বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১১

ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত, জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদ্‌যাপিত হয়েছে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় আনন্দ-উৎসব। জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল ফিতরের নামাজের প্রধান জামাতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ঈদ উৎসব। এছাড়া দেশের সর্বত্র নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপন হয়।বুধবার সকাল সাড়ে আটটায় রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহে ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব অধ্যাপক সালাহউদ্দিন আহমেদ এতে ইমামতি করেন।এতে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান, প্রধান বিচারপতি, অন্যান্য বিচারপতিরা, মন্ত্রিসভার সদস্য, ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, ঢাকাস্থ বিভিন্ন মুসলিম দেশের মিশন প্রধান, সামরিক বাহিনী ও সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন।এদিকে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নিতে ভোরের আলো দিগন্তে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই মুসল্লিরা জাতীয় ঈদগাহে আসতে থাকেন। নামাজ শুরু হওয়ার আগেই ঈদগাহ ময়দান কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়।একপর্যায়ে ময়দান পরিপূর্ণ হয়ে মুসল্লিরা পাশের হাইকোর্ট এলাকা ছাড়িয়ে পার্শ্ববর্তী সড়ক ও সংলঘ্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়েন। অনেককে রাস্তায় জায়নামাজের পাশাপাশি পেপার বিছিয়ে নামাজ আদায় করতে দেখা যায়।নামাজ ও খুতবার পর দেশ ও জাতির কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ঈদগাহে উপস্থিত লাখো মুসল্লি পরস্পরের সাথে কোলাকুলি করে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। এ সময় তারা একে অপরের খোঁজ-খবর নেন এবং কুশলাদি বিনিময় করেন।এছাড়া জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদুল ফিতরের পাঁচটি জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৭টা, ৮টা, ৯টা, ১০টা ও ১১টায় ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা মহানগরীর ৯০টি ওয়ার্ডে মোট ৩৬১টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।বরাবরের মতো এবার দেশের বৃহত্তম ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায়। প্রায় চার লাখ মুসলিম এখানে ঈদের নামাজ আদায় করেন। সকাল ১০টা অনুষ্ঠিত ১৮৪তম ঈদের এই জামাত পরিচালনা করেন মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ