বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১১

ডিএসইতে ফের দরপতন, বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ

ব্যাংকগুলো বারবার আশার কথা শোনালেও দিনভর দর পতনের পর বুধবার আবারো রাস্তায় নেমে এসেছেন পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা। দিনের লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৪৩.২৯ পয়েন্ট কমে হয়েছে ৫ হাজার ৪১১ পয়েন্ট। তাঁরা অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও ডিএসইর সভাপতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। আজ দিনশেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ১৪৩.২৯ পয়েন্ট কমে ৫৪১১.৯৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। মোট ৩৪৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। মোট ২৫৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ২৩৭টিরই দাম কমেছে। বেড়েছে মাত্র ১৩টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে সাতটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠান হল- গ্রামীণফোন, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, তিতাস গ্যাস, বেক্সিমকো, ইউসিবিএল, এনবিএল, মালেক স্পিনিং, সিটি ব্যাংক, আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ও সামিট পাওয়ার।বেলা সোয়া দুইটার দিকে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ১৩৮ পয়েন্ট পড়ে গেলে বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস থেকে নেমে এসে ডিএসইর মূল ভবনের সামনে অবস্থান নেন। বিক্ষোভ চলাকালে যেকোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এড়াতে সেখানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের নেতারা অভিযোগ করেন বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ দেশের অর্থনীতিতে অযাচিত হস্তক্ষেপ করছে। যার বিরূপ প্রভাব শেয়ারবাজারে পড়ছে। শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন বিনিয়োগকারীরা।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ