বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর, ২০১১

তত্ত্বাবধায়ক সরকার কোনো আইনী বিষয় নয়: আকবর আলি

শুধু নির্বাচন কমিশন দিয়ে সুক্ষ্ম কারচুপির নির্বাচন ঠেকানো যেতে পারে, তবে স্থূল কারচুপি রোধ করতে হলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান।তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, আদালত আরও দুই টার্ম তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাখা কথা বলেছে, কিন্তু তার আগেই কেন এটা তুলে দেওয়া হচ্ছে। সরকারেও ১০ শতাংশ অনির্বাচিত মন্ত্রী আছেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার যদি অবৈধ হয় তাহলে এটি হালাল হয় কিভাবে?তিনি আরও বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দরকার আছে। এ সরকার পদ্ধতি নিয়ে দুটো কথা বলা হচ্ছে। কেউ বলছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার খারাপ। খারাপটা মূলত বলা হচ্ছে সর্বশেষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার সম্পর্কে, যেটা অত্যন্ত বিতর্কিত ছিল। যে দল জিতেছে তারা বলেছে আগের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ভালো ছিল। আর যারা হেরেছে তারা বলেছে খারাপ ছিল। কিন্তু বাইরে যা-ই বলুক ভেতরে ভেতরে এরা সবাই জানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ভালো কাজই করেছে।আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত ‘সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, ‘রাজপথে লগি-বৈঠকা নিয়ে বিএনপি-আওয়ামী লীগের মারামারির কারণেই ফখরুদ্দীনের সরকার এসেছিল। এবারো রাজনীতি যে সংঘাতের দিকে যাচ্ছে তাতে ১/১১ না এলেই আমি অবাক হবো।’ড. আকবর আলি খান বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার কোনো আইনী বিষয় নয়। এটি সামাজিক চুক্তি। এই চুক্তিকে এক পক্ষের নস্যাৎ করার উপায় নেই। আইনের দোহাই দিয়ে কেউ তা ভাঙতে পারে না। জাতিকে বিভক্ত করার মূল্যবোধ দিয়ে কাজ হবে না। রাজনীতিকরা আমলাদের এমন রাজনীতিকরণ করেছে যে এদের দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।গোলটেবিল বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এ এস এম শাহজাহান, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা হাফিজউদ্দিন খান, কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, অধ্যাপক আসিফ নজরুল, অধ্যাপক কামাল আতাউর রহমান, সাংবাদিক মনির হায়দার প্রমুখ। মূল বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুজনের বদিউল আলম মজুমদার।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ