হারারেতে সফররত বাংলাদেশের দেয়া ১৮৫ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে ৪১.২ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়।
দলীয় ২৪ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ১০ রান করে সাকিব আল হাসানের বলে বোল্ট হয়ে সাজ ঘরে ফিরে যান স্বাগতিক দলের অধিনায়ক টেইলর। সিবান্দার অনবদ্য ৯৬ ও মাসাকাদজার ৪১ রানে লক্ষ্যে পৌঁছে তারা। এর আগে শুক্রবার দুপুরে (বাংলাদেশ সময়) দেড়টায় ৫ ম্যাচের প্রথম ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। টস জিতে জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক ব্রানডেন্ড টেইলর সাকিবদের ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান। ইনিংস শুরু করতে নেমে তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস শুরুতেই স্বাগতিক দলের দুই পেসার ভেট্টরি ও এমপোপুর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মুখে ধীর গতিতে রান তুলতে থাকেন। ৫ ওভার শেষে দলীয় ৭ রানে তামিমকে প্রথম শিকারে পরিণত করেন ভেট্টরি। এরপর ইমরুল ১১, শাহরিয়ার ১৪ ও আশরাফুলকে ২ রানে ফিরিয়ে দিয়ে একাই টপ অর্ডার ধসিয়ে দেন তরুণ এই পেসার। ৮ ওভার বল করে ২১ রানে নেন ৪ উইকেট। বাংলাদেশের টপ অর্ডারের ৪ ব্যাটসম্যান যখন প্যাভিলিয়নে ফিরলেন তখন স্কোর বোর্ডে রান ৩৩। দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে শফিউল ইসলামের উইকেট তুলে নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা ৫ উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব দেখান ব্রায়ান ভেট্টরি। মাহমুদুল্লাহকে ৫ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরান চিগুম্বুরা। ৫ জন টপ অর্ডারের বিদায়ে ক্রিজে আসেন অধিনায়ক সাকিব ও উইকেট রক্ষক মুশফিক। দু’জন ধীরে ধীরে মনোযোগ দেন ইনিংস মেরামতে। দু’জন অবিচ্ছিন্ন থেকে তোলেন ১১০ রান। এরপর মাসাকাদজার বলে ব্যক্তিগত ৫৩ রানে আউট হন সাকিব। এর মাত্র ২২ বল পরেই ব্যক্তিগত ৫৯ রানে উৎসেয়ার বলে আউট হন মুশফিকুর রহিম। আবদুর রাজ্জাককে শূন্য রানে প্যাভিলিয়নে ফেরৎ পাঠান প্রাইস। সবশেষে ব্যক্তিগত ৭ রানে রান আউট হলে সফরকারীদের সংগ্রহ দাঁড়ায় সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৮৪ রান।
দলীয় ২৪ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ১০ রান করে সাকিব আল হাসানের বলে বোল্ট হয়ে সাজ ঘরে ফিরে যান স্বাগতিক দলের অধিনায়ক টেইলর। সিবান্দার অনবদ্য ৯৬ ও মাসাকাদজার ৪১ রানে লক্ষ্যে পৌঁছে তারা। এর আগে শুক্রবার দুপুরে (বাংলাদেশ সময়) দেড়টায় ৫ ম্যাচের প্রথম ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। টস জিতে জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক ব্রানডেন্ড টেইলর সাকিবদের ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান। ইনিংস শুরু করতে নেমে তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস শুরুতেই স্বাগতিক দলের দুই পেসার ভেট্টরি ও এমপোপুর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মুখে ধীর গতিতে রান তুলতে থাকেন। ৫ ওভার শেষে দলীয় ৭ রানে তামিমকে প্রথম শিকারে পরিণত করেন ভেট্টরি। এরপর ইমরুল ১১, শাহরিয়ার ১৪ ও আশরাফুলকে ২ রানে ফিরিয়ে দিয়ে একাই টপ অর্ডার ধসিয়ে দেন তরুণ এই পেসার। ৮ ওভার বল করে ২১ রানে নেন ৪ উইকেট। বাংলাদেশের টপ অর্ডারের ৪ ব্যাটসম্যান যখন প্যাভিলিয়নে ফিরলেন তখন স্কোর বোর্ডে রান ৩৩। দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে শফিউল ইসলামের উইকেট তুলে নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা ৫ উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব দেখান ব্রায়ান ভেট্টরি। মাহমুদুল্লাহকে ৫ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরান চিগুম্বুরা। ৫ জন টপ অর্ডারের বিদায়ে ক্রিজে আসেন অধিনায়ক সাকিব ও উইকেট রক্ষক মুশফিক। দু’জন ধীরে ধীরে মনোযোগ দেন ইনিংস মেরামতে। দু’জন অবিচ্ছিন্ন থেকে তোলেন ১১০ রান। এরপর মাসাকাদজার বলে ব্যক্তিগত ৫৩ রানে আউট হন সাকিব। এর মাত্র ২২ বল পরেই ব্যক্তিগত ৫৯ রানে উৎসেয়ার বলে আউট হন মুশফিকুর রহিম। আবদুর রাজ্জাককে শূন্য রানে প্যাভিলিয়নে ফেরৎ পাঠান প্রাইস। সবশেষে ব্যক্তিগত ৭ রানে রান আউট হলে সফরকারীদের সংগ্রহ দাঁড়ায় সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৮৪ রান।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন