শুক্রবার, ১৯ আগস্ট, ২০১১

বিএনপিকে ব্রিটিশ লর্ড'র পরামর্শ : সংসদে গিয়ে কথা বলুন

বাংলাদেশে সরকার পতনের লক্ষ্যে বিএনপির বিদেশী লবিং জোরদার করা হচ্ছে। প্রবাসী নেতাকর্মীরা দলীয় এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের ব্যানারে এ লক্ষ্যে মিছিল, সমাবেশ ও লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন। এরই অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্যে বিএনপি ও তাদের মিত্র রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছে বেশ কয়েকটি মানবাধিকার সংগঠন। নেতাকর্মীরা দলীয় ব্যানারের পাশাপাশি এইসব মানবাধিকার সংগঠনের ব্যানারে ব্রিটেনে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।এমনি একটি মানবাধিকার সংগঠনের নাম বাংলাদেশ সেন্টার ফর সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট ইউকে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মহিদুর রহমান। এসব সংগঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে প্রায়ই দেশ থেকে বিএনপি ঘরানার বুদ্ধিজীবীরা আসেন লন্ডনে। আয়োজন করা হয় সেমিনার-সিম্পোজিয়ামের। সেই সাথে লবিং করা হয় ব্রিটিশ রাজনীতিকদের সাথে।এ উদ্দেশ্যে বর্তমানে লন্ডনে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী বিএনপির উপদেষ্টা ড. মঈন খান, সাবেক হাই কমিশনার সাবিহ উদ্দিন আহমেদ ও সাংবাদিক শওকত মাহমুদ প্রমুখ। এখানকার নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে তারা কয়েকজন ব্রিটিশ পার্লামেন্ট মেম্বার ও লর্ড'র সাথে দেখা করে তাদেরকে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করছেন।এরই ধারা বাহিকতায় ২৭ জুলাই বিএনপি সমর্থক বুদ্ধিজীবীরা লন্ডন সময় বিকেল ৫ টায় সাউথ-ইস্ট লন্ডনের ফ্লডেন রোডে ব্রিটিশ অলপার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান ও ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ব্রিটিশ মানবাধিকার নেতা লর্ড এরিক এভেরির সাথে দেখা করে ২০ দফা সম্বলিত লিখিত বক্তব্য রাখেন। এ সময় তারা বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবেদীন ফারুকের উপর পুলিশী হামলার বিষয় তুলে ধরেন। তারা বিরোধী রাজনীতিকদের সরকার হয়রানি করছে বলেও লর্ডকে অবহিত করেন।জবাবে এই প্রবীণ ব্রিটিশ রাজনীতিক জয়নুল আবেদীন ফারুক আহত হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেন। তবে হরতাল ও অবরোধ পরিহার করে তাদের সংসদে গিয়ে কথা বলার অনুরোধ জানান।তিনি বলেন, হরতাল ও ভাঙচুর উন্নয়নের অন্তরায়।লর্ড আরো বলেন, অতীতের সরকারগুলোর সময়ও রাজপথে বিরোধী রাজনীতিকরা পুলিশী হামলার শিকার হয়েছেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ