সোমবার, ৭ মে, ২০১২

ওই রাতে আইনজীবীকে বার বার ফোন করেও পাননি ইলিয়াস

নিখোঁজ হওয়ার আগে ওই রাতে প্রায় একঘণ্টা রাজধানীর হোটেল রূপসীবাংলায় অবস্থান করছিলেন বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী। সেখানে তার অনুসারী ৫ জন দলীয় কর্মী সঙ্গে ছিলেন।ওই রাতে ইলিয়াস আলী তার আইনজীবীর সঙ্গে বার বার মোবাইল ফোনে কথা বলার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। আইনজীবী আহসান হাবিব তার ফোন রিসিভ করেননি।পুলিশের তদন্তে এতথ্য রেরিয়ে এসেছে।  আদালতের নির্দেশ মোতাবেক ইলিয়াস আলীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায়  ৪৮ ঘণ্টা পরপর তদন্ত অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার অংশ হিসেবে সোমবার দেওয়া অষ্টম প্রতিবেদন থেকে এতথ্য জানা গেছে।সোমবার বনানী থানাপুলিশের পরিদর্শক কাজী মাইনুল ইসলাম আদালতে এ প্রতিবেদন দাখিল করেন।প্রতিবেদন দাখিলের বিষয়টি বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেছেন আদালতের সংশ্লিষ্ট নন জিআর শাখার কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন।প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ১৭ এপ্রিল রাতে নিখোঁজ হওয়ার আগে ইলিয়াস আলী তার ৫ কর্মীসহ প্রায় ১ ঘণ্টা হোটের রূপসী বাংলায় অবস্থান করেন। এসময় কর্মীদের সঙ্গে রাজনৈতিক আলাপ ছাড়াও ইলিয়াস তার আইনজীবী খন্দকার আহসান হাবিবের জন্য অপেক্ষা করেছিলেন। এসময় ইলিয়াস তার আইনজীবীকে বারবার ফোন করেন। কিন্তু আইনজীবী তার ফোনকল রিসিভ করেননি।প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, হোটেলে অবস্থানকালে ইলিয়াসের শ্বশুরবাড়ির আত্মীয় হাউজিং ব্যবসায়ী সজল ও তার পরিবারের লোকদের সঙ্গেও দেখা হয়। এরপর তারা রাত ১২টায় বের হয়ে হোটেলের গেটের কাছে এসে দাঁড়ান। প্রথমে সজল তার পরিবারের লোকদের নিয়ে হোটেল ত্যাগ করেন। এরপর ইলিয়াস তার ড্রাইভারকে  নিয়ে গাড়িযোগে চলে যান। অন্যরা যে যার মতো হোটেল ত্যাগ করেন।উল্লেখ্য, ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হওয়ার পর তার স্ত্রী তাহ্সীনা রুশদীর লুনা গত ১৮ এপ্রিল রাজধানীর বনানী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৯ এপ্রিল ঢাকার একটি আদালত ইলিয়াস আলীর বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করতে ও  তদন্ত’র অগ্রগতির প্রতিবেদন প্রতি ৪৮ ঘণ্টা পরপর আদালতে দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ