রবিবার, ২ অক্টোবর, ২০১১

দেওয়ানি ও ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধনের প্রক্রিয়া চলছে: আইনমন্ত্রী

দেওয়ানি ও ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধনের প্রক্রিয়া চলছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, কার্যবিধি দীর্ঘসূত্রতার এড়ানোর অন্তরায় এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। সমন নোটিশ ও জবাব দেয়ার ক্ষেত্রে সময় বেঁধে দেয়ার চিন্তা-ভাবনাও রয়েছে।” শনিবার রাজধানীর রূপসী বাংলা হোটেলে ‘সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা প্রদান কার্যক্রম ও দেওয়ানি কার্যবিধি সংশোধন বিল-২০১১’ বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রকৃত অসচ্ছল ব্যক্তিদের আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করতে বিচারক ও আইনজীবীদের প্রতি তাগিদ দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, “সরকার অসচ্ছলদের আইনি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। সত্যিকারভাবে অসচ্ছল ব্যক্তিরা আইনি সহায়তা পেলেই এ কার্যক্রমটি সফল হবে।” মন্ত্রী বলেন, “আইনগত সহায়তা কার্যক্রমের সঙ্গে বিচারের দীর্ঘসূত্রতার বিষয়টি রয়েছে। সচ্ছল ব্যক্তিরাও আদালতের দ্বারস্থ হলে একটি মামলার জন্য বছরের পর বছর ঘুরতে হয়। এমন ঘটনা ঘটলে তা বিচারের নামে অবিচার হয়।” এমনটি যাতে না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখারও আহ্বান জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, “বিচার বিভাগে ২০ লাখ মামলা বিচারাধীন আছে। এটা দুঃখজনক। আইনগত সহায়তা দেয়ার পাশাপাশি বিচার বিভাগের এ অবস্থার উন্নতি করা গেলে সুফল পাওয়া যাবে। আদালতের ওপর চাপ কমানো, আইনের শাসনের ওপর আস্থা বাড়ানোর দিক বিবেচনা করে দেওয়ানি ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে পরিবর্তন আনা হবে।” আইন ও বিচার বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব সহিদুল করিমের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, প্রমোটিং অ্যাকসেস টু জাস্টিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস ইন বাংলাদেশ প্রকল্পের পরিচালক সালমা বিনতে কাদির, আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার পরিচালক সৈয়দ আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ