বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিরোধীদলকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই ২৫ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ ২৬ হাজার ৩৫২ জন নেতা-কর্মীকে নির্যাতনকারী চিহ্ণিত করে জুডিশিয়াল কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। রাজধানীর নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আজ (মঙ্গলবার) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ২০০১ সালের নির্বাচন পরবর্তী ‘সহিংসতা’ তদন্তে গঠিত জুডিশিয়াল কমিশন গত পাঁচ দিন আগে ওই রিপোর্ট প্রকাশ করে। তিনি বলেন, “এ ঘটনা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্যে এক হীন ও গভীর ষড়যন্ত্রের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। মির্জা ফখরুল জানান, জুডিশিয়াল কমিশনের প্রধান সাহাবুদ্দিন ছাত্রজীবনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। গত জাতীয় নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীও ছিলেন। এ কমিশনের কাছ থেকে নিরপেক্ষতা আশা করা যায় না। কমিশন অনেক ক্ষেত্রে ঘটনাস্থলে না গিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলাপ করে মনগড়া রিপোর্ট তৈরি করেছে। মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি ও সমমনা দলগুলো যখন জাতীয় স্বার্থে বড় ধরনের আন্দোলনে ব্যস্ত ঠিক তখন এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। এটা যে একেবারে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক তা বুঝতে অসুবিধা হয় না।
তিনি বলেন, গডফাদারদের সংস্কৃতি আওয়ামী লীগই চালু করেছে। আওয়ামী শাসন আমলেই ভয়াল গডফাদারদের উত্থানে এদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছিল। বিএনপি মহাসচিব বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরই প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে আওয়ামী লীগ নেতারা ও তাদের দোসররা দেশে-বিদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের কল্পকাহিনী প্রচার করতে থাকে। এই অপপ্রচারের মাধ্যমে শেখ হাসিনা ইচ্ছা করে সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্যের চেতনাকে কালিমালিপ্ত করতে চেয়েছেন। তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে ভয়াবহ খেলায় মেতে উঠেছে। এখন আইনের শাসনের বদলে দেশে আওয়ামী দুঃশাসন চলছে। দেশের অর্থনীতি আওয়ামী লুটপাটের চারণভূমিতে পরিণত হয়েছে। সেজন্যই বিরোধী দলের বলিষ্ঠ ভূমিকা পালনকারী নেতাদের রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে সরিয়ে দেয়ার সুদূরপ্রসারী চক্রান্তের অংশ হিসেবে তরিকুল ইসলাম, সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ, মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মাওলানা আবদুস সোবহান এবং ডাক্তার সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরসহ ২৬ হাজার ৩৫২ জনের বিরুদ্ধে তদন্তের নামে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে।
মির্জা আলমগীর বলেন, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে গত দশ বছরে কোনো থানায় কোনো জিডি হয়নি। যেসব নেতার নামে কাল্পনিক অভিযোগ আনা হয়েছে তারা নিজ নিজ ৪/৫ বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য। তাদেরকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করে আওয়ামী প্রার্থীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যেই এই অপতৎপরতা। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার ইবলিশকে ফেরেশতা ও ফেরেশতাকে ইবলিশ বানাতে পারে- জুডিশিয়াল কমিশনের রিপোর্টই তার প্রমাণ। এগারো বছর জেল খেটেছি। জেলখানায় মুত্যু হলেও আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের কাছে মাথা নত করব না। এছাড়া, এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকার পক্ষে বক্তব্য রাখেন সাবেক মন্ত্রী মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ইলিয়াস আলী, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, হাফিজ ইব্রাহিম এবং শহিদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, গডফাদারদের সংস্কৃতি আওয়ামী লীগই চালু করেছে। আওয়ামী শাসন আমলেই ভয়াল গডফাদারদের উত্থানে এদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছিল। বিএনপি মহাসচিব বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরই প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে আওয়ামী লীগ নেতারা ও তাদের দোসররা দেশে-বিদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের কল্পকাহিনী প্রচার করতে থাকে। এই অপপ্রচারের মাধ্যমে শেখ হাসিনা ইচ্ছা করে সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্যের চেতনাকে কালিমালিপ্ত করতে চেয়েছেন। তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে ভয়াবহ খেলায় মেতে উঠেছে। এখন আইনের শাসনের বদলে দেশে আওয়ামী দুঃশাসন চলছে। দেশের অর্থনীতি আওয়ামী লুটপাটের চারণভূমিতে পরিণত হয়েছে। সেজন্যই বিরোধী দলের বলিষ্ঠ ভূমিকা পালনকারী নেতাদের রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে সরিয়ে দেয়ার সুদূরপ্রসারী চক্রান্তের অংশ হিসেবে তরিকুল ইসলাম, সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ, মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মাওলানা আবদুস সোবহান এবং ডাক্তার সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরসহ ২৬ হাজার ৩৫২ জনের বিরুদ্ধে তদন্তের নামে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে।
মির্জা আলমগীর বলেন, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে গত দশ বছরে কোনো থানায় কোনো জিডি হয়নি। যেসব নেতার নামে কাল্পনিক অভিযোগ আনা হয়েছে তারা নিজ নিজ ৪/৫ বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য। তাদেরকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করে আওয়ামী প্রার্থীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যেই এই অপতৎপরতা। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার ইবলিশকে ফেরেশতা ও ফেরেশতাকে ইবলিশ বানাতে পারে- জুডিশিয়াল কমিশনের রিপোর্টই তার প্রমাণ। এগারো বছর জেল খেটেছি। জেলখানায় মুত্যু হলেও আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের কাছে মাথা নত করব না। এছাড়া, এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকার পক্ষে বক্তব্য রাখেন সাবেক মন্ত্রী মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ইলিয়াস আলী, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, হাফিজ ইব্রাহিম এবং শহিদুল ইসলাম।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন