সোমবার, ৮ আগস্ট, ২০১১

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নির্ধারিত রোগীর বদলে অন্যকে অপারেশন

রোগীনির পেটে কাচিঁ রেখে অপারেশনের পর এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক রোগীর বদলে আরেক রোগীকে অপারেশন করেছে এক চিকিৎসক। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তোলপাড় চলছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জুড়ে। জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সহ-কমান্ডার হারুন মিয়ার ছেলে কলেজ ছাত্র আরিফুল হাসান রানা গত ১আগস্ট ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে আহত হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। গত ৩আগস্ট দুপুরে সদর হাসপাতালের অর্থপেডিক্স সার্জন ডা.গোলাম মোস্তফা অপর এক রোগীর অপারেশন করার বদলে রানাকে ধরে নিয়ে অপারেশন করে ফেলে। রানা এসময় তার অপারেশন করতে বাধা দিলে মারধরেরও অভিযোগ উঠে। এ ব্যাপারে রানার পিতা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হারুন মিয়া বিভিন্ন স্থানে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। মুক্তিযোদ্ধা নেতৃবৃন্দ বিষয়টি স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগীয় কর্মকর্তদের অবহিত করেন। সিভিল সার্জন ডা. সরফরাজ খান চৌধুরী গত শনিবার সন্ধ্যায় ডা.আমানুল্লাহকে প্রধান করে এবং ডা. এ.এস.এম মুসা খান, ডা. মশিউর রহমান মল্লিক কে সদস্য করে তদন্ত কমিটি গঠন করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডা. মো.আবু সাঈদ জানান, বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্যে কমিটি গঠন করে দেয়া হয়েছে। রোগির বাবা এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ দিয়ে জানিয়েছেন, অপর এক রোগির বদলে তার ছেলের অপারেশন হয়েছে। রানার পিতা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হারুন মিয়া জানান, ভুল অপারেশনের কারণে আমার ছেলে পঙ্গু হতে চলেছে। সম্প্রতি শহরের ডক্টরস কেয়ার হাসপাতালে ডা. রহিমা খাতুন শেফালির অপারেশনকৃত রোগিনীর পেট থেকে কাচিঁ উদ্ধার করা হয়। এসংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে তার স্বামী ড্যাব নেতা ডা. আবদুল খালেকের হাতে লাঞ্ছিত হন তিন সংবাদকর্মী।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ