বিতর্কিত নারীবাদী লেখিকা তসলিমা নাসরিন নেপালে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন। বিতর্কের ফলে দেশটির রাজধানী কাঠমান্ডুতে তার নিরাপত্তার সমস্যা হতে পারে আশংকা করা হচ্ছে। আর তাই আপাতত নেপাল আসতে নিষেধ করেছে সেখানকার এক উৎসব আয়োজক কমিটি।বাধ্য হয়ে নেপাল সফর বাদ দিতে হয়েছে তসলিমা নাসরিনকে।
বর্তমানে ভারতের দিল্লিতে বসবাসরত তসলিমা নাসরিনের শনিবার কাঠমান্ডু যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তসলিমা তার সুইডিশ পাসপোর্টটি সঙ্গে না নিয়ে যাওয়ায় তাকে দিল্লি এয়ারপোর্ট থেকে ফিরে আসতে হয়।বাড়ি ফিরে তসলিমা নাসরিন নেপালি বন্ধুদের উদ্দেশে সামাজিক নেটওয়ার্ক টুইটারে এক বার্তায় লিখেছেন, “আমি ফ্লাইট মিস করেছি, কারণ আমি পাসপোর্ট নিয়ে যাইনি। আসলে নেপাল যে বিদেশী কোনো রাষ্ট্র সেটাই আমি ভাবিনি।”টুইটারে তসলিমার এ উক্তি নেপাল জুড়ে বিতর্কের ঝড় তোলে। টুইটারেই অনেক নেপালি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় এবং অনেকেই কাঠমান্ডুতে তাকে প্রতিহত করার ঘোষণা দেয়।প্রতিবাদকারীদের বক্তব্য, “তসলিমা নাসরিন টুইটার বার্তায় নেপালকে ভারতের অংশ বলে নেপালকে অপমান করেছেন।”নেপালের প্রথম সাহিত্য উৎসবে তসলিমা নাসরিনের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। শনিবার কাঠমান্ডু পৌছতে ব্যর্থ হওয়ায় রোববার যাওয়ার পরিকল্পনা করেন তসলিমা। শনিবারের ওই টুইটার বার্তায় রোববার নেপালিদের ক্ষোভের পরিমাণ ক্রমশ বেড়েছে বলে জানায় নেপালের গণমাধ্যমগুলো। এর পরিপ্রেক্ষিতে উৎসব আয়োজকরা নেপালে না যেতে অনুরোধ করেছেন তসলিমাকে।নেপালের ইন্টারনেটভিত্তিক সংবাদ নেপাল নিউজের খবরে বলা হয়, “বিস্মিত ও ক্ষুদ্ধ আয়োজকরা তসলিমাকে নেপালে আসতে নিষেধ করেছেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে তসলিমার বক্তব্যের প্রতিবাদও জানানো হচ্ছে।”তবে উৎসবের অন্যতম আয়োজক অজিত বরালকে ভারতীয় গনমাধ্যমকে বলেছেন, “নেপালের জনগণের তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়ার আমরা তসলিমা নাসরিনের নিরাপত্তা নিয়ে শংকিত। এ কারণেই তাকে কাঠমান্ডু আসতে নিষেধ করেছি।”উৎসবে তসলিমা নাসরিনের একটি বইয়ের ইংরেজি অনুবাদের মোড়ক উম্মোচন ও তার রচিত সাহিত্য সম্পর্কে বক্তব্য দেয়ার কথা ছিল।তসলিমা ছাড়াও নেপালের ওই সাহিত্য উৎসবে ভারতে বিবিসির সাবেক ব্যুরো প্রধান মার্ক ট্যালি ও ঔপন্যাসিক ইরা ত্রিবেদী বিশেষ অতিথি হিসেবে নির্ধারিত ছিলেন।অপরদিকে, তসলিমা নাসরিন টুইটারে তার আগের বার্তার ব্যাখা দিয়েছেন তিনি লিখেছেন, “নেপালের সঙ্গে আমার সম্পর্কের গভীরতা বোঝাতেই আগের মন্তব্য করেছিলাম।”“নেপালকে আমি সত্যিই অনেক ভালোবাসি এবং নেপালের সৌন্দর্য দেখার জন্য অধীর অপেক্ষায় আছি”- লিখেছেন তসলিমা নাসরিন।৪৯ বছর বয়সী লেখিকা তসলিমা নাসরিন তার ‘লজ্জা’ উপন্যাসের জন্য বাংলাদেশের মৌলবাদীদের প্রতিবাদের সম্মুখীন হন। পরে সরকার ১৯৯৩ সালে তার বাংলাদেশী পাসপোর্ট বাতিল করে।
বর্তমানে ভারতের দিল্লিতে বসবাসরত তসলিমা নাসরিনের শনিবার কাঠমান্ডু যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তসলিমা তার সুইডিশ পাসপোর্টটি সঙ্গে না নিয়ে যাওয়ায় তাকে দিল্লি এয়ারপোর্ট থেকে ফিরে আসতে হয়।বাড়ি ফিরে তসলিমা নাসরিন নেপালি বন্ধুদের উদ্দেশে সামাজিক নেটওয়ার্ক টুইটারে এক বার্তায় লিখেছেন, “আমি ফ্লাইট মিস করেছি, কারণ আমি পাসপোর্ট নিয়ে যাইনি। আসলে নেপাল যে বিদেশী কোনো রাষ্ট্র সেটাই আমি ভাবিনি।”টুইটারে তসলিমার এ উক্তি নেপাল জুড়ে বিতর্কের ঝড় তোলে। টুইটারেই অনেক নেপালি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় এবং অনেকেই কাঠমান্ডুতে তাকে প্রতিহত করার ঘোষণা দেয়।প্রতিবাদকারীদের বক্তব্য, “তসলিমা নাসরিন টুইটার বার্তায় নেপালকে ভারতের অংশ বলে নেপালকে অপমান করেছেন।”নেপালের প্রথম সাহিত্য উৎসবে তসলিমা নাসরিনের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। শনিবার কাঠমান্ডু পৌছতে ব্যর্থ হওয়ায় রোববার যাওয়ার পরিকল্পনা করেন তসলিমা। শনিবারের ওই টুইটার বার্তায় রোববার নেপালিদের ক্ষোভের পরিমাণ ক্রমশ বেড়েছে বলে জানায় নেপালের গণমাধ্যমগুলো। এর পরিপ্রেক্ষিতে উৎসব আয়োজকরা নেপালে না যেতে অনুরোধ করেছেন তসলিমাকে।নেপালের ইন্টারনেটভিত্তিক সংবাদ নেপাল নিউজের খবরে বলা হয়, “বিস্মিত ও ক্ষুদ্ধ আয়োজকরা তসলিমাকে নেপালে আসতে নিষেধ করেছেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে তসলিমার বক্তব্যের প্রতিবাদও জানানো হচ্ছে।”তবে উৎসবের অন্যতম আয়োজক অজিত বরালকে ভারতীয় গনমাধ্যমকে বলেছেন, “নেপালের জনগণের তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়ার আমরা তসলিমা নাসরিনের নিরাপত্তা নিয়ে শংকিত। এ কারণেই তাকে কাঠমান্ডু আসতে নিষেধ করেছি।”উৎসবে তসলিমা নাসরিনের একটি বইয়ের ইংরেজি অনুবাদের মোড়ক উম্মোচন ও তার রচিত সাহিত্য সম্পর্কে বক্তব্য দেয়ার কথা ছিল।তসলিমা ছাড়াও নেপালের ওই সাহিত্য উৎসবে ভারতে বিবিসির সাবেক ব্যুরো প্রধান মার্ক ট্যালি ও ঔপন্যাসিক ইরা ত্রিবেদী বিশেষ অতিথি হিসেবে নির্ধারিত ছিলেন।অপরদিকে, তসলিমা নাসরিন টুইটারে তার আগের বার্তার ব্যাখা দিয়েছেন তিনি লিখেছেন, “নেপালের সঙ্গে আমার সম্পর্কের গভীরতা বোঝাতেই আগের মন্তব্য করেছিলাম।”“নেপালকে আমি সত্যিই অনেক ভালোবাসি এবং নেপালের সৌন্দর্য দেখার জন্য অধীর অপেক্ষায় আছি”- লিখেছেন তসলিমা নাসরিন।৪৯ বছর বয়সী লেখিকা তসলিমা নাসরিন তার ‘লজ্জা’ উপন্যাসের জন্য বাংলাদেশের মৌলবাদীদের প্রতিবাদের সম্মুখীন হন। পরে সরকার ১৯৯৩ সালে তার বাংলাদেশী পাসপোর্ট বাতিল করে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন