মঙ্গলবার, ৯ আগস্ট, ২০১১

হারারে টেস্ট: ১৩০ রানের পরাজয় বাংলাদেশের

স্বেচ্ছা নির্বাসন থেকে ফিরে ছয় বছরের মধ্যে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ১ম টেস্ট জয় করলো জিম্বাবুয়ে। সোমবার পঞ্চম দিন ব্যাটসম্যানদের বাজে ব্যাটিংয়ের খেসারত দিয়ে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় ২৪৪ রানে। বাংলাদেশকে ১৩০ রানে হারিয়ে প্রত্যাবর্তনের টেস্টকে স্মরণীয় করে রাখলো জিম্বাবুয়ে। শেষ দিন জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ২৬৩ রান, আর জিম্বাবুয়ের ৭ উইকেট। কিন্তু প্রথম সেশনেই ১১৬ রানে ৫ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ অনেকটা নিজেদের করে নেয় স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় সেশনে বাকি কাজ সারতে মোটেও দেরি করেনি স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় সেশনের প্রথম বলেই কাইল জার্ভিস ফেরান শফিউল ইসলামকে (৭)। এর পর রবিউল ইসলামকেও (১২) ফিরিয়ে দিয়ে দলকে বড় জয় এনে দেন তিনি। এর আগে শুরু করেও নিজেদের ইনিংস বড় করতে পারেন নি আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ আশরাফুল ও মুশফিকুর রহীম। ৩ উইকেটে ১১২ রান নিয়ে পঞ্চম দিনের খেলা শুরু করে প্রথম ঘন্টার আগেই আশরাফুলকে (৩৯) হারায় সফরকারীরা।
শুরু থেকে সাবলীল ছিলেন আশরাফুল। কিন্তু দলীয় ১৪০ রানের মাথায় ব্রায়ান ভিতোরির বলে বোল্ড হয়ে গেলে থেমে যায় তার আত্মবিশ্বাসী ইনিংসি। আশরাফুলের বিদায়ের পর যেন পথ হারিয়ে ফেলে সফরকারীরা। দলীয় ১৬৭ রানের মাথায় মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (১১) এবং ৭ রান পর মুশফিকুর রহীম (২৮) ও অধিনায়ক সাকিব আল হাসান (৬) সাজঘরের পথ ধরলে ফরকারীদের পরাজয় সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। বড় পরাজয় যখন সময়ের ব্যাপার তখন ব্যাট হাতে জ্বলে উঠেন আব্দুর রাজ্জাক। ব্যাটসম্যানদের লজ্জা দিয়ে ১৭ বলে খেলেন ৪৩ রানের ‘ক্যামিও’ ইনিংস। তামিম, রিয়াদ ও মুশফিককে তুলে নেয়া ক্রিস্টোরফার এমপোফুর এক ওভারে তুলে নেন ৫ চার আর রে প্রাইসের এক ওভারে তুলে নেন তিন ছয়। দলীয় ২২৪ রানের মাথায় রাজ্জাক ঝড় থেমে যাওয়ার পর নিশ্চিত হয়ে যায় বাংলাদেশের বড় পরাজয়। জিম্বাবুয়ের পক্ষে জার্ভিস ৪ উইকেট নেন ৬১ রানে। এর আগে জিম্বাবুয়ে নিজেদের প্রথম পালায় করে ৩৭০ রান। জবাবে নিজেদের প্রথম পালায় ২৮৭ রান করে বাংলাদেশ। এতে প্রথম পালায় ৮৩ রানের লিড নেয় জিম্বাবুয়ে। স্বাগতিকরা নিজেদের ৫ উইকেটে ২৯১ রানে নিজেদের দ্বিতীয় পালা ঘোষণা করে। এতে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩৭৫ রান।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ