স্বপ্নের দেশ আমেরিকায় যাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে গেলো বাংলাদেশের জন্য। ২০১৩
সালের ডিভি লটারিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না এদেশের কেউ। আগামী ৪ঠা
অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া এ লটারিতে বাংলাদেশ ছাড়া আরো ১৮টি দেশের
নাগরিকরা অংশ নিতে পারবে না বলে আজ যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের
ওয়েবসাইটে জানানো হয়। ২০১৩ সালের ডিভি ভিসার জন্য আবেদনের নিয়ামাবলীতে বলা
হয়েছে, ডিভি ভিসার মাধ্যমে বিগত পাঁচ বছরে যেসব দেশের ৫০ হাজার নাগরিক
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হয়েছেন, সে সব দেশের নাগরিকরা লটারিতে অংশ নিতে
পারবেন না। এ নিয়মের কারণেই ওই বছরের ডিভি ভিসার জন্য অযোগ্য বিবেচিত
হচ্ছেন বাংলাদেশিরা। ডাইভার্সিটি ভিসা (ডিভি) প্রোগ্রামের আওতায়
যুক্তরাষ্ট্রে যে সব দেশের অভিবাসী কম সে সব দেশ থেকে প্রতি বছর ৫০ হাজার
জনকে স্থায়ী অধিবাসী ভিসা দেওয়া হয়।
তবে এবার দক্ষিণ সুদান ও পোল্যান্ডের নাগরিকরা ডিভি ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া চীনের মূল ভূখণ্ডের বাইরে হংকং, ম্যাকাও ও তাইওয়ানে জন্মগ্রহণকারীরাও যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। ডিভি ভিসা প্রক্রিয়া ‘কার্যকর ও নিরাপদ’ করতে ২০০৫ সাল থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক আবেদন পদ্ধতি চালু করে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রে যে সব দেশের অভিবাসী কম সেসব দেশের ৫০ হাজার নাগরিকককে এবার স্থায়ী অধিবাসী ভিসা দেওয়া হবে। বিশ্বকে ছয়টি ভৌগলিক অঞ্চলে ভাগ করে কম্পিউটারভিত্তিক দৈবচয়নের মাধ্যমে মনোনয়নের কাজটি করা হবে। প্রতিটি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত কোনো দেশ সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ ভিসা পাবে।
তবে এবার দক্ষিণ সুদান ও পোল্যান্ডের নাগরিকরা ডিভি ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া চীনের মূল ভূখণ্ডের বাইরে হংকং, ম্যাকাও ও তাইওয়ানে জন্মগ্রহণকারীরাও যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। ডিভি ভিসা প্রক্রিয়া ‘কার্যকর ও নিরাপদ’ করতে ২০০৫ সাল থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক আবেদন পদ্ধতি চালু করে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রে যে সব দেশের অভিবাসী কম সেসব দেশের ৫০ হাজার নাগরিকককে এবার স্থায়ী অধিবাসী ভিসা দেওয়া হবে। বিশ্বকে ছয়টি ভৌগলিক অঞ্চলে ভাগ করে কম্পিউটারভিত্তিক দৈবচয়নের মাধ্যমে মনোনয়নের কাজটি করা হবে। প্রতিটি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত কোনো দেশ সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ ভিসা পাবে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন