প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ত্রাস নির্মূলে তাঁর সরকারের অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, বাংলাদেশের এক ইঞ্চি জমিও সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করতে দেয়া হবে না। বুধবার সকালে মিসরের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ফয়েজ মুস্তফা নসের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাত করতে এলে তিনি একথা বলেন। শেখ হাসিনা সন্ত্রাস দমনে সম্মিলিত প্রয়াসের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, সন্ত্রাসীদের কোনো সীমানা নেই।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ জানান, তারা দুদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যসহ স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট সামগ্রিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
মিসরের রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল ও প্রাজ্ঞ নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে শেখ হাসিনা সরকারের সফলতা প্রশংসনীয়। তিনি বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে সহযোগিতা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। বাংলাদেশ ও মিসরের দীর্ঘদিনের সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তারা আগামীতে এ সম্পর্ক আরো জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশ থেকে দুর্নীতি নির্মূলের জন্য তাঁর সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে। কোনোভাবেই দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয়া হচ্ছে না। বাংলাদেশে বর্তমানে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী এদেশে আরো বিনিয়োগের জন্য মিসরের প্রতি আহ্বান জানান। শেখ হাসিনা বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের সফলতা তুলে ধরে বলেন, সরকার জনগণের কল্যাণের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যেই বিপুল সংখ্যক যুবকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৪ লাখেরও বেশি যুবককে চাকরি দেয়া সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা খাতে উন্নয়নের লক্ষ্যে তাঁর সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে বলেন, মাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ করা হয়েছে। সকলের জন্য উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার একটি তহবিল গঠন করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি শিক্ষানীতি প্রণয়নের কথাও তুলে ধরেন। নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে নারীনীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। এম্বাসেডর অ্যাট-লার্জ এম জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এমএ করিম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোল্লা ওয়াহেদুজ্জামান ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ এসময় উপস্থিত ছিলেন। (বিএসএস)
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ জানান, তারা দুদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যসহ স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট সামগ্রিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
মিসরের রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল ও প্রাজ্ঞ নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে শেখ হাসিনা সরকারের সফলতা প্রশংসনীয়। তিনি বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে সহযোগিতা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। বাংলাদেশ ও মিসরের দীর্ঘদিনের সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তারা আগামীতে এ সম্পর্ক আরো জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশ থেকে দুর্নীতি নির্মূলের জন্য তাঁর সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে। কোনোভাবেই দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয়া হচ্ছে না। বাংলাদেশে বর্তমানে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী এদেশে আরো বিনিয়োগের জন্য মিসরের প্রতি আহ্বান জানান। শেখ হাসিনা বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের সফলতা তুলে ধরে বলেন, সরকার জনগণের কল্যাণের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যেই বিপুল সংখ্যক যুবকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৪ লাখেরও বেশি যুবককে চাকরি দেয়া সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা খাতে উন্নয়নের লক্ষ্যে তাঁর সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে বলেন, মাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ করা হয়েছে। সকলের জন্য উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার একটি তহবিল গঠন করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি শিক্ষানীতি প্রণয়নের কথাও তুলে ধরেন। নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে নারীনীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। এম্বাসেডর অ্যাট-লার্জ এম জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এমএ করিম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোল্লা ওয়াহেদুজ্জামান ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ এসময় উপস্থিত ছিলেন। (বিএসএস)

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন