ঈদে নাড়ীর টানে বরিশাল অঞ্চলের ৫০ হাজার’র অধিক মানুষ নৌপথে বাড়ি ফিরবে। আর এ মানুষগুলো কে জীম্মিকরে কোটি টাকার বনিজ্যে নেমেছে লঞ্চ মালিকরা। প্রতি বছরের ন্যায় এ বারো কোথাও টিকিট নেই। আর এ টিকেট নিয়ে নানা রকম বিড়ম্বনার স্বীকার হচ্ছেন যাত্রীরা। এত কিছুর পরও স্বজনদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরতে হয় তাদের। এবার ঈদের বিশেষ সার্ভিস শুরু হওয়ার সপ্তাহ খানেক আগেই বরিশাল অঞ্চলের এসব রুটের লঞ্চের টিকিট কোথায়ও পাওয়া যাচ্ছে না। টিকিট না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরছে যাত্রীরা।
জানাগেছে, ঢাকার সঙ্গে নৌপথে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ রক্ষাকারী ২৮টি রুটে নৌ সার্ভিস চলে আসছে। বিআইডবি¬উটিএ আগামী ২৫ আগস্ট থেকে নৌ পথে যাত্রী পরিবহনের জন্য স্পেশাল সার্ভিস চালু করার কথা জানিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলেও লঞ্চ মালিকরা আগামী ২৭ আগস্ট পর্যন্ত রোটেশন অনুযায়ী লঞ্চ পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং ২৮ আগষ্ট স্পেশাল সার্ভিস শুরু করবে লঞ্চ মালিকরা। আগামী ২৮, ২৯ ও ৩০ আগস্ট ঢাকা থেকে মাত্র ৩ দিন তাদের ঈদ স্পেশাল সার্ভিসের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২৮ আগস্ট ঢাকা সদর ঘাট থেকে শুধুমাত্র বরিশালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসবে ১১টি লঞ্চ। একই দিন বরিশাল থেকে ঢাকা যাবে মাত্র একটি লঞ্চ। এরপর বাকি দু’দিন পর্যায়ক্রমে কমপক্ষে ঢাকা থেকে ৮টি করে লঞ্চ বরিশালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসবে। বরিশালের ন্যায় পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা, বোরহানউদ্দিন, লালমোহন, তজুমদ্দিন, চাঁদপুর, হিজলা, মুলাদী, মেহেন্দিগঞ্জ, শৌলা, শরীয়তপুর ও মাদারীপুর রুটে একই কায়দায় লঞ্চ চলাচল করবে। ঢাকা-বরিশাল রুটে বর্তমানে ১২টি লঞ্চের রুট পারমিট রয়েছে। রোটেশন ভেঙ্গে মাত্র ৩দিন এই ১২টি লঞ্চ পরিচালনা করাই হচ্ছে স্পেশাল সার্ভিস। নৌপরিবহন মন্ত্রীর নির্দেশে বিআইডবি¬উটিসি’র সর্ববৃহৎ জাহাজ এমভি সোনারগাঁও চাঁদপুর-বরিশাল রুটে যুক্ত করার যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছিলো তা ব্যর্থ হয়েছে। দীর্ঘদিন নারায়নগঞ্জ ডকইয়ার্ডে পড়ে থাকা ঐ জাহাজটি গত শনিবার ট্রায়ালরান দিতে গিয়ে পুনরায় ত্র“টি ধরা পড়ে। সোনারগাঁওয়ের সাথে দীর্ঘদিন যাবত বিকল হয়ে নারায়নগঞ্জ ডকইয়ার্ডে পড়ে আছে ঢাকা-বরিশাল-মোড়েলগঞ্জ রুটে চলাচলকারী এমভি লেপচা। বর্তমানে এ রুটে চলাচলকারী ৫টি জাহাজের মধ্যে এমভি শেলার অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। ফলে বিআইডবি¬উটিসি এখন পর্যন্ত তাদের স্পেশাল সার্ভিস চূড়ান্ত করতে পারেনি। এদিকে লঞ্চ গুলোর কাউন্টার থেকে সাফ বলা হচ্ছে টিকেট নেই। ফলে ঢাকা-বরিশাল সহ এঅঞ্চলের ২৮ টি রুটের লঞ্চের টিকিট হাওয়া হয়ে গেছে। ঢাকায় চাকুরিরত বরিশালের নজরুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম রাজী বলেন, অনেক চেষ্টা করেও লঞ্চের টিকিট সংগ্রহ করতে পারেন নি। এরকম টিকিটি না পেয়ে শূন্য হাতে ফেরত এসেছেন জুরাইনে বসবাসরত আবুতাহের সিকদার। ওদিকে ঢাকা-বরিশাল রুটে চলাচলকারী লঞ্চগুলোর অধিকাংশের মালিক বরিশালের হওয়ায় নগরীর কাউন্টারগুলোতেও ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। কাউন্টারগুলোর মধ্যে রয়েছে সুন্দরবন, সুরভী, দ্বীপরাজ, পারাবত, টিপু, কীর্তনখোলা। কিন্তু সেখানে গিয়েও শূন্য হাতে ফিরছে যাত্রদের স্বজনরা। একটি সূত্র জানায় ঈদের সময় সরাসরি মালিকরা টিকিট বিক্রি করেন। মালিকরাই নিয়ন্ত্রণ করেন ঈদের টিকিটের কেনাবেচা। মালিক পক্ষের একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা আর প্রভাবশালীদের চাহিদা মিটিয়ে হাতে আর কিছু অবশিষ্ট থাকে না। এ কারণে শূন্য হাতে ফেরে সাধারণ যাত্রী। অপরদিকে লঞ্চের পাশাপাশি বাসের ক্ষেত্রেও সৃষ্টি হয়েছে সমস্যা। বরিশাল থেকে দেয়া হচ্ছে না ঢাকার কোন টিকিট। গাবতলী এবং সায়েদাবাদ থেকে বলা হচ্ছে টিকিট না থাকার কথা। লঞ্চ মালিক সমিতির নেতারা বলেন, আগামী ২৮ আগস্ট থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত ঢাকা-বরিশাল রুটে তিন দিন ঈদের স্পেশাল লঞ্চ চলাচল করবে। লঞ্চ মালিকসূত্র জানায়, এবার ঈদে ঢাকা থেকে বরিশাল অঞ্চলে ৫০ হাজারের অধিক মানুষ শুধু লঞ্চযোগে আসবে। তাদের হিসেব মতে প্রতিটি লঞ্চে ২ হাজার করে দৈনিক ৪ টি লঞ্চে ৮ হাজার করে যাত্রী আসবে। সেহিসেবে ঈদের প্রথম ৬ দিনে ঢাকা থেকে ৪৮ হাজার এবং ঈদের ২ দিন পূর্বের বাড়তি ট্রিপে আরো ১০ হাজার যাত্রী আসবে বরিশাল অঞ্চলে। লঞ্চমালিক সমিতির নেতা সাইদুর রহমান রিন্টু ও রেজীন জানান তারা এবার ঈদে ৫০ হাজারের অধিক যাত্রী বরিশালে পরিবহন করবে। এসব যাত্রীদের নিরাপদে বাড়ীফেরা নিশ্চিত করার দায়িত্ব তাদের। এক্ষেত্রে তারা সরকারে সহযোগীতা কামনা করেছেন।
এদিকে ঈদে নাড়ীর টানে বাড়ি ফেরা নির্বিঘœ করতে এরই মধ্যে লঞ্চ মালিকদের সঙ্গে দুই দফা বৈঠক করেছে সরকার। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত ঐ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নৌ মন্ত্রী শাহজাহান খান। দুটি বৈঠকেই উপস্থিত থাকেন লঞ্চ মালিকসহ সংশি¬ষ্ট বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তাদের কাছে ঈদে নির্বিঘেœ যাত্রী পরিবহনের ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানায় সরকার। জানানো হয় ভাড়া কমানোর অনুরোধ। তাৎক্ষণিকভাবে এসব অনুরোধ মেনে নিলেও বাস্তবে ঘটে বিপরীত চিত্র। সরকারি রেটের দোহাই দিয়ে বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় মাথাপিছু প্রায় ৫০ শতাংশ ভাড়া বাড়িয়ে দেয় ঢাকা-বরিশাল রুটের মালিকরা। একই সঙ্গে কমিয়ে দেয়া হয় চলাচলকারী লঞ্চের সংখ্যা। এজন্য চরম দুর্ভোগে পড়ে সাধারণ যাত্রীরা ।
জানাগেছে, ঢাকার সঙ্গে নৌপথে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ রক্ষাকারী ২৮টি রুটে নৌ সার্ভিস চলে আসছে। বিআইডবি¬উটিএ আগামী ২৫ আগস্ট থেকে নৌ পথে যাত্রী পরিবহনের জন্য স্পেশাল সার্ভিস চালু করার কথা জানিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলেও লঞ্চ মালিকরা আগামী ২৭ আগস্ট পর্যন্ত রোটেশন অনুযায়ী লঞ্চ পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং ২৮ আগষ্ট স্পেশাল সার্ভিস শুরু করবে লঞ্চ মালিকরা। আগামী ২৮, ২৯ ও ৩০ আগস্ট ঢাকা থেকে মাত্র ৩ দিন তাদের ঈদ স্পেশাল সার্ভিসের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২৮ আগস্ট ঢাকা সদর ঘাট থেকে শুধুমাত্র বরিশালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসবে ১১টি লঞ্চ। একই দিন বরিশাল থেকে ঢাকা যাবে মাত্র একটি লঞ্চ। এরপর বাকি দু’দিন পর্যায়ক্রমে কমপক্ষে ঢাকা থেকে ৮টি করে লঞ্চ বরিশালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসবে। বরিশালের ন্যায় পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা, বোরহানউদ্দিন, লালমোহন, তজুমদ্দিন, চাঁদপুর, হিজলা, মুলাদী, মেহেন্দিগঞ্জ, শৌলা, শরীয়তপুর ও মাদারীপুর রুটে একই কায়দায় লঞ্চ চলাচল করবে। ঢাকা-বরিশাল রুটে বর্তমানে ১২টি লঞ্চের রুট পারমিট রয়েছে। রোটেশন ভেঙ্গে মাত্র ৩দিন এই ১২টি লঞ্চ পরিচালনা করাই হচ্ছে স্পেশাল সার্ভিস। নৌপরিবহন মন্ত্রীর নির্দেশে বিআইডবি¬উটিসি’র সর্ববৃহৎ জাহাজ এমভি সোনারগাঁও চাঁদপুর-বরিশাল রুটে যুক্ত করার যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছিলো তা ব্যর্থ হয়েছে। দীর্ঘদিন নারায়নগঞ্জ ডকইয়ার্ডে পড়ে থাকা ঐ জাহাজটি গত শনিবার ট্রায়ালরান দিতে গিয়ে পুনরায় ত্র“টি ধরা পড়ে। সোনারগাঁওয়ের সাথে দীর্ঘদিন যাবত বিকল হয়ে নারায়নগঞ্জ ডকইয়ার্ডে পড়ে আছে ঢাকা-বরিশাল-মোড়েলগঞ্জ রুটে চলাচলকারী এমভি লেপচা। বর্তমানে এ রুটে চলাচলকারী ৫টি জাহাজের মধ্যে এমভি শেলার অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। ফলে বিআইডবি¬উটিসি এখন পর্যন্ত তাদের স্পেশাল সার্ভিস চূড়ান্ত করতে পারেনি। এদিকে লঞ্চ গুলোর কাউন্টার থেকে সাফ বলা হচ্ছে টিকেট নেই। ফলে ঢাকা-বরিশাল সহ এঅঞ্চলের ২৮ টি রুটের লঞ্চের টিকিট হাওয়া হয়ে গেছে। ঢাকায় চাকুরিরত বরিশালের নজরুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম রাজী বলেন, অনেক চেষ্টা করেও লঞ্চের টিকিট সংগ্রহ করতে পারেন নি। এরকম টিকিটি না পেয়ে শূন্য হাতে ফেরত এসেছেন জুরাইনে বসবাসরত আবুতাহের সিকদার। ওদিকে ঢাকা-বরিশাল রুটে চলাচলকারী লঞ্চগুলোর অধিকাংশের মালিক বরিশালের হওয়ায় নগরীর কাউন্টারগুলোতেও ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। কাউন্টারগুলোর মধ্যে রয়েছে সুন্দরবন, সুরভী, দ্বীপরাজ, পারাবত, টিপু, কীর্তনখোলা। কিন্তু সেখানে গিয়েও শূন্য হাতে ফিরছে যাত্রদের স্বজনরা। একটি সূত্র জানায় ঈদের সময় সরাসরি মালিকরা টিকিট বিক্রি করেন। মালিকরাই নিয়ন্ত্রণ করেন ঈদের টিকিটের কেনাবেচা। মালিক পক্ষের একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা আর প্রভাবশালীদের চাহিদা মিটিয়ে হাতে আর কিছু অবশিষ্ট থাকে না। এ কারণে শূন্য হাতে ফেরে সাধারণ যাত্রী। অপরদিকে লঞ্চের পাশাপাশি বাসের ক্ষেত্রেও সৃষ্টি হয়েছে সমস্যা। বরিশাল থেকে দেয়া হচ্ছে না ঢাকার কোন টিকিট। গাবতলী এবং সায়েদাবাদ থেকে বলা হচ্ছে টিকিট না থাকার কথা। লঞ্চ মালিক সমিতির নেতারা বলেন, আগামী ২৮ আগস্ট থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত ঢাকা-বরিশাল রুটে তিন দিন ঈদের স্পেশাল লঞ্চ চলাচল করবে। লঞ্চ মালিকসূত্র জানায়, এবার ঈদে ঢাকা থেকে বরিশাল অঞ্চলে ৫০ হাজারের অধিক মানুষ শুধু লঞ্চযোগে আসবে। তাদের হিসেব মতে প্রতিটি লঞ্চে ২ হাজার করে দৈনিক ৪ টি লঞ্চে ৮ হাজার করে যাত্রী আসবে। সেহিসেবে ঈদের প্রথম ৬ দিনে ঢাকা থেকে ৪৮ হাজার এবং ঈদের ২ দিন পূর্বের বাড়তি ট্রিপে আরো ১০ হাজার যাত্রী আসবে বরিশাল অঞ্চলে। লঞ্চমালিক সমিতির নেতা সাইদুর রহমান রিন্টু ও রেজীন জানান তারা এবার ঈদে ৫০ হাজারের অধিক যাত্রী বরিশালে পরিবহন করবে। এসব যাত্রীদের নিরাপদে বাড়ীফেরা নিশ্চিত করার দায়িত্ব তাদের। এক্ষেত্রে তারা সরকারে সহযোগীতা কামনা করেছেন।
এদিকে ঈদে নাড়ীর টানে বাড়ি ফেরা নির্বিঘœ করতে এরই মধ্যে লঞ্চ মালিকদের সঙ্গে দুই দফা বৈঠক করেছে সরকার। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত ঐ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নৌ মন্ত্রী শাহজাহান খান। দুটি বৈঠকেই উপস্থিত থাকেন লঞ্চ মালিকসহ সংশি¬ষ্ট বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তাদের কাছে ঈদে নির্বিঘেœ যাত্রী পরিবহনের ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানায় সরকার। জানানো হয় ভাড়া কমানোর অনুরোধ। তাৎক্ষণিকভাবে এসব অনুরোধ মেনে নিলেও বাস্তবে ঘটে বিপরীত চিত্র। সরকারি রেটের দোহাই দিয়ে বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় মাথাপিছু প্রায় ৫০ শতাংশ ভাড়া বাড়িয়ে দেয় ঢাকা-বরিশাল রুটের মালিকরা। একই সঙ্গে কমিয়ে দেয়া হয় চলাচলকারী লঞ্চের সংখ্যা। এজন্য চরম দুর্ভোগে পড়ে সাধারণ যাত্রীরা ।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন