সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগের অবস্থা খারাপ হবে মন্তব্য করে ভৈরবে বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া বলেছেন, সেজন্য তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছে। আগামীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অবশ্যই আসতে হবে। সোমবার সকাল এগারোটায় ঢাকা নয়পল্টন থেকে রোডমার্চ শুরু করে খালেদা জিয়া বেলা পৌনে তিনটায় কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌছেন। ভৈরব সেতুর নিচে বিশাল পথসভায় বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন। খালেদা জিয়া বলেন, “বর্তমান নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ নয়। তারা সরকারের কথায় কাজ করে। তাদের মেয়াদও শেষ। এখন শুধু আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নয় সব ছোট বড় দলের মতামত নিয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। তারা ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন চালু করতে চায়। আমরা বলেছি এই মেশিন দিয়ে কারচুপি করা যায়। এই মেশিনে ধানের শীষে ভোট দিলে নৌকায় আবার নৌকায় দিলে ধানের শীষে করা যায়। সেজন্য বলেছি ইভিএম মেশিন দিয়ে এদেশে কোনো নির্বাচন হবে না।” তিনি বলেন, “ তারা ফখরুদ্দিন-মঈন উদ্দিনের দোহাই দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করেছে। ফখরুদ্দিন-মঈন উদ্দিনের সরকার কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছিলো না। তারা অবৈধ অসাংবিধানিক সরকার ছিলো। এর আগে যে কয়টি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছিলো সেগুলোর সবই সাংবিধানিক ছিলো। তাদের অধীনে সব নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছিলো। এ সরকার পদ্ধতির নির্বাচনে একবার বিএনপি একবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গিয়েছে।” ট্রানজিট দেয়ার আগে কাউকে জানানো হয়নি অভিযোগ করে তিনি বলেন, “ভৈরবের সম্মানিত ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানকেও ট্রানজিটের ব্যাপারে কিছু বলা হয়নি। সংসদে উপস্থাপন করার কথা থাকলেও তা করা হয় নি।” “ভৈরবের কাছে আশুগঞ্জে অন্যদেশের জন্য তারা জেটি বানিয়েছে। এসব আমাদের কোনো কাজে আসবে না। আমাদের রাস্তা দিয়ে অন্যদেশের গাড়ি চলবে। অথচ কোনো শুল্ক দেবে না। তাহলে এসব রাস্তা কে বানাবে। এই রাস্তার ঋণ যুবসমাজের মাথায় পড়বে। আর রাস্তা আমাদের ঠিক করতে হবে।”
তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ মানেই দুর্ভিক্ষ, আওয়ামী লীগ মানেই লুটপাট, আওয়ামী লীগ মানেই দখলদারিত্ব, সন্ত্রাস, বেইমানী। এখন যারা যুবক তারা ৭২-৭৫ সালের আওয়ামী লীগ শাসন দেখেনি। তখন দুর্ভিক্ষ মানুষ না খেয়ে মারা গিয়েছিলো। তাদের নেতাই বলেছিলো দেশ স্বাধীন হলে সবাই পায় স্বর্ণের খনি আর আমি পেয়েছি চোরের খনি। তখন তাদের নেতারা কম্বল চুরি করেছিলো। এই চোর লুটেরাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়।”
খালেদা জিয়া বলেন, “আমি এর আগে তিনবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছি। আমার আর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার শখ নেই। আমার শখ একটাই দেশ বাঁচানো। যুবসমাজের মুখে হাসি ফোটানো। আগামী দিনের নেতৃত্ব তাদের হাতে তুলে দেয়া। সেজন্যই ঘর থেকে বের হয়েছি। একবার বের হয়েছিলাম স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এখন আবার এই দুর্নীতিবাজ সরকারের বিরুদ্ধে নেমেছি।” তিনি বলেন, “পদ্মা সেতু নিয়ে সরকার মুখে বড় বড় কথা বলেছে। এখন দুর্নীতির কারণে বিশ্বব্যাংক টাকা বন্ধ করে দিয়েছে।এই সরকার পদ্মা সেতু করতে পারবে না। আমরাই ইনশাল্লাহ দুর্নীতিমুক্ত পদ্মা সেতু নির্মাণ করবো।”
সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “এই সরকার হলো ব্যর্থ, অপদার্থ, নতজানু সরকার। বিদেশী সৈন্যরা বাংলাদেশে ঢুকে মানুষ হত্যা করে। তারা কোনো প্রতিবাদ করতে পারে না। আজকে কোনো জনসভা নয়। আজকে রোডমার্চে পাঁচ হাজারের বেশি গাড়ি রয়েছে। এই রোডমার্চ শেষে কর্মসূচি দেয়া হবে। সেই কর্মসূচিতে যুবক প্রবীণ বৃদ্ধ মা-বোনদের অংশ নিতে হবে। ইনশাল্লাহ আমি আপনাদের সঙ্গে আছি।” তিনি বলেন, “দেশের মানুষ এমনিতেই খেতে পারে না। তার ওপর কয়েকদিন আগে তেল গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে। আবার বলছে বিদ্যুতের দাম বাড়াবে। তাহলে মানুষ কিভাবে বিদ্যুৎ বিল দিবে। মানুষের আয় বাড়ছে না তাহলে কেনো বার বার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। “ ভৈরবের জনসভায় ব্যাপক লোকসমাগম হয়। এসময় আরো ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য লে.জে. অব. মাহবুবুর রহমান, ড. আবদুল মঈন খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. ওসমান ফারুক, নির্বাহী কমিটির সদস্য শরিফুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ মানেই দুর্ভিক্ষ, আওয়ামী লীগ মানেই লুটপাট, আওয়ামী লীগ মানেই দখলদারিত্ব, সন্ত্রাস, বেইমানী। এখন যারা যুবক তারা ৭২-৭৫ সালের আওয়ামী লীগ শাসন দেখেনি। তখন দুর্ভিক্ষ মানুষ না খেয়ে মারা গিয়েছিলো। তাদের নেতাই বলেছিলো দেশ স্বাধীন হলে সবাই পায় স্বর্ণের খনি আর আমি পেয়েছি চোরের খনি। তখন তাদের নেতারা কম্বল চুরি করেছিলো। এই চোর লুটেরাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়।”
খালেদা জিয়া বলেন, “আমি এর আগে তিনবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছি। আমার আর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার শখ নেই। আমার শখ একটাই দেশ বাঁচানো। যুবসমাজের মুখে হাসি ফোটানো। আগামী দিনের নেতৃত্ব তাদের হাতে তুলে দেয়া। সেজন্যই ঘর থেকে বের হয়েছি। একবার বের হয়েছিলাম স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এখন আবার এই দুর্নীতিবাজ সরকারের বিরুদ্ধে নেমেছি।” তিনি বলেন, “পদ্মা সেতু নিয়ে সরকার মুখে বড় বড় কথা বলেছে। এখন দুর্নীতির কারণে বিশ্বব্যাংক টাকা বন্ধ করে দিয়েছে।এই সরকার পদ্মা সেতু করতে পারবে না। আমরাই ইনশাল্লাহ দুর্নীতিমুক্ত পদ্মা সেতু নির্মাণ করবো।”
সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “এই সরকার হলো ব্যর্থ, অপদার্থ, নতজানু সরকার। বিদেশী সৈন্যরা বাংলাদেশে ঢুকে মানুষ হত্যা করে। তারা কোনো প্রতিবাদ করতে পারে না। আজকে কোনো জনসভা নয়। আজকে রোডমার্চে পাঁচ হাজারের বেশি গাড়ি রয়েছে। এই রোডমার্চ শেষে কর্মসূচি দেয়া হবে। সেই কর্মসূচিতে যুবক প্রবীণ বৃদ্ধ মা-বোনদের অংশ নিতে হবে। ইনশাল্লাহ আমি আপনাদের সঙ্গে আছি।” তিনি বলেন, “দেশের মানুষ এমনিতেই খেতে পারে না। তার ওপর কয়েকদিন আগে তেল গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে। আবার বলছে বিদ্যুতের দাম বাড়াবে। তাহলে মানুষ কিভাবে বিদ্যুৎ বিল দিবে। মানুষের আয় বাড়ছে না তাহলে কেনো বার বার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। “ ভৈরবের জনসভায় ব্যাপক লোকসমাগম হয়। এসময় আরো ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য লে.জে. অব. মাহবুবুর রহমান, ড. আবদুল মঈন খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. ওসমান ফারুক, নির্বাহী কমিটির সদস্য শরিফুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন