লিবিয়ার বিপ্লবী যোদ্ধারা দেশটির স্বৈরশাসক কর্নেল গাদ্দাফির বাসভবন- বাব আল আজিজিয়া দখল করে নিয়েছে। টেলিভিশন ফুটেজে দেখা গেছে, বিপ্লবী যোদ্ধারা বাব আল আজিজিয়ার সামনে গাদ্দাফির ভাস্কর্য থেকে তার মস্তক বিচ্ছিন্ন করে মাটিতে ফেলে পদদলিত করছে। এ ছাড়া বিপ্লবী যোদ্ধারা কর্নেল গাদ্দাফির ব্যবহৃত বন্দুকসহ অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে চলে যাচ্ছে বলেও টেলিভিশন ফুটেজে দেখা গেছে। তবে বাসভবনের ভেতর গাদ্দাফি বা তার পরিবারের অন্য কোন সদস্যকে পাওয়া যায়নি। এমনকি গাদ্দাফির ছেলে সাইফুল ইসলামকেও এখন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। সোমবার বিপ্লবীরা সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতারের খবর দেয়ার পর ওই দিন রাতেই সাইফুল মুক্ত অবস্থায় আত্মপ্রকাশ করেন। তিনি জনতার উদ্দেশ্যে বিজয়সূচক ভি চিহ্ন প্রদর্শন করেন এবং এ সময় তাকে বেশ উৎফুল্ল দেখা যায়। ত্রিপোলিতে অবস্থানরত বিদেশি সাংবাদিকদের সঙ্গেও তিনি কথা বলেন এবং তার পিতা পরাজিত হবেন না বলে দাবি করেন।
ত্রিপোলি থেকে একজন সংবাদদাতা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে লিবিয়ায় কর্নেল গাদ্দাফির ৪২ বছরের শাসনের অবসান ঘটেছে, তবে গাদ্দাফি ও তার পরিবারের সদস্যদের খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত বিজয় উৎসব শুরু করতে চাচ্ছেন না বিপ্লবীরা। বাব আল আজিজিয়ায় স্বৈরশাসক গাদ্দাফিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি, তবে ওই বাসভবনে অনেকগুলো ভূগর্ভস্থ টানেল রয়েছে বলে জানা গেছে। এসব টানেল দিয়ে ত্রিপোলির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে যাওয়া যায় বলে জনশ্রুতি রয়েছে। এ ছাড়া ত্রিপোলিতে এমন কিছু নিরাপদ বাড়ি রয়েছে যে সব বাড়িতে গাদ্দাফির পরিবারের সদস্যরা আশ্রয় নিয়ে থাকতে পারেন।গতকাল (মঙ্গলবার) সকাল থেকে ভারী অস্ত্রে সজ্জিত শত শত বিপ্লবী যোদ্ধা বাব আল আজিজিয়ায় চূড়ান্ত অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ পাঁচ ঘন্টার তুমুল সংঘর্ষের পর তারা ওই বাসভবনের একটি গেট দিয়ে এর ভেতরে প্রবেশ করে এবং মুহূর্তের মধ্যে এর দখল নিয়ে নেয়। বাব আল আজিজিয়ার ভেতরে অবস্থিত যে তাঁবুর মধ্যে গাদ্দাফি বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে সাক্ষাত করতেন, তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। এছাড়া ছোট যে উন্মুক্ত গাড়িতে করে গাদ্দাফিকে বহুবার তার বাসভবনের ভেতরে চলাচল করতে দেখা গেছে, সেটিতে করে বিপ্লবীরা বাসভবনটির আঙ্গিনায় উল্লাস প্রকাশ করতে করতে ঘোরাঘুরি করেছেন। এ সময় মুহুর্মুহু ফাঁকা গুলির শব্দে বাব আল আজিজিয়া কেঁপে ওঠে। গাদ্দাফির অনুগত শত শত সেনা তার বাসভবন রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে বলে শোনা গেলেও বিপ্লবীরা এর ভেতর ঢুকে পড়ার পর কাউকে দেখা যায়নি। একজন বিপ্লবী যোদ্ধা বলেছেন, তারা গাদ্দাফির শয়নকক্ষসহ বাব আল আজিজিয়ার প্রতিটি অংশ তন্ন তন্ন করে খুঁজেও কোথাও কাউকে পাননি।এদিকে লিবিয়ার বেশির ভাগ এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ শহর বিপ্লবীদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসলেও গাদ্দাফির নিজ শহর সিরতে’র পরিস্থিতি এখনও গোলমেলে রয়েছে। গাদ্দাফির অনুগত সেনারা ওই শহরে আশ্রয় নিয়েছে বলে খবর পেয়ে বিপ্লবী যোদ্ধাদের অতিরিক্ত কিছু ইউনিট গতরাতে ওই শহরের দিকে রওনা হয়ে গেছে। এ ছাড়া কাতারে অবস্থানরত বিপ্লবীদের অন্যতম নেতা মাহমুদ জিব্রিল সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, লিবিয়ার বেশ কিছু জায়গায় এখনও জরুরী সাহায্য প্রয়োজন। তিনি এক্ষেত্রে দক্ষিণাঞ্চলীয় সেবহা শহরের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, গাদ্দাফির গোত্রের বহু সদস্য ওই শহরে বসবাস করে এবং তার সশস্ত্র। মাহমুদ জিব্রিল বিপ্লবীদের জাতীয় অন্তর্র্বতী পরিষদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বিপ্লবী যোদ্ধারা বলেছেন, তারা রাজধানী ত্রিপোলির বেশির ভাগ এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছেন। তবে কোথাও কোথাও গাদ্দাফির সমর্থক অস্ত্রধারীরা সামান্য প্রতিরোধের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিপ্লবী যোদ্ধার ত্রিপোলির বেশির ভাগ এলাকার রাস্তায় চেক পয়েন্ট বসিয়েছে। সুত্র রেডিও তেহরান
ত্রিপোলি থেকে একজন সংবাদদাতা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে লিবিয়ায় কর্নেল গাদ্দাফির ৪২ বছরের শাসনের অবসান ঘটেছে, তবে গাদ্দাফি ও তার পরিবারের সদস্যদের খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত বিজয় উৎসব শুরু করতে চাচ্ছেন না বিপ্লবীরা। বাব আল আজিজিয়ায় স্বৈরশাসক গাদ্দাফিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি, তবে ওই বাসভবনে অনেকগুলো ভূগর্ভস্থ টানেল রয়েছে বলে জানা গেছে। এসব টানেল দিয়ে ত্রিপোলির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে যাওয়া যায় বলে জনশ্রুতি রয়েছে। এ ছাড়া ত্রিপোলিতে এমন কিছু নিরাপদ বাড়ি রয়েছে যে সব বাড়িতে গাদ্দাফির পরিবারের সদস্যরা আশ্রয় নিয়ে থাকতে পারেন।গতকাল (মঙ্গলবার) সকাল থেকে ভারী অস্ত্রে সজ্জিত শত শত বিপ্লবী যোদ্ধা বাব আল আজিজিয়ায় চূড়ান্ত অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ পাঁচ ঘন্টার তুমুল সংঘর্ষের পর তারা ওই বাসভবনের একটি গেট দিয়ে এর ভেতরে প্রবেশ করে এবং মুহূর্তের মধ্যে এর দখল নিয়ে নেয়। বাব আল আজিজিয়ার ভেতরে অবস্থিত যে তাঁবুর মধ্যে গাদ্দাফি বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে সাক্ষাত করতেন, তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। এছাড়া ছোট যে উন্মুক্ত গাড়িতে করে গাদ্দাফিকে বহুবার তার বাসভবনের ভেতরে চলাচল করতে দেখা গেছে, সেটিতে করে বিপ্লবীরা বাসভবনটির আঙ্গিনায় উল্লাস প্রকাশ করতে করতে ঘোরাঘুরি করেছেন। এ সময় মুহুর্মুহু ফাঁকা গুলির শব্দে বাব আল আজিজিয়া কেঁপে ওঠে। গাদ্দাফির অনুগত শত শত সেনা তার বাসভবন রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে বলে শোনা গেলেও বিপ্লবীরা এর ভেতর ঢুকে পড়ার পর কাউকে দেখা যায়নি। একজন বিপ্লবী যোদ্ধা বলেছেন, তারা গাদ্দাফির শয়নকক্ষসহ বাব আল আজিজিয়ার প্রতিটি অংশ তন্ন তন্ন করে খুঁজেও কোথাও কাউকে পাননি।এদিকে লিবিয়ার বেশির ভাগ এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ শহর বিপ্লবীদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসলেও গাদ্দাফির নিজ শহর সিরতে’র পরিস্থিতি এখনও গোলমেলে রয়েছে। গাদ্দাফির অনুগত সেনারা ওই শহরে আশ্রয় নিয়েছে বলে খবর পেয়ে বিপ্লবী যোদ্ধাদের অতিরিক্ত কিছু ইউনিট গতরাতে ওই শহরের দিকে রওনা হয়ে গেছে। এ ছাড়া কাতারে অবস্থানরত বিপ্লবীদের অন্যতম নেতা মাহমুদ জিব্রিল সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, লিবিয়ার বেশ কিছু জায়গায় এখনও জরুরী সাহায্য প্রয়োজন। তিনি এক্ষেত্রে দক্ষিণাঞ্চলীয় সেবহা শহরের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, গাদ্দাফির গোত্রের বহু সদস্য ওই শহরে বসবাস করে এবং তার সশস্ত্র। মাহমুদ জিব্রিল বিপ্লবীদের জাতীয় অন্তর্র্বতী পরিষদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বিপ্লবী যোদ্ধারা বলেছেন, তারা রাজধানী ত্রিপোলির বেশির ভাগ এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছেন। তবে কোথাও কোথাও গাদ্দাফির সমর্থক অস্ত্রধারীরা সামান্য প্রতিরোধের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিপ্লবী যোদ্ধার ত্রিপোলির বেশির ভাগ এলাকার রাস্তায় চেক পয়েন্ট বসিয়েছে। সুত্র রেডিও তেহরান

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন