আওয়ামী লীগ সরকার দেশের মানচিত্র পরিবর্তন করে ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মইন খান। আজ শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানবন্ধন কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। ভারত ও মিয়ানমারের কর্তৃক বাংলাদেশী ভূমি দখল, সীমান্তে মানুষ হত্যাসহ আগ্রাসনের প্রতিবাদে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দল ঢাকা মহানগর।
মইন খান প্রশ্ন রাখেন, একাত্তর সালে জনগণ কি অন্যের অধীন হওয়ার জন্য স্বাধীন করেছিল? তিনি দাবি করেন, ট্রানজিটের নামে ইতিমধ্যে ভারতকে বাংলাদেশের করিডর দেওয়া হয়েছে। করিডর দিয়ে যেসব পণ্যবাহী গাড়ি যাবে তাতে বাণিজ্যসামগ্রী থাকবে না যুদ্ধসামগ্রী থাকবে তা স্পষ্ট নয়। মইন খান বলেন, আওয়ামী লীগ যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কথা বলেছে তা হলো নতুন বোতলে পুরোনো মদ। এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারই দলীয় সরকার। তাদের অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে এই সরকার জামানত হারাবে দাবি করে তিনি বলেন, যদি তারা চিন্তা করে আবারও ক্ষমতায় আসবে তবে তা হবে দিবা স্বপ্নের মতো। সংগঠনের মহানগর সভাপতি হুমায়ুন কবির বেপারীর সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তৃতা করেন জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম, সহ-দফতর সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান, বিএনপি নেতা আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, মেজর (অব.) হানিফ, ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান, রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী, মঞ্জুর হোসেন প্রমুখ।
মইন খান প্রশ্ন রাখেন, একাত্তর সালে জনগণ কি অন্যের অধীন হওয়ার জন্য স্বাধীন করেছিল? তিনি দাবি করেন, ট্রানজিটের নামে ইতিমধ্যে ভারতকে বাংলাদেশের করিডর দেওয়া হয়েছে। করিডর দিয়ে যেসব পণ্যবাহী গাড়ি যাবে তাতে বাণিজ্যসামগ্রী থাকবে না যুদ্ধসামগ্রী থাকবে তা স্পষ্ট নয়। মইন খান বলেন, আওয়ামী লীগ যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কথা বলেছে তা হলো নতুন বোতলে পুরোনো মদ। এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারই দলীয় সরকার। তাদের অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে এই সরকার জামানত হারাবে দাবি করে তিনি বলেন, যদি তারা চিন্তা করে আবারও ক্ষমতায় আসবে তবে তা হবে দিবা স্বপ্নের মতো। সংগঠনের মহানগর সভাপতি হুমায়ুন কবির বেপারীর সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তৃতা করেন জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম, সহ-দফতর সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান, বিএনপি নেতা আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, মেজর (অব.) হানিফ, ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান, রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী, মঞ্জুর হোসেন প্রমুখ।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন