ডউনিং স্ট্রীটে মন্ত্রীসভার জরুরী বৈঠক শেষে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরুন আগামী বৃহস্পতিবার পুনরায় বৈঠক আহ্বান করেছেন।
ডেভিড ক্যামেরুন জানান, দাঙ্গা দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা সব রকম চেষ্টা করবো। জানা গেছে ঐদিন প্রায় ১৬ হাজার পুলিশ মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এদিকে, স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড জানিয়েছে, ক্রয়ডনে দাঙ্গায় গুলিতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার পুলিশের গুলিতে মার্ক ডুগান নামে ২৯ বছর বয়সী এক যুবক নিহত হওয়ার প্রতিবাদে টটেনহামে শুরু হওয়া দাঙ্গা এখন ছড়িয়ে পড়েছে ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডনসহ অন্যান্য এলাকায়। বৃটিশ রাজনীতিবিদরা এ দাঙ্গা ও সহিংসতার ঘটনাকে সংগঠিত অপরাধ বললেও স্থানীয় অধিবাসীদের অভিমত বেকারত্ব, অপর্যাপ্ত জনসেবা এবং হতাশা ও পুলিশের বর্বর আচরণের কারণে লন্ডনে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়েছে। গতরাতে হ্যাকনি এলাকায় এক তরুণকে পুলিশ তল্লাশি চালানোর ঘটনায় সহিংসতা শুরু হয়। যদিও ওই তরুণের কাছে তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। এরপরই সেখানকার বিক্ষুব্ধ মানুষ পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে অন্য এলাকায়ও দাঙ্গা ও লুটপাট শুরু হয়। এ সময় তরুণরা আগ্নেয়াস্ত্র, লাঠিশোটা ও লোহার রড নিয়ে রাস্তায় নেমে আসে এবং কয়েকটি পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে। রাজধানীজুড়ে যখন প্রচণ্ড সহিংসতা শুরু হয় তখন রাস্তায় খুব কম পুলিশ দেখা গেছে। তবে, অনেক পুলিশ কর্মকর্তা বিক্ষুব্ধ জনতার ওপর কুকুর লেলিয়ে দেয়।
দাঙ্গার কারণে কার্লটন ও ওয়েস্টহ্যামের মধ্যকার ফুটবল ম্যাচটি স্থগিত করা হয়েছে।
লন্ডনের জনগণ বলছেন, এমন অবস্থা তারা কখনো দেখেননি। কেউ কেউ বলেছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির বোমা হামলায় লন্ডনে এমন আগুন জ্বলতে দেখা গিয়েছিল। এ পর্যন্ত দাঙ্গা ও লুটপাটে জড়িত থাকার দায়ে প্রায় ৪৫০ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ। এর মধ্যে শুধু বার্মিংহাম এলাকা থেকে একশ’ তরুণকে লুটপাট ও দোকান ভাঙচুর করার জন্য আটক করা হয়েছে। এদের ৬৯ জনের বিরুদ্ধে মারাত্মক অপরাধ সংগঠনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া বার্মিংহামসহ কয়েকটি এলাকার থানায় আগুন ধরিয়ে দিয়েছে জনতা।
লন্ডন পুলিশের উপ কমিশনার স্টিভেন কাভানাগ বলেছেন, এর আগে লন্ডন কখনও এমন ঘটনার মুখোমুখি হয়নি। এ পরিস্থিতিতে সেনা মোতায়েন করা হতে পারে বলেও তিনি জানিয়েছেন। এদিকে, লন্ডনের সব পাতাল রেল স্টেশন আবার খুলে দেয়া হয়েছে। দাঙ্গার কারণে এসব রেলস্টেশন বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। তবে, কয়েকটি অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পূর্ব ক্রয়ডোন ও ওয়ান্ডলে পার্কের মধ্যে চলাচলকারী ট্রামলিঙ্ক সার্ভিস বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বৃটেনের রাজধানী লন্ডনসহ টটেনহাম, ব্রিক্সটন, বার্মিংহাম, লিভারপুল, নটিংহাম এবং ব্রিস্টলে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে বৃটেনের অন্যান্য শহরেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছে।
এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেরেসা মে এবং লন্ডনের মেয়র বোরিস জনসন অন্যদেশ থেকে ছুটি সংক্ষিপ্ত করে রাজধানীতে ফিরেছেন। বিপর্যস্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরন বিশেষ নিরাপত্তা বৈঠকে বসেছেন।
ডেভিড ক্যামেরুন জানান, দাঙ্গা দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা সব রকম চেষ্টা করবো। জানা গেছে ঐদিন প্রায় ১৬ হাজার পুলিশ মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এদিকে, স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড জানিয়েছে, ক্রয়ডনে দাঙ্গায় গুলিতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার পুলিশের গুলিতে মার্ক ডুগান নামে ২৯ বছর বয়সী এক যুবক নিহত হওয়ার প্রতিবাদে টটেনহামে শুরু হওয়া দাঙ্গা এখন ছড়িয়ে পড়েছে ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডনসহ অন্যান্য এলাকায়। বৃটিশ রাজনীতিবিদরা এ দাঙ্গা ও সহিংসতার ঘটনাকে সংগঠিত অপরাধ বললেও স্থানীয় অধিবাসীদের অভিমত বেকারত্ব, অপর্যাপ্ত জনসেবা এবং হতাশা ও পুলিশের বর্বর আচরণের কারণে লন্ডনে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়েছে। গতরাতে হ্যাকনি এলাকায় এক তরুণকে পুলিশ তল্লাশি চালানোর ঘটনায় সহিংসতা শুরু হয়। যদিও ওই তরুণের কাছে তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। এরপরই সেখানকার বিক্ষুব্ধ মানুষ পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে অন্য এলাকায়ও দাঙ্গা ও লুটপাট শুরু হয়। এ সময় তরুণরা আগ্নেয়াস্ত্র, লাঠিশোটা ও লোহার রড নিয়ে রাস্তায় নেমে আসে এবং কয়েকটি পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে। রাজধানীজুড়ে যখন প্রচণ্ড সহিংসতা শুরু হয় তখন রাস্তায় খুব কম পুলিশ দেখা গেছে। তবে, অনেক পুলিশ কর্মকর্তা বিক্ষুব্ধ জনতার ওপর কুকুর লেলিয়ে দেয়।

দাঙ্গার কারণে কার্লটন ও ওয়েস্টহ্যামের মধ্যকার ফুটবল ম্যাচটি স্থগিত করা হয়েছে।
লন্ডনের জনগণ বলছেন, এমন অবস্থা তারা কখনো দেখেননি। কেউ কেউ বলেছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির বোমা হামলায় লন্ডনে এমন আগুন জ্বলতে দেখা গিয়েছিল। এ পর্যন্ত দাঙ্গা ও লুটপাটে জড়িত থাকার দায়ে প্রায় ৪৫০ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ। এর মধ্যে শুধু বার্মিংহাম এলাকা থেকে একশ’ তরুণকে লুটপাট ও দোকান ভাঙচুর করার জন্য আটক করা হয়েছে। এদের ৬৯ জনের বিরুদ্ধে মারাত্মক অপরাধ সংগঠনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া বার্মিংহামসহ কয়েকটি এলাকার থানায় আগুন ধরিয়ে দিয়েছে জনতা।
লন্ডন পুলিশের উপ কমিশনার স্টিভেন কাভানাগ বলেছেন, এর আগে লন্ডন কখনও এমন ঘটনার মুখোমুখি হয়নি। এ পরিস্থিতিতে সেনা মোতায়েন করা হতে পারে বলেও তিনি জানিয়েছেন। এদিকে, লন্ডনের সব পাতাল রেল স্টেশন আবার খুলে দেয়া হয়েছে। দাঙ্গার কারণে এসব রেলস্টেশন বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। তবে, কয়েকটি অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পূর্ব ক্রয়ডোন ও ওয়ান্ডলে পার্কের মধ্যে চলাচলকারী ট্রামলিঙ্ক সার্ভিস বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বৃটেনের রাজধানী লন্ডনসহ টটেনহাম, ব্রিক্সটন, বার্মিংহাম, লিভারপুল, নটিংহাম এবং ব্রিস্টলে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে বৃটেনের অন্যান্য শহরেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছে।
এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেরেসা মে এবং লন্ডনের মেয়র বোরিস জনসন অন্যদেশ থেকে ছুটি সংক্ষিপ্ত করে রাজধানীতে ফিরেছেন। বিপর্যস্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরন বিশেষ নিরাপত্তা বৈঠকে বসেছেন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন