বৃটেনের রাজধানী লন্ডনের উত্তরাঞ্চলের শহন টটেনহামে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ওপর পেট্রোল বোমা ছুঁড়ে মারে এবং বহু গাড়ি, দোকান-পাট ও বাড়িতে ভাঙচুর চালায় এবং আগুন লাগিয়ে দেয়। এ ছাড়া, বহু মানুষ ওই এলাকার দোকান-পাট লুট করেছে এবং তা আজ সকাল পর্যন্ত চলেছে। গত বৃহস্পতিবার পুলিশের গুলিতে মার্ক ডুগান নামে ২৯ বছর বয়সী এক গ্যাংস্টার নিহত হওয়ার প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় অন্ততঃ আট পুলিশ কর্মকর্তাসহ ১৯ জন আহত হয়েছেন। আহত পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে একজন মাথায় আঘাত পেয়েছেন এবং তার অবস্থা গুরুতর।
বৃটেন থেকে সংবাদদাতারা বলছেন, উত্তর লন্ডনের টোটেনহামে গতরাতে কয়েকশ’ মানুষ জড়ো হয়ে ডুগান হত্যার ন্যায়বিচার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা বহু গাড়ি ও বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। এ সময় তারা পুলিশের অন্ততঃ দু’টি গাড়িসহ এবিসি টেলিভিশন চ্যানেলের একটি গাড়ি পুড়িয়ে দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। টোটেনহামের সংসদ সদস্য জনগণকে শান্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এবং তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করা ও ন্যায় বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন। এলাকায় এখনও উত্তেজনা চলছে। সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বহু পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় জনগণ বলছে, ১৯৮৫ সালে টোটেনহামে সংঘটিত দাঙ্গার পর থেকে এ পর্যন্ত জনতা-পুলিশ সম্পর্ক স্বাভাবিক ছিল। তবে, বৃহস্পতিবার মার্ক ডুগানকে হত্যার পর সে সম্পর্কে অবনতি দেখা দিয়েছে এবং ওই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
বৃটেন থেকে সংবাদদাতারা বলছেন, উত্তর লন্ডনের টোটেনহামে গতরাতে কয়েকশ’ মানুষ জড়ো হয়ে ডুগান হত্যার ন্যায়বিচার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা বহু গাড়ি ও বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। এ সময় তারা পুলিশের অন্ততঃ দু’টি গাড়িসহ এবিসি টেলিভিশন চ্যানেলের একটি গাড়ি পুড়িয়ে দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। টোটেনহামের সংসদ সদস্য জনগণকে শান্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এবং তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করা ও ন্যায় বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন। এলাকায় এখনও উত্তেজনা চলছে। সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বহু পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় জনগণ বলছে, ১৯৮৫ সালে টোটেনহামে সংঘটিত দাঙ্গার পর থেকে এ পর্যন্ত জনতা-পুলিশ সম্পর্ক স্বাভাবিক ছিল। তবে, বৃহস্পতিবার মার্ক ডুগানকে হত্যার পর সে সম্পর্কে অবনতি দেখা দিয়েছে এবং ওই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন