ঐতিহাসিক সফরে আগামীকাল ঢাকা আসছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গত বছরের নয়াদিল্লি সফরেরই ফিরতি হিসেবে এ সফর।
ড. মনমোহনকে স্বাগত জানাতে ঢাকা এখন প্রস্তুত। নেওয়া হয়েছে নিশ্চিদ্র
নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তার সফর উপলক্ষে অন্যান্য প্রস্তুতিও ইতোমধ্যে সম্পন্ন
হয়েছে। মনমোহনের সফরে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘ দিনের বিভিন্ন
সমস্যার সমাধান হতে যাচ্ছে। এ সময় দুই দেশের মধ্যে তিনটি চুক্তি, সাতটি
সমঝোতা স্মারক ও একটি প্রটোকল স্বাক্ষর হবে। তবে এর বাইরেও আরও বেশ কয়েকটি
ইস্যুতে নেওয়া হবে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। যা দুই দেশ ছাপিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার
দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করছেন
বিশ্লেষকরা। আগামীকাল বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে ভারতের একটি বিশেষ বিমানে ড.
মনমোহন সিং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছবেন। তাকে স্বাগত
জানাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সন্ধ্যায় দুই প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক
দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হবেন। এর আগে আধ ঘণ্টা তারা একান্তেও বৈঠক করবেন।
মনমোহন সিং তার সফরে বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া এবং মহাজোটের শরিক
সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন। তিনি
বাংলাদেশের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার জন্য একটি মধ্যাহ্ন ভোজে
অংশ নেবেন।
ইতোমধ্যেই মনমোহন সিং বিরোধী পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেছেন। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধির মাধ্যমে বাংলাদেশ সংলগ্ন রাজ্যগুলোর সব-পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সেখানে বিদ্যমান সমস্যা ও তার নিরসনের পদ্ধতি নির্ধারণ করেছেন। সেগুলোর সমাধানের জন্যই তিনি সঙ্গে করে ওই রাজ্যগুলোর মুখ্যমন্ত্রীদের ঢাকা আনছেন। মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার, আসামের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গাগৈ, মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা এবং মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী পুলাল থানওয়ালারও আসছেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির আসার কথা থাকলেও তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে আপত্তি জানিয়ে শেষ মুহূর্তে তিনি সফর বাতিল করেছেন বলে জানা গেছে। তারপরও ভারতের ইতিহাসে এবারই প্রথম এতসংখ্যক মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হচ্ছেন। প্রধান বিরোধী দল বিএনপিও মনমোহনের সফরকে স্বাগত জানিয়েছে।
ইতোমধ্যেই মনমোহন সিং বিরোধী পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেছেন। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধির মাধ্যমে বাংলাদেশ সংলগ্ন রাজ্যগুলোর সব-পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সেখানে বিদ্যমান সমস্যা ও তার নিরসনের পদ্ধতি নির্ধারণ করেছেন। সেগুলোর সমাধানের জন্যই তিনি সঙ্গে করে ওই রাজ্যগুলোর মুখ্যমন্ত্রীদের ঢাকা আনছেন। মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার, আসামের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গাগৈ, মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা এবং মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী পুলাল থানওয়ালারও আসছেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির আসার কথা থাকলেও তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে আপত্তি জানিয়ে শেষ মুহূর্তে তিনি সফর বাতিল করেছেন বলে জানা গেছে। তারপরও ভারতের ইতিহাসে এবারই প্রথম এতসংখ্যক মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হচ্ছেন। প্রধান বিরোধী দল বিএনপিও মনমোহনের সফরকে স্বাগত জানিয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন