পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, মনমোহন সিংয়ের সফরে অন্যান্য বিষয়ের
সঙ্গে তিস্তার পনি বণ্টন নিয়েও চুক্তি হবে বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে সরকার।
সোমবার রাতে গণভাবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা সংক্রান্ত মত বিনিময় সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে দীপু মনি বলেন, "আমরা (ভারতের সঙ্গে) যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন নই। আগে যা ছিল সে অবস্থানেই আছি।" "আগামীকাল তিস্তা চুক্তি হচ্ছে," যোগ করেন তিনি।
দুই দিনের সফরে মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা পৌঁছাবেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। তার সফরে দুটি নদীর পনি বণ্টনসহ কয়েকটি বিষয়ে চুক্তি ও প্রটোকল স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়েরও এই সফরে ঢাকায় আসার কথা ছিল। কিন্তু তিস্তার পানি ভাগাভাগির প্রস্তাব নিয়ে আপত্তি তুলে শেষ মুহূর্তে তিনি না আসার কথা জানিয়ে দেন। মমতার এই সিদ্ধান্তের পর বহু প্রতীক্ষিত তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তিও অনিশ্চয়তায় পড়ে। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব রঞ্জন মাথাই সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের আপত্তি উপেক্ষা করে এগোবে না নয়া দিল্লি। তবে দীপু মনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তিস্তা চুক্তি হবে না- এমন কোনো তথ্য বাংলাদেশ সরকারকে জানানো হয়নি। গণভবণে এই সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা গওহর রিজভী ও মশিউর রহমান, ভারতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক এ করিম এবং পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস উপস্থিত ছিলেন। রঞ্জন মাথাইয়ের বক্তব্য প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে দীপু মনি বলেন, "আমি এখনো জানি, বিশ্বাস করি, আগামীকাল এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। ভারতের পররাষ্ট্র সচিবের প্রেস ব্রিফিংয়ের ভিডিও ফুটেজ আমি দেখেছি। তিনি কোথাও বলেননি যে, চুক্তি হচ্ছে না। তিনি সব পক্ষের সম্মতির প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।"
"আমি আশা করি, আশা না করার কোনো কারণ দেখছি না যে, অন্যান্য চুক্তির সঙ্গে আগামীকাল এই (তিস্তা) চুক্তিও স্বাক্ষরিত হবে," যোগ করেন তিনি। তবে তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে সব পক্ষের আলোচনা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। "দুই সরকারের মধ্যে চুক্তি হবে। তবে এখানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরাট ভূমিকা আছে। এটা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। নিশ্চিয়ই এটা মিটিয়ে ভারত সরকার চুক্তি করতে যাচ্ছে।" সাংবাদিকদের মঙ্গলবার পর্যন্ত অপেক্ষা করার অনুরোধ জানিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, "আমরা ভারতের পক্ষ থেকে ভিন্ন কোনো মত পাইনি। আমাদের কাছে এমন কোনো কমিউনিকেশন নেই যে- চুক্তিটি হচ্ছে না। আমরা জানি, চুক্তিটি হচ্ছে।" মশিউর রহমান বলেন, "আমরা ভারত সরকারের কাছ থেকে কোনো নেতিবাচক ইঙ্গিত পাইনি। যা পেয়েছি- তা জোরালো, ইতিবাচক।"
আরেক প্রশ্নের জবাবে দীপু মনি নিশ্চিত করেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় মঙ্গলবার আসছেন না।
"উনি এই ভিজিটে আসছেন না। আপনারা জানেন আগামী মাসে উনার উপ-নির্বাচন। এই জন্য হয়তো উনি আসছেন না।" অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম ও তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, বাণিজ্য মন্ত্রী ফারুক খান, পানিসম্পদ মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন, যোগাযোগ মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, বিদ্যুত প্রতিমন্ত্রী এনামুল হকসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা এই মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সোমবার রাতে গণভাবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা সংক্রান্ত মত বিনিময় সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে দীপু মনি বলেন, "আমরা (ভারতের সঙ্গে) যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন নই। আগে যা ছিল সে অবস্থানেই আছি।" "আগামীকাল তিস্তা চুক্তি হচ্ছে," যোগ করেন তিনি।
দুই দিনের সফরে মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা পৌঁছাবেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। তার সফরে দুটি নদীর পনি বণ্টনসহ কয়েকটি বিষয়ে চুক্তি ও প্রটোকল স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়েরও এই সফরে ঢাকায় আসার কথা ছিল। কিন্তু তিস্তার পানি ভাগাভাগির প্রস্তাব নিয়ে আপত্তি তুলে শেষ মুহূর্তে তিনি না আসার কথা জানিয়ে দেন। মমতার এই সিদ্ধান্তের পর বহু প্রতীক্ষিত তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তিও অনিশ্চয়তায় পড়ে। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব রঞ্জন মাথাই সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের আপত্তি উপেক্ষা করে এগোবে না নয়া দিল্লি। তবে দীপু মনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তিস্তা চুক্তি হবে না- এমন কোনো তথ্য বাংলাদেশ সরকারকে জানানো হয়নি। গণভবণে এই সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা গওহর রিজভী ও মশিউর রহমান, ভারতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক এ করিম এবং পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস উপস্থিত ছিলেন। রঞ্জন মাথাইয়ের বক্তব্য প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে দীপু মনি বলেন, "আমি এখনো জানি, বিশ্বাস করি, আগামীকাল এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। ভারতের পররাষ্ট্র সচিবের প্রেস ব্রিফিংয়ের ভিডিও ফুটেজ আমি দেখেছি। তিনি কোথাও বলেননি যে, চুক্তি হচ্ছে না। তিনি সব পক্ষের সম্মতির প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।"
"আমি আশা করি, আশা না করার কোনো কারণ দেখছি না যে, অন্যান্য চুক্তির সঙ্গে আগামীকাল এই (তিস্তা) চুক্তিও স্বাক্ষরিত হবে," যোগ করেন তিনি। তবে তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে সব পক্ষের আলোচনা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। "দুই সরকারের মধ্যে চুক্তি হবে। তবে এখানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরাট ভূমিকা আছে। এটা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। নিশ্চিয়ই এটা মিটিয়ে ভারত সরকার চুক্তি করতে যাচ্ছে।" সাংবাদিকদের মঙ্গলবার পর্যন্ত অপেক্ষা করার অনুরোধ জানিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, "আমরা ভারতের পক্ষ থেকে ভিন্ন কোনো মত পাইনি। আমাদের কাছে এমন কোনো কমিউনিকেশন নেই যে- চুক্তিটি হচ্ছে না। আমরা জানি, চুক্তিটি হচ্ছে।" মশিউর রহমান বলেন, "আমরা ভারত সরকারের কাছ থেকে কোনো নেতিবাচক ইঙ্গিত পাইনি। যা পেয়েছি- তা জোরালো, ইতিবাচক।"
আরেক প্রশ্নের জবাবে দীপু মনি নিশ্চিত করেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় মঙ্গলবার আসছেন না।
"উনি এই ভিজিটে আসছেন না। আপনারা জানেন আগামী মাসে উনার উপ-নির্বাচন। এই জন্য হয়তো উনি আসছেন না।" অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম ও তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, বাণিজ্য মন্ত্রী ফারুক খান, পানিসম্পদ মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন, যোগাযোগ মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, বিদ্যুত প্রতিমন্ত্রী এনামুল হকসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা এই মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন