সোমবার, ১৫ আগস্ট, ২০১১

২য় ওয়ানডেতেও পরাজিত টাইগাররা

১ম ওয়ানডের পর টানা দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও জিম্বাবুয়ের কাছে পরাজিত হলো সফররত বাংলাদেশ। হারারে স্পোর্টস গ্রাউন্ডে বাংলাদেশের দেয়া ১৮৯ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ৪৪ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক ব্রানন্ডেন টেইলর মাত্র ১৪ বল মোকাবেলা করে দলীয় ৪ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৩ রান নিয়ে শফিউলের বলে শাহরিয়ারের তালুবন্ধি হয়ে সাজ ঘরে ফেরেন। মাসাকাদজা মাহমুদুল্লার বলে ৩৬ রান করে আউট হয়ে যান। এর পর সিবান্দা ৬৭ রানে আশকরাফুলের বলে আউট হন। তাইবু ৬১ এবং ইরভান ৮ রান করে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেন। বাংলাদেশের পক্ষে শফিউল, মাহমুদুল্লাহ ও আশরাফুল একটি করে উইকেট নেন। এর আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে অভিষিক্ত নাসির হোসেনের ৬৩ রানের উপর ভর করে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৮৮ রান। একমাত্র টেস্ট এবং প্রথম ওয়ানডেতে শোচনীয় পরাজয়ের পর ঘুরে দাঁড়ানোর ম্যাচের শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। হারারে স্পোর্টস গ্রাউন্ডে টস জিতে সাকিবদের ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক টেইলর। ব্যাট করতে নেমে টাইগাররা ভিটোরি এবং চিগুম্বরার বোলিং তোপে দলীয় ১৮.৫ ওভারে ৫৮ রানে ৬ উইকেট হারায় সাকিব বাহিনী। সাজঘরে ফেরেন তামিম (৫), মুশফিক (১২), কায়েস (৮), নাফিস (১৪), আশরাফুল (৬) ও মাহমুদুল্লাহ (৩)। বিপর্যয় ঠেকাতে সাকিব ও নাসির জুটি ৫৩ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। ভিটোরির বলে বোল্ট হয়ে সাজঘরে ফেরেন সাকিব (২৬)। এরপর নাসির স্পিনার আব্দুর রাজ্জাককে সাথে নিয়ে রানের গতি বাড়াতে থাকেন। এ জুটি করেন ৬৫ রান। অভিষিক্ত নাসির ৬৩ রানের ঝলঝলে ইনিংস উপহার দিয়ে ভিটোরির বলে আউট হন। এরপর আর কেউই দাঁড়াতে পারেননি। রাজ্জাক ৩৫ রান করেন। ভিটোরি ৫টি, চিগুম্বরা ২টি, উতসেয়া ও এম্পুফু ১টি করে উইকেট পান। প্রসঙ্গত, আজকের ম্যাচের পর স্বাগতিকরা ২-০ তে এগিয়ে থাকলো।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ