ইলেকট্রনিক মেইল সংক্ষেপে ই-মেইল বলা হয়। এই ই-মেইল হচ্ছে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বার্তা পাঠানোর একটি বিশেষ পদ্ধতি। কিভাবে এই ই-মেইল, বার্তা পাঠানোর পদ্ধতি আবিষ্কৃত হলো তা এখন আমরা জানবো।
প্রথম ই-মেইল পাঠানো হয়েছিল দুটি কম্পিউটারের মধ্যে। এতে আরপানেট ((ARPANET) নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়েছিল। এতে প্রথম বার্তা ছিল “ÒQWERTYUIOPÓ”। এবার জেনে নিই ই-মেইল আবিষ্কারের ইতিবৃত্ত।টাইম শেয়ারিং কম্পিউটার- ১৯৬০ সালের প্রথম দিকে এ ধরনের কম্পিউটার উন্নয়ন করা হয় যা একের অধিক প্রোগ্রাম নির্বাহ করতে সক্ষম। এতে অনেক গবেষণা প্রতিষ্ঠান এতে প্রোগ্রাম লিখেছিল বার্তা আদান-প্রদান করার জন্য। এমনকি এতে বিভিন্ন টার্মিনালের মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে চ্যাট করাও যেতো। এটির প্রধান সীমাবদ্ধতা একদল ব্যবহারকারী একটি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারে।ই-মেইলে বার্তা পাঠানো ও বার্তা পড়া- ১৯৭০ সালের প্রথম দিকে রে টমলিনসন একটি ছোট দল নিয়ে ট্যানেক্স অপারেটিং সিস্টেম উন্নয়নে কাজ করছিলেন। এতে ছিল লোকাল ই-মেইল প্রোগ্রাম যাকে বলা হতো ঝঘউগঝএ এবং জঊঅউগঅওখ। ১৯৭১ সালের শেষের দিকে টমলিনসন প্রথম আরপানেটে (ARPANET) ই-মেইল এপ্লিকেশন উন্নয়ন করিছিলেন যার মাধ্যমে এই পদ্ধতির হালনাগাদ করা হয়। পরে বাণিজ্যিক চিন্তা-ভাবনা করা হয়েছিল। এতে ই-মেইল এড্রেস বা ঠিকানা হিসেবে ব্যবহারকারীর নাম@হোস্ট ব্যবহার (user@host) করা হয়। এর পরে এই ই-মেইল পদ্ধতির আরো উন্নয়ন সাধিত হতে থাকে।
প্রথম ই-মেইল পাঠানো হয়েছিল দুটি কম্পিউটারের মধ্যে। এতে আরপানেট ((ARPANET) নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়েছিল। এতে প্রথম বার্তা ছিল “ÒQWERTYUIOPÓ”। এবার জেনে নিই ই-মেইল আবিষ্কারের ইতিবৃত্ত।টাইম শেয়ারিং কম্পিউটার- ১৯৬০ সালের প্রথম দিকে এ ধরনের কম্পিউটার উন্নয়ন করা হয় যা একের অধিক প্রোগ্রাম নির্বাহ করতে সক্ষম। এতে অনেক গবেষণা প্রতিষ্ঠান এতে প্রোগ্রাম লিখেছিল বার্তা আদান-প্রদান করার জন্য। এমনকি এতে বিভিন্ন টার্মিনালের মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে চ্যাট করাও যেতো। এটির প্রধান সীমাবদ্ধতা একদল ব্যবহারকারী একটি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারে।ই-মেইলে বার্তা পাঠানো ও বার্তা পড়া- ১৯৭০ সালের প্রথম দিকে রে টমলিনসন একটি ছোট দল নিয়ে ট্যানেক্স অপারেটিং সিস্টেম উন্নয়নে কাজ করছিলেন। এতে ছিল লোকাল ই-মেইল প্রোগ্রাম যাকে বলা হতো ঝঘউগঝএ এবং জঊঅউগঅওখ। ১৯৭১ সালের শেষের দিকে টমলিনসন প্রথম আরপানেটে (ARPANET) ই-মেইল এপ্লিকেশন উন্নয়ন করিছিলেন যার মাধ্যমে এই পদ্ধতির হালনাগাদ করা হয়। পরে বাণিজ্যিক চিন্তা-ভাবনা করা হয়েছিল। এতে ই-মেইল এড্রেস বা ঠিকানা হিসেবে ব্যবহারকারীর নাম@হোস্ট ব্যবহার (user@host) করা হয়। এর পরে এই ই-মেইল পদ্ধতির আরো উন্নয়ন সাধিত হতে থাকে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন