নরসিংদীর মনোহরদীতে প্রধান শিক্ষককে রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন, সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচির ঘোষণা করেছে উপজেলার সর্বস্তরের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের দাবীর মুখে শনিবার মনোহরদী উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে সকল শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এদিকে নির্মম এ হত্যাকান্ডের নিদ্যা ও প্রতিবাদ জানিয়েন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক (ডিজি) শ্যামল কান্দি ঘোষ। অন্যদিকে নিহতের পরিবারের অভিযোগ শুধু স্কুলের রাস্তায় টাক্টর চলাচলে বাধাই নয় গ্রাম পঞ্চায়তে এলাকায় ডাকাতিসহ নানা অপকর্মের শাস্তি দেয়াকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে ঘাতকরা। নিহতের বড় ছেলে ও মামলার বাদী মো. সালাহউদ্দিন বলেন, বিদ্যালয়ের রাস্তা দিয়ে টাক্টর চালানোর বিষয়কে কেন্দ্র করে ও তারা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। কারণ নিহত সিরাজ উদ্দিন মাষ্টার গ্রামের পঞ্চায়েতের প্রধান হিসেবে বিভিন্ন সময় সালিস-বৈঠক করতেন। পূর্বে এ হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত আসামী রাজু মিয়া ও আকরাম হোসেনকে ডাকাতিসহ বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকান্ডের জন্য একাধিকবার শাস্তি প্রদান করে। এবং তারা এলাকার আধিপত্য বিস্তারে আমার বাবাকে একমাত্র প্রতিদ্বন্দি মনে করে প্রতিহিংসাবশত এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। শনিবার সরেজমিনে উপজেলার চালাকচর ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, রমজান উপলক্ষে চালাকচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পাশাপাশি স্কুলের সকল শিক্ষার্থীরা প্রথমে বিদ্যালয় ও পরে প্রধান শিক্ষক সিরাজ উদ্দিনের বাড়ীতে ভিড় জমায়। এসময় প্রিয় শিক্ষককে হারিয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। ছাত্র-ছাত্রীরা শিক্ষক সিরাজ উদ্দিন হত্যার সাথে জড়িত সকল আসামীদের গ্রেফতার ও সুষ্ঠু বিচার দাবী করেন।
এ সময় নিহতের বড় ভাই চালাকচর ইউনিয়নের সাবেক দফেদার জয়নাল আবেদীন সহ স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করে জানান, কয়েক বছর পূর্বে এজাহার ভুক্ত আসামী মো. ছফির উদ্দিনের ছোট ভাই আন্ত:জেলা ডাকাত দলের সদস্য ও একাধিক ডাকাতির মামলার আসামী হিরন মিয়াকে আটক করে নিহত প্রধান শিক্ষক পুলিশে সোপর্দ করে। তাদের অসামাজিক কর্মকান্ডের জন্য একাধিকবার শাস্তিপ্রদান করায় ঘাতকরা বিভিন্ন সময় হুমকি ও ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে আসছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তারা পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে বলে ধারনা করছেন। এদিকে শনিবার বিকেলে নিহত সিরাজ মাষ্টারের পরিবারকে সমবেদনা জানাতে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক (ডিজি) শ্যামল কান্দি ঘোষ, বিভাগীয় উপ-পরিচালক মাহফুজুল ইসলাম, পলিসি ও অপারেশন বিভাগের পরিচালক ফারুক জলিল, নরসিংদী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবুল খায়ের ও মনোহরদী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. ইউসুফ খান নিহতের বাড়িতে যান। পরে চালাকচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিরাজ উদ্দিনকে হত্যার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি বলেন, শিক্ষকরা হলেন মানুষ গড়ার কারিগর। দুস্কিতিকারিদের অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে একজন আদর্শ শিক্ষককে প্রাণ দিতে হয়েছে। এটা জাতির জন্য লজ্জাকর।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মনোহরদী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মশিউর বলেন, শুধু রাস্তাকেই কেন্দ্র করে এ হত্যা হয়নি গ্রাম পঞ্চায়েতে শাস্তির জের ধরেও এ হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারে। উল্লেখ্য, স্কুলের রাস্তা দিয়ে ট্রাক্টর চালাতে বাধা দেয়ায় বৃহস্পতিবার বিকেলে নরসিংদীর মনোহরদীতে প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক সিরাজ উদ্দিন (৫০) কে রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে ট্রাক্টর চালকরা। এ ঘটনায় নিহত শিক্ষকের ছেলে মো.সালাউদ্দিন রাতেই মনোহরদী থানায় ৫ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ এজাহারভুক্ত রাজু মিয়া ও আকরাম হোসেন নামের দুই আসামীকে গ্রেফতার করে।
এ সময় নিহতের বড় ভাই চালাকচর ইউনিয়নের সাবেক দফেদার জয়নাল আবেদীন সহ স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করে জানান, কয়েক বছর পূর্বে এজাহার ভুক্ত আসামী মো. ছফির উদ্দিনের ছোট ভাই আন্ত:জেলা ডাকাত দলের সদস্য ও একাধিক ডাকাতির মামলার আসামী হিরন মিয়াকে আটক করে নিহত প্রধান শিক্ষক পুলিশে সোপর্দ করে। তাদের অসামাজিক কর্মকান্ডের জন্য একাধিকবার শাস্তিপ্রদান করায় ঘাতকরা বিভিন্ন সময় হুমকি ও ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে আসছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তারা পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে বলে ধারনা করছেন। এদিকে শনিবার বিকেলে নিহত সিরাজ মাষ্টারের পরিবারকে সমবেদনা জানাতে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক (ডিজি) শ্যামল কান্দি ঘোষ, বিভাগীয় উপ-পরিচালক মাহফুজুল ইসলাম, পলিসি ও অপারেশন বিভাগের পরিচালক ফারুক জলিল, নরসিংদী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবুল খায়ের ও মনোহরদী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. ইউসুফ খান নিহতের বাড়িতে যান। পরে চালাকচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিরাজ উদ্দিনকে হত্যার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি বলেন, শিক্ষকরা হলেন মানুষ গড়ার কারিগর। দুস্কিতিকারিদের অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে একজন আদর্শ শিক্ষককে প্রাণ দিতে হয়েছে। এটা জাতির জন্য লজ্জাকর।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মনোহরদী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মশিউর বলেন, শুধু রাস্তাকেই কেন্দ্র করে এ হত্যা হয়নি গ্রাম পঞ্চায়েতে শাস্তির জের ধরেও এ হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারে। উল্লেখ্য, স্কুলের রাস্তা দিয়ে ট্রাক্টর চালাতে বাধা দেয়ায় বৃহস্পতিবার বিকেলে নরসিংদীর মনোহরদীতে প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক সিরাজ উদ্দিন (৫০) কে রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে ট্রাক্টর চালকরা। এ ঘটনায় নিহত শিক্ষকের ছেলে মো.সালাউদ্দিন রাতেই মনোহরদী থানায় ৫ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ এজাহারভুক্ত রাজু মিয়া ও আকরাম হোসেন নামের দুই আসামীকে গ্রেফতার করে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন