শুক্রবার, ১২ আগস্ট, ২০১১

চট্টগ্রাম বন্দর পরিস্থিতি স্বাভাবিক, পণ্য ওঠানামা শুরু

চট্টগ্রাম বন্দর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। টানা বৃষ্টিতে পাঁচদিন ধরে বন্ধ থাকার পর চট্টগ্রাম বন্দরে খাদ্য শস্যসহ সাধারণ পণ্যবাহী জাহাজে পণ্য ওঠানামা শুরু হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুরোদমে কাজ শুরুর পর বন্দর পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে। তবে বৃষ্টির মধ্যেও চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারবাহী জাহাজে খালাস এবং ডেলিভারি স্বাভাবিক ছিল।বুধবার বিকেল থেকে বন্দরে কাজ পুরোপুরি শুরু হয়েছে। গতকাল বিকেল থেকে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত বৃষ্টি না হওয়ায় চট্টগ্রামে বন্যা পরিস্থিতিও স্বাভাবিক হয়ে আসতে শুরু করেছে।চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ মো. ফরহাদউদ্দিন বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের সব কাজ স্বাভাবিকভাবে চলছে। বহির্নোঙ্গরে এবং জেটিতে যেসব জাহাজ আছে সবগুলোতে খালাস শুরু হয়েছে। গতকাল একদিনে বন্দরে সাড়ে তিন হাজার কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে। লাইটারেজ জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন সেলের অপারেশন অফিসার আতাউল কবির বলেন, সাগর এখনও উত্তাল আছে। তবে পরিস্থিতি আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হচ্ছে। বহির্নোঙ্গরে খালাসের জন্য ৭৫টি লাইটারেজ বুকিং দেওয়া হয়েছিল। আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে ১৫টি গেছে।’ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বন্দরের বহির্নোঙ্গর এবং জেটিতে ৬৩টি জাহাজ থেকে পণ্য খালাস চলছে। এর মধ্যে চিনি, সার, গম, সিমেন্ট ক্লিংকার, ডালসহ বিভিন্ন পণ্যবোঝাই জাহাজ আছে। খালাস শুরু হওয়া জাহাজের মধ্যে অপরিশোধিত চিনি (র সুগার) বোঝাই তিনটি জাহাজও আছে। এগুলো হচ্ছে, এমভি আমনাস, এমভি মার্গারিটা এম এবং এমভি ম্যাগনাম এনার্জি। তিনটি জাহাজে প্রায় এক লাখ মেট্রিক টন চিনি আছে বলে সূত্র জানিয়েছে।চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব তিনটি জাহাজ থেকে চিনি খালাস শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।পরিশোধনের পর খালাস হওয়া এই চিনি বাজারে এলে চিনির সঙ্কট কেটে যাবে বলে মনে করছেন নগরীর চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের পাইকারী ব্যবসায়ীরা।খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুবুল আলম তালুকদার বলেন, বাজারে এমনিতেই আজ (বৃহস্পতিবার) চিনির সরবরাহ বেড়েছে। জাহাজের চিনি খালাস হওয়ার পর বাজারে এলে আর কোনও সঙ্কট থাকবে না।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ