বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশনের অধীন (বিমসটেক) দেশগুলোর মধ্যে আন্তঃদেশীয় সঞ্চালন (গ্রিড) লাইন স্থাপনে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর ২০১২ সালের দ্বিতীয়ার্ধে করা হবে।বুধবার হোটেল রূপসী বাংলায় অনুষ্ঠিত বিমসটেকের জ্বালানি খাতবিষয়ক টার্স্কফোর্সের দুই দিনব্যাপী তৃতীয় সভার শেষ দিন এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট বিমসটেক সদস্য রাষ্ট্রগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশ, ভারত, মায়ানমার, থাইল্যাণ্ড, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভুটান।সভা শেষে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) চেয়ারম্যান এ এস এম আলমগীর কবীর বলেন, “দুই দিনব্যাপী সভায় খসড়া এমওইউ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় বিমসটেকের সব সদস্য রাষ্ট্র নীতিগতভাবে এতে সমর্থন জানিয়েছে। সদস্য রাষ্ট্রগুলো আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নিজ নিজ মতামত দেবে এবং জানুয়ারিতে টাস্কফোর্সের চতুর্থ সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে।”আগামী বছরের দ্বিতীয়ার্ধে যে কোনো সময়ে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে এমওইউ স্বাক্ষর হবে বলেও জানান তিনি।তিনি বলেন, “টার্স্কফোর্সের চতুর্থ সভায় প্রধান এজেন্ডা হবে মাস্টার প্লান তৈরি করা।”
ইতোমধ্যে ভারত ও মায়ানমার থেকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ ক্রয়ের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেনন, “এ স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে আন্তঃদেশীয় বিদ্যুৎ বিনিময়ের মাধ্যমে উভয় দেশই উপকৃত হবে।” ‘২০০৬ সালের মার্চে থাইল্যাণ্ডের প্রথম এবং একই বছরের অক্টোবরে ভুটানের থিম্পুতে টানাকফোর্সের দ্বিতীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বিমসটেকভুক্ত দেশগুলোর বিদ্যুৎ খাতের কর্মকর্তা পর্যায়ে ১৭ জন প্রতিনিধি অংশ নেন।
ইতোমধ্যে ভারত ও মায়ানমার থেকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ ক্রয়ের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেনন, “এ স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে আন্তঃদেশীয় বিদ্যুৎ বিনিময়ের মাধ্যমে উভয় দেশই উপকৃত হবে।” ‘২০০৬ সালের মার্চে থাইল্যাণ্ডের প্রথম এবং একই বছরের অক্টোবরে ভুটানের থিম্পুতে টানাকফোর্সের দ্বিতীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বিমসটেকভুক্ত দেশগুলোর বিদ্যুৎ খাতের কর্মকর্তা পর্যায়ে ১৭ জন প্রতিনিধি অংশ নেন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন