চার দলীয় জোট নেত্রী ও বিরোধী দলের নেতা বেগম খালেদা জিয়া দেশের সামগ্রিক
অবস্থা তুলে ধরে বলেছেন, সরকারের কোথাও কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। তারা পুলিশ
বাহিনী দিয়ে বিরোধী দলকে অত্যাচার নির্যাতন করছে। গণতান্ত্রিক দেশে বিরোধী
দল মিছিল সমাবেশ করতে পারে না। আর সরকারি দল সামনে পিছনে পুলিশ পাহারায়
মিছিল করে। পুলিশের বুটের নিছে আজ গণতন্ত্র। ছি! ছি লজ্জা!।
বর্তমান সরকার লুটপাট করলেও তাদের কোনো বিচার হচ্ছে না- উল্লেখ করে তিনি
বলেন, বিচার হবে কিভাবে। তারা বিচার বিভাগকে দলীয়করণ করে রেখেছে। সেখানে
গেলে আওয়ামী লীগ হলেই সব মাফ। বক্তব্যে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির
সমালোচনা করেন তিনি। চলতি বছর দ্বিতীয়বারের মতো বৃহস্পতিবার জ্বালানির দাম
বাড়িয়েছে সরকার।
নয়া পল্টনে সড়কের ওপর তৈরি করা সভামঞ্চে মঙ্গলবার পৌনে ৪টায় পৌঁছান খালেদা।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের বিপরীতে দক্ষিণমুখী করে নির্মিত মঞ্চে একটি
চেয়ারে বসেন তিনি। জনসভায় বক্তব্য দিতে শুর” করেন বিকেল ৫টায়।
দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো নয় উল্লেখ করে খালেদা বলেন, তিন বছরে নতুন
কোনো শিল্প স্থাপন হয়নি। অনেক প্রতিষ্ঠান গ্যাস বিদ্যুতের অভাবে বন্ধ হয়ে
যাচ্ছ।
তিনি চ্যালেঞ্চ ছুড়ে দিয়ে বলেন, পুলিশ ছাড়া মিছিল করে দেখুন কার কতো শক্তি।
তিনি বলেন, পুলিশ পাহারায় মিছিল করে রক্ষা পাওয়া যায় না। খালেদা জিয়া বলেন,
দেশে প্রতিদিন খুন হত্যা চলছে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা
মানুষকে খুন করছে। এই হল আমাদের দেশের অবস্থা। দেশের অর্থনীতি ভাল না।
মানুষ পেট ভরে খেতে পারে না। কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রী বিরাট ডেলিগেশন
নিয়ে বিদেশ সফরে যান। এই হলো আমাদের প্রধানমন্ত্রীর দেশের প্রতি দায়িত্ব।
তিনি বলেন, দেশের মানুষ ভাল নেই। মানুষ চরম দুরবস্থার মধ্যে আছে। শুধু সরকার এবং সরকারের লোকরা ভাল আছে। প্রতিদিন দ্রব্যমূল্য বাড়ছে। ছাত্র লীগ যুবলীগের টেন্ডারবাজিতে মানুষ আজ অতিষ্ঠ। আর সরকার প্রতিদিন শুধু মিথ্যা কথা বলছে। তিনি বলেন, যখনই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে তখনই একটি কাজ হয়। আ তা হল শেয়ার মার্কেট লুট। ৯৬ সালে ক্ষমতার আসার পর শেয়ার বাজারে লুট হয়েছিল। এবারও ক্ষমতার আসর পর তারা শেয়ার বাজারের হাজার হাজার টাকা লুট করেছে। বিকাল পাঁচটার কিছু পরে বেগম জিয়া তার বক্তব্য শুরু করেন। তিনি এখন বক্তব্য রাখছেন। প্রশাসনেও দলীয়করণ করা হয়েছে অভিযোগ করে বিএনপি চেয়ারপার্সন বলেন, “৪৬০ জনকে ওএসডি করা হয়েছে। কী অপরাধে ওরা ওএসডি। এরা সিনিয়ির ভালো নিরপেক্ষ অফিসার। এরা আওয়ামী লীগের দালালি করে না বলে ওএসডি করা হয়েছে। মঞ্চে বিশাল ব্যানারে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বৃহৎ ছবি এবং ‘দুর্ভোগ সৃষ্টিকারী ব্যর্থ সরকারের পদত্যাগ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি’ কথা লেখা রয়েছে। জনসভা উপলক্ষে নয়া পল্টন সড়কের উচু দালানের ছাদে বসানো হয়েছে পুলিশ ও র্যাবের নিরাপত্তা দল। মঞ্চে চারপাশে রয়েছে র্যাবের সিসিটিভি ক্যামেরা। মঞ্চের চারপাশে পুলিশের একটি ব্যাটেলিয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। একসঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃত্বে আড়াই হাজারের স্বে”ছাসেবক টিমও রয়েছে জনসভা ¯’ালে মঞ্চের চারপাশে।
তিনি বলেন, দেশের মানুষ ভাল নেই। মানুষ চরম দুরবস্থার মধ্যে আছে। শুধু সরকার এবং সরকারের লোকরা ভাল আছে। প্রতিদিন দ্রব্যমূল্য বাড়ছে। ছাত্র লীগ যুবলীগের টেন্ডারবাজিতে মানুষ আজ অতিষ্ঠ। আর সরকার প্রতিদিন শুধু মিথ্যা কথা বলছে। তিনি বলেন, যখনই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে তখনই একটি কাজ হয়। আ তা হল শেয়ার মার্কেট লুট। ৯৬ সালে ক্ষমতার আসার পর শেয়ার বাজারে লুট হয়েছিল। এবারও ক্ষমতার আসর পর তারা শেয়ার বাজারের হাজার হাজার টাকা লুট করেছে। বিকাল পাঁচটার কিছু পরে বেগম জিয়া তার বক্তব্য শুরু করেন। তিনি এখন বক্তব্য রাখছেন। প্রশাসনেও দলীয়করণ করা হয়েছে অভিযোগ করে বিএনপি চেয়ারপার্সন বলেন, “৪৬০ জনকে ওএসডি করা হয়েছে। কী অপরাধে ওরা ওএসডি। এরা সিনিয়ির ভালো নিরপেক্ষ অফিসার। এরা আওয়ামী লীগের দালালি করে না বলে ওএসডি করা হয়েছে। মঞ্চে বিশাল ব্যানারে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বৃহৎ ছবি এবং ‘দুর্ভোগ সৃষ্টিকারী ব্যর্থ সরকারের পদত্যাগ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি’ কথা লেখা রয়েছে। জনসভা উপলক্ষে নয়া পল্টন সড়কের উচু দালানের ছাদে বসানো হয়েছে পুলিশ ও র্যাবের নিরাপত্তা দল। মঞ্চে চারপাশে রয়েছে র্যাবের সিসিটিভি ক্যামেরা। মঞ্চের চারপাশে পুলিশের একটি ব্যাটেলিয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। একসঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃত্বে আড়াই হাজারের স্বে”ছাসেবক টিমও রয়েছে জনসভা ¯’ালে মঞ্চের চারপাশে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন