লন্ডন : নতুন অভিবাসনের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ, ওয়ার্ক পারমিট হ্রাস এবং ভিসা জটিলতার কারণে লন্ডনে কর্মরত বাংলাদেশি আইনজীবীদের পেশায় ধস নেমেছে। এ কারণে সেখানে বসবাসরত বাংলাদেশের তরুণ ব্যারিস্টাররা এখন দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। লন্ডনসহ যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহরে বাংলাদেশি আইনজীবীরা অভিবাসন সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা, ওয়ার্ক পারমিট, ভিসার মেয়াদবৃদ্ধি সংক্রান্ত মামলাগুলো পরিচালনা করে থাকেন। এজন্য শুধু লন্ডন শহরেই বাংলাদেশি মালিকানাধীন অর্ধশত সলিসিটর ফার্ম গড়ে উঠেছে। এসব ফার্মে আড়াই থেকে তিনশ' বাংলাদেশি ব্যারিস্টার কাজ করেন। এদের বেশিরভাগই তরুণ। সম্প্রতি যুক্তরাজ্য সরকার অভিবাসনসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করায় বিদেশিরা আর সেখানে যাবার বিশেষ সুযোগ পাচ্ছেন না। ফলে উল্লিখিত সলিসিটর ফার্মের মক্কেল কমে গেছে। এ কারণে বিপাকে পড়েছেন উঠতি তরুণ আইনজীবীরা। এদিকে বাড়ি ভাড়া, যাতায়াত খরচসহ জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেশি হওয়ায় আয় কমে গেলে লন্ডনে টিকে থাকা কঠিন। কার্যত, এ কারণেই অনেক তরুণ ব্যারিস্টার দেশে এসে আইন পেশায় নিয়োজিত হওয়ার চিন্তা করছেন।
হোয়াইট চ্যাপেলের ইমিগ্রেশন সলিউশনে কর্মরত ব্যারিস্টার মির্জা জিল্লুর রহমান শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বলেন, খুব শিগগিরই আমি দেশে ফিরে যাব। আমার বাড়িটি ভাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছি। ঢাকার সেগুন বাগিচা এলাকায় একটি অফিসও দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, ইতিমধ্যেই ঢাকার সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিকুল হকের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমি তার আন্ডারেই হাইকোর্টে কাজ শুরু করব। আক্ষেপ করে তিনি বলেন, কি আর করব ভাই এখানে আর পোষাতে পারছি না। ইমিগ্রেশন ফোর ইউ-এর ব্যারিস্টার ইকবালও একই ধরনের কথা বলেন। তিনি দেশে এসে আইন পেশার পাশাপাশি সক্রিয়ভাবে রাজনীতি করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই ফার্মের ব্যারিস্টার সায়েমও অনুরূপ মন্তব্য করেন। এভাবে আরো অনেক তরুণ আইনজীবীকে একই ধরনের মন্তব্য করতে দেখা গেছে। তবে যারা এখনো যুক্তরাজ্যের পাসপোর্ট পাননি তারা কিছুটা সময় অপেক্ষা করবেন। কারণ, সবাই চান অ্যাটলিস্ট ব্রিটিশ নাগরিক হয়ে দেশে ফিরতে। যাতে ভবিষ্যৎ জেনারেশন ইচ্ছা করলেই সেদেশে গিয়ে থাকতে পারে। পাশাপাশি দেশে থাকলেও ব্রিটিশ নাগরিক হিসেবে কিছুটা হলেও যেন গর্ব করা যায়।
হোয়াইট চ্যাপেলের ইমিগ্রেশন সলিউশনে কর্মরত ব্যারিস্টার মির্জা জিল্লুর রহমান শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বলেন, খুব শিগগিরই আমি দেশে ফিরে যাব। আমার বাড়িটি ভাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছি। ঢাকার সেগুন বাগিচা এলাকায় একটি অফিসও দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, ইতিমধ্যেই ঢাকার সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিকুল হকের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমি তার আন্ডারেই হাইকোর্টে কাজ শুরু করব। আক্ষেপ করে তিনি বলেন, কি আর করব ভাই এখানে আর পোষাতে পারছি না। ইমিগ্রেশন ফোর ইউ-এর ব্যারিস্টার ইকবালও একই ধরনের কথা বলেন। তিনি দেশে এসে আইন পেশার পাশাপাশি সক্রিয়ভাবে রাজনীতি করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই ফার্মের ব্যারিস্টার সায়েমও অনুরূপ মন্তব্য করেন। এভাবে আরো অনেক তরুণ আইনজীবীকে একই ধরনের মন্তব্য করতে দেখা গেছে। তবে যারা এখনো যুক্তরাজ্যের পাসপোর্ট পাননি তারা কিছুটা সময় অপেক্ষা করবেন। কারণ, সবাই চান অ্যাটলিস্ট ব্রিটিশ নাগরিক হয়ে দেশে ফিরতে। যাতে ভবিষ্যৎ জেনারেশন ইচ্ছা করলেই সেদেশে গিয়ে থাকতে পারে। পাশাপাশি দেশে থাকলেও ব্রিটিশ নাগরিক হিসেবে কিছুটা হলেও যেন গর্ব করা যায়।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন