স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জলবায়ু তহবিলের ব্যবহার খতিয়ে দেখবে
ট্রান্সফারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি এজন্য একটি
প্রকল্পও হাতে নিয়েছে। শনিবার বিশ্ব ধরিত্রী দিবস উপলক্ষে জাতীয়
প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বার্লিনভিত্তিক আন্তর্জাতিক
সংস্থাটির বাংলাদেশ শাখা এ ঘোষণা দেয়।টিআইবি নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, জলবায়ু তহবিল
ব্যবহারের স্বচ্ছতা খতিয়ে দেখতে ‘ফলো দ্য মানি’ শীর্ষক একটি প্রকল্প হাতে
নিয়েছে টিআইবি। এ প্রকল্পের অধীনে এ তহবিলের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতি
নজর রাখা হবে।প্রসঙ্গত, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করতে ইতিমধ্যেই
বিভিন্ন দাতা ও উন্নয়ন সহযোগিদের সহায়তায় ৩০ কোটি ডলারের ক্লাইমেট চেঞ্জ
ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করেছে বাংলাদেশ। দাতারা এ অর্থ ছাড় দিতে শুরু করেছে।টিআইবি নির্বাহী পরিচালক বলেন, দাতারা ইতিমধ্যেই জলবায়ু তহবিলের অর্থ
ছাড় দিতে শুরু করেছে। এসব অর্থ ব্যবহারের ব্যাপারে কোন নীতি বা কৌশল নেই,
কিন্তু টাকাগুলো ব্যবহার করা হচ্ছে।তহবিলের মোট কতো অংশ বাংলাদেশ পেয়েছে সে তথ্য টিআইবি পায়নি জানিয়ে তিনি
বলেন, সরকারি কোন সূত্র থেকেও এ ব্যাপারে কোন ধরনের তথ্য পাওয়া যায়নি।
অবশ্য ইফতেখারুজ্জামান বলেন, জলবায়ু তহবিলে অর্থ ব্যয়ে অসঙ্গতি নিয়ে ইতিমধ্যে বিভিন্ন সংবাদপত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এসব প্রতিবেদন সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব তথ্য যাচাই করবে টিআইবি।এছাড়া ভূমি ও পানিসম্পদের ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে ভূমি ও পানিসম্পদ রক্ষায় কার্যকর আইন প্রণয়ন এবং আন্তর্জাতিক চুক্তির ক্ষেত্রে জনগণকে সম্পৃক্ত করার দাবি জানায় সংস্থাটি।
অবশ্য ইফতেখারুজ্জামান বলেন, জলবায়ু তহবিলে অর্থ ব্যয়ে অসঙ্গতি নিয়ে ইতিমধ্যে বিভিন্ন সংবাদপত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এসব প্রতিবেদন সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব তথ্য যাচাই করবে টিআইবি।এছাড়া ভূমি ও পানিসম্পদের ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে ভূমি ও পানিসম্পদ রক্ষায় কার্যকর আইন প্রণয়ন এবং আন্তর্জাতিক চুক্তির ক্ষেত্রে জনগণকে সম্পৃক্ত করার দাবি জানায় সংস্থাটি।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন