রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১১

বাজারে ফ্রেশ ফান্ড আনতে হবে: সিএসই সভাপতি

শুধু তারল্যসংকট নয়, শেয়ারবাজারের মূল সমস্যা আস্থার সংকট। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে এলে স্বাভাবিকভাবেই তারল্য সরবরাহ বেড়ে যাবে। সুতরাং বর্তমান পরিস্থিতিতে সব পক্ষের প্রধান কাজ হবে বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা। আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে সাম্প্রতিক বাজার পরিস্থিতি নিয়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সদস্যদের সঙ্গে এক আলোচনা সভা শেষে সংস্থাটির সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ এসব কথা বলেন। ফখর উদ্দিন বলেন, তারল্যসংকট দূর করতে বাজারে ফ্রেশ ফান্ড নিয়ে আসতে হবে। এ ক্ষেত্রে ব্রোকারেজ হাউসের শাখা বাড়ানো যেতে পারে। তাহলে নতুন বিনিয়োগকারীরা বাজারে আসবে। তাঁদের বিনিয়োগ সম্পর্কে ওই সব হাউস থেকে শিক্ষিত করে তুলতে হবে। এ সময় ফখর উদ্দিন বেশ কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে, লেনদেনের ওপর কর কমানো, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মাশুল কমানো, পুঁজিবাজারের ওপর মানুষের ইতিবাচক ধারণা বাড়ানো, স্টক এক্সচেঞ্জগুলো করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (সিএসআর) বাড়ানো। ফখর উদ্দিন আরও বলেন, বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে মিউচুয়াল ফান্ডের টাকা বাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যেসব বাধা রয়েছে, তা দূর করা; ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) বাজার আরও গতিশীল করা; বাংলাদেশ ফান্ডের অর্থ ব্যবহারে আরও স্বচ্ছতা আনা; মার্চেন্ট ব্যাংকের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনতে হবে; প্রয়োজনে নতুন মার্চেন্ট ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়া। এ ছাড়া মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে শুধু ব্যবসা না করে পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনার দিকে মনোনিবেশ করতেও তিনি অনুরোধ করেন। ফখর উদ্দিন বলেন, বিভিন্ন কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে যেসব প্লেসমেন্ট শেয়ার রয়েছে, সেগুলোর লকইনের সময় কমিয়ে আনা যেতে পারে। এতে বাজারে তারল্য-সরবরাহ বেড়ে যাবে বলে আশা করেন তিনি। এ ছাড়া রিভার্স রেপোর সুদের হার কমানো এবং লেনদেন নিষ্পত্তির সময়সীমা কমানোরও সুপারিশ করেন তিনি। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে সিএসইর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আল মারুফ খান, সহসভাপতি তারেক কামাল, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সৈয়দ সাজিদ হোসেনসহ সংস্থাটির পরিচালক ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ