শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১১

খালেদা জিয়ার ৮ সপ্তাহের আগাম জামিন

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টে অনিয়মের মামলায় দুই মাসের আগাম জামিন পেয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁর এ জামিন মঞ্জুর করেন। এর আগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় তিনি হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন। একটি গাড়িতে করে দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে খালেদা হাইকোর্ট চত্বরে পৌঁছেন। হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে ছিলো বিএনপি সমর্থক আইনজীবীদের ভিড়। অনেকে স্লোগানও দিচ্ছিলো। ২টা ৩৫ মিনিটে ওই বেঞ্চেই শুনানি শুরু হয়ে ২০ মিনিটের মধ্যে জামিনের আদেশ হয়। হাইকোর্টে খালেদার পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক। জামিনের বিরোধিতা করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মমতাজউদ্দিন ফকির। আদেশ হওয়ার পরপরই হাইকোর্ট চত্বর ছেড়ে বাড়ির পথে রওনা হন খালেদা। চলতি বছরের ৮ আগস্ট দুদক খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলাটি করেন। এছাড়া, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা বাতিলে খালেদা ও তাঁর বড় ছেলে তারেক রহমানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৯ সালের ১৫ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করেন। ২০০৮ সালের ৩ জুলাই খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ সাতজনের বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মির্জা আব্বাস, মঈন খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আলতাফ হোসেন চৌধুরীসহ বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে নিয়েই আদালতে গিয়েছিলেন খালেদা। আদালতে ছিলেন টিএইচ খান, মওদুদ আহমেদ, খোন্দকার মাহবুব হোসেন, মাহবুবউদ্দিন খোকনসহ বিএনপির আইনজীবী নেতারাও। প্রায় তিন দশকের রাজনৈতিক জীবনে খালেদা জিয়া এবারই প্রথম হাইকোর্টে কোনো বেঞ্চের সামনে হাজির হলেন। এর আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে বিচারিক আদালতে হাজির হয়েছিলেন তিনি। একবার এভিডেভিট করতে খালেদা জিয়া হাইকোর্টে গিয়েছিলেন বলে বিএনপি সমর্থক আইনজীবীরা জানিয়েছেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ