দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি প্রকল্পের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের চূড়ান্ত
পর্ব শুরু হয়েছে। স্থানীয় ভূমি মালিকদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার মধ্যদিয়ে এ
কার্যক্রম শুরু হয়। আজ বৃহস্পতিবার থেকে অধিগ্রহণের চূড়ান্ত পর্ব শুরু
হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী
কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূঁইয়া ক্ষতিপূরণ প্রতিনিধি দলের
নেতৃত্ব দিচ্ছেন।সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বৃহস্পতিবার
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি, বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও মধ্যপাড়া কঠিন শিলা প্রকল্পের
বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করবেন। ক্ষতিপূরণ কার্যক্রম শুরুর পর শনিবার তারা
ঢাকায় ফিরবেন বলে জানা যায়।
বিকাল ৫টায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার ও মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূঁইয়া ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ উদ্বোধন করবেন।সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, ক্ষতিপূরণ দেয়ার জন্য গত ১২ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর বড়পুকুরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের কাগজপত্র যাচাই শেষে ৮৩৭ জনের চূড়ান্ত তালিকা করা হয়। বাকি ৫১৪ জনের কাগজপত্র পুনরায় যাচাই করা হবে। এই প্রকল্পের জন্য বড়পুকুরিয়াসহ জিগাগাড়ি, বলরামপুর, মৌপুকুর, কালুপাড়া, বৈদ্যনাথপুর ও বাঁশপুকুর গ্রামের ৬২৭ দশমিক ৭৩ একর ভূমি অধিগ্রহণ করবে। এসব এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকরা ফসলি জমির জন্য একর প্রতি ২০ লাখ টাকা এবং বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য একর প্রতি ২৫ লাখ টাকা করে পাবেন।এছাড়া প্রত্যেক ভূমিহীন পরিবার বা প্রান্তিক কৃষক পরিবার পাবে দুই লাখ টাকা করে। এ ধরনের ৩১৮টি পরিবারের একটি তালিকা করা হয়েছে।সংসদীয় কমিটির সদস্যরাসহ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মো. মেজবাহউদ্দীন, পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. হোসেন মনসুরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রতিনিধি দলে থাকছেন বলে সূত্র জানায়।
বিকাল ৫টায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার ও মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূঁইয়া ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ উদ্বোধন করবেন।সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, ক্ষতিপূরণ দেয়ার জন্য গত ১২ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর বড়পুকুরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের কাগজপত্র যাচাই শেষে ৮৩৭ জনের চূড়ান্ত তালিকা করা হয়। বাকি ৫১৪ জনের কাগজপত্র পুনরায় যাচাই করা হবে। এই প্রকল্পের জন্য বড়পুকুরিয়াসহ জিগাগাড়ি, বলরামপুর, মৌপুকুর, কালুপাড়া, বৈদ্যনাথপুর ও বাঁশপুকুর গ্রামের ৬২৭ দশমিক ৭৩ একর ভূমি অধিগ্রহণ করবে। এসব এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকরা ফসলি জমির জন্য একর প্রতি ২০ লাখ টাকা এবং বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য একর প্রতি ২৫ লাখ টাকা করে পাবেন।এছাড়া প্রত্যেক ভূমিহীন পরিবার বা প্রান্তিক কৃষক পরিবার পাবে দুই লাখ টাকা করে। এ ধরনের ৩১৮টি পরিবারের একটি তালিকা করা হয়েছে।সংসদীয় কমিটির সদস্যরাসহ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মো. মেজবাহউদ্দীন, পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. হোসেন মনসুরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রতিনিধি দলে থাকছেন বলে সূত্র জানায়।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন