অপরাহ্নে চেম্বার মিলনায়তনে দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড
ইন্ডাষ্ট্রি’র সাথে এক মতবিনিময় সভায় ওয়াশিংটনস্থ ইন্টারন্যাশনাল মনিটরিং
ফান্ড’র (আইএমএফ) এশিয়া ও প্যাসিফিক ডিপার্টমেন্ট’র ডেপুটি চীফ মি. ডেভিড
কোয়েন (উধারফ ঈড়বিহ) বলেন- চট্টগ্রাম দেশের সার্বিক উন্নয়নে “ড্রাইভিং রোল”
হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। ভৌগোলিক ও প্রাকৃতিক কারণেই বিশ্বের অন্যান্য
উন্নত দেশের সাথে চট্টগ্রামের শক্তিশালী ব্যবসায়িক সম্পর্ক বিদ্যমান। তাই
চট্টগ্রামের যথাযথ গুরুত্ব বৃদ্ধি ও উপলব্ধির মাধ্যমে এর উন্নয়নে অধিক
বিনিয়োগ প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। ডেভিড কোয়েন বাংলাদেশের উৎপাদনশীলতা
বৃদ্ধি ও সার্বিক অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখতে আইএমএফ এগিয়ে আসবে বলে জানান।
তিনি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং দারিদ্র বিমোচনে বর্তমান
সরকারের কর্মকান্ডের প্রশংসা করে ভিশন-২০২১ পূরণের মাধ্যমে একটি মধ্যম আয়ের
দেশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রথমবারের মত আইএমএফ’র প্রতিনিধিদলকে চেম্বার কার্যালয়ে স্বাগতঃ জানিয়ে চেম্বার সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহবুবুল আলম নির্দিষ্ট সময়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতা সংগঠনের ঋণ পরিশোধে বাংলাদেশের সুনামের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন বাংলাদেশে এখনো প্রায় ৪০% মানুষ দারিদ্র সীমার নীচে বসবাস করে। তাই মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি ও ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে এদেশের বিভিন্ন উৎপাদনশীল ও উন্নয়নমূলক খাতে সহজ শর্তে এবং কমসুদে ঋণ সুবিধা প্রত্যাশা করেন। তিনি দেশের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনেও উক্ত আর্থিক সংস্থার সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় চেম্বার পরিচালকবৃন্দ সর্বজনাব মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, আশিক ভূঁইয়া, ছৈয়দ ছগীর আহমদ, মোঃ অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), মোরশেদ আরিফ চৌধুরী ও আফসার হাসান চৌধুরী (জসিম) উপস্থিত ছিলেন।সভায় চেম্বার পরিচালকবৃন্দও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। এ সময় মাহফুজুল হক শাহ বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশে সহজ শর্তে সহায়তা প্রদানসহ কৃষি ও পর্যটন খাতের উন্নয়ন, মোহাম্মদ এমদাদুল হক চৌধুরী তৈরী পোশাক খাতে, মোহাম্মদ শাহিন আলম বেসরকারী খাতের উন্নয়নে অধিক বিনিয়োগে, ক্যাপ্টেন শফি চৌধুরী বন্দরসহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও স্বাস্থ্য সেবা সম্প্রসারণে, সৈয়দ জামাল আহমেদ শেয়ার বাজার স্থিতিশীল রাখায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণসহ জ্বালানী ও বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে অধিক বিনিয়োগের আহবান জানান। এসব বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে আইএমএফ’র সিনিয়র ইকোনোমিস্ট জুলস্ লিস্টার (ঔঁষবং খবরপযঃবৎ) বেসরকারী খাতের উন্নয়নসহ বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলোর অনুদান প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে উল্লেখ করে তার সদ্ব্যবহার করার আহবান জানান। এ প্রসংগে বাংলাদেশস্থ আইএমএফ প্রধান ইটেরী কেভিনট্রেজ (গং. ঊঃবৎর কারহঃৎধফুব) চট্টগ্রামকে আঞ্চলিক অখন্ডতা ও বিজনেস হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চট্টগ্রাম বন্দরের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রতিনিধিদলের উপস্থিত অন্যান্য সদস্যবৃন্দ হলেন আইএমএফ’র সিনিয়র ইকোনোমিস্টবৃন্দ যথাক্রমে জেরার্ড জে. আলমিকিন্ডার্স (এবৎধৎফ ঔ. অষসবশরহফবৎং), সেং গুয়ান তোহ্ (ঝবহম এঁধহ ঞড়য) এবং আবুল কাসেম।
প্রথমবারের মত আইএমএফ’র প্রতিনিধিদলকে চেম্বার কার্যালয়ে স্বাগতঃ জানিয়ে চেম্বার সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহবুবুল আলম নির্দিষ্ট সময়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতা সংগঠনের ঋণ পরিশোধে বাংলাদেশের সুনামের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন বাংলাদেশে এখনো প্রায় ৪০% মানুষ দারিদ্র সীমার নীচে বসবাস করে। তাই মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি ও ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে এদেশের বিভিন্ন উৎপাদনশীল ও উন্নয়নমূলক খাতে সহজ শর্তে এবং কমসুদে ঋণ সুবিধা প্রত্যাশা করেন। তিনি দেশের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনেও উক্ত আর্থিক সংস্থার সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় চেম্বার পরিচালকবৃন্দ সর্বজনাব মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, আশিক ভূঁইয়া, ছৈয়দ ছগীর আহমদ, মোঃ অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), মোরশেদ আরিফ চৌধুরী ও আফসার হাসান চৌধুরী (জসিম) উপস্থিত ছিলেন।সভায় চেম্বার পরিচালকবৃন্দও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। এ সময় মাহফুজুল হক শাহ বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশে সহজ শর্তে সহায়তা প্রদানসহ কৃষি ও পর্যটন খাতের উন্নয়ন, মোহাম্মদ এমদাদুল হক চৌধুরী তৈরী পোশাক খাতে, মোহাম্মদ শাহিন আলম বেসরকারী খাতের উন্নয়নে অধিক বিনিয়োগে, ক্যাপ্টেন শফি চৌধুরী বন্দরসহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও স্বাস্থ্য সেবা সম্প্রসারণে, সৈয়দ জামাল আহমেদ শেয়ার বাজার স্থিতিশীল রাখায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণসহ জ্বালানী ও বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে অধিক বিনিয়োগের আহবান জানান। এসব বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে আইএমএফ’র সিনিয়র ইকোনোমিস্ট জুলস্ লিস্টার (ঔঁষবং খবরপযঃবৎ) বেসরকারী খাতের উন্নয়নসহ বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলোর অনুদান প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে উল্লেখ করে তার সদ্ব্যবহার করার আহবান জানান। এ প্রসংগে বাংলাদেশস্থ আইএমএফ প্রধান ইটেরী কেভিনট্রেজ (গং. ঊঃবৎর কারহঃৎধফুব) চট্টগ্রামকে আঞ্চলিক অখন্ডতা ও বিজনেস হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চট্টগ্রাম বন্দরের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রতিনিধিদলের উপস্থিত অন্যান্য সদস্যবৃন্দ হলেন আইএমএফ’র সিনিয়র ইকোনোমিস্টবৃন্দ যথাক্রমে জেরার্ড জে. আলমিকিন্ডার্স (এবৎধৎফ ঔ. অষসবশরহফবৎং), সেং গুয়ান তোহ্ (ঝবহম এঁধহ ঞড়য) এবং আবুল কাসেম।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন