চারমুখী সংকট থাকা সত্বেও নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় তৈরী হচ্ছে ২৪টি দেশী রেল কোচ। এতে করে প্রতিটি রেলে কোচ নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ৫০লাখ টাকা। এতে সর্বমোট ব্যয়ের পরিমান ১৬কোটি টাকা। এই কোচগুলো বিদেশ থেকে আমদানী করলে ব্যয় হতো কমপক্ষে ১০০কোটি টাকা। বর্তমান সরকারের সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় কোচ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়ায় রাষ্ট্রের সাশ্রয় হচ্ছে প্রায় ৮০কোটি টাকা।
নীলফামারীর সৈয়দপুর বিভাগীয় তত্বাবধায়ক অফিস জানিয়েছে, যাত্রীবাহী লেওয়ে কোচের ক্ষেত্রে আমদানী নির্ভরতা কমাতে ও নতুন কোচ নির্মাণে রেলওয়েকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে কারখানায় বিগত ১৯৬২ সালে ক্যারেজ কনস্ট্রাকশন শপ চালু করা হয়। শুরু থেকে ১৯৯২সাল পর্যন্ত এই শপে তৈরী করা হয় ২৬৭টি মিটারগেজ কোচ। বিগত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে রেল সংকোচননীতির কারনে ১৯৯২সালের জুন মাসে শপটি বন্ধ করে দেয়া হয়। রেলওয়ে খাতে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় ও যাত্রীবাহী কোচ সংকট কাটাতে প্রকল্পভিত্তিক রেলকোচ নির্মানের উদ্যোগ নেয় বর্তমান সরকার। এর আওতায় পরিত্যাক্ত রেলকোচ পুনরায় নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়েছে। যাত্রীবাহী কোচের সংকট দুর করতে ও আগামী বছরে কয়েক জোড়া নতুন ট্রেন চালু করতে কারখানায় ৩০টি ড্যামেজ যাত্রীবাহী কোচ নির্মাণের কাজ চলছে। ৩বছর মেয়াদী ক্যারেজ পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় ওইসব কোচ নতুন করে নির্মাণ করা হচ্ছে। গত ’১০-১১ অর্থ বছরে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ’১৩ সালে। এর মধ্যে গত অর্থ বছরে ৬টি কোচ নির্মাণ করা হয়েছে। অবশিষ্ট ২৪টি কোচের মধ্যে ১২টি চলতি অর্থ বছরে ও অবশিষ্ট ১২টি আগামী ’১২-১৩ অর্থ বছরে নির্মাণ করা হবে। শ্রেণীভেদে প্রতিটি কোচ নির্মানে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৫০লাখ টাকা। প্রতিটি কোচ আমদানী করতে ব্যয় হতো ৩কোটি টাকারও উপরে। এভাবে ২৪টি কোচ বিদেশ থেকে আমদানী করতে ব্যয় হতো প্রায় ১০০কোটি টাকা। রেল কোচগুলো সৈয়দপুরে নির্মিত হওয়ায় রাষ্ট্রের সাশ্রয় হচ্ছে প্রায় ৮০কোটি টাকা।নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় রেলকোচ মেরামতে প্রধান অন্তরায় জনবল, মালামাল সংকট, অপর্যাপ্ত বাজেট ও অতি পুরাতন মেশিনপত্র। চারমুখী সংকটের পরেও কারখানায় চলছে উৎপাদন। এতে কারখানায় বার্ষিক উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রায় পৌছাতে পারছে না। বিগত ’৭৫সালে কারখানায় জনবল ছিল ১০হাজার। ১৯৮৫সালে রলওয়ে নতুন নিয়োগ বিধিমালা তৈরীর পর থেকে কারখানায় আর কোর জনবল নিয়োগ করা হয়নি। ১০হাজার জনবল সমৃদ্ধ কারখানায় জনবল কমতে কমতে এখন এসে দাড়িয়েছে ২হাজার ২৫৬জনে। তবে মঞ্জুরী জনবল রয়েছে ২হাজার ৬৪৯জন। প্রায় প্রতিদিন ২/৩জন করে লোক অবসরে যাচ্ছেন। একদিকে নতুন জনবল নিয়োগ বন্ধ অপরদিকে দক্ষ জনবল অবসরে যাওয়ায় কারখানায় কারিগরী দক্ষতা থেকে হ্রাস পাচ্ছে। নীলামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্বাবধায়ক মজ্ঞুর-উল-আলম চৌধুরী জানান, বিগত চারদলীয় জোট সরকারের রেল সংকোচননীতির কারনে কারখানায় নতুন জনবল নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়াও প্রতিবছর ২/৪জন করে দক্ষ জনবল অবসরে যাচ্ছেন। রেলওয়ের গুরুত্বপূর্ণ কারখানাটি ক্রমান্বয়ে দক্ষ জনবল সংকটে পড়ছে। এরপরেও যে জনবল রয়েছে তা দিয়েই তৈরী করা হচ্ছে কোচ। কারখানায় কোচ নির্মানের উদ্যোগ নেয়ায় রাষ্ট্রের বিপুল পরিমান টাকা সাশ্রয় হচ্ছে। এই কারখানাটিকে আধুনিকায় করা হলে রেলওয়ের একটি মাইল ফলক হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করবে।
নীলফামারীর সৈয়দপুর বিভাগীয় তত্বাবধায়ক অফিস জানিয়েছে, যাত্রীবাহী লেওয়ে কোচের ক্ষেত্রে আমদানী নির্ভরতা কমাতে ও নতুন কোচ নির্মাণে রেলওয়েকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে কারখানায় বিগত ১৯৬২ সালে ক্যারেজ কনস্ট্রাকশন শপ চালু করা হয়। শুরু থেকে ১৯৯২সাল পর্যন্ত এই শপে তৈরী করা হয় ২৬৭টি মিটারগেজ কোচ। বিগত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে রেল সংকোচননীতির কারনে ১৯৯২সালের জুন মাসে শপটি বন্ধ করে দেয়া হয়। রেলওয়ে খাতে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় ও যাত্রীবাহী কোচ সংকট কাটাতে প্রকল্পভিত্তিক রেলকোচ নির্মানের উদ্যোগ নেয় বর্তমান সরকার। এর আওতায় পরিত্যাক্ত রেলকোচ পুনরায় নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়েছে। যাত্রীবাহী কোচের সংকট দুর করতে ও আগামী বছরে কয়েক জোড়া নতুন ট্রেন চালু করতে কারখানায় ৩০টি ড্যামেজ যাত্রীবাহী কোচ নির্মাণের কাজ চলছে। ৩বছর মেয়াদী ক্যারেজ পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় ওইসব কোচ নতুন করে নির্মাণ করা হচ্ছে। গত ’১০-১১ অর্থ বছরে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ’১৩ সালে। এর মধ্যে গত অর্থ বছরে ৬টি কোচ নির্মাণ করা হয়েছে। অবশিষ্ট ২৪টি কোচের মধ্যে ১২টি চলতি অর্থ বছরে ও অবশিষ্ট ১২টি আগামী ’১২-১৩ অর্থ বছরে নির্মাণ করা হবে। শ্রেণীভেদে প্রতিটি কোচ নির্মানে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৫০লাখ টাকা। প্রতিটি কোচ আমদানী করতে ব্যয় হতো ৩কোটি টাকারও উপরে। এভাবে ২৪টি কোচ বিদেশ থেকে আমদানী করতে ব্যয় হতো প্রায় ১০০কোটি টাকা। রেল কোচগুলো সৈয়দপুরে নির্মিত হওয়ায় রাষ্ট্রের সাশ্রয় হচ্ছে প্রায় ৮০কোটি টাকা।নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় রেলকোচ মেরামতে প্রধান অন্তরায় জনবল, মালামাল সংকট, অপর্যাপ্ত বাজেট ও অতি পুরাতন মেশিনপত্র। চারমুখী সংকটের পরেও কারখানায় চলছে উৎপাদন। এতে কারখানায় বার্ষিক উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রায় পৌছাতে পারছে না। বিগত ’৭৫সালে কারখানায় জনবল ছিল ১০হাজার। ১৯৮৫সালে রলওয়ে নতুন নিয়োগ বিধিমালা তৈরীর পর থেকে কারখানায় আর কোর জনবল নিয়োগ করা হয়নি। ১০হাজার জনবল সমৃদ্ধ কারখানায় জনবল কমতে কমতে এখন এসে দাড়িয়েছে ২হাজার ২৫৬জনে। তবে মঞ্জুরী জনবল রয়েছে ২হাজার ৬৪৯জন। প্রায় প্রতিদিন ২/৩জন করে লোক অবসরে যাচ্ছেন। একদিকে নতুন জনবল নিয়োগ বন্ধ অপরদিকে দক্ষ জনবল অবসরে যাওয়ায় কারখানায় কারিগরী দক্ষতা থেকে হ্রাস পাচ্ছে। নীলামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্বাবধায়ক মজ্ঞুর-উল-আলম চৌধুরী জানান, বিগত চারদলীয় জোট সরকারের রেল সংকোচননীতির কারনে কারখানায় নতুন জনবল নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়াও প্রতিবছর ২/৪জন করে দক্ষ জনবল অবসরে যাচ্ছেন। রেলওয়ের গুরুত্বপূর্ণ কারখানাটি ক্রমান্বয়ে দক্ষ জনবল সংকটে পড়ছে। এরপরেও যে জনবল রয়েছে তা দিয়েই তৈরী করা হচ্ছে কোচ। কারখানায় কোচ নির্মানের উদ্যোগ নেয়ায় রাষ্ট্রের বিপুল পরিমান টাকা সাশ্রয় হচ্ছে। এই কারখানাটিকে আধুনিকায় করা হলে রেলওয়ের একটি মাইল ফলক হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করবে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন