নই। এই সমালোচনার উত্তরে ম্যাডাম খালেদা জিয়ার একটি বাণী আমি আপনাদের মনে করিয়ে দিতে চাই। তিনি বলেছিলেন, পাগল ও শিশু ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ নয়। তার সেই কথা আমি একটু সম্প্রসারিত করে আজ বলতে চাই, পাগল, শিশু ও সুবিধাবাদী ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ নয়। আমি সমালোচিত হতে পারি জেনেও সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য বিবেকের তাড়নায় এই বইগুলো লিখেছি। আমি মুক্তিযুদ্ধের সময়ে নিরপেক্ষ ছিলাম না। মুক্তির অবস্থান নিয়েছিলাম। আমি স্বৈরাশাসক এরশাদের সময়ে নিরপেক্ষ ছিলাম না। আমি গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলাম। জার্মান কবি দান্তে বলেছিলেন, খুব বড় নৈতিক সংকটের সময়ে যারা তাদের নিরপেক্ষতা বজায় রাখেন তাদের জন্য নরকের সবচেয়ে বেশি গরম জায়গা রিজার্ভ করা আছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জি-৯ উপদেষ্টা শফিক রেহমান, সদস্য মো. আসাদুজ্জামান, মোহসিন কবীর, জিএম রব্বানী নয়ন, মুজিবুল হক, সাখাওয়াৎ হোসেন সায়ন্থ, ফয়সাল আলীম, হাবিবুর রহমান, আজমল হোসেন বাচ্চু, এমজে আবেদিন, রেজাউর রহমান, সাইদুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম খান, মাহমুদা হাবিবা, হায়দার আহমেদ খান, আনোয়ারা শিখা, আহাদ আহমেদ, ইব্রাহিম হোসেন, মুনজির ওবাযেদ সুজন, এম সারোয়ার হোসেন, আফরিন মৌসুমী, পারভেজ আহমেদ, সৈয়দ ওমর ফারুক, মো. মাহমুদুল হক প্রমুখ।
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আর এ গনি, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, তরিকুল ইসলাম, এমকে আনোয়ার, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, সাদেক হোসেন খোকা, সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমান পটল, মীর মো. নাসির উদ্দিন, ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর বীর উত্তম, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মওলানা আবদুল লতিফ নেজামী, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, মিজানুর রহমান মিনু, মো. শাহজাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, ঢাবির সাবেক ভিসি মনিরুজ্জামান মিয়া, তালুকদার মনিরুজ্জামান, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক, যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, ছাত্রদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রমুখ।আরো ছিলেন-প্রেসক্লাব সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, রাশিয়ান এম্বেসীর কাউন্সিলর ভিয়াসেসলাভ এ আরমোলায়েভ, জাপান এম্বাসীর কাউন্সিলর কাজুমাসা সিবুতা, বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস সেক্রেটারি মারুফ কামাল খান প্রমুখ।প্রসঙ্গত, এর আগে গত ২৭ মার্চ রাজধানীর ‘রূপসী বাংলা হোটেল’-এর উইন্টার গার্ডেনে খালেদা জিয়ার হাতে শফিক রেহমানের প্রথমোক্ত পাঁচটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু অনুষ্ঠানের মাত্র ১৮ ঘণ্টা আগে হোটেল কর্তৃপক্ষ সরকারি এক গোয়েন্দা সংস্থার বরাত দিয়ে অনুষ্ঠান আয়োজন করতে দিতে অপারগতা জানায়।ওই দিনই জাতীয় প্রেসক্লাবে এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন শফিক রেহমান। পরে প্রকাশনা উৎসবের নতুন তারিখ ঠিক করা হয় ৮ এপ্রিল। এদিকে বাড়তি দশ দিন সময় পাওয়ায় ‘নেড়ী কুকুরের কাণ্ড’ ও ‘নেড়ী কুকুরের কীর্তি’ নামে আরো দু’টি বই রেডি করে ফেলেন শফিক রেহমান। প্রকাশনা উৎসবে এসে দেখা যায়, ‘বিদ্ধস্ত দেশ, বিপন্ন মানুষ‘ নামে আরো একটি পুরনো বই রাখা আছে নুতন বইয়ের তালিকায়। এছাড়া প্রথমোক্ত চারটি বই মুলত বাংলা ও ইংরেজী ভার্সনেরই দু’টি গ্রন্থ।
তিনি বলেন, কেউ কেউ আমাকে সমালোচনা করতে পারেন। আমি একটি বিশেষ দলের বা বিশেষ ব্যক্তির পক্ষে লিখেছি। অর্থাৎ আমি পক্ষপাতিত্ব করছি। অন্যভাবে তারা বলতে পারেন আমি নিরপেক্ষ নই। এই সমালোচনার উত্তরে ম্যাডাম খালেদা জিয়ার একটি বাণী আমি আপনাদের মনে করিয়ে দিতে চাই। তিনি বলেছিলেন, পাগল ও শিশু ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ নয়। তার সেই কথা আমি একটু সম্প্রসারিত করে আজ বলতে চাই, পাগল, শিশু ও সুবিধাবাদী ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ নয়। আমি সমালোচিত হতে পারি জেনেও সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য বিবেকের তাড়নায় এই বইগুলো লিখেছি। আমি মুক্তিযুদ্ধের সময়ে নিরপেক্ষ ছিলাম না। মুক্তির অবস্থান নিয়েছিলাম। আমি স্বৈরাশাসক এরশাদের সময়ে নিরপেক্ষ ছিলাম না। আমি গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলাম। জার্মান কবি দান্তে বলেছিলেন, খুব বড় নৈতিক সংকটের সময়ে যারা তাদের নিরপেক্ষতা বজায় রাখেন তাদের জন্য নরকের সবচেয়ে বেশি গরম জায়গা রিজার্ভ করা আছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জি-৯ উপদেষ্টা শফিক রেহমান, সদস্য মো. আসাদুজ্জামান, মোহসিন কবীর, জিএম রব্বানী নয়ন, মুজিবুল হক, সাখাওয়াৎ হোসেন সায়ন্থ, ফয়সাল আলীম, হাবিবুর রহমান, আজমল হোসেন বাচ্চু, এমজে আবেদিন, রেজাউর রহমান, সাইদুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম খান, মাহমুদা হাবিবা, হায়দার আহমেদ খান, আনোয়ারা শিখা, আহাদ আহমেদ, ইব্রাহিম হোসেন, মুনজির ওবাযেদ সুজন, এম সারোয়ার হোসেন, আফরিন মৌসুমী, পারভেজ আহমেদ, সৈয়দ ওমর ফারুক, মো. মাহমুদুল হক প্রমুখ।
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আর এ গনি, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, তরিকুল ইসলাম, এমকে আনোয়ার, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, সাদেক হোসেন খোকা, সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমান পটল, মীর মো. নাসির উদ্দিন, ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর বীর উত্তম, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মওলানা আবদুল লতিফ নেজামী, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, মিজানুর রহমান মিনু, মো. শাহজাহান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, ঢাবির সাবেক ভিসি মনিরুজ্জামান মিয়া, তালুকদার মনিরুজ্জামান, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক, যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, ছাত্রদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রমুখ।আরো ছিলেন-প্রেসক্লাব সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, রাশিয়ান এম্বেসীর কাউন্সিলর ভিয়াসেসলাভ এ আরমোলায়েভ, জাপান এম্বাসীর কাউন্সিলর কাজুমাসা সিবুতা, বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস সেক্রেটারি মারুফ কামাল খান প্রমুখ।প্রসঙ্গত, এর আগে গত ২৭ মার্চ রাজধানীর ‘রূপসী বাংলা হোটেল’-এর উইন্টার গার্ডেনে খালেদা জিয়ার হাতে শফিক রেহমানের প্রথমোক্ত পাঁচটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু অনুষ্ঠানের মাত্র ১৮ ঘণ্টা আগে হোটেল কর্তৃপক্ষ সরকারি এক গোয়েন্দা সংস্থার বরাত দিয়ে অনুষ্ঠান আয়োজন করতে দিতে অপারগতা জানায়।ওই দিনই জাতীয় প্রেসক্লাবে এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন শফিক রেহমান। পরে প্রকাশনা উৎসবের নতুন তারিখ ঠিক করা হয় ৮ এপ্রিল। এদিকে বাড়তি দশ দিন সময় পাওয়ায় ‘নেড়ী কুকুরের কাণ্ড’ ও ‘নেড়ী কুকুরের কীর্তি’ নামে আরো দু’টি বই রেডি করে ফেলেন শফিক রেহমান। প্রকাশনা উৎসবে এসে দেখা যায়, ‘বিদ্ধস্ত দেশ, বিপন্ন মানুষ‘ নামে আরো একটি পুরনো বই রাখা আছে নুতন বইয়ের তালিকায়। এছাড়া প্রথমোক্ত চারটি বই মুলত বাংলা ও ইংরেজী ভার্সনেরই দু’টি গ্রন্থ।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
জনপ্রিয় পোস্টসমূহ
-
ব্রন যৌবনের অবাঞ্ছিত এক সমস্যা। সুন্দর মুখশ্রীর ওপর জাপটে বসে থাকে এক দৃষ্টিকটু যন্ত্রনা। ১৩ বছর থেকে ১৯ বছর বয়স পর্যন্ত প্রায় ৯০%এর এ রোগ...
-
স্ত্রীকে তাড়িয়ে দেওয়ার পর শেরপুর শ্রীবরদীতে এক স্বামী তাদের দাম্পত্য জীবনে মিলনের ভিডিও দৃশ্য বাজারে ছেড়েছে। এ নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচন...
-
বর্তমানে গণতন্ত্র নয়, গোঁজামিলতন্ত্র দিয়ে দেশ পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষমতাসীন মহাজেটের অন্যতম শরিক জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু। ...
-
বিশ্ববিখ্যাত এয়ারক্রাফট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং আর লকহিড মার্টিন মিলে তৈরি করছে কনকর্ডের নতুন মডেল এক্স-৫৪। দুই প্রতিষ্ঠানের ইঞ্জিনিয়া...
-
রোজার ঈদকে সামনে রেখেএবার নারীদের কেনাকাটায় পছন্দের তালিকায় রয়েছে জামদানী শাড়ী। ক্রেতাদের ব্যাপক চাহিদা কারনে নিঘুর্ম রাত কাটাচ্ছে নারায়...
-
বুলডোজারের আঘাতে গুঁড়িয়ে দেয়া হলো গুলশানের ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্ক। অভিজাত এলাকা গুলশানে শিশুদের বিনোদনের জন্য নির্মিত একমাত্র অ্যামিউজমেন...
-
রাজধানীর তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থী ভর্তিতে ৯ কোটি ১২ লাখ ৮১ হাজার টাকা অতিরিক্ত নিয়েছে বলে প্রমাণ পেয়েছে এই সংক্রান্ত তদন্ত কমি...
-
পাকিস্তানের প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্সের (আইএসআই) প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমাদ সুজা পাশা গতকাল বুধবার য...
-
আবারো বিয়ে করলেন জনপ্রিয় গায়িকা ও সরকারদলীয় এমপি মমতাজ। দীর্ঘদিন তারই হাসপাতালের ডাক্তার চঞ্চলের সঙ্গে প্রেমের পর তাদের বিয়ে হয়। পাত্রের পু...
-
‘ধুম ৩’ ছবিতে আমির খানের বিপরীতে অভিনয়ের জন্য মুখিয়ে আছেন বলিউডের শীর্ষস্থানীয় প্রায় সব অভিনেত্রীই। বছরের সবচেয়ে প্রত্যাশিত এই চরিত্রটি...








