আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধে বাংলাদেশ সরকারকে তার অঙ্গীকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। আজ লন্ডনে প্রকাশিত এই মানবাধিকার সংঠনটির নতুন প্রতিবেদনে এই আহ্বান জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের উদ্বেগের বিষয়ে ও এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে এবং দায়ীদের নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করার ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হবে। এর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে বাংলাদেশের দাতাগোষ্ঠীকে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানায় সংঠনটি।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশ সরকারের দৃষ্টি আকর্ন করে চারটি সুপারিশ করেছে। একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে, যা ২০০৪ সাল থেকে সংঘটিত সব বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন এবং অজ্ঞাত বন্দির অভিযোগের বিষয়ে কার্যকর ও যথাযথ তদন্ত করবে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে। পদমর্যাদা বিবেচনা না করে নিরপেক্ষভাবে দায়ীদের বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রকৃত সত্য প্রকাশ করে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিচারবহির্ভূত হত্যা বন্ধের যে প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ সরকার দিয়েছে, তা রক্ষায় সরকারকে অবশ্যই শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। ইতিমধ্যে কয়েকশ’ বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ উঠেছে ওই বাহিনীর বিরুদ্ধে। র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রমাণ করার চেষ্টা করছে, দুর্ঘটনাবশত অথবা আত্মরক্ষায় এসব হত্যার ঘটনা ঘটছে। অথচ বাস্তবতা হলো, অনেক লোককেই আটকের পর হত্যা করা হয়েছে।প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ পুলিশ ও র্যাবের জন্য অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, চীন, চেকরিপাবলিক, ইতালি, পোল্যান্ড, রাশিয়া, স্লোভাকিয়া, তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্র প্রভৃতি দেশ অস্ত্র সরবরাহ করে থাকে।
বাংলাদেশে অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করতে ওইসব দেশের প্রতি আহ্বান জানিয়ে অ্যামনেস্টি বলছে, ‘যেসব দেশ জেনে-শুনে মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী সিকিউরিটি ফোর্সদের অস্ত্র সরবরাহ করে, সেসব দেশকেও এসব হত্যাকাণ্ডের কিছুটা দায়ভার নিতে হবে।’অ্যামনেস্টির হিসাবে, ২০০৪ সালে র্যাব গঠনের পর এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৭০০ মানুষকে ‘বিনা বিচারে’ হত্যা করা হয়। এসব হত্যাকাণ্ড নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে যেসব তন্তন্ত হয়েছে তা-ও গোপন রাখা হয়েছে।
বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিচারবহির্ভূত হত্যকাণ্ড বন্ধের প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে ২০১১ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত ২০০ মানুষ র্যাবের কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হলে ওই প্রতিশ্রুতি ফাঁকা বুলিতে পরিণত হয়।এছাড়া র্যািবের পাশাপাশি পুলিশ বাহিনীর হাতেও বর্তমান সরকারের আমলে কমপক্ষে ৩০ জন ‘বিনা বিচারে’ নিহত হয়। তবে এসব হত্যাকাণ্ডকে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ চালিয়ে চালিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি পুলিশ ও র্যাব হেফাজতে নির্যাতনেরও অভিযোগ রয়েছে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশ সরকারের দৃষ্টি আকর্ন করে চারটি সুপারিশ করেছে। একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে, যা ২০০৪ সাল থেকে সংঘটিত সব বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন এবং অজ্ঞাত বন্দির অভিযোগের বিষয়ে কার্যকর ও যথাযথ তদন্ত করবে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে। পদমর্যাদা বিবেচনা না করে নিরপেক্ষভাবে দায়ীদের বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রকৃত সত্য প্রকাশ করে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিচারবহির্ভূত হত্যা বন্ধের যে প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ সরকার দিয়েছে, তা রক্ষায় সরকারকে অবশ্যই শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। ইতিমধ্যে কয়েকশ’ বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ উঠেছে ওই বাহিনীর বিরুদ্ধে। র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রমাণ করার চেষ্টা করছে, দুর্ঘটনাবশত অথবা আত্মরক্ষায় এসব হত্যার ঘটনা ঘটছে। অথচ বাস্তবতা হলো, অনেক লোককেই আটকের পর হত্যা করা হয়েছে।প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ পুলিশ ও র্যাবের জন্য অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, চীন, চেকরিপাবলিক, ইতালি, পোল্যান্ড, রাশিয়া, স্লোভাকিয়া, তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্র প্রভৃতি দেশ অস্ত্র সরবরাহ করে থাকে।
বাংলাদেশে অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করতে ওইসব দেশের প্রতি আহ্বান জানিয়ে অ্যামনেস্টি বলছে, ‘যেসব দেশ জেনে-শুনে মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী সিকিউরিটি ফোর্সদের অস্ত্র সরবরাহ করে, সেসব দেশকেও এসব হত্যাকাণ্ডের কিছুটা দায়ভার নিতে হবে।’অ্যামনেস্টির হিসাবে, ২০০৪ সালে র্যাব গঠনের পর এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৭০০ মানুষকে ‘বিনা বিচারে’ হত্যা করা হয়। এসব হত্যাকাণ্ড নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে যেসব তন্তন্ত হয়েছে তা-ও গোপন রাখা হয়েছে।
বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিচারবহির্ভূত হত্যকাণ্ড বন্ধের প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে ২০১১ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত ২০০ মানুষ র্যাবের কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হলে ওই প্রতিশ্রুতি ফাঁকা বুলিতে পরিণত হয়।এছাড়া র্যািবের পাশাপাশি পুলিশ বাহিনীর হাতেও বর্তমান সরকারের আমলে কমপক্ষে ৩০ জন ‘বিনা বিচারে’ নিহত হয়। তবে এসব হত্যাকাণ্ডকে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ চালিয়ে চালিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি পুলিশ ও র্যাব হেফাজতে নির্যাতনেরও অভিযোগ রয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন