আজ পবিত্র আশুরা। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দেশের মুসলমানেরা পালন করছেন শোকের এই দিনটি। এ উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সারা দেশে আজ সরকারি ছুটি পালিত হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় প্রচার মাধ্যম বেতার, টেলিভিশন ও বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলো বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করছে। বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে গ্রহণ করেছে নানা কর্মসূচি।
সকালে হোসেনি দালানের ইমাম বাড়া মসজিদ থেকে বের হয় বিশাল তাজিয়া মিছিল। ‘হায় হোসেন-হায় হোসেন’ মাতমের মধ্য দিয়ে রাজধানীর নানা পথ ঘুরে বিকালে ধানমন্ডি লেকে শেষ হবে মিছিলটি। ভোরে আরেকটি তাজিয়া মিছিল ইমামবাড়া থেকে বের হয়ে বকশী বাজার, নাজিমুদ্দিন রোড, চক বাজার, রহমতগঞ্জ, চাঁদনী ঘাট, উর্দু রোড ও বকশীবাজার ঘুরে আবার ইমামবাড়ায় ফিরে আসে। এছাড়া আটকে পড়া পাকিস্তানিদের আবাস মোহাম্মদপুর ও মিরপুরেও বের হয় তাজিয়া মিছিল। এ ছাড়া দিনটি স্মরণে মিলাদ, দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা ও দরিদ্রদের মাঝে খাবার বিতরণের মতো কর্মসূচিও রয়েছে। আবার ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এ দিনের শোককে শক্তিতে পরিণত করতে রোজাও রাখেন। দিনটি ইতিহাসে বিশাল জায়গা দখল করে আছে। সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহতায়ালা এ দিনেই আরশ, কুরছি, লওহ, কলম, আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন এবং এ দিনেই আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করে তাকে বেহেশতে স্থান দিয়েছেন। এই দিনেই ঘটেছে ইতিহাসের সবচেয়ে নির্মম ও হূদয়বিদারক ঘটনা। তাই পবিত্র এ দিনটি মুসলমানদের কাছে একইসঙ্গে তাত্পর্যপূর্ণ ও বেদনাবিধুর। ১৩২৮ বছর আগের এই দিনে ইরাকের ফোরাত নদীর তীরে কারবালার প্রান্তরে ঘটে পৃথিবীর নিকৃষ্টতম ঘটনা। ৭২ সহযোগীসহ মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসেন (রা.)-কে নির্মমভাবে হত্যা করে এজিদ বাহিনী। মুসলিম জাহানের তত্কালীন স্বঘোষিত খলিফা এজিদ খলিফার দায়িত্ব তুলে দেওয়ার কথা বলে কুফা নগরীতে আমন্ত্রণ জানায় হযরত ইমাম হোসেন (রা.)-কে। পথে কারবালা প্রান্তরে অবরুদ্ধ করা হয় ইমাম হোসেন (রা.) ও তার সহযোগীদের। অবরুদ্ধ অবস্থায় তাদের পানি পর্যন্ত পান করতে দেওয়া হয়নি। এ সময় এজিদ ঘোষিত পুরস্কারের লোভে সীমার ঘটায় ইতিহাসের বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড। নির্মমভাবে হত্যা করা হয় ইমাম হোসেন (রা.)-কে। শান্তি ও সম্প্রীতির ধর্ম ইসলামের সুমহান আদর্শ সমুন্নত রাখতে তাঁদের এ আত্মত্যাগ মানবতার ইতিহাসে সমুজ্জ্বল হয়ে আছে।
সকালে হোসেনি দালানের ইমাম বাড়া মসজিদ থেকে বের হয় বিশাল তাজিয়া মিছিল। ‘হায় হোসেন-হায় হোসেন’ মাতমের মধ্য দিয়ে রাজধানীর নানা পথ ঘুরে বিকালে ধানমন্ডি লেকে শেষ হবে মিছিলটি। ভোরে আরেকটি তাজিয়া মিছিল ইমামবাড়া থেকে বের হয়ে বকশী বাজার, নাজিমুদ্দিন রোড, চক বাজার, রহমতগঞ্জ, চাঁদনী ঘাট, উর্দু রোড ও বকশীবাজার ঘুরে আবার ইমামবাড়ায় ফিরে আসে। এছাড়া আটকে পড়া পাকিস্তানিদের আবাস মোহাম্মদপুর ও মিরপুরেও বের হয় তাজিয়া মিছিল। এ ছাড়া দিনটি স্মরণে মিলাদ, দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা ও দরিদ্রদের মাঝে খাবার বিতরণের মতো কর্মসূচিও রয়েছে। আবার ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এ দিনের শোককে শক্তিতে পরিণত করতে রোজাও রাখেন। দিনটি ইতিহাসে বিশাল জায়গা দখল করে আছে। সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহতায়ালা এ দিনেই আরশ, কুরছি, লওহ, কলম, আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন এবং এ দিনেই আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করে তাকে বেহেশতে স্থান দিয়েছেন। এই দিনেই ঘটেছে ইতিহাসের সবচেয়ে নির্মম ও হূদয়বিদারক ঘটনা। তাই পবিত্র এ দিনটি মুসলমানদের কাছে একইসঙ্গে তাত্পর্যপূর্ণ ও বেদনাবিধুর। ১৩২৮ বছর আগের এই দিনে ইরাকের ফোরাত নদীর তীরে কারবালার প্রান্তরে ঘটে পৃথিবীর নিকৃষ্টতম ঘটনা। ৭২ সহযোগীসহ মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসেন (রা.)-কে নির্মমভাবে হত্যা করে এজিদ বাহিনী। মুসলিম জাহানের তত্কালীন স্বঘোষিত খলিফা এজিদ খলিফার দায়িত্ব তুলে দেওয়ার কথা বলে কুফা নগরীতে আমন্ত্রণ জানায় হযরত ইমাম হোসেন (রা.)-কে। পথে কারবালা প্রান্তরে অবরুদ্ধ করা হয় ইমাম হোসেন (রা.) ও তার সহযোগীদের। অবরুদ্ধ অবস্থায় তাদের পানি পর্যন্ত পান করতে দেওয়া হয়নি। এ সময় এজিদ ঘোষিত পুরস্কারের লোভে সীমার ঘটায় ইতিহাসের বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড। নির্মমভাবে হত্যা করা হয় ইমাম হোসেন (রা.)-কে। শান্তি ও সম্প্রীতির ধর্ম ইসলামের সুমহান আদর্শ সমুন্নত রাখতে তাঁদের এ আত্মত্যাগ মানবতার ইতিহাসে সমুজ্জ্বল হয়ে আছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন