পদ্মা সেতু সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে সেতু বিভাগকে চিঠি পাঠিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। চিঠিতে আগামী ১০ দিনের মধ্যে বিস্তারিত তথ্য দিতে বলা হয়েছে। গত মঙ্গলবার দুদকের দু’জন কর্মকর্তা সেতু ভবনে চিঠি পৌঁছে দেন। এদিকে ১০ দিনের মধ্যে তথ্য দিতে বলা হলেও চিঠি পাঠানোর একদিন পর গতকাল পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতি সংক্রান্ত কিছু কাগজপত্র দুদক কর্মকর্তাদের হাতে পৌঁছেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। পদ্মা সেতুর পরামর্শক নিয়োগ এবং যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেনের মালিকানাধীন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সাকোর পৃথক দুটি দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান করছেন দুদক উপ-পরিচালক জয়নুল আবেদীন শিবলী এবং সহকারী পরিচালক মির্জা জাহিদুল ইসলাম। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে এর আগেও একবার সেতু বিভাগে তথ্য চাওয়া হয়েছিল। কোন কোন প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশগ্রহণ করেছে তাদের তালিকা চাওয়া হয়েছিল। একই সময় তথ্য চেয়ে বিশ্বব্যাংকেও চিঠি দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১১
ময়মনসিংহ আসলে মধুপুর রসুলপুরের বন না দেখলে ভ্রমনটাই অসম্পূর্ণ থেকে যায়
টারশিয়ার যুগে মারোসিনকালে ২/৩ শ কোটি বছর আগে সমগ্র গড় অঞ্চল জুড়ে ছিল প্রাচীন লোহিগত নদ বা ব্রহ্মপুত্র নদের বিস্তার। পরে ভূ -বিবর্তনের স্বাভাবিক নিয়মে ধীরে ধীরে প্রবাহ পরিবর্তন করে ব্রহ্মপুত্র নদ। বেলে ,দো আশ আর এটেল মাটির অপূর্ব সংমিশ্রণে গড়ে ওঠে টেঙ্গর ভূমি। এই ভূমিতেই অবস্থিত মধুপুর অংশে ৪৫ হাজার ৫৭০ একরে মধুপুর বন এবং ৭ হাজার ৬শ” একরে রসুলপুর বন। ময়মনসিংহে বেড়াতে আসলে পর্যটকরা মনে করেন, এই বনে না আসলে ভ্রমনটাই যেন অপূর্ণ থেকে যায়।এই বন বাংলাদেশের কেন্দ্রভূমিতে অবস্থান বিধায় বনাঞ্চলের ঘন জঙ্গলের প্রভাবে এখানে বৃষ্টিপাত বেশী হয়এবং সমগ্র দেশেই আবহাওয়ার উপর এর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে। বনের মাটি হলদেটে লালবর্ণের এবং বিক্ষিপ্ত লৌহ কণা মিশ্রিত বালিযুক্ত কাঁদা মটি। মাটির উপরিভাগ শুকনো মৌসুমে খুব শক্ত এবং বর্ষায় খুব নরম হয়। শীতের শেষে ঝরা পাতার আস্তরণের উপর বর্ষার জলরাশি যোগ হয়ে তা মাটির উপরিভাগে উর্বর কম্পোষ্ট এর আবরণ তৈরী হয়। বনের অভ্যন্তরে বিক্ষিপ্তভাবে লোহার আকরিক কণা মিশ্রিত এক ধরনের ক্কংর পাওয়া যায়। একে ভাওয়াল কঙ্কর বা স্থানীয় ভাষায় কাউচি বলে। কাঁচা রাস্তার উপর বিছিয়ে দিলে কর্দমাক্ত দুর হয় এবং চলাচলে খুবই সুবিধা হয়।বনভূমির গঠন দুই ধরনের – উচু বা চালা ভূমি যেখানে প্রাকৃতিক বন সৃষ্টি হয়েছে, আর নিচু বা বাইদ ভূমি যেখানে বর্ষার পানি জমে থাকে সেখানে ঘাষ বা ধান উৎপাদন হয়। কোথাও কোথাও ঘন বিশাল শাল গজারী গাছ সমৃদ্ধ বন, কোথাও বিক্ষিপ্ত বৃক্ষরাজি। বনে অন্যান্য বৃক্ষরাজির মধ্যে রয়েছে হলুদ, কড়ই,ছাতিয়ান, রয়না, কদম,ডেওরা,গুতুম,আজুকি নিম, কাঞ্চন,শিমুল,কাঞ্জল,জয়না,পলাশ,সোনালু,গাব.জাম,বট,জগডুমুর,জিয়ল,জিগা,জারুল,সিঁদুরী,বন আম,আমড়া,চাপালিশ,আমলকি,হরিতকি,বহেরা,অশ্বথ,হারগাছা,গাদিলা ইত্যাদি। ঔষধি ও গুল্ম জাতীয় গাছের মধ্যে শঠী,কুচ,বাসক,স্বর্পগন্ধা,উলটকম্বল,শতমূলী ইত্যাদি।তাছাড়া আছে স্থেং আলু(লতার ডগা খায়), আমপেং,থাজা ও দুধ আলু। আছে আদুরাগ,চুটকি,গোটা,কাঠ বাদাম ইত্যাদি। এক সময় বনে বাঘ , ভাল্লুক, হাতি ময়ূর ইত্যদির বিচরন ছিল । এখন দেখা যায়,বানর,হনুমান,মায়া হরিন, মাবেৃল ক্যাট, শিয়াল,মেছো বাঘ,বাগডাস,গুইসাপ,বেজী,কাঠ বিড়ালী,বাদুর খরগোশ ইত্যাদি বন্যপ্রাণী এবং,যে সমস্ত পাখি দেখা যায় সেগুলি হচ্ছে, পানকৌড়ি, কানা বগি,সাদা বক, রাতকানা,বালিহাঁস,বাজ,চিল,শকুন,বনমোরগ,ডাহুক,জলপিড়ি,হাতিটি,চা, হরিকল, কবুতর,ঘুঘু,গোলাপি ঘুঘু,তিলি ঘুঘু,তিলি ঘুঘু, টিয়া বুলবুল,চোথ গেলো,কোকিল,ভুতুম পেচা,পেচা,কানা কুক্কা,মাছ রাঙা,কাঠ ঠোকরা,ফিঙ্গে,দোয়েশ,শালিক,ঝুটি শালিক,হারি চচা, দাঁড় কাক,হলুদ বুলবুলি,শ্যামা , টুনটুনি,চড়–ই,মধুছড়া,বাবুইইত্যদি পাখি। এছাড়াও বনের রয়েছে গারো ও কোচ সম্প্রদায়ের আদিবাসী। সম্ভাবনাময় এই বনে রয়েছে ট্যুরিষ্ট কটেজ,পিকনিক স্পট,আদিবাসী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র লঘুরিয়া চিড়িয়াখানা ।
নাসিক নির্বাচন: এক মঞ্চে ৬ প্রার্থীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আশ্বাস
ভোটারদের মুখোমুখি বসে নারায়ণগঞ্জের ছয় মেয়র প্রার্থী প্রথমবারের মত এক মঞ্চে উপস্থিত হয়ে বলেছেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো নির্বাচিত হলে বাস্তবায়ন করবো বলে আশ্বাস দিয়েছেন। তারা বলেছেন, জনসেবা করতেই তারা জনপ্রতিনিধি হতে চান। নির্বাচন কমিশনের আয়োজনে মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জ ক্লাব মুক্ত মঞ্চে নির্বাচনী বিতর্ক অনুষ্ঠানে এ আশ্বাস দেন তারা।
প্রার্থীরা নারায়ণগঞ্জে শিশু পার্ক, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, শীতলক্ষ্যা নদীতে সেতু নির্মাণ ও নদী দূষণ রোধ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ স্থাপন, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ সর্বোপরি আধুনিক নারায়ণগঞ্জ গড়ার প্রতিশ্রুতি দেন। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া প্রার্থীরা হলেন- সেলিনা হায়াৎ আইভী, শামীম ওসমান, তৈমুর আলম খন্দকার, আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী, শরীফ মোহাম্মদ, আতিকুল ইসলাম জীবন। সরাসরি জনগণের মুখোমুখি হয়ে নারায়ণগঞ্জের ছয় মেয়র প্রার্থীই বলেন, জনসেবা করতেই জনপ্রতিনিধি হতে চান তারা। সবাই প্রত্যাশা করছেন, জনগণ তাদের সে সুযোগ দেবে। ৬ প্রার্থী কিভাবে আধুনিক নারায়ণগঞ্জ গড়বেন ও উন্নয়ন করবেন সে ব্যাপারে তাদের নিজস্ব উদ্দেশ্য ও কর্মপন্থা তুলে ধরেন। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনে বড় পরিসরে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ব্যবহার হলেও তাতে প্রচারে ঘাটতি রয়েছে বলে দাবি করেন অধিকাংশ মেয়র প্রার্থী। বিএনপি নেতা তৈমুর সরাসরি তার আপত্তি তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে ৬ প্রার্থীর পরিচিতি তুলে ধরা হয়। পরে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকার বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা সহ অন্যান্য বিষয়ে তৈরি একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শণ করা হয়। শামীম ও আইভী বলেন, ইভিএম ভালো হলেও এর যথাযথ প্রচার হয়নি। একই কথা বলেন অন্য তিন প্রার্থী নান্নু মুন্সী, জীবন ও শরীফও। তবে বিতর্ক অনুষ্ঠানে উপস্থিত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ইভিএমের প্রচারে তাদের কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন। ৩০ অক্টোবরের ভোটযুদ্ধের আগে এ বাগযুদ্ধ নিয়ে ভোটারদের বেশ আগ্রহ দেখা যায়। নির্বাচিত দেড়শ ভোটার অনুষ্ঠানে তাদের প্রশ্ন নিয়ে উপস্থিতও হয়েছিলেন। তবে সময়াভাবে সবাই প্রশ্ন করতে পারেননি।
কেন প্রার্থী হয়েছেন ? মঞ্চে উপস্থিত ৬ মেয়র প্রার্থীকে প্রশ্ন করা হয় তারা কেন প্রার্থী হয়েছেন কেন- এ প্রশ্নের জবাবে সবচেয়ে কম বয়সী প্রার্থী আতিকুল ইসলাম জীবন বলেন, ‘জনসেবার প্রত্যয় নিয়ে আমি আমার মায়ের নির্দেশে প্রার্থী হয়েছি।’ বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, আমি ৪০ বছর ধরে নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। নারায়ণগঞ্জে তৃণমূল মানুষের সঙ্গে আমার সম্পর্ক রয়েছে। উন্নয়ন আর মানুষের কল্যাণের রাজনীতি করতে গিয়ে আমি বার বার নির্যাতনের শিকার ও কারাবরণ করেছি। আমি অতীতে জনসেবা করার সুযোগ পাই নাই। নারায়ণগঞ্জের মানুষের সেবা করার জন্য এবার প্রার্থী হয়েছি। জনগণের কাছে আমি পরীক্ষা দিতে চাই। শামীম ওসমান বলেন, তিনি সংসদ সদস্য থাকার সময় সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছেন। এবার নির্বাচিত হলেও করবেন। আমি ব্রিজ, টেলিফোন, বিদ্যুৎ, গ্যাস সরবরাহে কাজ করেছি। আগামীতেও আমি মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। আইভী বিগত সময়ে পৌর মেয়র থাকাকালীন উন্নয়নের কথা তুলে ধরে বলেন, জবাবদিহিতা পছন্দ করি আমি। ২০০৩ সালের নির্বাচনী ইশতেহার পূরণ করেছি। ইসলামী আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী বলেন, নারায়ণগঞ্জবাসী বার বার অবহেলিত। অতীতে বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থীদের ভোট দিয়ে জয়ী করলেও তারা নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে কোন কাজ করেনি। তারা তাদের ওয়াদা রক্ষা করেনি। তাই জনগণের চাহিদা পূরণের জন্য আমি প্রার্থী হয়েছি। স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ মোহাম্মদ বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রায় সময়ে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরা হয়। অনেকদিন ধরে এসব সমস্যার কোন সমাধান হচ্ছে না। তিনি বলেন, আমি নির্বাচিত হলে এসব সমস্যার সমাধান করবো।
প্রার্থীরা নারায়ণগঞ্জে শিশু পার্ক, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, শীতলক্ষ্যা নদীতে সেতু নির্মাণ ও নদী দূষণ রোধ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ স্থাপন, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ সর্বোপরি আধুনিক নারায়ণগঞ্জ গড়ার প্রতিশ্রুতি দেন। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া প্রার্থীরা হলেন- সেলিনা হায়াৎ আইভী, শামীম ওসমান, তৈমুর আলম খন্দকার, আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী, শরীফ মোহাম্মদ, আতিকুল ইসলাম জীবন। সরাসরি জনগণের মুখোমুখি হয়ে নারায়ণগঞ্জের ছয় মেয়র প্রার্থীই বলেন, জনসেবা করতেই জনপ্রতিনিধি হতে চান তারা। সবাই প্রত্যাশা করছেন, জনগণ তাদের সে সুযোগ দেবে। ৬ প্রার্থী কিভাবে আধুনিক নারায়ণগঞ্জ গড়বেন ও উন্নয়ন করবেন সে ব্যাপারে তাদের নিজস্ব উদ্দেশ্য ও কর্মপন্থা তুলে ধরেন। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনে বড় পরিসরে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ব্যবহার হলেও তাতে প্রচারে ঘাটতি রয়েছে বলে দাবি করেন অধিকাংশ মেয়র প্রার্থী। বিএনপি নেতা তৈমুর সরাসরি তার আপত্তি তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে ৬ প্রার্থীর পরিচিতি তুলে ধরা হয়। পরে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকার বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা সহ অন্যান্য বিষয়ে তৈরি একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শণ করা হয়। শামীম ও আইভী বলেন, ইভিএম ভালো হলেও এর যথাযথ প্রচার হয়নি। একই কথা বলেন অন্য তিন প্রার্থী নান্নু মুন্সী, জীবন ও শরীফও। তবে বিতর্ক অনুষ্ঠানে উপস্থিত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ইভিএমের প্রচারে তাদের কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন। ৩০ অক্টোবরের ভোটযুদ্ধের আগে এ বাগযুদ্ধ নিয়ে ভোটারদের বেশ আগ্রহ দেখা যায়। নির্বাচিত দেড়শ ভোটার অনুষ্ঠানে তাদের প্রশ্ন নিয়ে উপস্থিতও হয়েছিলেন। তবে সময়াভাবে সবাই প্রশ্ন করতে পারেননি।
কেন প্রার্থী হয়েছেন ? মঞ্চে উপস্থিত ৬ মেয়র প্রার্থীকে প্রশ্ন করা হয় তারা কেন প্রার্থী হয়েছেন কেন- এ প্রশ্নের জবাবে সবচেয়ে কম বয়সী প্রার্থী আতিকুল ইসলাম জীবন বলেন, ‘জনসেবার প্রত্যয় নিয়ে আমি আমার মায়ের নির্দেশে প্রার্থী হয়েছি।’ বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, আমি ৪০ বছর ধরে নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। নারায়ণগঞ্জে তৃণমূল মানুষের সঙ্গে আমার সম্পর্ক রয়েছে। উন্নয়ন আর মানুষের কল্যাণের রাজনীতি করতে গিয়ে আমি বার বার নির্যাতনের শিকার ও কারাবরণ করেছি। আমি অতীতে জনসেবা করার সুযোগ পাই নাই। নারায়ণগঞ্জের মানুষের সেবা করার জন্য এবার প্রার্থী হয়েছি। জনগণের কাছে আমি পরীক্ষা দিতে চাই। শামীম ওসমান বলেন, তিনি সংসদ সদস্য থাকার সময় সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছেন। এবার নির্বাচিত হলেও করবেন। আমি ব্রিজ, টেলিফোন, বিদ্যুৎ, গ্যাস সরবরাহে কাজ করেছি। আগামীতেও আমি মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। আইভী বিগত সময়ে পৌর মেয়র থাকাকালীন উন্নয়নের কথা তুলে ধরে বলেন, জবাবদিহিতা পছন্দ করি আমি। ২০০৩ সালের নির্বাচনী ইশতেহার পূরণ করেছি। ইসলামী আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী বলেন, নারায়ণগঞ্জবাসী বার বার অবহেলিত। অতীতে বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থীদের ভোট দিয়ে জয়ী করলেও তারা নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে কোন কাজ করেনি। তারা তাদের ওয়াদা রক্ষা করেনি। তাই জনগণের চাহিদা পূরণের জন্য আমি প্রার্থী হয়েছি। স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ মোহাম্মদ বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রায় সময়ে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরা হয়। অনেকদিন ধরে এসব সমস্যার কোন সমাধান হচ্ছে না। তিনি বলেন, আমি নির্বাচিত হলে এসব সমস্যার সমাধান করবো।
ইবিতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকায় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা
ছাত্রলীগ-ছাত্রশিবিরের মধ্যে মঙ্গলবারের সংগঠিত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আবারো রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকায় বিশ্ববিদ্যালয় আগামী ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার মধ্যে আবাসিক হল ছাড়তে শিক্ষার্থীদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত আবাসিক হল বন্ধ রাখার ঘোষণায় হতবাক হয়েছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। আগামী ১৯ নভেম্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রশাসনের এ সিদ্ধান্ত রহস্যজনক বলে প্রত্যাখ্যান করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ভর্তিইচ্ছুরা। সংঘর্ষের আশংকায় ছাত্র-ছাত্রীরা পরিবহন ধর্মঘট সত্ত্বেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ইতোমধ্যে আবাসিক হল ছাড়তে শুরু করেছে। এদিকে ছাত্রলীগ-শিবির সংঘর্ষের পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রহস্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বলে ক্যাম্পাসে শতশত পুলিশ অবস্থান নিলেও বহিরাগত সন্ত্রাসীরা ক্যাম্পাসে আগ্নেঅস্ত্রসহ অবস্থান করছেন বলে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন। ক্যাম্পাসের উদ্ভুত পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রশ্নবৃদ্ধ ভূমিকার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে ইবি শিক্ষক সমিতি, শিক্ষকদের সংগঠন জিয়া পরিষদ, গ্রীণ ফোরাম, ছাত্রদল, ছাত্রশিবিরসহ বিভিন্ন সংগঠন। সূত্র মতে, মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের লালনশাহ হলের ডাইনিং ম্যানেজার পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ-ছাত্রশিবিরের মাঝে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুপুর দেড়টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলা সংঘর্ষে উভয় সংগঠনের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়। দীর্ঘ দিন ধরে ছাত্রলীগের অত্যাচারে অতিষ্ঠ সাধারণ শিক্ষার্থীরা ছাত্রশিবিরের সাথে যোগ দিয়ে ছাত্রলীগকে প্রতিহত করতে গেলে সংঘর্ষ ব্যাপক আকার ধারণ করে। ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত হয়ে ছাত্রলীগ শতশত বহিরাগত সন্ত্রাসী নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী শেখপাড়া বাজার থেকে ৪নং গেট দিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে চাইলে শিবির কর্মীরা সাধারণ শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে ছাত্রলীগ কে প্রতিহত করে। এসময় ছাত্রলীগ কর্মীরা ক্যাম্পাস লক্ষ্য করে অন্তত: ১০০ রাউন্ড গুলি ও মুহুমুহ বোমা নিক্ষেপ করে। র্দীঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে সন্ধা ৬টার দিকে শতশত পুলিশ ও র্যাব ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এসময় পুলিশ ২৮ রাউন্ড ট্রিয়ারশেল, ২৪ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ফাঁকা গুলি ছোড়েন বলে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা জানান। দফায় দফায় চেষ্টা করেও শিবির ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রবল প্রতিরোধের মুখে ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারেনি।
রাত ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ছাত্রলীগ ও ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দকে নিয়ে প্রশাসন ভবনে সমজোতা বৈঠক করে। বৈঠকে উভয় সংগঠন সহাবস্থানের পক্ষে মত দিলেও বুধবার পর্যন্ত ছাত্রলীগ আবাসিক হলে যায়নি। বেলা ১২টার দিকে ছাত্রলীগ কর্মীরা ১০/১২টি মটর সাইকেল নিয়ে ক্যাম্পাসে মহড়া দিলে পরিস্থিতি আবারো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুপুর ২টায় প্রভোস্ট কাউন্সিলের জরুরী বৈঠকে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে আবাসিক হলসহ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষনা করার সিদ্ধান্ত নেয়। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার মধ্যে আবাসিক হল ছাড়ার জন্য ইতোমধ্যে নোটিশ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে আগামী ১৯ নভেম্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে এবার ৭৯ হাজার ২২ জন শিক্ষার্থী ইবির ভর্তি ফরম সংগ্রহ করেছে। ভর্তি পরীক্ষাকে বিঘিœত করা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে দূরের মেধাবী শিক্ষার্থীদেরকে ভর্তি থেকে বিরত রেখে স্থানীয়দেরকে সুযোগ করে দেওয়ার অংশ হিসেবে একের পর এক সংঘর্ষ ও ক্যাম্পাসে গুলি, বোমা ফাটানোর ঘটনা ঘটছে বলে সচেতন মহল থেকে অভিযোগ উঠেছে। তার উপর ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে আবাসিক হল বন্ধের ঘোষণায় হতবাক হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ভর্তিইচ্ছুরা। কুষ্টিয়া শহর থেকে ২৪ কি:মি: এবং ঝিনাইদহ শহর থেকে ২২ কি:মি: দূরে গ্রামীণ পরিবেশে অবস্থিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ে এত বিপুল সংখ্যক ভর্তিইচ্ছু শিক্ষার্থী কোথায় থাকবেন তা নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে। হল বন্ধের এ ঘোষণাকে রহস্যজনক বলে মন্তব্য করেছেন অনেক শিক্ষক-শিক্ষার্থী। বিশ্বস্ত একটি সূত্রে জানা গেছে, মূলত: ছাত্রলীগকে উস্কানী দিয়ে ছাত্রশিবিরের উপর হামলা এবং পরবর্তীতে পরিস্থিতি ভয়াবহ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার ন্যপথ্যে কাজ করছেন ক্যাম্পাসে ভিসি বিরোধী বলে পরিচিত আওয়ামীপন্থী কয়েক শিক্ষক-কর্মকর্তা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, আওয়ামীপন্থী বলে পরিচয়দানকারী কয়েক শিক্ষক দীর্ঘ দিন ধরে ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বেকায়দায় ফেলে ভিসি প্রফেসর ড. এম আলাউদ্দিনকে পদত্যাগে বাধ্য করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিভিন্ন ভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে লালসা পুরণ না করতে পেরে বর্তমানে তারা ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে প্রক্টর পদ সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ দখলের জন্য পায়তারা করছেন। এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবারের সংঘর্ষ চলাকালে বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রভোস্ট আক্তারুল ইসলাম জিল্লু সংঘর্ষ না থামিয়ে ছাত্রলীগ কর্মীদের উস্কানী ও বিভিন্ন ভাবে উৎসাহ দিয়ে পরিস্থিতি ভয়াবহ পর্যায়ে নিয়ে যান বলে অভিযোগ উঠেছে। উল্লেখ্য, গত রমজান মাসে ক্যাম্পাস ছুটিকালীন সময়ে ১৪ আগষ্ট তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ ক্যাডাররা ছাত্রশিবিরের উপর সশস্ত্র হামলা চালায়। এতে অন্তত: ২০ শিবির কর্মী গুরুতর আহত হওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনের সহায়তায় লালনশাহ এবং শহীদ জিয়াউর রহমান হল নিয়ন্ত্রণে নেয় ছাত্রলীগ। এর পর তারা শুরু করে নজিরবিহীন লুটপাট। শতশত বহিরাগত নিয়ে ছাত্রলীগ কর্মীরা পুলিশের উপস্থিতিতে শিবির কর্মীদের বিভিন্ন রুমসহ সাধারণ ছাত্রদের প্রায় শতাধিক রুমের তালা ভেঙে ব্যাপক লুটপাট করে। এদুটি হল থেকে এসময় প্রায় দুই কোটি টাকার সম্পদ লুট হয়েছে বলে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে। এক তথ্যে জানা যায়, দুটি হল থেকে প্রায় ৮০টি কম্পিউটার(ডেস্কটপ), ৪৫টি ল্যাপটপ, শার্ট-প্যান্ট, কয়েক হাজার বই-কিতাব, এমনকি পুরাতন আন্ডারওয়্যার পর্যন্ত নিয়ে যায়। এঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হলেও এখন পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের কোন ক্ষতিপুরণ দেওয়া হয়নি। শিক্ষক সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠনের নিন্দা গত মঙ্গলবার সংগঠিত সংঘর্ষের সময় প্রশাসনের নিস্ক্রিয়তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইবি শিক্ষক সমিতি, শিক্ষকদের সংগঠন জিয়া পরিষদ, গ্রীণ ফোরাম, ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মোহা: তোজাম্মেল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আ.ছ.ম তরিকুল ইসলাম স্বাক্ষরীত বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিপূর্বে সংগঠিত সংঘর্ষের ঘটনার কোন বিচার না হওয়ায় একই ঘটনা পূন:পূন: ঘটছে। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ব্যাপক ভাবে বিঘিœত হচ্ছে এবং সেশনজট বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্তা ভেঙ্গে পড়েছে এবং ছাত্র-শিক্ষকসহ সকলে নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েছে। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচী প্রধান করা হবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।’ এব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এম আলাউদ্দিন বলেন-‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রীক পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। উদ্ভুত পরিস্থিতির কারণে ক্যাম্পাসসহ আবাসিক হল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এমনিতেই ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষ্যে যাবতীয় কাজ করার জন্য সময় প্রয়োজন। ভর্তিপরীক্ষার সময় হল বন্ধের ব্যাপারে প্রশ্ন করলে তিনি বিষয়টি পরবর্তীতে পূণবিবেচনা করা হবে বলে জানান।
রাত ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ছাত্রলীগ ও ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দকে নিয়ে প্রশাসন ভবনে সমজোতা বৈঠক করে। বৈঠকে উভয় সংগঠন সহাবস্থানের পক্ষে মত দিলেও বুধবার পর্যন্ত ছাত্রলীগ আবাসিক হলে যায়নি। বেলা ১২টার দিকে ছাত্রলীগ কর্মীরা ১০/১২টি মটর সাইকেল নিয়ে ক্যাম্পাসে মহড়া দিলে পরিস্থিতি আবারো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুপুর ২টায় প্রভোস্ট কাউন্সিলের জরুরী বৈঠকে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে আবাসিক হলসহ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষনা করার সিদ্ধান্ত নেয়। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার মধ্যে আবাসিক হল ছাড়ার জন্য ইতোমধ্যে নোটিশ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে আগামী ১৯ নভেম্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে এবার ৭৯ হাজার ২২ জন শিক্ষার্থী ইবির ভর্তি ফরম সংগ্রহ করেছে। ভর্তি পরীক্ষাকে বিঘিœত করা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে দূরের মেধাবী শিক্ষার্থীদেরকে ভর্তি থেকে বিরত রেখে স্থানীয়দেরকে সুযোগ করে দেওয়ার অংশ হিসেবে একের পর এক সংঘর্ষ ও ক্যাম্পাসে গুলি, বোমা ফাটানোর ঘটনা ঘটছে বলে সচেতন মহল থেকে অভিযোগ উঠেছে। তার উপর ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে আবাসিক হল বন্ধের ঘোষণায় হতবাক হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ভর্তিইচ্ছুরা। কুষ্টিয়া শহর থেকে ২৪ কি:মি: এবং ঝিনাইদহ শহর থেকে ২২ কি:মি: দূরে গ্রামীণ পরিবেশে অবস্থিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ে এত বিপুল সংখ্যক ভর্তিইচ্ছু শিক্ষার্থী কোথায় থাকবেন তা নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে। হল বন্ধের এ ঘোষণাকে রহস্যজনক বলে মন্তব্য করেছেন অনেক শিক্ষক-শিক্ষার্থী। বিশ্বস্ত একটি সূত্রে জানা গেছে, মূলত: ছাত্রলীগকে উস্কানী দিয়ে ছাত্রশিবিরের উপর হামলা এবং পরবর্তীতে পরিস্থিতি ভয়াবহ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার ন্যপথ্যে কাজ করছেন ক্যাম্পাসে ভিসি বিরোধী বলে পরিচিত আওয়ামীপন্থী কয়েক শিক্ষক-কর্মকর্তা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, আওয়ামীপন্থী বলে পরিচয়দানকারী কয়েক শিক্ষক দীর্ঘ দিন ধরে ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বেকায়দায় ফেলে ভিসি প্রফেসর ড. এম আলাউদ্দিনকে পদত্যাগে বাধ্য করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিভিন্ন ভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে লালসা পুরণ না করতে পেরে বর্তমানে তারা ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে প্রক্টর পদ সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ দখলের জন্য পায়তারা করছেন। এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবারের সংঘর্ষ চলাকালে বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রভোস্ট আক্তারুল ইসলাম জিল্লু সংঘর্ষ না থামিয়ে ছাত্রলীগ কর্মীদের উস্কানী ও বিভিন্ন ভাবে উৎসাহ দিয়ে পরিস্থিতি ভয়াবহ পর্যায়ে নিয়ে যান বলে অভিযোগ উঠেছে। উল্লেখ্য, গত রমজান মাসে ক্যাম্পাস ছুটিকালীন সময়ে ১৪ আগষ্ট তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ ক্যাডাররা ছাত্রশিবিরের উপর সশস্ত্র হামলা চালায়। এতে অন্তত: ২০ শিবির কর্মী গুরুতর আহত হওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনের সহায়তায় লালনশাহ এবং শহীদ জিয়াউর রহমান হল নিয়ন্ত্রণে নেয় ছাত্রলীগ। এর পর তারা শুরু করে নজিরবিহীন লুটপাট। শতশত বহিরাগত নিয়ে ছাত্রলীগ কর্মীরা পুলিশের উপস্থিতিতে শিবির কর্মীদের বিভিন্ন রুমসহ সাধারণ ছাত্রদের প্রায় শতাধিক রুমের তালা ভেঙে ব্যাপক লুটপাট করে। এদুটি হল থেকে এসময় প্রায় দুই কোটি টাকার সম্পদ লুট হয়েছে বলে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে। এক তথ্যে জানা যায়, দুটি হল থেকে প্রায় ৮০টি কম্পিউটার(ডেস্কটপ), ৪৫টি ল্যাপটপ, শার্ট-প্যান্ট, কয়েক হাজার বই-কিতাব, এমনকি পুরাতন আন্ডারওয়্যার পর্যন্ত নিয়ে যায়। এঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হলেও এখন পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের কোন ক্ষতিপুরণ দেওয়া হয়নি। শিক্ষক সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠনের নিন্দা গত মঙ্গলবার সংগঠিত সংঘর্ষের সময় প্রশাসনের নিস্ক্রিয়তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইবি শিক্ষক সমিতি, শিক্ষকদের সংগঠন জিয়া পরিষদ, গ্রীণ ফোরাম, ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মোহা: তোজাম্মেল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আ.ছ.ম তরিকুল ইসলাম স্বাক্ষরীত বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিপূর্বে সংগঠিত সংঘর্ষের ঘটনার কোন বিচার না হওয়ায় একই ঘটনা পূন:পূন: ঘটছে। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ব্যাপক ভাবে বিঘিœত হচ্ছে এবং সেশনজট বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্তা ভেঙ্গে পড়েছে এবং ছাত্র-শিক্ষকসহ সকলে নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েছে। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচী প্রধান করা হবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।’ এব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এম আলাউদ্দিন বলেন-‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রীক পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। উদ্ভুত পরিস্থিতির কারণে ক্যাম্পাসসহ আবাসিক হল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এমনিতেই ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষ্যে যাবতীয় কাজ করার জন্য সময় প্রয়োজন। ভর্তিপরীক্ষার সময় হল বন্ধের ব্যাপারে প্রশ্ন করলে তিনি বিষয়টি পরবর্তীতে পূণবিবেচনা করা হবে বলে জানান।
বর্তমান সরকারের জনপ্রিয়তা শুন্যের কোটায়: মির্জা আব্বাস
ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ মাঠে আগামীকাল বৃহস্পতিবার চারদলীয় জোটের জনসভায় বিরোধী দলীয় নেতা বিএনপি’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বক্তব্য রাখবেন। ইতিমধ্যে ময়মনসিংহের জনসমাবেশের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে জেলা বিএনপি’র সভাপতি সভাপতি এ কে এম মোশাররফ হোসেন জানান দলের চেয়ারপারসনের আগমন উপলক্ষ্যে প্রতিদিন সভা,সমাবেশ,প্রচারপত্র বিলি,পাড়া মহল¬ায় গনসংযোগ অব্যাহত রয়েছে। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের জেলার সীমানা থেকে সভাস্থল সার্কিট হাউজ পর্যন্ত প্রায় ৩ শতাধিক তোরন ও রঙ্গ বেরঙ্গ ফেষ্টুন ও ব্যানার দিয়ে জেলা শহরকে সাজানো হয়েছে। বৃহত্তর ময়মনসিংহের এ জনসভায় টাঙ্গাইল,জামালপুর,নেত্রকোন,কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহ জেলার চারদলীয় জোটের নেতাকর্মীরা মিছিল সহ কারে উপস্থিত হবেন। জেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক ওয়াব আকন্দসভায় ওয়াহাব আকন্দ বলেন, স্বেচ্ছাসেবকদের কঠোর পরিশ্রমের ফলে বিশাল জনসমুদ্রকে সুশৃঙ্খল করা সম্ভব। ময়মনসিংহের সার্কিট হাউজ ময়দান জনসমুদ্রে পরিনত হবে। জনসভা সম্পর্কে মঙ্গলবার বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস স্থানীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সুেলন করেছে। সাংবাদিক সাংবাদিক সন্মেলনে বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন,চেয়ারপারসনের উপদেষ্ঠা ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেন,জেলা বিএনপি’র সভাপতি এ কে এম মোশাররফ হোসেন,বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য ফখর উদ্দিন ব্বাচু, সহ-দফতর সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, সহ-প্রচার সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ সামছুল আলম তোফা, জেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক ওয়াব আকন্দ ও জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মোঃ জসিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ময়মনসিংহে খালেদা জিয়ার সমাবেশের প্রধান সমন্বয়কারী মীর্জা আব্বাস বলেন, এই মুহুর্তে বর্তমান সরকারের জনপ্রিয়তা শুন্যের কোটায়। বলতে গেলে আওয়ামীলীগের কোনো জনপ্রিয়তা নাই। তারা জানে তারা কোন অবস্থাতেই ক্ষমতায় আসতে পারবেনা। তাই তারা তত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করে দিয়েছে। বাতিল করে তারা অনৈতিকভাবে দলীয় সরকারের মাধ্যমে নির্বাচন করে আওয়ামীলীগকে পুণরায় সীল মারার মাধ্যমে ক্ষমতায় আনতে চায়। যা জনগণ কোনভাবেই মেনে নেয় নাই এবং মেনে নেবে না। নিত্যপণ্যের উর্ধ্বগতি, আইনশৃংলার অবনতি, সবর্ত্র দলীয় করণ- এই অবস্থা থেকে দেশের মানুষ মুক্তি চায়। তিনি বলেন, আওয়ামীলীগের হাত থেকে দেশের স্বাধীনতা- সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র, জনগণের জীবন জীবিকা নিরাপদ নয়। জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী, ব্যর্থ, অযোগ্য বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার যতদিন ক্ষমতায় থাকবে ততদিন জনগণের দুভোর্গ বাড়তেই থাকবে। এ অবস্থা থেকে দেশ এবং জাতিকে উদ্ধারের লক্ষ্যে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ‘‘তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে হবে’’- এই দাবীতে দেশের একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জনমত গড়ে তুলেছেন এবং জনসমর্থন লক্ষ্য করছেন। ২৭ অক্টোবর ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস ময়দানে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার জনসভায় যোগদান করে ব্যর্থ, অযোগ্য, দুর্ণীতিবাজ, অত্যাচারী সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবীতে আকন্ঠ সমর্থন জানানোর লক্ষ্যে ঐদিন সকলকে সার্কিট হাউজ মাঠে আসার আহবান জানান মীর্জা আব্বাস। এর আগে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র নেতারা সার্কিট হাউজ মাঠ পরিদর্শন করেন।
ডিএসইতে ফের দরপতন, বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ
ব্যাংকগুলো বারবার আশার কথা শোনালেও দিনভর দর পতনের পর বুধবার আবারো রাস্তায় নেমে এসেছেন পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা। দিনের লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৪৩.২৯ পয়েন্ট কমে হয়েছে ৫ হাজার ৪১১ পয়েন্ট। তাঁরা অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও ডিএসইর সভাপতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। আজ দিনশেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ১৪৩.২৯ পয়েন্ট কমে ৫৪১১.৯৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। মোট ৩৪৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। মোট ২৫৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ২৩৭টিরই দাম কমেছে। বেড়েছে মাত্র ১৩টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে সাতটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হল- গ্রামীণফোন, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, তিতাস গ্যাস, বেক্সিমকো, ইউসিবিএল, এনবিএল, মালেক স্পিনিং, সিটি ব্যাংক, আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ও সামিট পাওয়ার।বেলা সোয়া দুইটার দিকে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ১৩৮ পয়েন্ট পড়ে গেলে বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস থেকে নেমে এসে ডিএসইর মূল ভবনের সামনে অবস্থান নেন। বিক্ষোভ চলাকালে যেকোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এড়াতে সেখানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের নেতারা অভিযোগ করেন বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ দেশের অর্থনীতিতে অযাচিত হস্তক্ষেপ করছে। যার বিরূপ প্রভাব শেয়ারবাজারে পড়ছে। শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন বিনিয়োগকারীরা।
বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহে বিএনপির জনসভা
আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিএনপির বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা জনসভা। এ জনসভা উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে বিএনপি। চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে এ জনসভায় বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া সরকারের নানা ব্যর্থতা, দুর্নীতির কথা তুলে ধরে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন। সকাল সাড়ে ১০টায় গুলশানের বাসা থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন তিনি। ওদিকে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলার আয়োজনে জনসভাটি জেলা সার্কিট হাউজ মাঠ এখন পুরোপুারি প্রস্তুত। অঙ্গদল, জোটের শরিকসহ সমমনা দলগুলো নিয়েছে সর্বাত্মক প্রস্তুতি। দলের যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ময়মনসিংহে খালেদা জিয়ার আগামীকালের জনসভা ঐতিহাসিক জনসভায় পরিণত হবে। এরই মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। আর ময়মনসিংহের জনসভাটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে লাইভ সমপ্রচার করা হবে।
তুরস্কে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৫৯
তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ভান প্রদেশের আরসিস শহরে গত রোববারের ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সেখানে নিহতের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫৯-এ। আহতের সংখ্যাও গিয়ে পৌঁছেছে ১,৩৫২তে। তুরস্কের প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ এবং জরুরি বিভাগ মঙ্গলবার এ কথা জানায়। তবে এখনো ওই অঞ্চলে ধ্বংসস্তুপের নিচে শত শত লোক আটকে আছে বলে জানিয়েছে দেশটির এনটিভি চ্যানেল। ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ১০ হাজার মানুষ এখনও আশ্রয়হীন অবস্থায় প্রচণ্ড ঠাণ্ডার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আজ বুধবার পর্যন্ত নিহত লোকজনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৫৯ জন। আহত হয়েছে এক হাজার ৩৫২ জন। নিহত লোকজনের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এখনো অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। তাদের জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা খুবই কম। বহু মানুষ এখনও ভেঙে পড়া বহুতলের তলায় আটকা পড়ে আছে। দেড় হাজারের ওপর মানুষকে ভ্যান, এরসিস, সেলেবিবাগ প্রভৃতি শহরের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভূমিকম্পে একমাত্র ভ্যান প্রদেশেই ৭৬০টি ভবন বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। এরসিসের ৮০ ভাগ বাড়িঘর মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। ত্রাণ ও উদ্ধার তত্পরতা জোরেশোরে চললেও এখনও প্রচণ্ড শীতে খোলা আকাশের নিচে অনেককে রাত কাটাতে হচ্ছে। বিবিসি, এএফপি। গতকালও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপাপড়া মানুষের করুণ আর্তি শোনা গেছে। অনেক জায়গায় স্থানীয়রাই উদ্ধার কাজে হাত লাগিয়েছে। একই সঙ্গে সেনারাও হাত লাগিয়েছে ত্রাণের কাজে। গত রোববার রিখটার স্কেলে ৭.২ তীব্রতার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দেশের উত্তরের ভ্যান ও এরসিস শহর। দিনভর দেশের সব টেলিভিশন চ্যানেলে ত্রাণ ও উদ্ধার কাজের পাশাপাশি ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার ছবি সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে। অনেক জায়গায় মানুষকে ধৈর্য ধরতে বলেছেন উদ্ধারকারীরা। ঐতিহাসিক ভ্যান শহরের লেকের পাশে একটি ছয় তলা বহুতল ভবন ভেঙে পড়েছে। এখানে মাটির তলায় অন্তত ৭০ জনের বেশি আটকে পড়েছে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাহাড়ের কোলের শহরটি এখন যেন ধ্বংসস্তূপ। শহরের আনাচে কানাচে চলছে উদ্ধারকাজ। ব্যবহার করা হচ্ছে ক্রেন। সোমবার ভ্যান শহরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী এরদোগান। প্রধানমন্ত্রী ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত গ্রামগুলোর পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কারণ এই এলাকায় এখনও উদ্ধারকারীরা যেতে পারেনি। ত্রাণকর্মীরা শহরের মানুষকে খাবার ও পানি সরবরাহ করছে। অবশ্য রাতে কষ্টে কাটাতে হয়েছে মানুষকে। অনেককেই খোলা আকাশের নিচে আগুন জ্বালিয়ে কোনোমতে থাকতে হয়েছে। ভূমিকম্পে শহরে বিদ্যুত্ পরিসেবা ভেঙে পড়েছে। চরম সমস্যায় পড়েছে স্থানীয়রা। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা উদ্ধার কাজে হাত লাগিয়েছে। এ পর্যন্ত ভ্যান শহরে পাঁচ হাজার অস্থায়ী তাঁবু তৈরি করা হয়েছে। বিলি করা হয়েছে ১১ হাজার কম্বল। সোমবার এ কথা জানান রেড ক্রিসেন্টের এক কর্মী। রোববার ভূমিকম্পের প্রথম ধাক্কার পর এ পর্যন্ত অন্তত ১০০টি অনুকম্প হওয়ার কথা জানিয়েছে ইস্তাম্বুলের কানডিলি সিসমোলজিক্যাল ইনস্টিটিউট। জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন তুরস্কে ভূমিকম্পে নিহতদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তিনি তুরস্কের সরকার ও দেশের মানুষের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১১
বাংলাদেশ ৩৫০/৯ ডিক্লে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১১৪/৪
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ৩৫০ রানের জবাবে ব্যাট করছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাদের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১১৪ রান। সিবনারায়ন চন্দ্রপল ৪৪ রানে অপরাজিত আছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের তৃতীয় ওভারে লেন্ডল সিমন্সের উইকেট নিয়েছিলেন শাহাদাত হোসেন। দলীয় ৪৪ রানের মাথায় ক্রিক এডওয়ার্ডকে সাজঘরে পাঠিয়েছেন অভিষিক্ত ইলিয়াস সানি। কয়েক ওভার পরে ড্যারেন ব্রাভোর উইকেটও তুলে নেন এই বাহাতি স্পিনার। সর্বশেষ ওই সানির বলেই আউট হয় ব্রাথওয়াইট।এর আগে ৯ উইকেটে ৩৫০ রান করে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। আজ সোমবার সকালে রান যোগ না করে ব্যক্তিগত ৬৮ রানে মুশফিক আউট হওয়ার পরপর তার পথ ধরেন প্রথম দিন আহত হয়ে অবসর নেয়া শাহরিয়ার নাফিস (৩২)। ৩৪ রান করে আউট হন টেস্টে অভিষেক হওয়া নাসির হোসাইন। পরপরই শূন্য রানে আউট হন আরেক অভিষিক্ত ইলিয়াস সানি। শাহাদাত আউট হন ৯ রানে। অপরাজিত ছিলেন নাঈম ও রুবেল। আজ ফিদেল এডওয়ার্ডস ২টি এবং বিশু ৩টি উইকেট নেন। আউটফিল্ড ভেজা থাকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনের খেলা পরিত্যক্ত হওয়ার পর আজ সকাল ১০টায় খেলা শুরু হয়। প্রথম দিন ৪ উইকেটে ২৫৫ রান করে বাংলাদেশ। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে এ ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হওয়া মুশফিকুর রহিম। ওপেনার তামিম ইকবাল এবং অধিনায়কের অপরাজিত অর্ধশতকের সুবাদে বড় ইনিংসের ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন স্বাগতিকরা। কিন্তু বৃষ্টিই তাতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তামিম ৫২, ইমরুল ১০, রকিব ৪১ ও সাকিব ৪০ রান করে আউট হন। শাহরিয়ার নাফিস মুখে আঘাত পেয়ে মাঠের বাইরে যাওয়ার আগে করেন ২১ রান। প্রথম দিন সফরকারী দলের স্যামুয়েলস ২টি এবং রামপাল ও সামি একটি করে উইকেট নেন। এ ম্যাচে টেস্ট অভিষেক হয়েছে ইলিয়াস সানি ও নাসির হোসাইনের। খেলছেন না শুভাগত হোম, সোহরাওয়ার্দি শুভ ও নাজমুল হোসাইন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে নেই কেমার রোচ, কলিন পাওয়েল, দিনেশ রামদিন ও শেন শিলিংফোর্ড। বাংলাদেশ দলে খেলছেন তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, শাহরিয়ার নাফিস, রকিবুল হাসান, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, নাঈম ইসলাম, নাসির হোসাইন, ইলিয়াস সানি, রুবেল হোসেন ও শাহাদাত হোসাইন। সফরকারী দলে খেলছেন লেন্ডল সিমন্স, কির্ক এডওয়ার্ডস, কার্লোস ব্রাথওয়াইট, ড্যারেন ব্রাভো, মারলন স্যামুয়েলস, শিবনারায়ণ চন্দরপল, ড্যারেন সামি, কার্লটন বাফ, রবি রামপাল, ফিদেল এডওয়ার্ডস ও দেবেন্দ্র বিশু। বাংলাদেশ ৩৫০/৯ ডিক্লে: (১২২.৪ ওভার)
মুশফিকুর রহিম ৬৮, তামিম ইকবাল ৫২, রকিবুল হাসান ৪১, সাকিব আল হাসান ৪০, নাঈম ইসলাম ৩৬*, নাসির হোসেন ৩৪
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: এডওয়ার্ডস ২/৮৮, বিশু ৩/৮১, স্যামুয়েলস ২/৭৩
মুশফিকুর রহিম ৬৮, তামিম ইকবাল ৫২, রকিবুল হাসান ৪১, সাকিব আল হাসান ৪০, নাঈম ইসলাম ৩৬*, নাসির হোসেন ৩৪
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: এডওয়ার্ডস ২/৮৮, বিশু ৩/৮১, স্যামুয়েলস ২/৭৩
তিস্তা চুক্তি নিয়ে তাড়াহুড়া নয় মনমোহনকে জানালেন মমতা
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দিলেও তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে চুক্তি যে খুব তাড়াতাড়ি হচ্ছে না সে কথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে জানিয়ে দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম দিল্লি সফরে গিয়ে গত শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। এই বৈঠকেই বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং মমতার কাছে তুলে ধরে তার সহযোগিতা চান। মমতা অবশ্য প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতিতে তিনি নিজেও আগ্রহী। তবে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির ব্যাপারে তিনি একটু সময় নিতে চান। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, তিস্তায় এমনিতেই এখন পানি অনেক কম। শুকনো মওসুমে পানি আরও কমে যায়। কিছুদিন আগে ভূমিকম্প বিধ্বস্ত সিকিম পরিদর্শনে গিয়ে তিনি নিজে বিষয়টি দেখে এসেছেন বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানান। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ইতিমধ্যেই বিশিষ্ট নদী বিশেষজ্ঞ কল্যাণ রুদ্রের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করে তিস্তার পানি নিয়ে একটি রিপোর্ট দিতে বলেছে। এই রিপোর্ট পাওয়ার পরই মুখ্যমন্ত্রী তার মতামত প্রধানমন্ত্রীকে জানাবেন বলে জানিয়ে এসেছেন। রাজ্যের পানি অনুসন্ধান দপ্তরও তিস্তার বাঁধ প্রকল্প এলাকায় ক্ষুদ্র সেচের কাজে কি পরিমাণ পানি প্রয়োজন হবে আগামী দিনে তার একটি স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘ মেয়াদি সমীক্ষা শুরু করেছে। এই সমীক্ষার রিপোর্টও মুখ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দেয়া হবে। এই মুহূর্তে তিস্তার কমান্ড এলাকায় মাত্র ৯০০০ একর জমিতে সেচ কাজের জন্য পানির প্রয়োজন হচ্ছে, কিন্তু তিস্তা প্রকল্প পুরোপুরি রূপায়িত হলে প্রায় চার লাখ একর জমি সেচের আওতায় আসবে। ফলে তখন অনেক বেশি পরিমাণ পানির প্রয়োজন হবে। অবশ্য এই পানির প্রয়োজন মেটাতে তিস্তার কাছাকাছি আরও যে সাতটি নদী রয়েছে তাদের পানিও লিংক ক্যানেলের মাধ্যমে তিস্তায় আনা হচ্ছে বলে তিস্তা প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত প্রকৌশলীদের সূত্রে জানা গেছে। সব তথ্য-উপাত্ত বিচার করেই তিস্তার পানি বণ্টনের বিষয়টিতে রাজ্য সরকার মতামত জানাতে চাইছে। তবে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি না হওয়ার জন্য যেভাবে মমতাকে দোষী সাব্যস্ত করার একটা প্রবণতা দেখা যাচ্ছে তাতে যে মমতা ক্ষুব্ধ সে কথা তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন বলে মমতার ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে।
মমতা নিজেও দিল্লিতে সাংবাদিকদের বলেছেন, কিছু মানুষ এটি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। তিনবিঘা করিডোর নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশ সরকার যে প্রটোকল স্বাক্ষর করেছে সে ব্যাপারে তার যে আপত্তি নেই সে কথাও মমতা জানিয়ে দিয়েছেন। তবে তিনবিঘার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছিটমহল সফরের সময়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ না জানানোটা যে ভুল হয়েছে সে কথা প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং কবুল করেছেন মমতার কাছে।
আর তাই মমতাও সাংবাদিকদের সামনে সোজাসাপটা জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকার আমাকে ডাকেননি তাই আমি যাইনি। কিন্তু আমরা বরাবরই বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছি। কোন সমস্যা নেই আমাদের মধ্যে। মমতা এবারই পুজোর সময় শেখ হাসিনাকে শাড়ি ও মিষ্টি উপহার পাঠিয়েছেন।
অবশ্য মমতা’র ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতারা মনে করেন, রুটিনমাফিক রাজ্য সরকারকে হাসিনার ছিটমহল সফরের তথ্য আগাম জানানো হলেও মমতাকে আলাদাভাবে আমন্ত্রণ জানানো উচিত ছিল। এদিকে তিনবিঘায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানানোর ক্ষেত্রে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরম ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতি নিয়ে মিডিয়ায় যে প্রশ্ন তোলা হয়েছে সে ব্যাপারে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে শনিবার এক বিবৃতি দেয়া হয়েছে। তবে এই বিবৃতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতির বিষয়টিকে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। শুধু বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার কর্মসূচি সম্পর্কে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে অবহিত করা হয়েছিল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকও যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিল সে কথারও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কেন তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয় নি সে সম্পর্কে বিবৃতিতে কোন ব্যাখ্যা দেয়া হয় নি। তবে চিদাম্বরমের ব্যাপারে বলা হয়েছে, তার ৯১ বছরের বৃদ্ধ মায়ের একটি জরুরি অপারেশনের জন্য সেদিনই তাকে চেন্নাইয়ে উপস্থিত থাকতে হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীও প্রিটোরিয়া সফরে ছিলেন। সে জন্যই স্বাস্থ্যমন্ত্রী গুলাম নবী আজাদকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে তিনবিঘায় স্বাগত জানাতে পাঠানো হয়েছিল। আর বাংলাদেশের সঙ্গে আজাদের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক এ ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেয়া হয়েছিল বলে জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ভারতের সর্বোচ্চ সম্মান ও ভালবাসা রয়েছে। তিনি তিনবিঘা পরিদর্শনে আসায় ভারত গর্বিত।
মমতা নিজেও দিল্লিতে সাংবাদিকদের বলেছেন, কিছু মানুষ এটি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। তিনবিঘা করিডোর নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশ সরকার যে প্রটোকল স্বাক্ষর করেছে সে ব্যাপারে তার যে আপত্তি নেই সে কথাও মমতা জানিয়ে দিয়েছেন। তবে তিনবিঘার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছিটমহল সফরের সময়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ না জানানোটা যে ভুল হয়েছে সে কথা প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং কবুল করেছেন মমতার কাছে।
আর তাই মমতাও সাংবাদিকদের সামনে সোজাসাপটা জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকার আমাকে ডাকেননি তাই আমি যাইনি। কিন্তু আমরা বরাবরই বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছি। কোন সমস্যা নেই আমাদের মধ্যে। মমতা এবারই পুজোর সময় শেখ হাসিনাকে শাড়ি ও মিষ্টি উপহার পাঠিয়েছেন।
অবশ্য মমতা’র ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতারা মনে করেন, রুটিনমাফিক রাজ্য সরকারকে হাসিনার ছিটমহল সফরের তথ্য আগাম জানানো হলেও মমতাকে আলাদাভাবে আমন্ত্রণ জানানো উচিত ছিল। এদিকে তিনবিঘায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানানোর ক্ষেত্রে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরম ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতি নিয়ে মিডিয়ায় যে প্রশ্ন তোলা হয়েছে সে ব্যাপারে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে শনিবার এক বিবৃতি দেয়া হয়েছে। তবে এই বিবৃতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতির বিষয়টিকে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। শুধু বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার কর্মসূচি সম্পর্কে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে অবহিত করা হয়েছিল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকও যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিল সে কথারও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কেন তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয় নি সে সম্পর্কে বিবৃতিতে কোন ব্যাখ্যা দেয়া হয় নি। তবে চিদাম্বরমের ব্যাপারে বলা হয়েছে, তার ৯১ বছরের বৃদ্ধ মায়ের একটি জরুরি অপারেশনের জন্য সেদিনই তাকে চেন্নাইয়ে উপস্থিত থাকতে হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীও প্রিটোরিয়া সফরে ছিলেন। সে জন্যই স্বাস্থ্যমন্ত্রী গুলাম নবী আজাদকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে তিনবিঘায় স্বাগত জানাতে পাঠানো হয়েছিল। আর বাংলাদেশের সঙ্গে আজাদের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক এ ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেয়া হয়েছিল বলে জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ভারতের সর্বোচ্চ সম্মান ও ভালবাসা রয়েছে। তিনি তিনবিঘা পরিদর্শনে আসায় ভারত গর্বিত।
শিল্পপতি আলম হত্যা মামলা : ফাঁসির ৮ আসামি খালাস
জুরাইনের শিল্পপতি মো: আলমসহ চার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে করা মামলায় নিম্ন আদালতে মৃত্যুর দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আট আসামিসহ ১৪ জনকে খালাস দিয়েছেন উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে নিম্ন আদালতে মৃত্যুর দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন হাই কোর্ট।বিচারপতি মিফতা উদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি শওকত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ দীর্ঘ দেড় মাস শুনানি শেষে সোমবার এ রায় দেন।মামলায় আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, অ্যাডভোকেট এস এম হুমায়ন কবির, এস এম মোবিন, মাসুদ আহমেদ, মুনসারুল হক চৌধুরী।২০০২ সালের ১ জানুয়ারি জুরাইনে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে নিহতের ছেলে নুরে আলম বাবুল জুরাইনের শ্যামপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।ওই হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত ১৭ আসামির মধ্যে ১১ জনকে ২০০৫ সালের ৩১ জুলাই ফাঁসির আদেশ দেয় নিম্ন আদালত । বাকি ছয়জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারা দণ্ডাদেশ দেয়া হয়।দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামিদের উচ্চ আদালতে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি শেষে নিম্ন আদালতে মৃত্যুর দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত ১১ আসামির মধ্যে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন উচ্চ আদালত। বাকি আটজনকে খালাস দেয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত আরো ছয় আসামিকেও খালাস দেয়া হয়।যাবজ্জীবন কারা দন্ডাদেশপ্রাপ্ত অন্য তিন ফাঁসির আসামিরা হলেন, কবির, সোহেল ও সোহাগ।
ভারতীয় তদন্ত দল বাংলাদেশে : পিটিআই
দিল্লি হাইকোর্টে বোমা হামলার অধিকতর তদন্তের জন্য ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থার (এনআইএ) একটি দল বাংলাদেশে এসেছে। সিলেটের জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজের কাশ্মীরি এক ছাত্রের বন্ধুদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই তারা বাংলাদেশে এসেছে বলে জানিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই। যদিও বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ সরকার কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করছে। রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ কাশ্মীরি ছাত্রদের নিরাপত্তা বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদের কথা বললেও সরকারের পক্ষ থেকে কিছুই বলা হয়নি। পিটিআই জানায়, ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা এখন পর্যন্ত একজন দুই শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। ভারতে ১৪ দিন ধরে এনআইএ হেফাজতে থাকা একই মেডিকেলের ছাত্র ওয়াসিম আকরামের যোগাযোগ রয়েছে। তাদের বাড়ি ভারতশাসিত কাশ্মীরের কিসওয়াতে। এক সূত্রের বরাত দিয়ে পিটিআই জানায়, বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ এনআইএকে ওই দুই ছাত্রকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছে। এনআইএ দিল্লি হামলার সঙ্গে জুনায়েদ আকরামের জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছে। এনআইএ বলছে, ওয়াসিমের সঙ্গে জুনায়েদের যোগাযোগ রয়েছে। এর আগে জুনায়েদকে অপহরণের জন্য কাশ্মীর পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার। হিজবুল মুজাহিদিনের সঙ্গে জুনায়েদ আকরাম জড়িত বলে অভিযোগ আছে। তবে ওয়াসিম দিল্লি বোমা হামলায় জড়িত নয় বলে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। এনআইএ বলছে, ওয়াসিম পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। ওয়াসিমের বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন তাঁর বাবা রিয়াজ মালিক। রিয়াজ মালিক আরও জানান, গত বছরের আগস্টে তার মাধ্যমিক (ম্যাট্রিকুলেশন) পরীক্ষার পর থেকেই ওয়াসিম নিখোঁজ।
সুপ্রিম কোর্টের জমি ছেড়ে দিতে সওজ ও শিশু একাডেমিকে নোটিশ
সুপ্রিম কোর্টের জমি ছেড়ে দিতে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং শিশু একাডেমিসহ ছয় ব্যক্তিকে আইনগত বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। ডাকযোগে এই বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছেন। এর আগে হাইকোর্ট বিভাগে দায়েরকৃত এ আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩ অক্টোবর বিভাগের বিচারক এ.এইচ.এম. শামসুদ্দিন চৌধুরী ও মো. জাকির হোসেনের বেঞ্চ সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) ও শিশু একাডেমির দখলকৃত প্রায় ১০ একর জমির মালিকানা সুপ্রিম কোর্টের বলে ঘোষণা করেন।আইনগত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বিজ্ঞপ্তি প্রাপ্তির ১৫ দিনের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের নিবন্ধককে দখলকৃত জায়গা বুঝিয়ে দিতে হবে। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে আদালত আবমানার মামলা করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।সোমবার পাঠানো বিজ্ঞপ্তিটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী এবং শিশু একাডেমির পরিচালকসহ মোট ছয়জনকে পাঠানো হয়েছে। অপর ব্যক্তিরা হলেন, ঢাকা জেলা প্রশাসক, কোতোয়ালী থানার সহকারি কমিশনার ভূমি (এ.সি. ল্যান্ড), গৃহায়ন ও গণপূর্ত এবং সড়ক পরিবহন ও সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ সচিব।
রবিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১১
চট্টগ্রাম টেস্ট সংশয়ে : তৃতীয় দিনের খেলাও পরিত্যক্ত
বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্টের তৃতীয় দিনের খেলাও পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। চট্গ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী মাঠে আজও বৃষ্টির পানি জমে আছে। ভোররাতের দিকে বৃষ্টি হ্ওয়াতেই এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ৫ দিনের টেস্টের প্রথম দিনের খেলার পরে পরপর দুই দিন বৃষ্টির কারণে ম্যাচ পরিত্যক্ত করা হলো। এর আগে মাঠ খেলার উপযুক্ত না থাকায় শনিবার দ্বিতীয় দিনের খেলা পরিত্যক্ত হয়। সেকারণে রোববার নির্ধারিত সময়ের ৩০ মিনিট আগে সকাল ৯টায় তৃতীয় দিনের খেলা শুরু হওয়ার কথা ছিল।
কালিজিরার গুণ
ভীষণ উপকারী জিনিস কালিজিরা। এটাকে খাবার না বলে পথ্য বলাই ভালো। এখন প্রচণ্ড গরম। এই মৌসুমে গরম ও ঠান্ডাজনিত কারণে অনেকের জ্বর হচ্ছে। জ্বর, কফ, গায়ের ব্যথা দূর করার জন্য কালিজিরা যথেষ্ট উপকারী বন্ধু। এতে রয়েছে ক্ষুধা বাড়ানোর উপাদান। পেটের যাবতীয় রোগ-জীবাণু ও গ্যাস দূর করে ক্ষুধা বাড়ায়। যাঁরা মোটা হতে চান, তাঁদের জন্য কালিজিরা যথাযোগ্য পথ্য। আবার যাঁদের শরীরে পানি জমে হাত-পা ফুলে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে, তাঁদের পানি জমতে বাধা দেয়। কালিজিরা শরীরের জন্য খুব জরুরি। সন্তান প্রসবের পর কাঁচা কালিজিরা পিষে খেলে শিশু দুধ খেতে পাবে বেশি পরিমাণে। কালিজিরায় রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোরিয়াল এজেন্ট, অর্থাৎ শরীরের রোগ-জীবাণু ধ্বংসকারী উপাদান। এই উপাদানের জন্য শরীরে সহজে ঘা, ফোড়া, সংক্রামক রোগ (ছোঁয়াচে রোগ) হয় না। আমাদের মেধার বিকাশের জন্য কাজ করে দ্বিগুণ হারে। কালিজিরা নিজেই একটি অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিসেপটিক। দাঁতে ব্যথা হলে কুসুম গরম পানিতে কালিজিরা দিয়ে কুলি করলে ব্যথা কমে; জিহ্বা,তালু, দাঁতের মাড়ির জীবাণু মরে। খুব বেশি কালিজিরা খেলে হিতে বিপরীত হবে। আর যাঁরা কালিজিরা হজম করতে পারেন না, তাঁরা খাবেন না। কালিজিরা কৃমি দূর করার জন্য কাজ করে। তারুণ্য ধরে রাখে দীর্ঘকাল। আমাদের কাজ করার শক্তিকে দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয়। দেহের কাটা-ছেঁড়া শুকানোর জন্যও কাজ করে। তাই প্রতিদিন অল্প করে ভাত বা রুটির সঙ্গে খেতে পারেন কালিজিরা।
সুস্থ থাকতে এড়িয়ে চলুন ‘হাই হিল’
ফ্যাশনের অনিবার্য অনুষঙ্গ, হাই-হিল জুতো। র্যাম্প মডেল থেকে চলচ্চিত্রের নায়িকারা হয়ে পাশের বাড়ির মেয়েটির পায়েও তিন ইঞ্চি-চার ইঞ্চির পেনসিল-উচ্চতা। সৌন্দর্যের অন্যতম মাপকাঠি হিসেবে উচ্চতাকে ধরা হয় বলে জুতোর হিলের চাহিদাও ক্রমে বেড়েছে। ভারতে মধুবালার যুগেও যেমন, ক্যাটরিনার সময়েও তেমন। তবে ঢাকার নায়িকারা হাই-হিল কম পড়েন। পড়ে যান। অভ্যাস নেই। আর একারণেই হয়তো তাদের স্বাস্থ্যও ভালো! লম্বারা হিল পরেন উচ্চতায় তাক লাগাতে, আর অনুচ্চদের হিল পছন্দ সৌন্দর্যের খুঁত ঢাকতে।কিন্তু ‘সৌন্দর্যবর্ধক’ এই আপাত নিরীহ বস্তুটি সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। তাদের বক্তব্য, সৌন্দর্য বাড়াতে বেশি উঁচু হিল পরলে হাঁটুর ক্ষতি হতে পারে। হিলে সাময়িক উচ্চতা হয়তো বাড়বে, কিন্তু পরে চিরকালের জন্য খুঁড়িয়ে হাঁটতে হতে পারে।অস্থি বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, তাদের কাছে এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সংখ্যায় অল্পবয়সী রোগী আসছেন। তাদের অনেকেই আসছেন গোড়ালি বা হাঁটুতে ব্যথা নিয়ে। দেখা যাচ্ছে, সব অসুবিধার মূলে সেই জুতোর হিল। অস্বাভাবিক উঁচু হিল পরায় গোড়ালি উঁচু হয়ে থাকছে। যখন-তখন অনিয়ন্ত্রিতভাবে এ দিক-সে দিক বেঁকে যাচ্ছে। ফলে হাঁটুতে অস্বাভাবিক চাপ পড়ছে। ক্ষয়ে যাচ্ছে হাঁটুর মালাইচাকির পিছনে কার্টিলেজ। অস্টিও-আর্থারাইটিস দেখা দিচ্ছে। ডাক্তাররা বলছেন, “এমন রোগীদের আমি প্রথমেই বলি, হিল পরা ছাড়বেন প্রতিশ্রুতি দিলে তবেই চিকিৎসা শুরু করব। তা ছাড়া শুধু-শুধু ওষুধ দিয়ে লাভ নেই।”‘ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া’র বায়োমেডিক্যাল ল্যাবরেটরির এক সাম্প্রতিক সমীক্ষা জানাচ্ছে, একজন মানুষ গড়ে দিনে ৬০ হাজার থেকে এক লক্ষ বার পা ফেলে। তা হলে কেউ যদি ৭০ বছর বাঁচেন, তা হলে তার পা ফেলার সংখ্যা অনুমান করা যাচ্ছে। স্বভাবতই এতো বার পা ফেলার পরে তা সুস্থ রাখতে ঠিক জুতো পরার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। অস্থিরোগ বিশেষজ্ঞদের কথায়, “গোড়ালি, হাঁটু ও কোমর ঠিক রাখতে মেয়েদের জন্য পাম্প শু্য বা ব্যাকস্ট্র্যাপ দেয়া কম হিলের জুতো সবচেয়ে ভালো।”তারা আরো বলেন, “গাড়ি করে বেরিয়ে অল্পক্ষণ পার্টিতে থেকে আবার গাড়ি করে ফিরে যাওয়ার ক্ষেত্রে কিছুক্ষণ উঁচু হিল পরা যায়। কিন্তু সারাদিন ঘোরাঘুরি বা কাজের ক্ষেত্রে ছেলে-মেয়ে উভয়েরই খুব অল্প হিল বা ফ্ল্যাট জুতো পরা উচিত।”ফিজিক্যাল মেডিসিনের একজন চিকিৎসক জানান, হিল পরে হাঁটতে গিয়ে আঘাত লাগার সম্ভাবনা বেশি থাকে। বার বার এই ‘মাইক্রো ইনজুরি’ থেকে হাঁটুর ওপরে খুব চাপ পড়ে। এ রকম চলতে থাকলে ৫-১০ বছর পরে হাঁটু জানান দিতে থাকে। পেনসিল-হিলের বদলে প্ল্যাটফর্ম-হিল পরলেও পা ‘প্ল্যান্টার ফ্লেকসন’-এ থাকে। অর্থাৎ পায়ের পাতা মাটি থেকে উঠে থাকে বলে গোড়ালি ও হাঁটু দু’টোই একটু ভাঁজ হয়ে থাকে। বছরের পর বছর উঁচু হিল পরার জন্য এভাবে পায়ে ভাঁজ বা ফ্লেকসন হয়ে থাকলে তার থেকে হাড়ে ঘষা লাগে, ব্যথা হয়।
অস্থি বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, হিল পরার ইচ্ছে হতেই পারে, তবে তার জন্য একটু সতর্ক থাকা দরকার। যেখানে অল্প হাঁটতে হবে, সেখানে উঁচু হিল পরা যেতে পারে। কিন্তু প্রতিদিনের জীবনে, হাঁটাহাঁটির ক্ষেত্রে সামান্য উঁচু বা ফ্ল্যাট জুতোই থাকুক। কারণ শারীরিক সুস্থতা না-থাকলে সৌন্দর্য অধরাই থাকবে।
অস্থি বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, হিল পরার ইচ্ছে হতেই পারে, তবে তার জন্য একটু সতর্ক থাকা দরকার। যেখানে অল্প হাঁটতে হবে, সেখানে উঁচু হিল পরা যেতে পারে। কিন্তু প্রতিদিনের জীবনে, হাঁটাহাঁটির ক্ষেত্রে সামান্য উঁচু বা ফ্ল্যাট জুতোই থাকুক। কারণ শারীরিক সুস্থতা না-থাকলে সৌন্দর্য অধরাই থাকবে।
২০১১ সালের মধ্যে ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার : ওবামা
২০১১ সালের শেষ নাগাদ ইরাক থেকে সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাব্লিউ বুশের নেতৃত্বে মার্কিন বাহিনী ইরাকে আগ্রাসন চালানোর প্রায় নয় বছর পর প্রেসিডেন্ট ওবামা তার দেশের সেনা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিলেন। ২০০৩ সালে ইরাকের গণবিধ্বংসী অস্ত্র ধ্বংসের অজুহাতে ইঙ্গো-মার্কিন বাহিনী দেশটির ওপর আগ্রাসন চালিয়েছিল। কিন্তু ইরাকে সে ধরনের কোন অস্ত্র পাওয়া যায়নি। এতে করে একটি রাষ্ট্র ধ্বংস করে দেওয়া হলো। হাজার হাজার মানুষ এখন পঙ্গত বরন করে জীবন কাটাচ্ছে।২০০৮ সালে ইরাকে মোতায়েন মার্কিন সেনা সংখ্যা ছিল ১,৬৫,০০০। কিন্তু সে সংখ্যা কমে বর্তমানে ইরাকে ৩৯,০০০ সেনা মোতায়েন রয়েছে এবং ওবামার ঘোষণা অনুযায়ী এদের সবাইকে আর দু’মাসের মধ্যে প্রত্যাহার করা হবে।তিনি এও বলেন, ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হলেও দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক থাকবে এবং নতুন করে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করা হবে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের হিসেব অনুযায়ী, ইরাকে গত নয় বছরে ৪,৪০৮ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে।যুক্তরাষ্ট্র ২০১০ সালে ইরাকে যুদ্ধ অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা করেছিল। এ ছাড়া, জর্জ ডাব্লিউ বুশ ক্ষমতায় থাকার সময়ই ২০১১ সালের শেষ নাগাদ ইরাক থেকে সব সেনা প্রত্যাহারের ব্যাপারে বাগদাদের সঙ্গে ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা বিষয়ক একটি চুক্তি হয়েছিল। তবে সে সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করে ইরাকে সেনা মোতায়েন অব্যাহত রাখার চেষ্টা জোরদার করে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে সমালোচনা হচ্ছে যে মার্কিনীরা গনবিধ্বংসী অস্ত্র না পেলেও তেল নেওয়ার জন্যই ইরাকের উপর আগ্রাসন চালিয়েছিল।
লিবিয়ার নির্বাচন খুব দ্রুত দেয়া হবে : জিবরিল
লিবিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী মাহমুদ জিবরিল জানিয়েছেন একটি জাতীয় পরিষদ গঠনের উদ্দেশ্যে আগামী আট মাসের মধ্যে সাধারণ নির্বাচন দেয়া হবে। আজ শনিবার জর্ডানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে লিবিয়ার ‘ন্যাশনাল ট্রানজিশনাল কাউন্সিল’র (এনটিসি) এ নেতা বলেন, এ সপ্তাহে মুয়াম্মার গাদ্দাফির মৃত্যুর পর লিবিয়ায় ছড়িয়ে থাকা অস্ত্র প্রত্যাহার, স্থিতিশীলতা ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া শুরু করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, লিবিয়ায় জাতীয় কংগ্রেস, পার্লামেন্টের মতো একটা কিছু গঠন করার জন্য সর্বোচ্চ আট মাসের মধ্যে একটি নির্বাচন হওয়া উচিত।
পাকিস্তান শ্রীলঙ্কা টেস্ট ড্র
পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথমটি শেষ হয়েছে অমীমাংসিতভাবে। পঞ্চম ও শেষ দিনে জয়ের জন্য ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান এক উইকেট হারিয়ে ২১ রান তুলতে শেষ হয়ে যায় নির্ধারিত দিনের খেলা। তাই ড্র মেনে নিয়ে মাঠ ছাড়ে উভয় দল।
শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংস: ১৯৭, দ্বিতীয় ইনিংস: ৪৮৩
পাকিস্তান প্রথম ইনিংস: ৫১১/৬ ডি.
ফল: ড্র
কুমার সাঙ্গাকারার ডাবল শতকের প্রসন্ন জয়াবর্ধনে শতকে প্রায় হেরে যাওয়া মেচে প্রান ফিরিয়ে দেন তারা। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে দুজনের অবদান ২০১ রানের।এর আগে ১ উইকেটে ৪৭ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে শ্রীলঙ্কা। সাঙ্গাকারা ও লাহিরু থিরিমান্নের দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে আগের দিন উঠেছিলো ৪৭ রান। শুক্রবার প্রতিপক্ষের ফিল্ডারদের ব্যর্থতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে আরো ১০৬ রান যোগ করেন তারা। সাঙ্গাকারা-থিরিমান্নে ব্যাট করার সময় চারটি ক্যাচ ফেলে পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত দলীয় ১৫৩ রানে রান আউট হয়ে ফিরে আসেন থিরিমান্নে (৬৮)। শ্রীলঙ্কার সংগ্রহে আর ৭ রান যোগ হতেই তাকে অনুসরণ করেন মাহেলা জয়াবর্ধনে (৪)। অধিনায়ক তিলকারতে� দিলশানও (৯) বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। তিনি আউট হওয়ার সময় ১৯১/৪-এ পরিণত শ্রীলঙ্কা বেশ অস্বস্তিতেই ছিলো। সহ-অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের (২২) সঙ্গে সাঙ্গাকারার ৪২ রানের জুটিও অস্বস্তিটা দূর করতে পারেনি।
প্রথম ইনিংসে ১৯৭ রানে গুটিয়ে যাওয়া শ্রীলঙ্কা দারুণভাবে ফিরে আসে দ্বিতীয় ইনিংসে। প্রথম টেস্টের শেষ দিনে সাবেক অধিনায়ক সাঙ্গাকারার দ্বিশতক (২১১), প্রসন্ন জয়াবর্ধনের ১২০ ও লাহিরু থিরিমান্নের ৬৮ রানের কল্যাণে ৪৮৩ রানে অলআউট হয় লঙ্কানরা। ততক্ষণে প্রতিপক্ষকে ১৬৯ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়েছে তারা। যেটা দিন শেষে টপকানো অসম্ভব ছিলো পাকিস্তানের জন্য। এজন্য অমীমাংসিতভাবেই শেষ হয়েছে প্রথম টেস্ট।
শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংস: ১৯৭, দ্বিতীয় ইনিংস: ৪৮৩
পাকিস্তান প্রথম ইনিংস: ৫১১/৬ ডি.
ফল: ড্র
কুমার সাঙ্গাকারার ডাবল শতকের প্রসন্ন জয়াবর্ধনে শতকে প্রায় হেরে যাওয়া মেচে প্রান ফিরিয়ে দেন তারা। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে দুজনের অবদান ২০১ রানের।এর আগে ১ উইকেটে ৪৭ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে শ্রীলঙ্কা। সাঙ্গাকারা ও লাহিরু থিরিমান্নের দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে আগের দিন উঠেছিলো ৪৭ রান। শুক্রবার প্রতিপক্ষের ফিল্ডারদের ব্যর্থতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে আরো ১০৬ রান যোগ করেন তারা। সাঙ্গাকারা-থিরিমান্নে ব্যাট করার সময় চারটি ক্যাচ ফেলে পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত দলীয় ১৫৩ রানে রান আউট হয়ে ফিরে আসেন থিরিমান্নে (৬৮)। শ্রীলঙ্কার সংগ্রহে আর ৭ রান যোগ হতেই তাকে অনুসরণ করেন মাহেলা জয়াবর্ধনে (৪)। অধিনায়ক তিলকারতে� দিলশানও (৯) বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। তিনি আউট হওয়ার সময় ১৯১/৪-এ পরিণত শ্রীলঙ্কা বেশ অস্বস্তিতেই ছিলো। সহ-অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের (২২) সঙ্গে সাঙ্গাকারার ৪২ রানের জুটিও অস্বস্তিটা দূর করতে পারেনি।
প্রথম ইনিংসে ১৯৭ রানে গুটিয়ে যাওয়া শ্রীলঙ্কা দারুণভাবে ফিরে আসে দ্বিতীয় ইনিংসে। প্রথম টেস্টের শেষ দিনে সাবেক অধিনায়ক সাঙ্গাকারার দ্বিশতক (২১১), প্রসন্ন জয়াবর্ধনের ১২০ ও লাহিরু থিরিমান্নের ৬৮ রানের কল্যাণে ৪৮৩ রানে অলআউট হয় লঙ্কানরা। ততক্ষণে প্রতিপক্ষকে ১৬৯ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়েছে তারা। যেটা দিন শেষে টপকানো অসম্ভব ছিলো পাকিস্তানের জন্য। এজন্য অমীমাংসিতভাবেই শেষ হয়েছে প্রথম টেস্ট।
শনিবার, ২২ অক্টোবর, ২০১১
দেশের মানুষ ও গনতন্ত্রকে রক্ষা করতেই বিএনপির আন্দোলন : ফখরুল
কোন যুদ্ধাপরাধীকে বাঁচানো জন্য নয় দেশের মানুষ ও গনতন্ত্রকে রক্ষা করতেই আমরা আন্দোলনে নেমেছি বলে দাবি করেন বিএনপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আমাদের রোড মার্চে জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহনে দেখে সরকার ভীত হয়েছে। তারা অরাজনৈতিক ও অগণতান্ত্রিক বক্তব্য দিচ্ছে।
জামায়াতের আমীর মতিউর রহমান নিজামীকে যুদ্ধাপরাধী মনে করেন কি না?-এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমি রাজনীতি করি। সে কারণেই এ প্রশ্নে সোজা উত্তর দেব না। তবে নিজামী সাহেব যদি খুন, ধর্ষণ, অগ্নি সংযোগ ও লুট করে থাকেন তার বিচার আমরা চাই। এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে এ ধরনের কোনো অভিযোগ প্রমাণ হয়নি। ফখরুলের মতে, জামায়াত নেতাদের বিচারের ক্ষেত্রেও মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। আইনি সহায়তা থেকে তাদের বঞ্চিত করা হয়েছে। যে প্রক্রিয়ায় বিচার করা হচ্ছে তা স্বচ্ছ নয়। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক, জাইকা ও এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক প্রাকাশ্যে বলেছে সরকারের যোগাযোগমন্ত্রী দুর্নীতি করেছে। অথচ নির্লজ্জভাবে প্রধানমন্ত্রী যোগাযোগমন্ত্রীর পক্ষ নিচ্ছেন। দুর্নীতির দায় চাপাবার চেষ্টা করছেন বিএনপি সাবেক যোগযোগমন্ত্রী নাজমুল হুদার ওপর। এ থেকে কি তার দুর্বলতা প্রকাশ পাচ্ছে না? বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী, আমান উল্লাহ আমান প্রমুখ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতের আমীর মতিউর রহমান নিজামীকে যুদ্ধাপরাধী মনে করেন কি না?-এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমি রাজনীতি করি। সে কারণেই এ প্রশ্নে সোজা উত্তর দেব না। তবে নিজামী সাহেব যদি খুন, ধর্ষণ, অগ্নি সংযোগ ও লুট করে থাকেন তার বিচার আমরা চাই। এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে এ ধরনের কোনো অভিযোগ প্রমাণ হয়নি। ফখরুলের মতে, জামায়াত নেতাদের বিচারের ক্ষেত্রেও মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। আইনি সহায়তা থেকে তাদের বঞ্চিত করা হয়েছে। যে প্রক্রিয়ায় বিচার করা হচ্ছে তা স্বচ্ছ নয়। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক, জাইকা ও এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক প্রাকাশ্যে বলেছে সরকারের যোগাযোগমন্ত্রী দুর্নীতি করেছে। অথচ নির্লজ্জভাবে প্রধানমন্ত্রী যোগাযোগমন্ত্রীর পক্ষ নিচ্ছেন। দুর্নীতির দায় চাপাবার চেষ্টা করছেন বিএনপি সাবেক যোগযোগমন্ত্রী নাজমুল হুদার ওপর। এ থেকে কি তার দুর্বলতা প্রকাশ পাচ্ছে না? বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী, আমান উল্লাহ আমান প্রমুখ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
স্বজনপ্রীতির কারণে দেশ এখনো দুর্নীতিমুক্ত হয়নি : ড. কামাল
দেশে আইনের শাসন এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়নি দাবি কওে গণফোরামের নেতা ড. কামাল হোসেন বলেন, দলীয় আনুগত্য ও স্বজনপ্রীতির কারণে দেশ এখনো দুর্নীতিমুক্ত হয়নি। আজ শনিবার দুপুরে চাঁদপুর জেলা গণফোরামের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সঙ্কট থেকে এখনো দেশের মানুষ পরিত্রাণ পায়নি। অথচ এ সবের জন্য দেশের মানুষ সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। এ নিয়ে কারো কোনো বিরোধ বা দ্বিমত নেই। ড. কামাল হোসেন বলেন, ২০০৮ সালে ১ কোটি ৩০ লাখ ভুয়া ভোটারের বিষয়টি গণফোরাম ১৪ দলে উত্থাপন করেছিল। এ ক্ষেত্রে গণফোরামের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। এর সঙ্গে দিন বদলের কর্মসূচি গড়ে তোলা হয়। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা হোসেন মন্টু, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জগলুল হায়দার আফরিক, জেলা গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সেলিম আকবর প্রমুখ।
১৪ দলীয় ঐক্য গড়ে তোলার উদ্দেশ্য সফল হয়নি : মেনন
ওয়ার্কাস পার্টির কেন্দ্রীয় সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, চারদলীয় জোটের দুঃশাসন, দুর্নীতি, মৌলবাদ ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে ২৩ দফা কর্মসুচির ভিত্তিতে ১৪ দলীয় ঐক্য গড়ে তোলা হয় কিন্তু ২৩ দফা বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি রেশনিং ব্যাবস্থা চালু করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান। আজ শনিবার ঝিনাইদহের স্থানীয় ঢাকা অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত ওয়ার্কাস পার্টির এক কর্মী সভায় তিনি এ কথা বলেন। ওয়ার্কাস পার্টির জেলা সম্পাদক মোফাজ্জেল হোসেন মনজুর সভাপতিত্বে কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ওয়ার্কাস পার্টির কেন্দ্রীয় সভাপতি কমঃ রাশেদ খান মেনন এমপি। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ওয়ার্কাস পার্টির পলিট ব্যুরো সদস্য কমঃ ফজলে হোসেন বাদশা এমপি, কমঃ ইকবাল কবির জাহিদ, কমঃ জাকির হোসেন হবি, কমঃ অরুণ কুমার ঘোষ।
আগামী মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জে মেয়র প্রার্থীদের নির্বাচনী বিতর্ক
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচন উপলক্ষে ছয় মেয়র প্রার্থীর অংশগ্রহণে ২৫ অক্টোবর নির্বাচনী বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয় সূত্র থেকে এ তথ্য জানা যায়। সূত্র জানায়, নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে রাত আটটায় এ বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে। বিতর্কে মেয়র প্রার্থীদের নির্বাচনী অঙ্গীকার ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হবে। বিতর্কটি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার সরাসরি সম্প্রচার করবে। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করবেন বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী। বিতর্কে অংশ নেয়ার জন্য নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকার যে কোনো ভোটার নিবন্ধিত হতে পারবেন। বিতর্কে প্রার্থী, ভোটার, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, উন্নয়নকর্মী ছাড়াও নির্বাচন কমিশনরা উপস্থিত থাকবেন। উল্লেখ্য, দেশে এর আগে এ ধরনের বিতর্ক বিবিসির উদ্যোগে আয়োজিত হতো। অর্থসংকটের কারণে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা সম্ভব নয় বলে বিবিসি নির্বাচন কমিশনকে জানায়।
আঞ্চলিক যোগাযোগের ওপর অর্থমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, উন্নয়ন ও যোগাযোগ একে অপরের সাথে সম্পর্কিত। তাই উন্নয়নের জন্যই এখন এ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা জোরদার করা দরকার। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার তাগিদ দেন অর্থমন্ত্রী। শনিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত চতুর্থ দক্ষিণ এশীয় অর্থনৈতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহিত এসব কথা বলেন। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত এই সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য দেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান। সিপিডির চেয়ারম্যান রেহমান সোবহান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।অর্থমন্ত্রী বলেন, এ অঞ্চলের দেশগুলোর আঞ্চলিক যোগাযোগ খুব গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগের চেয়ে আমাদের আঞ্চলিক যোগাযোগটাকে গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি দক্ষিণ এশিয়ার জন্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে খাদ্য নিরাপত্তা, পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা, আঞ্চলিক যোগাযোগ, জ্বালানি খাতের উন্নয়ন এবং আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্যের কথা গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করেন।অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- শ্রীলঙ্কার আন্তর্জাতিক মনিটরি কো-অপারেশনের জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী ড. সরাথ অ্যামুনুগামা, সার্কের সাবেক মহাসচিব ও মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতির বিশেষ দূত ইব্রাহীম হোসাইন জাকির, আফগানিস্থানের রাষ্ট্রপতির অর্থনৈতিক বিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্ঠা ড. সাম এল ভাতিজা প্রমুখ।
বেসরকারি ব্যাংকের ৫০০০ কোটি টাকা পুঁজিবাজারে আসছে
বেসরকারি ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড (এমএসএফ)নামে পাঁচ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করবে। বিএবির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার আজ শনিবার জানিয়েছে, আগামীকাল রোববার সকাল ১১টায় এ তহবিল গঠনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে। বিএবির এই তহবিল গঠনের ঘোষণা দেয়ার দু’দিন আগে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি) পুঁজিবাজারে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বিনোয়োগ বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। গত তিন মাসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ সূচক প্রায় ১ হাজার ৪৫২ পয়েন্ট কমে যায়। এর প্রতিক্রিয়ায় গত সপ্তাহে ব্যক্তি শ্রেণীর বিনিয়োগকারীদের অব্যাহত আন্দোলনের মুখে অর্থ মন্ত্রণালয়, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিভিন্ন প্রণোদনামূলক পদক্ষেপ নেয়।
সোমবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১১
মেসির জোড়া গোলে বার্সার জয়
স্পেনিশ লা লিগায় জোড়া গোল করে আবার দলকে পরিচ্ছন্ন জয় এনে দিয়েছেন বার্সার তারকা খেলোয়াড় লিওনেল মেসি। গতরাতে স্পেনের ক্যাম্প ন্যুতে অনুষ্ঠিত এ খেলায় রেসিং সান্তান্দারের বিরুদ্ধে জাভিও এক গোল করেন। মেসি ১১ ও ৬৮ মিনিটে এবং জাভি ২৭ মিনিটে গোল করেন। খেলাটি বার্সার জন্য তেমন গুরুত্বপূর্ণ না হলেও ক্লাবকে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান ধরে রাখতে সাহায্য করেছে। বার্সেলোনা এখন সাত খেলায় ১৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে। দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে রিয়াল মাদ্রিদ। গতকাল ৪-১ গোলে রিয়াল বেতিসকে হারানোর পর ৭ খেলায় এখন তাদের পয়েন্ট ১৬। রিয়াল মাদ্রিদের পক্ষে হিগুয়েন হ্যাটট্রিক করেন। তবে গেটাফে-ভিয়ারিয়াল ও গ্রেনাডা-অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের খেলা দুটি ০-০ গোলে এবং ভ্যালেন্সিয়া-মালোরকা ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছে। গতরাতের ম্যাচগুলোর পর লিগের তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে যথাক্রমে লেভান্তে ও ভ্যালেন্সিয়া।
গুপ্তহত্যা অসভ্য লোকদের কাজ যুক্তরাষ্ট্রকে আহমাদিনেজাদ
ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. মাহমুদ আহমদিনেজাদ মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ করে বলেছেন, সাংস্কৃতিকভাবে সভ্য জাতি ইরানিদের জন্য গুপ্তহত্যার মতো জঘন্য কাজ করার দরকার নেই। ওয়াশিংটনে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত আদেল আল জুবায়েরকে হত্যার জন্য তেহরান ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়েছে বলে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রশাসন সম্প্রতি যে অভিযোগ এনেছে তার জবাবে ড. আহমাদিনেজাদ এ কথা বলেছেন। তিনি মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে আরো বলেছেন, “আপনারাই গুপ্তহত্যার ঘটনা ঘটিয়েছেন।” ড. আহমাদিনেজাদ বলেন, মার্কিন প্রশাসন প্রতিদিনই ইরানকে সমস্যায় ফেলার চেষ্টা করে এবং এবার সন্ত্রাসবাদের জন্য অভিযুক্ত করল। ইরানি ছাত্রদের পার্লামেন্টের দ্বিতীয় বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেছেন। মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ করে ইরানের প্রেসিডেন্ট আরো বলেছেন, “তাদের জানা উচিত যে সন্ত্রাসবাদ হচ্ছে অসভ্য লোকদের কাজ।” ড. আহমদিনেজাদ জোর দিয়ে বলেন, তেহরানের ওপর বর্তমানে যেসব চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে তা নিতান্তই ইরানের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করার জন্য। এ ছাড়া, মার্কিনিরা সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দিক দিয়ে ইরানের চেয়ে প্রভাবশালী হতে চায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত মঙ্গলবার অভিযোগ করেছে, মেক্সিকোর এক মাদক চোরাচালানির সহায়তায় ইরান ওয়াশিংটনে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূতকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল। প্রথম দিন থেকেই ইরান এ অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে তা প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
বিশ্বব্যাংকের পর এবার এডিবি ও জাইকা অর্থায়ন স্থগিত
বিশ্বব্যাংকের পর এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও জাপান ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন এজেন্সি (জাইকা) পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য ১০১ কোটি ডলারের ঋণ সহায়তা স্থগিত করেছে। বিশ্বব্যাংকের মতো তারাও ঋণ সহায়তা স্থগিত হওয়ার বিষয়টি চিঠির মাধ্যমে সরকারকে জানিয়ে দিয়েছে। ফলে পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য ২৯০ কোটি ডলারের বাজেটের মধ্যে ২৩১ কোটি ডলার স্থগিত হয়ে গেল। এ অবস্থায় পদ্মা সেতু নির্মাণের বিষয়টি আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়লো। অথচ সরকারের কোন পর্যায়ে এখনও এ দুই দাতা সংস্থার চিঠির বিষয়টি স্বীকার করা হচ্ছে না। জাইকা ও এডিবি তাদের চিঠিতে বলেছে, দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত বিষয়টি সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত ঋণ ছাড় করা হবে না। গতকাল প্রকাশিত এ সংক্রান্ত সংবাদে জাইকা’র প্রধান কার্যালয়ের সাউথ এশিয়া বিভাগের পরিচালক ইচি বুচি তোমেহিদো বলেন, পদ্মা সেতু নিয়ে সমপ্রতি দুর্নীতির অভিযোগে ঋণ প্রদান স্থগিত ঘোষণা করেছে বিশ্বব্যাংক। সমন্বিত ঋণ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী আমরাও পদ্মা সেতুতে ঋণ দেয়া স্থগিত করার বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারকে জানিয়ে দিয়েছি। এডিবি ও জাইকা সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বব্যাংক, এডিবি ও জাইকা’র সঙ্গে সমন্বিত চুক্তি হয়েছে। সবার চুক্তিতে বলা রয়েছে, প্রকল্পে কোন দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে একটি দাতা সংস্থার ঋণ সহায়তা স্থগিত হলে অন্য দাতা সংস্থাও ঋণ সহায়তা স্থগিত করে দিতে পারবে। এ কারণে বিশ্বব্যাংকের পর অন্য দুই দাতা সংস্থার ঋণ সহায়তাও স্থগিত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এখনও বিষয়টি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি এই দুই আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা। তবে সমন্বিত ঋণ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী তারা এমনটা করেছে। এর আগে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) ৬১৫ মিলিয়ন ও জাইকা’র ৪০০ মিলিয়নসহ ১০১৫ মিলিয়ন ডলার বা ১০১ কোটি ডলারের ঋণ সহায়তা দেয়ার জন্য চুক্তি করে। এর আগেই ১২০ কোটি ডলারের ঋণ দেয়ার বিষয়টি স্থগিত করেছে বিশ্বব্যাংক। সব মিলিয়ে ২৩১ কোটি ডলার স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম এ সেতুটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৯০ কোটি ডলার বা ২০ হাজার ৫০৭ কোটি ২০ লাখ টাকা। নির্মাণ ব্যয়ের বেশির ভাগই দেয়ার কথা দাতাদের। চুক্তি অনুযায়ী দাতাদের মধ্যে বিশ্বব্যাংকের ১২০০ মিলিয়ন ডলার, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) ৬১৫ মিলিয়ন, জাইকা ৪০০ মিলিয়ন ও ইসলামী ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইডিবি) ১৪০ মিলিয়ন ডলার দেয়ার কথা। বাকি টাকা বাংলাদেশ সরকার যোগান দেবে। ইসলামী ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের ১৪০ মিলিয়ন ডলার ছাড়া আর সব দাতা সংস্থা ঋণ সহায়তা প্রদান স্থগিত করে দিয়েছে।
নাসিক নির্বাচনের দুইদিন আগে সেনা মোতায়েন
নির্বাচন কমিশন (ইসি) নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন(নাসিক) নির্বাচনে ভোট গ্রহণের দুদিন আগ থেকে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে । আজ রবিবার নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে কমিশন বৈঠক শেষে ছহুল হোসেন সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন জানান, চার কোম্পানি সেনা সদস্য চেয়ে রবিবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হবে আগামী ৩০ অক্টোবর। প্রার্থীরা ইভিএমের (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) পক্ষে মত না দিলেও নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হবে বলে জানান তিনি। ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২৮ অক্টোবর সকাল ৬ টা থেকে ১ নভেম্বর রাত ১১ টা পর্যন্ত স্ট্রাইকিং ও মোবাইল ফোর্স হিসাবে এসব সদস্য নিয়োজিত থাকবে। সাখাওয়াত বলেছিলেন, ভোটের দুই দিন আগে থেকে মোট পাঁচ দিনের জন্য চার হাজার অতিরিক্ত সদস্যসহ প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারকে বলা হয়েছে। ইসি কর্মকর্তারা জানান, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নির্বাহী হাকিমের নেতৃত্বে স্ট্রাইকিং ও মোবাইল ফোর্সে নিয়োজিত থাকবে। ৩৬ জন নির্বাহী ও বিচারিক হাকিম নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ২৪ জন করে নিরাপত্তা রক্ষী নিয়োজিত থাকবেন।
নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন জানান, চার কোম্পানি সেনা সদস্য চেয়ে রবিবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হবে আগামী ৩০ অক্টোবর। প্রার্থীরা ইভিএমের (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) পক্ষে মত না দিলেও নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হবে বলে জানান তিনি। ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২৮ অক্টোবর সকাল ৬ টা থেকে ১ নভেম্বর রাত ১১ টা পর্যন্ত স্ট্রাইকিং ও মোবাইল ফোর্স হিসাবে এসব সদস্য নিয়োজিত থাকবে। সাখাওয়াত বলেছিলেন, ভোটের দুই দিন আগে থেকে মোট পাঁচ দিনের জন্য চার হাজার অতিরিক্ত সদস্যসহ প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারকে বলা হয়েছে। ইসি কর্মকর্তারা জানান, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নির্বাহী হাকিমের নেতৃত্বে স্ট্রাইকিং ও মোবাইল ফোর্সে নিয়োজিত থাকবে। ৩৬ জন নির্বাহী ও বিচারিক হাকিম নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ২৪ জন করে নিরাপত্তা রক্ষী নিয়োজিত থাকবেন।
পদ্মা সেতু দুর্নীতি : দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হওয়ার কোনো কারণ নাই
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, পদ্মা সেতু নিয়ে দাতা সংস্থাগুলোর মধ্যে দুর্নীতির প্রশ্ন উঠতেই পারে। এতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হওয়ার কোনো কারণও দেখছেন না বলে তিনি জানান। আজ রবিবার নিজ মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, পদ্মা সেতু বাস্তবায়নের পাঁচটি ধাপের একটিতে বিশ্বব্যাংকের উত্থাপিত প্রশ্নে যথাযথ তথ্য-উপাত্তসহ জবাব দেবে বাংলাদেশ। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলো যে স্বাধীনতা ভোগ করছে তা বিশ্বে অতুলনীয়।
শনিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১১
ওয়াল স্ট্রিট আন্দোলনকারীরা কর্তৃপক্ষের মুখোমুখি
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরের ম্যানহাটন এলাকার জুক্কোট্টি পার্ক থেকে ‘অকুপাই ওয়াল স্ট্রিট’ বা ‘ওয়াল স্ট্রিট দখল’ আন্দোলনকারীদের উচ্ছেদের জন্য কর্তৃপক্ষ যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনের অংশ হিসেবে গত এক মাস ধরে শত শত মানুষ ওই পার্কে তাঁবু গেড়ে অবস্থান করছেন। কিন্তু পুলিশের সহায়তায় নিউ ইয়র্কের মেয়র ব্লুমবার্গ পার্কটি পরিষ্কার করার নামে আজ শুক্রবার আরো পরে তাদেরকে জোর করে উচ্ছেদ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে, উচ্ছেদ অভিযান চালাতে গেলে সেখানে সংঘর্ষ অনিবার্য হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার আন্দোলনের সংগঠকেরা ই-মেইল বার্তায় সমর্থকদের উচ্ছেদ ঠেকাতে সবাইকে অংশ নেয়ার আহবান জানিয়েছেন। শহরের সরকারি উকিল বিল ডে ব্লাসিও বলেছেন, জোর করে আন্দোলনকারীদের উচ্ছেদ করা হবে অসাংবিধানিক ও বেআইনি। তিনি আরো বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে আন্দোলন শুধু জোরদারই হবে; দুর্বল হবে না। অবশ্য, নগর কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, পার্ক পরিষ্কার করার পর আবার তাদের ফিরে আসার সুযোগ দেয়া হবে। কিন্তু অবস্থানকারীরা বলছেন, পারিষ্কার করার নামে একবার উচ্ছেদ করতে পারলে আর সেখানে তাদের ফিরতে দেবে না। এ জন্য তারা যে কোনো মূল্যে নগর কর্তৃপক্ষের ওই কর্মসূচি ঠেকাবেন।
‘ওয়াল স্ট্রিট দখল’ আন্দোলনের সংগঠকরা বলছেন, রাষ্ট্রের ক্ষমতাধরদের অর্থলিপ্সা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারা সোচ্চার হয়েছেন। ক্ষমতাধরদের পাশাপাশি ধনিক শ্রেণী দিন দিন আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে আর সাধারণ মানুষ ক্রমেই নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। তারা আরো বলছেন, দেশে বেকার মানুষের সংখ্যা যখন প্রতিদিনই বাড়ছে তখন সরকার নতুন কোনো কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারছে না। যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীরা আরো অভিযোগ করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কেন্দ্র ওয়াল স্ট্রিটের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো শুধু ধনিক শ্রেণীর স্বার্থ রক্ষা করছে যারা দেশের মোট জনসংখ্যার মাত্র এক ভাগ। এই এক শতাংশ মানুষ বাকি ৯৯ ভাগ মানুষের ওপর নিজেদের সিদ্ধান্ত ও দুর্ভোগ চাপিয়ে দিচ্ছে। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বার্থে ধনিক শ্রেণীর মানুষের ওপর কর বাড়ানোরও দাবি জানিয়েছেন তারা।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর একদল বেকার তরুণ ‘অকুপাই ওয়াল স্ট্রিট’বা ওয়াল স্ট্রিট দখল করো নামের এ আন্দোলন শুরু করে। তখন থেকেই লোয়ার ম্যানহাটনের জুক্কোট্টি পার্কে তাবু খাটিয়ে অবস্থান করছেন তারা। পার্কটি কোনো সরকারি সম্পত্তি নয়, বেসরকারি মালিকানাধীন। এরইমধ্যে এ আন্দোলন সমস্ত যুক্তরাষ্ট্রে ছড়িয়ে পড়েছে। এখন তা বৃটেন, কানাডায় আছড়ে পড়ছে। আগামীকাল এ আন্দোলনের সমর্থনে সারা বিশ্বের ৭১টি দেশে ধনিক রাজনীতিবিদ ও বিত্তশালীদের শোষণের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হবে। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের অন্য শহরগুলোতেও সংগঠিত হচ্ছেন ওয়ালস্ট্রিট বিরোধীরা। গত সপ্তাহের শুরুর দিকে বেশ কয়েকটি পেশাজীবী ইউনিয়ন এ আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানায়। এ আন্দোলন এখন যুক্তরাষ্ট্রের এক হাজার চারশ’ শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে এরইমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অকুপাই বোস্টোন, অকুপাই সিনসিনাটি, অকুপাই হিউস্টোন, অকুপাই লস অ্যাঞ্জেলেস, অকুপাই ফিলাডেলফিয়া, অকুপাই প্রোভিডেন্স, অকুপাই সল্ট লেক এবং অকুপাই সিয়াটেলের মতো আন্দোলন গড়ে উঠেছে। চলতি সপ্তাহে কানাডার ভাঙ্কুভার ও টরেন্টোতে এ আন্দোলনের সমর্থনে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন হবে। আর শনিবার থেকে ‘অকুপাই লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ’ আন্দোলন শুরু হবে। অকুপাই ওয়াল স্ট্রিট আন্দোলন বিশ্ব নেতাদের দৃষ্টিও আকর্ষণ করেছে। আন্দোলন সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, পোল্যান্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও শ্রমিক নেতা লেস ওয়ালেসা এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী। লেস ওয়ালেসা গতকাল বলেছেন, “তিনি অকুপাই ওয়াল স্ট্রিট আন্দোলনে যোগ দিতে নিউ ইয়র্ক সফর করবেন অথবা আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে তিনি চিঠি লিখবেন।” তিনি আরো বলেছেন, “বিশ্ব অর্থনৈতিক সঙ্কট মানুষকে সচেতন করে তুলেছে যে, পুঁজিবাদী ব্যবস্থা পরিবর্তন করা দরকার কারণ ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও জনগণের স্বার্থ আদায় অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।” ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বুধবার বলেছেন, অকুপাই ওয়াল স্ট্রিট আন্দোলনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে সমস্যা স্পষ্ট হয়ে গেছে যা মার্কিন পুঁজিবাদের পতন অবশ্যম্ভাবি করে তুলবে। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন নানা সমস্যায় আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে গেছে কারণ এর দুর্নীতিগ্রস্ত ভিত্তি জনগণের কাছে উন্মোচিত হয়ে পড়েছে। এদিকে, ওয়াল স্ট্রিট বিরোধীদের ওপর মার্কিন পুলিশের ধরপাকড় এখনো চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটেল শহরের একটি পার্কে ওয়াল স্ট্রিট বিরোধী আন্দোলনকারীদের উচ্ছেদ করতে গিয়ে পুলিশ অন্ততঃ ১০ জনকে আটক করেছে। গত মধ্যরাতে সিয়াটেলের ওয়েস্ট লেক পার্ক থেকে এসব ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।
‘ওয়াল স্ট্রিট দখল’ আন্দোলনের সংগঠকরা বলছেন, রাষ্ট্রের ক্ষমতাধরদের অর্থলিপ্সা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারা সোচ্চার হয়েছেন। ক্ষমতাধরদের পাশাপাশি ধনিক শ্রেণী দিন দিন আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে আর সাধারণ মানুষ ক্রমেই নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। তারা আরো বলছেন, দেশে বেকার মানুষের সংখ্যা যখন প্রতিদিনই বাড়ছে তখন সরকার নতুন কোনো কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারছে না। যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীরা আরো অভিযোগ করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কেন্দ্র ওয়াল স্ট্রিটের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো শুধু ধনিক শ্রেণীর স্বার্থ রক্ষা করছে যারা দেশের মোট জনসংখ্যার মাত্র এক ভাগ। এই এক শতাংশ মানুষ বাকি ৯৯ ভাগ মানুষের ওপর নিজেদের সিদ্ধান্ত ও দুর্ভোগ চাপিয়ে দিচ্ছে। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বার্থে ধনিক শ্রেণীর মানুষের ওপর কর বাড়ানোরও দাবি জানিয়েছেন তারা।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর একদল বেকার তরুণ ‘অকুপাই ওয়াল স্ট্রিট’বা ওয়াল স্ট্রিট দখল করো নামের এ আন্দোলন শুরু করে। তখন থেকেই লোয়ার ম্যানহাটনের জুক্কোট্টি পার্কে তাবু খাটিয়ে অবস্থান করছেন তারা। পার্কটি কোনো সরকারি সম্পত্তি নয়, বেসরকারি মালিকানাধীন। এরইমধ্যে এ আন্দোলন সমস্ত যুক্তরাষ্ট্রে ছড়িয়ে পড়েছে। এখন তা বৃটেন, কানাডায় আছড়ে পড়ছে। আগামীকাল এ আন্দোলনের সমর্থনে সারা বিশ্বের ৭১টি দেশে ধনিক রাজনীতিবিদ ও বিত্তশালীদের শোষণের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হবে। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের অন্য শহরগুলোতেও সংগঠিত হচ্ছেন ওয়ালস্ট্রিট বিরোধীরা। গত সপ্তাহের শুরুর দিকে বেশ কয়েকটি পেশাজীবী ইউনিয়ন এ আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানায়। এ আন্দোলন এখন যুক্তরাষ্ট্রের এক হাজার চারশ’ শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে এরইমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অকুপাই বোস্টোন, অকুপাই সিনসিনাটি, অকুপাই হিউস্টোন, অকুপাই লস অ্যাঞ্জেলেস, অকুপাই ফিলাডেলফিয়া, অকুপাই প্রোভিডেন্স, অকুপাই সল্ট লেক এবং অকুপাই সিয়াটেলের মতো আন্দোলন গড়ে উঠেছে। চলতি সপ্তাহে কানাডার ভাঙ্কুভার ও টরেন্টোতে এ আন্দোলনের সমর্থনে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন হবে। আর শনিবার থেকে ‘অকুপাই লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ’ আন্দোলন শুরু হবে। অকুপাই ওয়াল স্ট্রিট আন্দোলন বিশ্ব নেতাদের দৃষ্টিও আকর্ষণ করেছে। আন্দোলন সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, পোল্যান্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও শ্রমিক নেতা লেস ওয়ালেসা এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী। লেস ওয়ালেসা গতকাল বলেছেন, “তিনি অকুপাই ওয়াল স্ট্রিট আন্দোলনে যোগ দিতে নিউ ইয়র্ক সফর করবেন অথবা আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে তিনি চিঠি লিখবেন।” তিনি আরো বলেছেন, “বিশ্ব অর্থনৈতিক সঙ্কট মানুষকে সচেতন করে তুলেছে যে, পুঁজিবাদী ব্যবস্থা পরিবর্তন করা দরকার কারণ ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও জনগণের স্বার্থ আদায় অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।” ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বুধবার বলেছেন, অকুপাই ওয়াল স্ট্রিট আন্দোলনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে সমস্যা স্পষ্ট হয়ে গেছে যা মার্কিন পুঁজিবাদের পতন অবশ্যম্ভাবি করে তুলবে। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন নানা সমস্যায় আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে গেছে কারণ এর দুর্নীতিগ্রস্ত ভিত্তি জনগণের কাছে উন্মোচিত হয়ে পড়েছে। এদিকে, ওয়াল স্ট্রিট বিরোধীদের ওপর মার্কিন পুলিশের ধরপাকড় এখনো চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটেল শহরের একটি পার্কে ওয়াল স্ট্রিট বিরোধী আন্দোলনকারীদের উচ্ছেদ করতে গিয়ে পুলিশ অন্ততঃ ১০ জনকে আটক করেছে। গত মধ্যরাতে সিয়াটেলের ওয়েস্ট লেক পার্ক থেকে এসব ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।
ওয়েন রুনি তিন ম্যাচ নিষিদ্ধ
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ফরোয়ার্ড ওয়েন রুনি তিন ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে উয়েফা। ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন্সশিপের গ্রুপের খেলায় আপাতত ইংল্যান্ডের হয়ে মাঠে নামতে পারবেন না এই উইঙ্গার। গত শুক্রবার মেন্টেনেগ্রোর বিপক্ষ ম্যাচে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড় মাইওদ্রাগ জুদোভোভিচকে লাথি মারেন রুনি। বিষয়টিকে ভালোভাবে গ্রহণ করেনি উয়েফার নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা প্যানেল। শাস্তি হিসেবে ইংলিশ তারকাকে তিন ম্যাচ নিষিদ্ধ করেছে তারা।
খেলার ৭৪ মিনিটে জুদোভিচকে লাথি মারায় রুনিকে সরাসরি লালকার্ড দেখান রেফারি উলফগাঙ্গ স্টার্ক। ইংল্যান্ডের কোচ ফ্যাবিও ক্যাপেলো বলেছেন, ২৫ বছর বয়সী রুনির এটা খুবই সামান্য ভুল। এজন্য তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা তাকে বেশ বিপদেই ফেলবে।
খেলার ৭৪ মিনিটে জুদোভিচকে লাথি মারায় রুনিকে সরাসরি লালকার্ড দেখান রেফারি উলফগাঙ্গ স্টার্ক। ইংল্যান্ডের কোচ ফ্যাবিও ক্যাপেলো বলেছেন, ২৫ বছর বয়সী রুনির এটা খুবই সামান্য ভুল। এজন্য তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা তাকে বেশ বিপদেই ফেলবে।
আখাউড়া স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা লোকসানে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের আগরতলায় পরীক্ষামূলক ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্টের মালামাল পরিবহণের কারণে স্থলবন্দরের আমদানি-রফতানি কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ফলে লোকসানের মুখে দুই দেশের ব্যবসায়ীরা। এ বিষয়ে সবদিক পর্যবেক্ষণ ও বিবেচনা করে লাভ-ক্ষতির বিষয়গুলো লিখিত আকারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন আখাউড়া স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ট্রানজিটে তাদের আপত্তি না থাকলেও এর আওতায় কী কী পণ্য যাবে তা স্পষ্ট করা হোক। এর আগে প্রয়োজন বন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যেন স্বাভাবিক আমাদনি-রফতানি কার্যক্রম ব্যাহত না হয়।উল্লেখ্য, ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে গত ১০ অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ৪০০ টন ভারতীয় মালামাল পরীক্ষামূলক ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্টের আওতায় আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের ত্রিপুরা গেছে। এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী এসব পণ্য পারাপার থেকে কোনো প্রকার শুল্ক নেওয়া হচ্ছেনা।
ক্ষমতায় গেলে জোট সরকার দেশকে পাকিস্তান বানাবে: মেনন
ওয়ার্কর্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি বলেছেন, বিএনপি-জামাত জোট আবার ক্ষমতায় এলে দেশকে পাকিস্তান বানাবে। এদের এসব ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া যাবে না।আজ শুক্রবার বিকেলে নাটোর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে দলের বর্ধিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশে যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হয়েছে ঠিক তখনই বিএনপি-জামাত এই বিচার ঠেকাতে মাঠে নেমেছে। নাটোর জেলা শাখার সম্পাদক আবুল হাসেমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাংসদ ফজলে হোসেন বাদশা, সিংড়া উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান, বুলবুল আহমেদ প্রমুখ।
মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর, ২০১১
সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগের অবস্থা খারাপ হবে: খালেদা
সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগের অবস্থা খারাপ হবে মন্তব্য করে ভৈরবে বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া বলেছেন, সেজন্য তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছে। আগামীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অবশ্যই আসতে হবে। সোমবার সকাল এগারোটায় ঢাকা নয়পল্টন থেকে রোডমার্চ শুরু করে খালেদা জিয়া বেলা পৌনে তিনটায় কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌছেন। ভৈরব সেতুর নিচে বিশাল পথসভায় বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন। খালেদা জিয়া বলেন, “বর্তমান নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ নয়। তারা সরকারের কথায় কাজ করে। তাদের মেয়াদও শেষ। এখন শুধু আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নয় সব ছোট বড় দলের মতামত নিয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। তারা ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন চালু করতে চায়। আমরা বলেছি এই মেশিন দিয়ে কারচুপি করা যায়। এই মেশিনে ধানের শীষে ভোট দিলে নৌকায় আবার নৌকায় দিলে ধানের শীষে করা যায়। সেজন্য বলেছি ইভিএম মেশিন দিয়ে এদেশে কোনো নির্বাচন হবে না।” তিনি বলেন, “ তারা ফখরুদ্দিন-মঈন উদ্দিনের দোহাই দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করেছে। ফখরুদ্দিন-মঈন উদ্দিনের সরকার কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছিলো না। তারা অবৈধ অসাংবিধানিক সরকার ছিলো। এর আগে যে কয়টি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছিলো সেগুলোর সবই সাংবিধানিক ছিলো। তাদের অধীনে সব নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছিলো। এ সরকার পদ্ধতির নির্বাচনে একবার বিএনপি একবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গিয়েছে।” ট্রানজিট দেয়ার আগে কাউকে জানানো হয়নি অভিযোগ করে তিনি বলেন, “ভৈরবের সম্মানিত ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানকেও ট্রানজিটের ব্যাপারে কিছু বলা হয়নি। সংসদে উপস্থাপন করার কথা থাকলেও তা করা হয় নি।” “ভৈরবের কাছে আশুগঞ্জে অন্যদেশের জন্য তারা জেটি বানিয়েছে। এসব আমাদের কোনো কাজে আসবে না। আমাদের রাস্তা দিয়ে অন্যদেশের গাড়ি চলবে। অথচ কোনো শুল্ক দেবে না। তাহলে এসব রাস্তা কে বানাবে। এই রাস্তার ঋণ যুবসমাজের মাথায় পড়বে। আর রাস্তা আমাদের ঠিক করতে হবে।”
তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ মানেই দুর্ভিক্ষ, আওয়ামী লীগ মানেই লুটপাট, আওয়ামী লীগ মানেই দখলদারিত্ব, সন্ত্রাস, বেইমানী। এখন যারা যুবক তারা ৭২-৭৫ সালের আওয়ামী লীগ শাসন দেখেনি। তখন দুর্ভিক্ষ মানুষ না খেয়ে মারা গিয়েছিলো। তাদের নেতাই বলেছিলো দেশ স্বাধীন হলে সবাই পায় স্বর্ণের খনি আর আমি পেয়েছি চোরের খনি। তখন তাদের নেতারা কম্বল চুরি করেছিলো। এই চোর লুটেরাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়।”
খালেদা জিয়া বলেন, “আমি এর আগে তিনবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছি। আমার আর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার শখ নেই। আমার শখ একটাই দেশ বাঁচানো। যুবসমাজের মুখে হাসি ফোটানো। আগামী দিনের নেতৃত্ব তাদের হাতে তুলে দেয়া। সেজন্যই ঘর থেকে বের হয়েছি। একবার বের হয়েছিলাম স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এখন আবার এই দুর্নীতিবাজ সরকারের বিরুদ্ধে নেমেছি।” তিনি বলেন, “পদ্মা সেতু নিয়ে সরকার মুখে বড় বড় কথা বলেছে। এখন দুর্নীতির কারণে বিশ্বব্যাংক টাকা বন্ধ করে দিয়েছে।এই সরকার পদ্মা সেতু করতে পারবে না। আমরাই ইনশাল্লাহ দুর্নীতিমুক্ত পদ্মা সেতু নির্মাণ করবো।”
সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “এই সরকার হলো ব্যর্থ, অপদার্থ, নতজানু সরকার। বিদেশী সৈন্যরা বাংলাদেশে ঢুকে মানুষ হত্যা করে। তারা কোনো প্রতিবাদ করতে পারে না। আজকে কোনো জনসভা নয়। আজকে রোডমার্চে পাঁচ হাজারের বেশি গাড়ি রয়েছে। এই রোডমার্চ শেষে কর্মসূচি দেয়া হবে। সেই কর্মসূচিতে যুবক প্রবীণ বৃদ্ধ মা-বোনদের অংশ নিতে হবে। ইনশাল্লাহ আমি আপনাদের সঙ্গে আছি।” তিনি বলেন, “দেশের মানুষ এমনিতেই খেতে পারে না। তার ওপর কয়েকদিন আগে তেল গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে। আবার বলছে বিদ্যুতের দাম বাড়াবে। তাহলে মানুষ কিভাবে বিদ্যুৎ বিল দিবে। মানুষের আয় বাড়ছে না তাহলে কেনো বার বার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। “ ভৈরবের জনসভায় ব্যাপক লোকসমাগম হয়। এসময় আরো ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য লে.জে. অব. মাহবুবুর রহমান, ড. আবদুল মঈন খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. ওসমান ফারুক, নির্বাহী কমিটির সদস্য শরিফুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ মানেই দুর্ভিক্ষ, আওয়ামী লীগ মানেই লুটপাট, আওয়ামী লীগ মানেই দখলদারিত্ব, সন্ত্রাস, বেইমানী। এখন যারা যুবক তারা ৭২-৭৫ সালের আওয়ামী লীগ শাসন দেখেনি। তখন দুর্ভিক্ষ মানুষ না খেয়ে মারা গিয়েছিলো। তাদের নেতাই বলেছিলো দেশ স্বাধীন হলে সবাই পায় স্বর্ণের খনি আর আমি পেয়েছি চোরের খনি। তখন তাদের নেতারা কম্বল চুরি করেছিলো। এই চোর লুটেরাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়।”
খালেদা জিয়া বলেন, “আমি এর আগে তিনবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছি। আমার আর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার শখ নেই। আমার শখ একটাই দেশ বাঁচানো। যুবসমাজের মুখে হাসি ফোটানো। আগামী দিনের নেতৃত্ব তাদের হাতে তুলে দেয়া। সেজন্যই ঘর থেকে বের হয়েছি। একবার বের হয়েছিলাম স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এখন আবার এই দুর্নীতিবাজ সরকারের বিরুদ্ধে নেমেছি।” তিনি বলেন, “পদ্মা সেতু নিয়ে সরকার মুখে বড় বড় কথা বলেছে। এখন দুর্নীতির কারণে বিশ্বব্যাংক টাকা বন্ধ করে দিয়েছে।এই সরকার পদ্মা সেতু করতে পারবে না। আমরাই ইনশাল্লাহ দুর্নীতিমুক্ত পদ্মা সেতু নির্মাণ করবো।”
সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “এই সরকার হলো ব্যর্থ, অপদার্থ, নতজানু সরকার। বিদেশী সৈন্যরা বাংলাদেশে ঢুকে মানুষ হত্যা করে। তারা কোনো প্রতিবাদ করতে পারে না। আজকে কোনো জনসভা নয়। আজকে রোডমার্চে পাঁচ হাজারের বেশি গাড়ি রয়েছে। এই রোডমার্চ শেষে কর্মসূচি দেয়া হবে। সেই কর্মসূচিতে যুবক প্রবীণ বৃদ্ধ মা-বোনদের অংশ নিতে হবে। ইনশাল্লাহ আমি আপনাদের সঙ্গে আছি।” তিনি বলেন, “দেশের মানুষ এমনিতেই খেতে পারে না। তার ওপর কয়েকদিন আগে তেল গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে। আবার বলছে বিদ্যুতের দাম বাড়াবে। তাহলে মানুষ কিভাবে বিদ্যুৎ বিল দিবে। মানুষের আয় বাড়ছে না তাহলে কেনো বার বার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। “ ভৈরবের জনসভায় ব্যাপক লোকসমাগম হয়। এসময় আরো ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য লে.জে. অব. মাহবুবুর রহমান, ড. আবদুল মঈন খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. ওসমান ফারুক, নির্বাহী কমিটির সদস্য শরিফুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার, ৮ অক্টোবর, ২০১১
আওয়ামী লীগ দেশের মানচিত্র পরিবর্তন করে ফেলেছে: মইন খান
আওয়ামী লীগ সরকার দেশের মানচিত্র পরিবর্তন করে ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মইন খান। আজ শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানবন্ধন কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। ভারত ও মিয়ানমারের কর্তৃক বাংলাদেশী ভূমি দখল, সীমান্তে মানুষ হত্যাসহ আগ্রাসনের প্রতিবাদে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দল ঢাকা মহানগর।
মইন খান প্রশ্ন রাখেন, একাত্তর সালে জনগণ কি অন্যের অধীন হওয়ার জন্য স্বাধীন করেছিল? তিনি দাবি করেন, ট্রানজিটের নামে ইতিমধ্যে ভারতকে বাংলাদেশের করিডর দেওয়া হয়েছে। করিডর দিয়ে যেসব পণ্যবাহী গাড়ি যাবে তাতে বাণিজ্যসামগ্রী থাকবে না যুদ্ধসামগ্রী থাকবে তা স্পষ্ট নয়। মইন খান বলেন, আওয়ামী লীগ যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কথা বলেছে তা হলো নতুন বোতলে পুরোনো মদ। এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারই দলীয় সরকার। তাদের অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে এই সরকার জামানত হারাবে দাবি করে তিনি বলেন, যদি তারা চিন্তা করে আবারও ক্ষমতায় আসবে তবে তা হবে দিবা স্বপ্নের মতো। সংগঠনের মহানগর সভাপতি হুমায়ুন কবির বেপারীর সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তৃতা করেন জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম, সহ-দফতর সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান, বিএনপি নেতা আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, মেজর (অব.) হানিফ, ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান, রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী, মঞ্জুর হোসেন প্রমুখ।
মইন খান প্রশ্ন রাখেন, একাত্তর সালে জনগণ কি অন্যের অধীন হওয়ার জন্য স্বাধীন করেছিল? তিনি দাবি করেন, ট্রানজিটের নামে ইতিমধ্যে ভারতকে বাংলাদেশের করিডর দেওয়া হয়েছে। করিডর দিয়ে যেসব পণ্যবাহী গাড়ি যাবে তাতে বাণিজ্যসামগ্রী থাকবে না যুদ্ধসামগ্রী থাকবে তা স্পষ্ট নয়। মইন খান বলেন, আওয়ামী লীগ যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কথা বলেছে তা হলো নতুন বোতলে পুরোনো মদ। এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারই দলীয় সরকার। তাদের অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে এই সরকার জামানত হারাবে দাবি করে তিনি বলেন, যদি তারা চিন্তা করে আবারও ক্ষমতায় আসবে তবে তা হবে দিবা স্বপ্নের মতো। সংগঠনের মহানগর সভাপতি হুমায়ুন কবির বেপারীর সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তৃতা করেন জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম, সহ-দফতর সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান, বিএনপি নেতা আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, মেজর (অব.) হানিফ, ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান, রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী, মঞ্জুর হোসেন প্রমুখ।
এ সপ্তাহেই ১০ হাজার টাকার ল্যাপটপ’
ডাক ও টেলিযোগমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য রাজিউদ্দীন আহমেদ রাজু বলেছেন, ১১ অক্টোবর বাংলাদেশে তৈরি প্রথম ল্যাপটপ উদ্ধোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সর্বনিম্ন ১০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১৩ হাজার টাকা, ২১ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ২৬ হাজার টাকা দামে এই ল্যাপটপগুলো বাজারে পাওয়া যাবে। ইন্সটিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) এর দুই দিন ব্যাপী প্রতিনিধি সম্মেলনের উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শুক্রবার সকালে আইডিইবি মিলনায়তনে তিনি একথা বলেন। এ বছরের ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে হংকং এর একটি কোম্পানীর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে নতুন মোবাইল ফোন উৎপাদন করা হবে দাবি করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, একবার চার্জ দিলে এই ফোনগুলোতে ৭ থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত ব্যাটারির চার্জ থাকবে। বাংলাদেশে চালু করা হবে থ্রি-জি প্রযুক্তি। ১৮৯৮ সালের আইন পরিবর্তন করে ডাক বিভাগকে নতুন করে ঢেলে সাজিয়েছে সরকার দাবি করে মন্ত্রী এসময় বলেন, বাংলাদেশে ৮ হাজার ৬০০ টি ডাকঘরে মোবাইলের মাধ্যম মানি ট্রান্সফারিং শুরু হয়েছে। সবগুলো ডাকঘরে কম্পিউটারের মাধ্যমে গ্রামের সাধারণ মানুষকেও ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রাযুক্তিক সুবিধার আওতায় আনা হবে। এছাড়াও ডাক বিভাগ থেকে কুরিয়ার সার্ভিস এবং ক্যাশকার্ড চালু করা হবে বলেও জানান তিনি।
দেশে একটি তথ্য পযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের ইচ্ছার কথাও জানান তিনি।
দেশে একটি তথ্য পযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের ইচ্ছার কথাও জানান তিনি।
নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন তিন নারী
শান্তিতে এ বছর যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিন নারী। এর মধ্যে লাইবেরিয়ার দুইজন এবং ইয়েমেনের একজন।রয়্যাল সুইডিশ একাডেমী অফ সায়েন্স আজ শুক্রবার এ পুরস্কার বিজয়ী হিসাবে লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট এলেন জনসন-শারলিফ এবং স্বদেশী লেমা বোয়িসহ ইয়েমেনের নারী অধিকার ও গণতন্ত্রপন্থি কর্মী তাওয়াকুল কারমান এর নাম ঘোষণা করেছে। নারীর নিরাপত্তা ও অধিকার আদায়ে জন্য আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার তাদেরকে এ পুরস্কার দেওয়া হলো।আগামী ১০ ডিসেম্বর স্টকহোমে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।
শুক্রবার, ৭ অক্টোবর, ২০১১
মরা গাছটি জনগণ পরিচর্যা করে বাঁচিয়ে তুলবে ফুলও ফুটবে: ফখরুল
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার মরা গাছ নয়, দেশের মানুষের কাছে সৃজনশীল-উপযোগী একটি নির্বাচনী ব্যবস্থা।আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বিএনপির নেতা সানাউল্লাহ মিয়াকে দেখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মরা গাছে আর ফুল ফুটবে না এমন বক্তব্যের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, জনগণের দাবিতে আবারো তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল হবে। দেশের মাটির এতই উবর্রতা শক্তি, সুরঞ্জিত বাবুদের সেই মরা গাছটি জনগণ আবার পরিচর্যা করে বাঁচিয়ে তুলবে। ওই গাছে ফুলও ফুটবে।ফখরুল বলেন, সুরঞ্জিত বাবু যে মরা গাছের কথা বলেছেন, তা আওয়ামী লীগেরই সৃষ্টি। তারাই সেই গাছটি এতদিন পরিচর্যা করেছেন, তাতে পানি দিয়েছেন। এখন দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করে ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করার জন্য সেই গাছটিকে মৃত গাছ আখ্যায়িত করছেন।মির্জা ফখরুল বলেন, বাহাত্তর সালে সংবিধানে সুরঞ্জিত সেন সই করেননি। এ নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে। টেলিভিশন খুললেই সংবিধান নিয়ে তাঁর বিভিন্ন বক্তব্য শোনা যায়। তাঁর বক্তব্য থেকে আমরা জ্ঞানার্জন করি। রাাজনৈতিক নেতাদের পরস্পরের প্রতি আস্থার অভাবেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানে সংযোজন করা হয়েছিল। এখন কি আমাদের মধ্যে আস্থা ফিরে এসেছে? না এলে এ ব্যবস্থা বাতিল করব কেন?’
বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর, ২০১১
মহাবিশ্বের পরিধি শুধু বাড়ছেই না, এর গতিও নির্মমভাবে দ্রুততর হচ্ছে
‘মহাবিশ্বের পরিধি শুধু বাড়ছেই না, এর গতিও নির্মমভাবে দ্রুততর হচ্ছে’
এই গবেষনার পুরস্কার সরুপ নোবেল কমিটি তিন জনকে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত
করেছে। মার্কিন বিজ্ঞানী অ্যাডাম রিস এবং অস্ট্রেলিয়ান ব্রায়ান স্মিট ২০১১
সালে পদার্থবিদ্যায় যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার জয় করেছেন। এই দুই মার্কিন এবং
এক অস্ট্রেলীয় বিজ্ঞানী মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ নিয়ে গবেষণায় নোবেল জয়
করেন ৷ সল পার্লমাটার এবং অ্যাডাম রিস অস্ট্রেলিয়ান ব্রায়ান স্মিট এই তিন
বিজ্ঞানী এবছর পদার্থবিদ্যায় ‘টাইপ ওয়ানএ সুপারনোভা’ বিষয়টি নিয়ে গবেষণা
করে এ নোবেল জয় করেন৷ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার প্রফেসর সল পার্লমাটারকে নোবেল জয়
থেকে প্রাপ্ত অর্থের অর্ধেক প্রদান করা হবে৷ বাকি অর্থ পাবেন অস্ট্রেলিয়ার
ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রেফেসর ব্রায়ান স্মিট এবং জন হপকিন্স
ইউনিভার্সিটির স্পেস টেলিস্কোপ সাইন্স ইন্সটিটিউটের প্রফেসর অ্যাডাম রিস৷
এই পুরস্কারের অর্থমূল্য দশ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোন বা ১.০৮ মিলিয়ন ইউরো৷
প্রফেসর পার্লমাটার ১৯৮৮ সালে শুরু হওয়া ‘সুপারনোভা কসমোলজি’ প্রকল্পের নেতৃত্ব দেন৷ প্রফেসর স্মিট এবং প্রফেসর রিস ১৯৯৪ সালে একই ধরনের প্রকল্পে কাজ শুরু করেন৷ সেই প্রকল্পের নাম অবশ্য ‘হাই-জেড সুপারনোভা সার্চ টিম’৷তিন বিজ্ঞানীর এই জুটি এর আগে ২০০৬ সালে জ্যোতির্বিদ্যা বিষয়ক পুরস্কার ‘শ প্রাইজ’ জয় করেন৷ সেই পুরস্কারের অর্থমূল্য ছিল দশ লাখ মার্কিন ডলার৷ এছাড়া চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে পার্লমাটার এবং রিস জয় করেন আলবার্ট আইন্সটাইন মেডেল৷ আগামী ডিসেম্বরের দশ তারিখ স্টকহোমে এই তিন বিজ্ঞানীকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হবে৷ ১৮৯৬ সালের এই দিনেই প্রাণ হারিয়েছিলেন এই পুরস্কারের প্রতিষ্ঠাতা আলফ্রেড নোবেল৷
উল্লেখ্য প্রতিবছর চিকিৎসা, পদার্থ, রসায়ন, সাহিত্য এবং অর্থনীতি খাতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়ে থাকে৷ এবছর রসায়নে নোবেল জয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে বুধবার৷
প্রফেসর পার্লমাটার ১৯৮৮ সালে শুরু হওয়া ‘সুপারনোভা কসমোলজি’ প্রকল্পের নেতৃত্ব দেন৷ প্রফেসর স্মিট এবং প্রফেসর রিস ১৯৯৪ সালে একই ধরনের প্রকল্পে কাজ শুরু করেন৷ সেই প্রকল্পের নাম অবশ্য ‘হাই-জেড সুপারনোভা সার্চ টিম’৷তিন বিজ্ঞানীর এই জুটি এর আগে ২০০৬ সালে জ্যোতির্বিদ্যা বিষয়ক পুরস্কার ‘শ প্রাইজ’ জয় করেন৷ সেই পুরস্কারের অর্থমূল্য ছিল দশ লাখ মার্কিন ডলার৷ এছাড়া চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে পার্লমাটার এবং রিস জয় করেন আলবার্ট আইন্সটাইন মেডেল৷ আগামী ডিসেম্বরের দশ তারিখ স্টকহোমে এই তিন বিজ্ঞানীকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হবে৷ ১৮৯৬ সালের এই দিনেই প্রাণ হারিয়েছিলেন এই পুরস্কারের প্রতিষ্ঠাতা আলফ্রেড নোবেল৷
উল্লেখ্য প্রতিবছর চিকিৎসা, পদার্থ, রসায়ন, সাহিত্য এবং অর্থনীতি খাতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়ে থাকে৷ এবছর রসায়নে নোবেল জয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে বুধবার৷
৭ই অক্টোবর ইত্যাদির সম্প্রচার
সভ্যতা, সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যের বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশ আমাদের এই বাংলাদেশ। আর
এই বৈচিত্র্যের সঙ্গে দেশের সব মানুষকে পরিচিত করাতেই দেশের বিভিন্ন
প্রান্তে গিয়ে ‘ইত্যাদি’র মূল অনুষ্ঠান ধারণ করা হচ্ছে দীর্ঘদিন থেকে। এরই
ধারাবাহিকতায় এবার ‘ইত্যাদি’র ৭ই অক্টোবর প্রচারিতব্য পর্ব ধারণ করা হয়েছে
প্রাচীন ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের নগরী পুণ্যভূমি সিলেটে। শেকড়-সন্ধানী
‘ইত্যাদি’ ধারণের জন্য এবার বেছে নেয়া হয় সিলেট সদরের ঐতিহাসিক লাক্কাতুড়া
গলফ ক্লাব মাঠকে। চারপাশে চা বাগান বেষ্টিত এই মাঠের দিনের সৌন্দর্য সবাই
উপভোগ করলেও ‘ইত্যাদি’র আলোকসজ্জায় রাতের চা বাগান যে কত সুন্দর দেখায় তা
অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হাজার হাজার দর্শক মুগ্ধ দৃষ্টিতে দেখেছেন। সিলেটে
‘ইত্যাদি’ ধারণ উপলক্ষে স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে ছিল এক উৎসবের আমেজ।
প্রতিবারের মতো এবারের ‘ইত্যাদি’তেও রয়েছে বেশ কিছু মানবিক ও শিক্ষামূলক
প্রতিবেদন। ময়মনসিংহের পাড়াইল গ্রামের উদ্যমী মানুষ নজরুল ইসলাম খান লেবুর
ওপর একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রয়েছে এবারের পর্বে। যিনি ব্যক্তি উদ্যোগে
এলাকার জনসাধারণকে সঙ্গে নিয়ে পুরোপুরি অপরাধমুক্ত করেছেন নিজের গ্রাম
পাড়াইলকে। গড়ে তুলেছেন স্থানীয়ভাবে ডিফেন্স পার্টি। এছাড়া মৌলভীবাজার জেলার
শ্রীমঙ্গল উপজেলার রমেশ রামগৌড়ের ওপর রয়েছে একটি ব্যতিক্রমী প্রতিবেদন।
যিনি সাত রং চা উদ্ভাবন করে ইতিমধ্যে দেশ-বিদেশে সাড়া ফেলে দিলেও
‘ইত্যাদি’তে শুনিয়েছেন নতুন কথা। রয়েছে অন্ধ শিল্পী ফজলুর রহমানের ওপর একটি
মানবিক প্রতিবেদন। যিনি ভিক্ষা না করে স্ত্রী ও সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে
রাস্তায় রাস্তায় গান গেয়ে মানুষের মন জয় করে সংসার চালান। মনিপুরী নৃত্যের
রয়েছে আলাদা বৈচিত্র্য। সিলেট অঞ্চলে বসবাসরত মণিপুরী সমপ্রদায়ের এই নাচ
সিলেটেরও ঐতিহ্য। আর তাই এবারের পর্বে রয়েছে স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে
একটি মণিপুরী নৃত্য। এবারের ‘ইত্যাদি’তে মূল গান রয়েছে একটি। যেহেতু এবারের
‘ইত্যাদি’ সিলেটে ধারণ করা হয়েছে তাই সিলেটের মরমী সাধক হাছন রাজা,
রাধারমন দত্ত ও শাহ আবদুল করিমের লেখা তিনটি গানের অংশবিশেষ গেয়ে শোনাবেন
সিলেটের তিন কৃতী শিল্পী সুবীর নন্দী, সেলিম চৌধুরী ও শুভ্রদেব। এছাড়া
রয়েছে ‘ইত্যাদি’র নতুন মুখ অর্জুনের একটি গান। মামা ভাগ্নে পর্বে এবার
মওসুমী ব্যবসায়ী ভাগ্নে শিশুদের নিয়ে নতুন ব্যবসার পরিকল্পনা করেছে। আর
নানী-নাতিকে এবার দেখা যাবে ঘরের ড্রইংরুমে তাদের চিরাচরিত আলাপে ব্যস্ত।
এবার ‘ইত্যাদি’র দর্শক বাছাই করা হয়েছে সিলেট জেলাকে ঘিরে করা বিভিন্ন
প্রশ্নের মাধ্যমে এবং দর্শক পর্বে পুরস্কার দেয়া হয়েছে সিলেট জেলার ঐতিহ্য ও
বিখ্যাত স্থানগুলোকে নিয়ে করা একটি গানের ওপর প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে।
গেয়েছেন সিলেটের দু’জন নিবেদিতপ্রাণ লোকসংগীত শিল্পী আকরামুল ইসলাম ও
হিমাংশু বিশ্বাস। এছাড়াও এবারের ‘ইত্যাদি’তে বিভিন্ন সামাজিক অসঙ্গতি ও
সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে রয়েছে বিভিন্ন নাট্যাংশ। এবারের ‘ইত্যাদি’তে
উল্লেখযোগ্য শিল্পীরা হলেন কেএস ফিরোজ, মহিউদ্দিন বাহার, ফখরুল হাসান
বৈরাগী, নাজমুল হুদা বাচ্চু, সোলায়মান খোকা, আবদুল কাদের, আফজাল শরীফ,
ফারুক আহমেদ, সুভাশিষ ভৌমিক, কামাল বায়েজিদ, আমিন আজাদ, শবনম পারভীন,
জিল্লুর রহমান, রফিকউল্যাহ সেলিম, কাজী আসাদ, মামুনুল হক টুটু, অলিউল হক
রুমী, বিলু বড়ুয়া, নিপু, বিনয় ভদ্র, রতন খান, জ্যোতির্ময়, লাভলী ইয়াসমিন,
মতিউর রহমান, রবিন, নজরুল, ফরিদসহ আরও অনেকে। পরিচালকের সহকারী হিসেবে
ছিলেন যথারীতি রানা ও মামুন। সব বয়স এবং সব শ্রেণী পেশার মানুষের প্রিয়
অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র আগামী পর্ব প্রচার হবে ৭ই অক্টোবর, শুক্রবার রাত ৮টার
বাংলা সংবাদের পর। ইত্যাদি’র রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ
সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন। ‘ইত্যাদি’র স্পন্সর কেয়া কসমেটিকস
লিমিটেড।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ এখন ঢাকায়
এক মাসের সফরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার
বাংলাদেশে এসে বিমানবন্দরে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ
দলের ম্যানেজার ও সাবেক অধিনায়ক রিচি রিচার্ডসন।এবারের সফর সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমরা জানি বাংলাদেশ ঘরের মাঠে স্পিনে
খুবই শক্তিশালী। আমরা এ ব্যাপারে যথেষ্ট প্রস্তুতি নিয়েই এসেছি।”সিরিজে লক্ষ্য সম্পর্কে রিচার্ডসন বলেন, “আমাদের লক্ষ্য প্রতিটি ম্যাচ
জেতা। বুধবার সকালে অনুশীলন করবে আমাদের দল। আশা করি প্রথম দিনেই
পরিবেশ-পরিস্থিতি সম্পর্কে ভালো ধারণা পাওয়া যাবে।”এবারের সফরে একটি টি-টোয়েন্টি, দুটি টেস্ট ও তিনটি একদিনের ম্যাচ খেলবে
ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১১ অক্টোবর হবে
একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। একই মাঠে ১৩ ও ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে প্রথম
দুটি একদিনের ম্যাচ। ১৮ অক্টোবর চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে
অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় ও শেষ একদিনের ম্যাচ। একই মাঠে ২১ অক্টোবর থেকে শুরু
হবে প্রথম টেস্ট। দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট হবে শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট
স্টেডিয়ামে, ২৯ অক্টোবর থেকে।
সরকারের ব্যর্থতার কারণেই দ্রব্যমূল্যের এই অবস্থা: ড. মোশাররফ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, সরকারের
ব্যর্থতার কারণেই দ্রব্যমূল্যের এই অবস্থা। সরকার বলছে, দেশের মানুষ সব
ভালো আছে। আসলে কেউ ভালো নেই। এই আওয়ামী লীগ যখন ৭২-৭৫ এ ক্ষমতায় ছিল তখনো
দুর্ভিক্ষ হয়েছিল। এখন আবার দুর্ভিক্ষের আলামত দেখা যাচ্ছে। আজ বুধবার
বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
ড. মোশাররফ বলেন, গণতন্ত্র না থাকলে মানবাধিকার-সুশাসন কোনোটাই থাকে না। দেশ স্বাধীনের ৪০ বছর পরও আলোচনার বিষয়বস্ত্ত করতে হয় গণতন্ত্র বুটের নিচে। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের নাম করে বহু গলাবাজি করেছিল। স্বাধীনতার পরে গণতন্ত্র হত্যা করেছিল। একদলীয় বাকশাল কায়েম করেছিল। তিনি বলেন, বর্তমান প্রজন্ম ৭২-৭৫’র আওয়ামী লীগের চরিত্র দেখেনি। তারা সব সংবাদপত্র বন্ধ করে চারটি সরকারি সংবাদপত্র রেখেছিল। ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে সেনাবাহিনী পুলিশ আনসার থাকার পরও রক্ষী বাহিনী করেছিল। তারপরও রক্ষা করতে পারেনি। ড. মোশাররফ বলেন, সারা বিশ্বে জালানির মূল্য যখন কমছে, তখন বাংলাদেশে বাড়ানো হচ্ছে। আর ডলারের মূল্য যেখানে সারা পৃথিবীতে কমছে সেখানে বাংলাদেশের টাকার বিপরীতে ডলারের মূল্য বাড়ছে। কারণ শেয়ারবাজারের টাকা ডলারের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, সরকার প্রতিদিন ব্যাংক থেকে ১০০ কোটি টাকা ধার করে চলছে। আসলে সরকার দেউলিয়া হয়ে গেছে। সরকারের অযোগ্যতা, ব্যর্থতা, দুর্নীতি, পরহিংসা ও প্রতিহিংসার রাজনীতির ফলাফলই হলো মানুষের এই চরম দুর্গতি। তিনি বলেন, মাধ্যমেই জনগণ এই সরকারের পতন ঘটাবে। তিনি বলেন, আশুগঞ্জে ভারতের জাহাজ এসেছে। গোপনে ভারতকে করিডোর দেয়া হয়েছে। অথচ সরকার বলছে ট্রানজিট দেয়া হয়নি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, অর্থনীতি নিরাপদ নয়। এই সরকারের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে না পারলে জনগণের সমস্যার সমাধান হবে না। দুর্ভোগের হাত দেশের জনগণকে উদ্ধারের কোনো বিকল্প নেই।
সংগঠনের সভাপতি এহসানুল হক জসিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা করেন জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, মহিলা এমপি শাম্মি আকতার, নিউ নেশন সম্পাদক মোস্তাফা কামাল মজুমদার, বিএনপি নেতা আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ প্রমুখ।
ড. মোশাররফ বলেন, গণতন্ত্র না থাকলে মানবাধিকার-সুশাসন কোনোটাই থাকে না। দেশ স্বাধীনের ৪০ বছর পরও আলোচনার বিষয়বস্ত্ত করতে হয় গণতন্ত্র বুটের নিচে। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের নাম করে বহু গলাবাজি করেছিল। স্বাধীনতার পরে গণতন্ত্র হত্যা করেছিল। একদলীয় বাকশাল কায়েম করেছিল। তিনি বলেন, বর্তমান প্রজন্ম ৭২-৭৫’র আওয়ামী লীগের চরিত্র দেখেনি। তারা সব সংবাদপত্র বন্ধ করে চারটি সরকারি সংবাদপত্র রেখেছিল। ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে সেনাবাহিনী পুলিশ আনসার থাকার পরও রক্ষী বাহিনী করেছিল। তারপরও রক্ষা করতে পারেনি। ড. মোশাররফ বলেন, সারা বিশ্বে জালানির মূল্য যখন কমছে, তখন বাংলাদেশে বাড়ানো হচ্ছে। আর ডলারের মূল্য যেখানে সারা পৃথিবীতে কমছে সেখানে বাংলাদেশের টাকার বিপরীতে ডলারের মূল্য বাড়ছে। কারণ শেয়ারবাজারের টাকা ডলারের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, সরকার প্রতিদিন ব্যাংক থেকে ১০০ কোটি টাকা ধার করে চলছে। আসলে সরকার দেউলিয়া হয়ে গেছে। সরকারের অযোগ্যতা, ব্যর্থতা, দুর্নীতি, পরহিংসা ও প্রতিহিংসার রাজনীতির ফলাফলই হলো মানুষের এই চরম দুর্গতি। তিনি বলেন, মাধ্যমেই জনগণ এই সরকারের পতন ঘটাবে। তিনি বলেন, আশুগঞ্জে ভারতের জাহাজ এসেছে। গোপনে ভারতকে করিডোর দেয়া হয়েছে। অথচ সরকার বলছে ট্রানজিট দেয়া হয়নি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, অর্থনীতি নিরাপদ নয়। এই সরকারের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে না পারলে জনগণের সমস্যার সমাধান হবে না। দুর্ভোগের হাত দেশের জনগণকে উদ্ধারের কোনো বিকল্প নেই।
সংগঠনের সভাপতি এহসানুল হক জসিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা করেন জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, মহিলা এমপি শাম্মি আকতার, নিউ নেশন সম্পাদক মোস্তাফা কামাল মজুমদার, বিএনপি নেতা আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ প্রমুখ।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার কোনো আইনী বিষয় নয়: আকবর আলি
শুধু নির্বাচন কমিশন দিয়ে সুক্ষ্ম কারচুপির নির্বাচন ঠেকানো যেতে পারে,
তবে স্থূল কারচুপি রোধ করতে হলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রয়োজন বলে
মন্তব্য করেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান।তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, আদালত আরও দুই টার্ম তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাখা
কথা বলেছে, কিন্তু তার আগেই কেন এটা তুলে দেওয়া হচ্ছে। সরকারেও ১০ শতাংশ
অনির্বাচিত মন্ত্রী আছেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার যদি অবৈধ হয় তাহলে এটি হালাল
হয় কিভাবে?তিনি আরও বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দরকার আছে। এ সরকার পদ্ধতি নিয়ে
দুটো কথা বলা হচ্ছে। কেউ বলছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার খারাপ। খারাপটা মূলত বলা
হচ্ছে সর্বশেষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার সম্পর্কে, যেটা অত্যন্ত বিতর্কিত ছিল। যে
দল জিতেছে তারা বলেছে আগের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ভালো ছিল। আর যারা হেরেছে
তারা বলেছে খারাপ ছিল। কিন্তু বাইরে যা-ই বলুক ভেতরে ভেতরে এরা সবাই জানে
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ভালো কাজই করেছে।আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত
‘সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা
বলেন।অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, ‘রাজপথে লগি-বৈঠকা নিয়ে বিএনপি-আওয়ামী লীগের
মারামারির কারণেই ফখরুদ্দীনের সরকার এসেছিল। এবারো রাজনীতি যে সংঘাতের দিকে
যাচ্ছে তাতে ১/১১ না এলেই আমি অবাক হবো।’ড. আকবর আলি খান বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার কোনো আইনী বিষয় নয়। এটি
সামাজিক চুক্তি। এই চুক্তিকে এক পক্ষের নস্যাৎ করার উপায় নেই। আইনের দোহাই
দিয়ে কেউ তা ভাঙতে পারে না।
জাতিকে বিভক্ত করার মূল্যবোধ দিয়ে কাজ হবে না। রাজনীতিকরা আমলাদের এমন রাজনীতিকরণ করেছে যে এদের দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।গোলটেবিল বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের
সাবেক উপদেষ্টা এ এস এম শাহজাহান, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা
হাফিজউদ্দিন খান, কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, অধ্যাপক আসিফ নজরুল, অধ্যাপক
কামাল আতাউর রহমান, সাংবাদিক মনির হায়দার প্রমুখ। মূল বিষয়ে প্রবন্ধ
উপস্থাপন করেন সুজনের বদিউল আলম মজুমদার।
সিরিয়ার বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাবে চীন ও রাশিয়ার ভেটো
সিরিয়ায় সরকারবিরোধীদের ওপর সরকারের দমনপীড়নের অভিযোগে জাতিসংঘের এক নিন্দা
প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছে চীন ও রাশিয়া। ব্রিটেন, জার্মানি ও পর্তুগালের
সহযোগিতায় ফ্রান্স এ খসড়া প্রস্তাব তৈরি করে বলে বিবিসি জানায়। বিষয়টিকে
সিরিয়া সরকার তার কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখছে। ভেটো এড়ানোর লক্ষ্যে এ
প্রস্তাবে সিরিয়ার বিরুদ্ধে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি বাদ দেওয়া
হয়েছে। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হলো না।
ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ প্রসঙ্গে মস্কো ও বেইজিং জানায়, সিরিয়ায় বহিরাগত
সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে এ প্রস্তাবে কোনো ধারা যোগ করা হয় নি। ১৫
সদস্য বিশিষ্ট জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ৯ সদস্যই এই খসড়া প্রস্তাবে
সমর্থন জানিয়েছে। ৪টি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে।
ইউরোপীয় দেশগুলো এ প্রস্তাবের বিষয়বস্তু তিনবার পরিবর্তন করেছে। তারা
রাশিয়া ও চীনের অভিযোগগুলো এতে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টাও চালায়। সিরিয়ায়
চলমান সহিংসতা অব্যাহত থাকলে সেখানে অবরোধ আরোপের পরিবর্তে সুনির্দিষ্ট
বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে খসড়া প্রস্তাবে।
সিরিয়ার সরকার জানায়, সংস্কার ও বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রক্রিয়া
চলছে। আর সে সময়কার অসন্তোষের জন্য তারা সশস্ত্র বাহিনীকে দোষারোপ করেছে।
জাতিসংঘের হিসেব অনুযায়ী, গত মার্চ মাসে এ আন্দোলন শুরু হওয়ার পর ২ হাজার ৭শরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর, ২০১১
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফ থেকে ১০০ কোটি ডলার ঋণ পাওয়ার আশার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ কেন্দ্রিয় ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফ থেকে ১০০ কোটি ডলার ঋণ পাওয়ার আশার কথা
জানিয়েছেন বাংলাদেশ কেন্দ্রিয় ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান। যুক্তরাষ্ট্র
থেকে ফিরে সোমবার সাংবাদিকদের একথা জানান।আতিউর রহমান জানান, ১০০ কোটি ডলারের একটি ইসিএফ (বর্ধিত ঋণসুবিধা) নিয়ে
আইএমএফের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। খুব শিগগিরই এ ঋণ পাওয়া যাবে বলে আশা
করছি।আইএমএফের ইসিএফ ঋণের শর্ত না থাকায় এটিকে ‘ভালো ঋণ’ বলে উল্লেখ করে
গভর্নর জানান, কোনো দেশের লেনদেনে ভারসাম্যহীনতা দেখা দিলে ইসিএফ পাওয়া
যায়। এ ঋণ দেশের লেনদেনে ভারসাম্য ঠিক করতে সহায়তা করবে।তিনি বলেন, “বিশেষ করে ২৮ শতাংশের বেশি রাজস্ব আদায়কে ইতিবাচক বলে মনে
করছে তারা। আইএমএফ বলেছে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে অর্থনৈতিক সংকট চললেও
বাংলাদেশ বেশ ভালো করছে। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যেসব সংস্কার
কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সেগুলো বাস্তবায়িত হলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়ার
পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।”ওয়াশিংটনে আইএমএফ ছাড়াও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভায়ও অংশ নেন গভর্নর।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও অর্থ সচিব মোহাম্মদ তারেকও দুটি
সংস্থার বৈঠকে যোগ দেন।
বিএনপির রাজনীতির ঠিক করার তিনি কে?- প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে ফখরুল
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বিএনপি কীভাবে রাজনীতি করবে তা ঠিক
করার সিদ্ধান্তও কি তিনি নিয়ে নিয়েছেন? এটা বিএনপিই ঠিক করবে, অন্য কেউ
নয়।’ রোববার দুপুরে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ
সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন।
‘উনাকে নির্বাচনে আসতেই হবে’ প্রধানমন্ত্রীর এ কথার প্রেক্ষিতে তিনি আরো
বলেন, তাঁর এই বক্তব্য প্রমাণ করে গণতন্ত্রের প্রতি তাঁর কতটা কমিটমেন্ট
আছে। অন্য দলের রাজনৈতিক কৌশলও এখন প্রধানমন্ত্রী নির্ধারণ করছেন! এ ধরনের
স্বৈরাচারী মনোভাব পরিবর্তন করুন। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করুন।’গত শনিবার অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে বিএনপি আজ এ সংবাদ সম্মেলনে
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে বলব, চরম বিপর্যয় ঘটে যাওয়ার আগে
বাস্তবতা উপলব্ধি করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল করুন।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন দিন।’নির্বাচন কমিশন গঠন বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। তাই নির্দিষ্ট সময়ে আমরা আমাদের প্রস্তাবনা তুলে ধরব।’সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে চট্টগ্রাম রোডমার্চ বাতিলের ঘোষণা দেন তিনি। ওই দুই দিন ময়মনসিংহে একটি জনসভা করার পরিকল্পনা আছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মইন খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইকবাল হাসান মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
স্কুলছাত্রী পূর্ণিমা হত্যা মামলায় ৩ জনের ফাঁসির আদেশ
মাগুরা জেলার চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্রী পূর্ণিমা সমাদ্দার হত্যা মামলায়
তিন জনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে খুলনার একটি আদালত। সোমবার খুলনার দ্রুত বিচার
ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. সেকান্দার আলী আসামিদের উপস্থিতিতে এ আদেশ দেন।
এছাড়া আসামিদের বিরুদ্ধে পূর্ণিমাকে অপহরণ ও ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে দায়ের
করা অন্য দুটি মামলারও রায় দেওয়া হয়। ফাঁসিপ্রাপ্তরা হলেন- শ্রীপুর উপজেলার
চরমহিষপুর গ্রামের মো. জিল্লুর রহমান (২৩), মো. ইউসুফ জোয়ার্দ্দার (২২) ও
মো. আক্কাস শেখ (২৪)।২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তিন জনকে অভিযুক্ত করে
মাগুরা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। চলতি বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি মাগুরা
থেকে মামলাটি চাঞ্চল্যকর মামলা হিসেবে খুলনার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে
আসে।আইনজীবী জানান, আদালত একই রায়ে পূর্ণিমাকে অপহরণের অভিযোগে আসামিদের
প্রত্যেককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে,
আরো দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়। একইসঙ্গে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে
প্রত্যেককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে
আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ৪ অগাস্ট শ্রীপুর উপজেলার চরমহিষপুর গ্রামের
বাসিন্দা মনোজিত সমাদ্দারের মেয়ে পূর্ণিমা দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা দিয়ে
বিকালে বাড়ি ফেরার পথে আসামিরা তাকে অপহরণ করে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এক
পর্যায়ে আসামিরা পূর্ণিমার মাথার স্কার্ফ দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে তাকে হত্যা
করে ক্ষেতের মধ্যে ফেলে রাখে। পূর্ণিমা চরমহিষপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের
অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী ছিলো। ওই দিন রাতেই পূর্ণিমার বাবা মনোজিত সমাদ্দার
অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে শ্রীপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের
করেন।
বিচারব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম: প্রধান বিচারপতি
বিগত ছয় বছরে বিচার বিভাগে কোনো নিয়োগ না হওয়ায় বিচারব্যবস্থা ভেঙে পড়ার
উপক্রম হয়েছে। বিচারকদের এর মধ্য দিয়েই কাজ করতে হচ্ছে। এমন কথা বলেন
প্রধান বিচারপতি মো: মোজাম্মেল হোসেন । নড়াইল জেলা আইনজীবী সমিতির সংবর্ধনা
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এইসব কথা বলেন ।
প্রধান বিচারপতি আরোও বলেন অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে পুরাতন মামলা নিষ্পতি
করতে হবে । বিচারকদের উদ্দেশ্যে বলেন , আদারতে পুর্ন সময় কাজে লাগাতে হবে ।জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট ইকবাল হোসেন শিকদারের সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা করেন জেলা ও দায়রা জজ মো. সায়েদুর রহমান, জেলা
প্রশাসক মো. জহুরুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র
বোস প্রমুখ। জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা আদালতের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরলে
প্রধান অতিথি কাছে।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
জনপ্রিয় পোস্টসমূহ
-
ব্রন যৌবনের অবাঞ্ছিত এক সমস্যা। সুন্দর মুখশ্রীর ওপর জাপটে বসে থাকে এক দৃষ্টিকটু যন্ত্রনা। ১৩ বছর থেকে ১৯ বছর বয়স পর্যন্ত প্রায় ৯০%এর এ রোগ...
-
স্ত্রীকে তাড়িয়ে দেওয়ার পর শেরপুর শ্রীবরদীতে এক স্বামী তাদের দাম্পত্য জীবনে মিলনের ভিডিও দৃশ্য বাজারে ছেড়েছে। এ নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচন...
-
বর্তমানে গণতন্ত্র নয়, গোঁজামিলতন্ত্র দিয়ে দেশ পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষমতাসীন মহাজেটের অন্যতম শরিক জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু। ...
-
বিশ্ববিখ্যাত এয়ারক্রাফট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং আর লকহিড মার্টিন মিলে তৈরি করছে কনকর্ডের নতুন মডেল এক্স-৫৪। দুই প্রতিষ্ঠানের ইঞ্জিনিয়া...
-
রোজার ঈদকে সামনে রেখেএবার নারীদের কেনাকাটায় পছন্দের তালিকায় রয়েছে জামদানী শাড়ী। ক্রেতাদের ব্যাপক চাহিদা কারনে নিঘুর্ম রাত কাটাচ্ছে নারায়...
-
বুলডোজারের আঘাতে গুঁড়িয়ে দেয়া হলো গুলশানের ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্ক। অভিজাত এলাকা গুলশানে শিশুদের বিনোদনের জন্য নির্মিত একমাত্র অ্যামিউজমেন...
-
রাজধানীর তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থী ভর্তিতে ৯ কোটি ১২ লাখ ৮১ হাজার টাকা অতিরিক্ত নিয়েছে বলে প্রমাণ পেয়েছে এই সংক্রান্ত তদন্ত কমি...
-
পাকিস্তানের প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্সের (আইএসআই) প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমাদ সুজা পাশা গতকাল বুধবার য...
-
আবারো বিয়ে করলেন জনপ্রিয় গায়িকা ও সরকারদলীয় এমপি মমতাজ। দীর্ঘদিন তারই হাসপাতালের ডাক্তার চঞ্চলের সঙ্গে প্রেমের পর তাদের বিয়ে হয়। পাত্রের পু...
-
‘ধুম ৩’ ছবিতে আমির খানের বিপরীতে অভিনয়ের জন্য মুখিয়ে আছেন বলিউডের শীর্ষস্থানীয় প্রায় সব অভিনেত্রীই। বছরের সবচেয়ে প্রত্যাশিত এই চরিত্রটি...



























