সম্প্রতি হাইকোর্টের হট্টগোলের ঘটনা সরকারের পূর্বপরিকল্পিত ছিল বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। একই সঙ্গে আইনজীবীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও তাদের মুক্তি দাবি করেছেন তিনি।শুক্রবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ নেতা এসব কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম বলেন, আদালতে গত কয়েকদিনের ঘটনা প্রবাহ সরকারের পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্রের অংশ। তারা আদালতের মাধ্যমে নিজেদের গণবিরোধী এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছে। এতে দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।তিনি অভিযোগ করে বলেন, সরকার আদালতকে দলীয়করণের মাধ্যমে দেশের জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। বিচারকদের দলীয় আনুগত্য প্রকাশের প্রতিযোগিতা থেকে সরে আসারও অনুরোধ জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ নেতা।নজরুল ইসলাম বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের অগ্নিমূল্য, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির তীব্র সঙ্কটে মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। তখন জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে নিতে হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে এসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সৃষ্টি করা হয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব রহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক রহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিঞা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।প্রসঙ্গত, সংবিধান নিয়ে ইসলামী ঐক্যজোট চেয়ারম্যান মুফতি ফজলুল হক আমিনীর শুনানির সময় আদালতে আইনজীবীদের হাতাহাতির ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে এমপি পাপিয়া ছাড়াও ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে ৩০/৪০ অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে গত মঙ্গলবার শাহবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করে।এ মামলায় পুলিশ বৃহস্পতিবার বিএনপিদলীয় এমপি অ্যাডভোকেট আশিফা আশরাফী পাপিয়া, অ্যাডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট শরিফউদ্দিন আহমেদ এবং অ্যাডভোকেট আবু বকর সিদ্দিক রাজুকে গ্রেপ্তার করে।
নজরুল ইসলাম বলেন, আদালতে গত কয়েকদিনের ঘটনা প্রবাহ সরকারের পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্রের অংশ। তারা আদালতের মাধ্যমে নিজেদের গণবিরোধী এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছে। এতে দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।তিনি অভিযোগ করে বলেন, সরকার আদালতকে দলীয়করণের মাধ্যমে দেশের জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। বিচারকদের দলীয় আনুগত্য প্রকাশের প্রতিযোগিতা থেকে সরে আসারও অনুরোধ জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ নেতা।নজরুল ইসলাম বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের অগ্নিমূল্য, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির তীব্র সঙ্কটে মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। তখন জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে নিতে হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে এসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সৃষ্টি করা হয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব রহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক রহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিঞা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।প্রসঙ্গত, সংবিধান নিয়ে ইসলামী ঐক্যজোট চেয়ারম্যান মুফতি ফজলুল হক আমিনীর শুনানির সময় আদালতে আইনজীবীদের হাতাহাতির ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে এমপি পাপিয়া ছাড়াও ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে ৩০/৪০ অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে গত মঙ্গলবার শাহবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করে।এ মামলায় পুলিশ বৃহস্পতিবার বিএনপিদলীয় এমপি অ্যাডভোকেট আশিফা আশরাফী পাপিয়া, অ্যাডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট শরিফউদ্দিন আহমেদ এবং অ্যাডভোকেট আবু বকর সিদ্দিক রাজুকে গ্রেপ্তার করে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন