বিএনপির সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সৈয়দা আসিফা আশরাফি পাপিয়াসহ সুপ্রিম কোর্টের তিন আইনজীবীকে জেলহাজতে পাঠিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে আদালত আগামী ৮ আগস্ট মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে।
শুক্রবার ঢাকার মূখ্য মহানগর বিচারক শাহাদাত হোসেন এই আদেশ দেন।
এরআগে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট পাপিয়া, গাজী তৌহিদুল ইসলাম ও আবু বকর সিদ্দিক রাজনকে আদালতে হাজির করে শাহবাগ থানায় দায়ের করা আদালতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ।আদালত শুনানি শেষে তাদেরকে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। একই সঙ্গে আসামিদের পক্ষ থেকে কারাগারে প্রথম শ্রেণীর বন্দির মর্যাদা ও চিকিৎসার আবেদন করা হলে কারাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয় আদালত।
প্রসঙ্গত, সংবিধান নিয়ে ইসলামী ঐক্যজোট চেয়ারম্যান মুফতি ফজলুল হক আমিনীর শুনানির সময় আদালতে আইনজীবীদের হাতাহাতির ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে এমপি পাপিয়া ছাড়াও ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে ৩০/৪০ অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে গত মঙ্গলবার শাহবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করে।এ মামলায় পুলিশ বৃহস্পতিবার বিএনপিদলীয় এমপি অ্যাডভোকেট আসিফা আশরাফী পাপিয়া, অ্যাডভোকেট গাজী তৌহিদুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট শরিফউদ্দিন আহমেদ এবং অ্যাডভোকেট আবু বকর সিদ্দিক রাজনকে গ্রেপ্তার করে।
শুক্রবার ঢাকার মূখ্য মহানগর বিচারক শাহাদাত হোসেন এই আদেশ দেন।
এরআগে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট পাপিয়া, গাজী তৌহিদুল ইসলাম ও আবু বকর সিদ্দিক রাজনকে আদালতে হাজির করে শাহবাগ থানায় দায়ের করা আদালতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ।আদালত শুনানি শেষে তাদেরকে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। একই সঙ্গে আসামিদের পক্ষ থেকে কারাগারে প্রথম শ্রেণীর বন্দির মর্যাদা ও চিকিৎসার আবেদন করা হলে কারাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয় আদালত।
প্রসঙ্গত, সংবিধান নিয়ে ইসলামী ঐক্যজোট চেয়ারম্যান মুফতি ফজলুল হক আমিনীর শুনানির সময় আদালতে আইনজীবীদের হাতাহাতির ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে এমপি পাপিয়া ছাড়াও ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে ৩০/৪০ অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে গত মঙ্গলবার শাহবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করে।এ মামলায় পুলিশ বৃহস্পতিবার বিএনপিদলীয় এমপি অ্যাডভোকেট আসিফা আশরাফী পাপিয়া, অ্যাডভোকেট গাজী তৌহিদুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট শরিফউদ্দিন আহমেদ এবং অ্যাডভোকেট আবু বকর সিদ্দিক রাজনকে গ্রেপ্তার করে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন