দুপুর সোয়া ২টায় বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের ১ নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করে সোজা মাঠে চলে গেলেন আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের সহকারী কোচ জুলিয়ান কামিনো। সঙ্গে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের টেকনিক্যাল কমিটির সদস্য আলবার্তো পারনাস, কলকাতা ও ঢাকার ম্যাচের প্রধান এজেন্ট প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড ইলেভেনের কর্মকর্তা রডরিগো এবং ভারতভিত্তিক এজেন্ট সেলিব্রেটি ম্যানেজমেন্ট গ্রুপের দুই কর্মকর্তা ধরম দত্ত পাণ্ডে ও ভাস্বর গোস্বামী। মাঝমাঠে গিয়ে কামিনো হাত দিলেন ঘাসে, পরখ করে দেখলেন মাটির অবস্থা। মাঝবৃত্ত থেকে হেঁটে পশ্চিম সীমানায় যেতে যেতে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখলেন মাঠের আরও কয়েক স্থান। মিনিট দশেক পরই তারা মাঠ থেকে চলে গেলেন ড্রেসিংরুমে। সেখানে দেখলেন কী কী সুযোগ-সুবিধা তৈরি হচ্ছে মেসিদের জন্য। ড্রেসিংরুমের কাজ চলছে এখনও। তাই সুযোগ-সুবিধার সব কিছু দেখা সম্ভব হয়নি তাদের। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক আবদুর রহমান ডিজাইন দেখিয়ে তাদের বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন আরও কী কী কাজ করবেন তারা। ড্রেসিংরুম যেভাবে তৈরি হচ্ছে, তা দেখে মোটামুটি সন্তুষ্টই মনে হলো তাদের। তবে বাথরুম আর টয়লেট আরও আধুনিক করার তাগিদ দিলেন তারা। দুটি ড্রেসিংরুমে চারটি শাওয়ার স্থাপনের কথা শুনে মেসিদের সহকারী কোচ কামিনো পুরোপুরি সন্তুষ্ট হতে পারেননি। ওয়ার্ল্ড ইলেভেনের কর্মকর্তা রডরিগো জানিয়ে দিলেন, দুই ড্রেসিংরুমে কম হলেও ১০টি শাওয়ার থাকতে হবে। নিরাপত্তার স্বার্থে ড্রেসিংরুম থেকে মাঠে যাওয়ার সিঁড়ি দুটিকে ঢেকে টানেলের মতো করে দিতে বলেন। মাঠ আর ড্রেসিংরুম ছাড়া স্টেডিয়ামের আর কোনো খোঁজই নিলেন না তারা। তারপর তাদের নিয়ে যাওয়া হয় অনুশীলনের জন্য ভেন্যু ফতুল্লা স্টেডিয়াম দেখাতে।
ফতুল্লা স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে মিডিয়াকে রডরিগো জানান, অনুশীলন ভেন্যুর বিষয়ে তারা কিছু বলবেন না। সাবেলা গিয়ে রিপোর্ট জমা দেবেন। কোচই জানাবেন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। তবে ম্যাচ ভেন্যু বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের বিষয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছেন তারা। 'আরেকটু সমান করাসহ মাঠে হালকা কিছু কাজ সারতে হবে। যেখানে যেখানে ঘাস কিছুটা কম, সেখানে নতুন ঘাস লাগাতে হবে। এ ছাড়া সবই ঠিক আছে। ড্রেসিংরুম যেভাবে করা হচ্ছে তাতে চলবে। কেবল বাথরুম ও টয়লেটের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করে দিলেই হবে'_ বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের মাঠ নিয়ে এমন মূল্যায়ন রডরিগোর। অনুশীলন ভেন্যুর বিষয়টি পরে জানাবেন বললেও তিনটি বিষয় নিশ্চিত করেছেন তারা। এক. বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ৬ সেপ্টেম্বর ম্যাচ হচ্ছে; দুই. মেসি আসছেনই এবং তিন. আর্জেন্টিনার পুরো দলটিই আসছে। এর আগে তারা হোটেল দেখে আর নিরাপত্তার বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছেন।পরিদর্শন দলের ম্যাচ ভেন্যুর সবুজ সংকেতের পর বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন বলেন, 'এখন তো আর কারও সন্দেহ থাকার কথা নয়। মানুষের মনে কিঞ্চিৎ যে শঙ্কা ছিল, তাও কেটে গেল। মেসিরা আসছেন এবং ম্যাচ হচ্ছে_ এর চেয়ে ভালো খবর আর কী আছে? ৬ সেপ্টেম্বরের ম্যাচের পর বিশ্বের অন্যতম আন্তর্জাতিক ফুটবল ভেন্যুর তালিকায় ঢুকে যাবে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের নাম। দেশ বলুন আর ক্লাব, এরপর বিশ্বের বড় বড় দল আনতে এতটা কাঠখড় পোড়াতে হবে না। যখন তারা শুনবেন এ মাঠে মেসিরা খেলে গেছেন, তখন ভেন্যু নিয়ে বাড়তি কিছু জানতেই চাইবে না কোনো দল।'
ফতুল্লা স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে মিডিয়াকে রডরিগো জানান, অনুশীলন ভেন্যুর বিষয়ে তারা কিছু বলবেন না। সাবেলা গিয়ে রিপোর্ট জমা দেবেন। কোচই জানাবেন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। তবে ম্যাচ ভেন্যু বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের বিষয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছেন তারা। 'আরেকটু সমান করাসহ মাঠে হালকা কিছু কাজ সারতে হবে। যেখানে যেখানে ঘাস কিছুটা কম, সেখানে নতুন ঘাস লাগাতে হবে। এ ছাড়া সবই ঠিক আছে। ড্রেসিংরুম যেভাবে করা হচ্ছে তাতে চলবে। কেবল বাথরুম ও টয়লেটের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করে দিলেই হবে'_ বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের মাঠ নিয়ে এমন মূল্যায়ন রডরিগোর। অনুশীলন ভেন্যুর বিষয়টি পরে জানাবেন বললেও তিনটি বিষয় নিশ্চিত করেছেন তারা। এক. বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ৬ সেপ্টেম্বর ম্যাচ হচ্ছে; দুই. মেসি আসছেনই এবং তিন. আর্জেন্টিনার পুরো দলটিই আসছে। এর আগে তারা হোটেল দেখে আর নিরাপত্তার বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছেন।পরিদর্শন দলের ম্যাচ ভেন্যুর সবুজ সংকেতের পর বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন বলেন, 'এখন তো আর কারও সন্দেহ থাকার কথা নয়। মানুষের মনে কিঞ্চিৎ যে শঙ্কা ছিল, তাও কেটে গেল। মেসিরা আসছেন এবং ম্যাচ হচ্ছে_ এর চেয়ে ভালো খবর আর কী আছে? ৬ সেপ্টেম্বরের ম্যাচের পর বিশ্বের অন্যতম আন্তর্জাতিক ফুটবল ভেন্যুর তালিকায় ঢুকে যাবে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের নাম। দেশ বলুন আর ক্লাব, এরপর বিশ্বের বড় বড় দল আনতে এতটা কাঠখড় পোড়াতে হবে না। যখন তারা শুনবেন এ মাঠে মেসিরা খেলে গেছেন, তখন ভেন্যু নিয়ে বাড়তি কিছু জানতেই চাইবে না কোনো দল।'

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন