অর্থপাচারের মামলায় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।
রোববার ঢাকার বিশেষ জজ মোজাম্মেল হোসেনের আদালতে মামলার বাদি দুর্নীতি দমন
কমিশনের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহীমের বক্তব্য শোনার মধ্য দিয়ে শুরু
হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। আংশিক সাক্ষ্য নেওয়ার পর শুনানি আগামী ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত
মুলতবি করেন বিচারক। চার বার শুনানি পেছানোর পর গত ৮ অগাস্ট এ মামলায়
তারেকের পাশাপাশি তার বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধেও অভিযোগ গঠন
হয়।২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট থানায় খালেদা জিয়ার ছেলে ও
তার বন্ধুর বিরুদ্ধে এ মামলা হয়। অভিযোগপত্র দেওয়া হয় গত বছরের ৬ জুলাই।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, টঙ্গীর বিসিক শিল্প এলাকায় একটি ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
কেন্দ্র স্থাপনের কার্যক্রম পরিচালনা করে ‘নির্মাণ কনস্ট্রাকশন’ কোম্পানির
ব্যবস্থাপনা পরিচালক খাদিজা ইসলামের কাছ থেকে তারেক ও মামুন ২০০৩ সালের ১
জানুয়ারি থেকে ২০০৭ সালের ৩১ মে পর্যন্ত ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা
টাকা নিয়ে তা সিঙ্গাপুরে পাচার করেন। অর্থপাচারের অন্য একটি মামলায় গত ২৩
জুন ঢাকার আদালতে খালেদার ছোট ছেলে কোকোর ৬ বছর কারাদণ্ড ও ১৯ কোটি টাকা
জরিমানা করা হয়। কোকোর অনুপস্থিতিতেই ওই মামলার বিচার হয়।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে গ্রেপ্তার এবং পরে ছাড়া পাওয়ার পর তারেক-আরাফাত দুই ভাই বিদেশে যান। তারা এখন পর্যন্ত ফেরেননি।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে গ্রেপ্তার এবং পরে ছাড়া পাওয়ার পর তারেক-আরাফাত দুই ভাই বিদেশে যান। তারা এখন পর্যন্ত ফেরেননি।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন