গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণে দেশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। তার সাথে পাল্লা দিয়ে তৈরী হচ্ছে জলাবদ্ধতা। এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে বুধবার (১০-০৮-২০১১ ইং) বিকাল ২:৩০ টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টার মধ্যে রাজশাহী,রংপুর, ঢাকা, খূলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগসমূহের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
এ নিয়ে আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য এবং ছবি নিয়ে একটি ডেস্ক রিপোর্ট— বান্দরবান : টানা প্রবল বর্ষনে ও পাহাড়ী ঢলের পানিতে বান্দরবানের সাথে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে তিনদিন ধরে। বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসে সড়কের উপর মাটি পড়ে জেলা সদরের সাথে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়াও ভারী বর্ষনের ফলে জেলা সদরসহ অপর ৬টি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে। প্লাবিত পরিবারগুলো বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েছে। বেশ কয়েকটি সরকারী ও বেসরকারী এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্যা কবলিত হয় পড়ে। বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসে ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হয়েছে। শহরের কালাঘাটা এলাকায় পাহাড় ধসে মাটি চাপা পড়ে রাহেজা বেগম এবং ছেলে আবু বক্কর নামে দুই জন নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছে প্রায় ৫জন। এছাড়াও জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় শতাধিক পাহাড় ধসে পড়েছে।
কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষনে জেলা সদরসহ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পাহাড়ী ঢলের পানি বৃদ্ধি পেয়ে বান্দরবান-চট্রগ্রাম সড়কের বাজালিয়া এলাকায় প্রধান সড়ক পানির নিছে তলিয়ে যায়। ফলে মঙ্গলবার সকাল থেকে বান্দরবানের সাথে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। পাহাড়ী ঢলে বান্দরবানে প্রধান দুই নদী সাংগু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সংকেতের উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সাংগু নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বান্দরবান সদর এলাকার আমি পাড়া, কবিরাজ পাড়া, মেম্বার পাড়া, লাঙ্গি পাড়া, হাফেজ ঘোনা, বাস ষ্টেশন, বরিশাল পাড়া ও কাসেম পাড়ার প্রায় কয়েক হাজার পরিবারের ঘরবাড়ি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। জেলার লামা উপজেলার মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে লামা পৌর এলাকা, রুপসি পাড়া, লাইন ঝিরি এলাকার প্রায় শত শত পরিবারের বাড়ি ঘর পানির নিচে তলিয়ে গেছে। টানা প্রবল বর্ষনের ফলে সৃষ্ট পাহাড়ী ঢলে জেলার আলীকদম, লামা রুমা, থানছি রোয়াংছড়ি এবং নাইক্ষংছড়ি উপজেলার বিস্তির্ণ এলাকা জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার নিম্মাঞ্চল প্লাবিত হয়ে প্রায় কয়েক শত, পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে জানা গেছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার প্রায় ১ হাজার একর আমন বীজতলা পাহাড়ী বালির নিচে চাপা পড়ে নষ্ট হয়েছে এবং সড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট পানির নীচে তলিয়ে যাওয়ায় লামা-আলীকদম সরাসরি সড়ক যোগাযোগ
এ নিয়ে আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য এবং ছবি নিয়ে একটি ডেস্ক রিপোর্ট— বান্দরবান : টানা প্রবল বর্ষনে ও পাহাড়ী ঢলের পানিতে বান্দরবানের সাথে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে তিনদিন ধরে। বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসে সড়কের উপর মাটি পড়ে জেলা সদরের সাথে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়াও ভারী বর্ষনের ফলে জেলা সদরসহ অপর ৬টি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে। প্লাবিত পরিবারগুলো বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েছে। বেশ কয়েকটি সরকারী ও বেসরকারী এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্যা কবলিত হয় পড়ে। বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসে ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হয়েছে। শহরের কালাঘাটা এলাকায় পাহাড় ধসে মাটি চাপা পড়ে রাহেজা বেগম এবং ছেলে আবু বক্কর নামে দুই জন নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছে প্রায় ৫জন। এছাড়াও জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় শতাধিক পাহাড় ধসে পড়েছে।
কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষনে জেলা সদরসহ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পাহাড়ী ঢলের পানি বৃদ্ধি পেয়ে বান্দরবান-চট্রগ্রাম সড়কের বাজালিয়া এলাকায় প্রধান সড়ক পানির নিছে তলিয়ে যায়। ফলে মঙ্গলবার সকাল থেকে বান্দরবানের সাথে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। পাহাড়ী ঢলে বান্দরবানে প্রধান দুই নদী সাংগু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সংকেতের উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সাংগু নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বান্দরবান সদর এলাকার আমি পাড়া, কবিরাজ পাড়া, মেম্বার পাড়া, লাঙ্গি পাড়া, হাফেজ ঘোনা, বাস ষ্টেশন, বরিশাল পাড়া ও কাসেম পাড়ার প্রায় কয়েক হাজার পরিবারের ঘরবাড়ি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। জেলার লামা উপজেলার মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে লামা পৌর এলাকা, রুপসি পাড়া, লাইন ঝিরি এলাকার প্রায় শত শত পরিবারের বাড়ি ঘর পানির নিচে তলিয়ে গেছে। টানা প্রবল বর্ষনের ফলে সৃষ্ট পাহাড়ী ঢলে জেলার আলীকদম, লামা রুমা, থানছি রোয়াংছড়ি এবং নাইক্ষংছড়ি উপজেলার বিস্তির্ণ এলাকা জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার নিম্মাঞ্চল প্লাবিত হয়ে প্রায় কয়েক শত, পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে জানা গেছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার প্রায় ১ হাজার একর আমন বীজতলা পাহাড়ী বালির নিচে চাপা পড়ে নষ্ট হয়েছে এবং সড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট পানির নীচে তলিয়ে যাওয়ায় লামা-আলীকদম সরাসরি সড়ক যোগাযোগ

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন