বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট, ২০১১

লোডশেডিং মুক্ত হচ্ছে কুমিল্লার ৮ উপজেলা

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)’র আওতাধীন কুমিল্লা তিতাস উপজেলায় নির্মাণাধীন ৫০ মেগাওয়াট পিকিং পাওয়ার প্লান্টের বিদ্যুতে লোডশেডিং মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে কুমিল্লার ৮ উপজেলা ও মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা। এদিকে চলতি মাসের ১৬ তারিখে এ কেন্দ্র পুর্ণাঙ্গ বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাচ্ছে। কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুত সমিতি-১ এর সূত্রমতে, তাদের এলাকায় বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১শ‘ মেগাওয়াট। সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ৫০ মেগাওয়াট। তিতাসের বিদ্যুত কেন্দ্র থেকে কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ আলাদা ৩৩ কেভি ফিডার স্থাপন করে চান্দিনা, দাউদকান্দি, তিতাস, হোমনা, মেঘনা, মুরাদনগর, দেবিদ্বার, বুড়িচং ও মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায়  আরো ২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুত সরবরাহ করলে কুমিল্লার একাংশ লোডশেডিং অনেক কমে আসবে। পিকিং পাওয়ার প্লান্ট সূত্র জানায়, ৫শ‘ ৭৪ কোটি ৮৩ লক্ষ ২৬ হাজার ৫শ‘ ২০ টাকা ব্যয়ে “তিতাস ৫০ মেগাওয়াট পিকিং পাওয়ার প্লান্ট প্রজেক্টের কাজ নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বেই শেষ করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
তিতাস উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পারভেজ হোসেন সরকার জানান, কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ আলাদা ৩৩ কেভি ফিডার স্থাপন করে তাদের চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহের অনুমোদনের জন্য আমরা এ অঞ্চলের উপজেলা চেয়ারম্যানরা মন্ত্রণালয়ে আবেদন জানিয়েছি। তিনি আরো জানান, পিবিএস-১ এর আওতায় আলাদা ফিডার স্থাপন করে তিতাস ৫০ মেগাওয়াট পিকিং পাওয়ার প্লান্ট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার ব্যবস্থা করলে ২০১১ সালের মধ্যেই কুমিল্লার একাংশ লোডশেডিং মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১এর জেনারেল ম্যানেজার মজির উদ্দিন আহমেদ বলেন, কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ আলাদা ৩৩ কেভি ফিডার স্থাপন করে বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়টি সম্পর্কে বিদ্যুত ও জ্বালানি বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি স্থানীয় সংসদ সদস্য সুবিদ আলী ভুইয়া আলোচনা করেছেন।  এরকম হলে কুমিল্লাবাসী উপকৃত হবে। বিদ্যুত ও জ্বালানি বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি স্থানীয় সংসদ সদস্য সুবিদ আলী ভুইয়া বলেন, আমি এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে কথা বলেছি। আশা করছি ইতিবাচক সাড়া পাবো। তাহলে কুমিল্লা অনেকাংশ লোডশেডিং মুক্ত হবে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ