বৃহস্পতিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১১

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে আবারো জলাবদ্ধতা

টানা ছয়দিন বন্ধ থাকার পর বুধবার ভোর থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে। তবে এ মহাসড়কে যান চলাচলে পুরোপুরি উপযোগী নয় বলে জানান পরিবহন মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ। মঙ্গলবার রাতে ও বুধবার সকালে টানা বর্ষণের ফলে এই মহাসড়কে নতুন করে আবারো দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। খানাখন্দ পিকেট ও বালি দিয়ে যেখানে সংস্কার করা হয়েছে সেখানে সড়কের অনেক অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে যান চলাচল বিঘিœত হচ্ছে। অনেক জায়গায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।সড়ক ও জনপথ বিভাগ পিকেট ও বালির মাধ্যমে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক সাময়িক সংস্কার কাজ চালালেও টঙ্গী থেকে মাওনা পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে খানা খন্দে ভরা সড়কটিতে যানবাহন চলাচলের পুরোপুরি উপযোগী হয়নি। বিশেষ করে ভোগড়া বাইপাস মোড়, বাসন, দিঘীরচালা, মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় বুধবার বৃষ্টির পর পানিতে সড়ক তলিয়ে যেতে দেখা গেছে। বাস শ্রমিকরা জানান, বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে যে কোন সময় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে। যাত্রী ও শ্রমিকরা জরুরী ভিত্তিতে রাস্তা সংস্কার ও জলাবদ্ধতা দূরীকরনের দাবী জানিয়েছেন। বুধবার মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। সড়ক ও জনপথের ঠিকাদাররা গতকালও সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিকেট ও বালি দিয়ে মেরামত অব্যাহত রেখেছে।বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতি গাজীপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কামরুল আহসান সরকার রাসেল জানান, রাস্তার অবস্থা এখনও নাজুক। ঈদকে সামনে রেখে যোগাযোগ মন্ত্রী ও নৌ পরিবহন মন্ত্রীর অনুরোধে আমরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস চালানো শুরু করেছি। তবে সড়কটি এখনো যানবাহন চলাচলের পুরোপুরি উপযোগী হয়নি।এদিকে খানাখন্দ ও ভাংগার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কোনাবাড়ি এলাকায় বুধবার দিনব্যাপী যানজট লেগে থাকতে দেখা গেছে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ