আন্দোলনের প্রস্ত্ততি নিতে নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছে বিএনপি। একই সঙ্গে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ সফল করার ব্যাপারেও নির্দেশ দেয়া হয়। শনিবার সকালে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের যৌথ সভায় এ নির্দেশ দেয়া হয়। দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সাংবাদিকরা উপস্থিত হলেও দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্রিফিং করা হয়নি। সভায় উপস্থিত ছিলেন, এমন কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর পল্টন ময়দানে জনসভার জন্য মহানগরের পক্ষ থেকে জাতীয় ক্রীড়াপরিষদের কাছে আবেদন করা হয়েছে। যদি অনুমতি পাওয়া যায় তাহলে পল্টন ময়দানেই এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় সমাবেশ করবে দলটি। এজন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রস্ত্ততি নেয়ার জন্যই যৌথসভা করা হয়। পল্টন ময়দানে সমাবেশের অনুমতি না পেলে দলীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে মহাসমাবেশ করবে বিএনপি। সেক্ষেত্রে ফকিরাপুল মোড় থেকে নাইটিংগেল কাকরাইল হয়ে সমাবেশ শান্তিনগর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে বলে জানান একজন নেতা। ওই জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবেন। একই এজেন্ডা নিয়ে বিকাল তিনটায় নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকাসহ পাশ্ববর্তী জেলাসমূহের নেতাদের নিয়ে বৈঠক করবেন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা আলমগীর। ওই বৈঠকের সিদ্ধান্ত সাংবাদিকদের জানানো হবে না। অবশ্য দু’একদিন পরে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
শনিবারের যৌথসভায় বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান, মোহাম্মদ শাহজাহান, রুহুল কবির রিজভী, ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুস সালাম, গাজী মাজহারুল আনোয়ার, সালাহউদ্দিন আহমেদ, যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মহিলা দলের সভাপতি নূরে আরা সাফা, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব-উন নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক মীর সরাফত আলী সফু, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি অধ্যক্ষ সোহরাব হোসেন, ওলামা দলের সভাপতি হাফেজ মাওলানা আব্দুল মালেক, ছাত্রদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। যৌথসভায় কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন বলেন, আন্দোলন কর্মসূচি দেয়া হবে। ওই কর্মসূচি সফল করতে নেতাকর্মীদের প্রস্ত্ততি নিতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, সভার সিদ্ধান্ত শিগগিরই সাংবাদিকদের জানানো হবে।
শনিবারের যৌথসভায় বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান, মোহাম্মদ শাহজাহান, রুহুল কবির রিজভী, ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুস সালাম, গাজী মাজহারুল আনোয়ার, সালাহউদ্দিন আহমেদ, যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মহিলা দলের সভাপতি নূরে আরা সাফা, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব-উন নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক মীর সরাফত আলী সফু, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি অধ্যক্ষ সোহরাব হোসেন, ওলামা দলের সভাপতি হাফেজ মাওলানা আব্দুল মালেক, ছাত্রদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। যৌথসভায় কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন বলেন, আন্দোলন কর্মসূচি দেয়া হবে। ওই কর্মসূচি সফল করতে নেতাকর্মীদের প্রস্ত্ততি নিতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, সভার সিদ্ধান্ত শিগগিরই সাংবাদিকদের জানানো হবে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন