রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম যাতে না বাড়ে এবং সেই সঙ্গে কেউ যাতে মজুতদারি করতে না পারে সেদিকে কঠোর নজর রাখার জন্য জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী তার কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধনী ভাষণে তিনি এ নির্দেশ দেন।
নিজেদেরকে জনগণের সকল আশা-আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার জন্য জেলা প্রশাসকদের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক ও সাত বিভাগীয় কমিশনার অংশ নিচ্ছেন এই সম্মেলনে।সম্মেলনের উদ্বোধনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার জনগনের সেবা আর দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য কাজ করছে। সরকারের লক্ষ্য পূরণে জেলা প্রশাসকদেরই মুখ্য ভূমিকা পালন করতে হবে।তিনি বলেন, ‘আমরা (সরকার) এখানে শাসক হিসেবে নয়, জনগণের সেবক হিসেবে এসেছি। আর আপনারাও নিজেদেরকে মনে রাখবেন জনগণের সেবক হিসেবে। কারণ জনগণের ট্যাক্সেই আপনাদের বেতন-ভাতা, সবকিছু পেয়ে থাকেন। এজন্য জনগণের সেবা করাটা আপনাদের কর্তব্য।’সরকারের এ বছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য ৪৬ হাজার কোটি টাকা বাজেট রয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘অনেক সময় প্রকল্প ঠিকই নেয়া হয়, কিন্তু সময় মতো বাস্তবায়ন হয় না। প্রকল্প মূখ্য তত্ত্ববধায়নের দায়িত্ব জেলা প্রশাসকদেরই নিতে হবে।’রমাজানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য মানুষের যেন দুর্ভোগ না বাড়ে সে দিকে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম যাতে না বাড়ে, কেউ যেন মজুদ করে মানুষের দুর্ভোগ বাড়াতে না পারে, সেদিকে আপনাদের লক্ষ্য রাখতে হবে। পাশাপাশি সময়োপযোগী যে সব পদক্ষেপ নেয়া দরকার তা নিতে হবে।’তিন দিনের এই সম্মেলনে জেলা প্রশাসকরা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে আলাদা আলাদা অধিবেশন ছাড়াও বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করবেন।
নিজেদেরকে জনগণের সকল আশা-আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার জন্য জেলা প্রশাসকদের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক ও সাত বিভাগীয় কমিশনার অংশ নিচ্ছেন এই সম্মেলনে।সম্মেলনের উদ্বোধনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার জনগনের সেবা আর দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য কাজ করছে। সরকারের লক্ষ্য পূরণে জেলা প্রশাসকদেরই মুখ্য ভূমিকা পালন করতে হবে।তিনি বলেন, ‘আমরা (সরকার) এখানে শাসক হিসেবে নয়, জনগণের সেবক হিসেবে এসেছি। আর আপনারাও নিজেদেরকে মনে রাখবেন জনগণের সেবক হিসেবে। কারণ জনগণের ট্যাক্সেই আপনাদের বেতন-ভাতা, সবকিছু পেয়ে থাকেন। এজন্য জনগণের সেবা করাটা আপনাদের কর্তব্য।’সরকারের এ বছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য ৪৬ হাজার কোটি টাকা বাজেট রয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘অনেক সময় প্রকল্প ঠিকই নেয়া হয়, কিন্তু সময় মতো বাস্তবায়ন হয় না। প্রকল্প মূখ্য তত্ত্ববধায়নের দায়িত্ব জেলা প্রশাসকদেরই নিতে হবে।’রমাজানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য মানুষের যেন দুর্ভোগ না বাড়ে সে দিকে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম যাতে না বাড়ে, কেউ যেন মজুদ করে মানুষের দুর্ভোগ বাড়াতে না পারে, সেদিকে আপনাদের লক্ষ্য রাখতে হবে। পাশাপাশি সময়োপযোগী যে সব পদক্ষেপ নেয়া দরকার তা নিতে হবে।’তিন দিনের এই সম্মেলনে জেলা প্রশাসকরা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে আলাদা আলাদা অধিবেশন ছাড়াও বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করবেন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন