রবিবার, ২ অক্টোবর, ২০১১

ভারতের পরিবহণ খরচ ৯০ ভাগ কমেছে ট্রান্সশিপমেন্টে উল্লসিত বণিক মহল

‘কম সময়, কম খরচ, খুশি রাজ্যের বাণিজ্য মহল’ শিরোনামে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, আখাউড়া স্থলবন্দর হয়ে ত্রিপুরারাজ্যে ট্রান্সশিপমেন্টের প্রথম চালান আসার পর উল্লসিত বণিক মহল।ট্রানজিট প্রক্রিয়ায় ভারতের পরিবহণ খরচ ৯০ ভাগ সাশ্রয় হয়েছে। প্রথম চালান হাতে পেয়ে উল্লসিত ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের ব্যবসায়ীরা। আজ শনিবার ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক দেশের কথা’ এ খবর জানিয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, আশুগঞ্জ নদীবন্দর ব্যবহারের মধ্য দিয়ে ত্রিপুরাসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের স্বপ্নের বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। স্বপ্নের এখানেই শেষ নয় আশুগঞ্জের মতো চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরও তারা ব্যবহার করবে। খবরে বলা হয়, পণ্যপরিবহণ ও নদীবন্দর ব্যবহারের সুযোগ দেয়ার ফলে প্রতিটন পণ্যের জন্য ৫০ ডলার পাচ্ছে বাংলাদেশ।এই প্রক্রিয়া সম্পর্কে আমদানি-রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশন সম্পাদক মনিষ বিশ্বাস হাবুল বলেন, “আগে মাল আসতো দীর্ঘ সড়ক পথে। কলকাতা থেকে মাল আগরতলায় আসতে সময় লাগতো দশ দিন। আশুগঞ্জ হয়ে আসার ফলে তা কমে দাঁড়িয়েছে সাতদিন। কিন্তু সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে পরিবহণ খরচ। সড়ক পথে যে কোনো মাল আনতে গেলে যে খরচ হয় আশুগঞ্জ হয়ে মাল আনবার ফলে তা দশ ভাগের এক ভাগ হয়ে গেছে। এটাই সবচেয়ে বড় লাভ। ত্রিপুরা রাজ্যের বাজারে এখন অনেক জিনিসের দাম কমবে। এটা শুধু ব্যবসায়ীদের নয়, লাভ ত্রিপুরা রাজ্যের মানুষের।”‘দৈনিক দেশের কথা’ লিখেছে, ত্রিপুরা চেম্বার অব কর্মাসের সভাপতি এমএল দেবনাথ বলেন, “৯৫ সাল থেকেই আমরা এই ট্রান্সশিপমেন্ট এবং ট্রানজিটের দাবি জানিয়ে আসছিলাম। একটু দেরিতে হলেও মিললো সে সুযোগ। আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে ব্যাপারটি চালু হলো। শিগগিরই বাণিজ্যিকভাবে এর কার্যক্রম শুরু হবে। এতে বাংলাদেশও লাভবান হবে। তবে স্বস্তিদায়ক এই যে, পুরোপুরি শুরু হয়ে গেলে সত্যিই ত্রিপুরা হবে পূর্বোত্তরের প্রবেশ দ্বার।”

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ